Let's Know

Let's Know

Share

News and Infotainment

02/06/2026

শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ঠিক তখন শহীদ ওসমান হাদির ভাই শরীফ ওমর হাদি ফেসবুক স্ট্যাটাসে বললেন- “শহীদ ওসমান হাদির খু/নে র সাথে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং BNP সরকারের কয়েকজন MP_মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাদি হ/ত্যা র সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন।

তিনি আরো বলেন- হাদি হ ত্যা র বিচার না করলে আপনাকেও এরা হ/ত্যা করবে। যেভাবে আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হ/ত্যা করছে। হাদি হ/ত্যার বিচার আপনি না করলে আপনাকে হ/ত্যা করলেও কেও বিচার করবেনা। হাদি হ/ত্যা/র বিচার বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য রেড লাইন। হাদি হ/ত্যার বিচার করুন।

এর কিছুক্ষণ পরই আবার আরেকটি স্ট্যাটাসে শরীফ ওমর হাদি বললেন- “শহীদ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র পেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামাতের একজন পিএস জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।”

ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদি বাংলাদেশ সময় ৩ জুন মাঝ রাতে রাত ১টার পর এই দুটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এই দুই স্ট্যটাস নিয়ে প্রচুর আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে।

02/06/2026

বাংলাদেশে শহীদ ওসমান হাদী হ ত্যা কা ণ্ড নিয়ে যখন মুখ খুলেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, তখন শহীদ ওসমান হাদির ভাই Sharif Omar Hadi ফেসবুক স্ট্যাটাসে বললেন- “শহীদ ওসমান হাদির খু/নে র সাথে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং BNP সরকারের কয়েকজন MP_মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, হাদি হ/ত্যা র সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন।


এর কিছুক্ষণ পরই আবার আরেকটি স্ট্যাটাসে শরীফ ওমর হাদি বললেন- “শহীদ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র পেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামাতের একজন PS জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।“


এই স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন- “বার্মিংহামের হাইকমিশনার যেহেতু কইছে, তাইলে মনে হয় ঠিকই কইছে! শহীদ ওসমান হাদির বিচার না পাওয়ার জন্য আমি ব্যক্তি জায়গা থেকে সবসময় এই ফালতুটারেই দায় দিবো।


তিনি বলেন- যে শহীদের রক্তের মূল্য সুবিধার বিনিময়ে চুকিয়ে যায় সেই শহীদের বিচার হওয়ার রেকর্ড এই বাংলাদেশে নেই।“

02/06/2026

“আমি অব্যর্থভাবে জাতিসংঘের সনদ সমুন্নত রাখবো এবং প্রেসিডেন্টের আচরণবিধি অনুসারে প্রেসিডেন্সির কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে পরিচালনা করবো।“

এ কথা বলেছেন- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সদ্য নির্বাচিত জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান।


তিনি আরো বলেন, আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবো। আমি আমার কাজের সময় সব সদস্য রাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করবো। আমি আমার ব্যক্তিগত মতামতকে পিজিএ হিসেবে আমার কাজে হস্তক্ষেপ করতে দেবো না। আমি পার্থক্য উপেক্ষা না করে সাধারণ ভিত্তি সন্ধান করবো।

মঙ্গলবার (২ জুন) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি বলেন, আমি সব সদস্য রাষ্ট্রকে প্রেসিডেন্ট অফিসের কাজ পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য পিজিএ ট্রাস্ট ফান্ডে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছি। একটি শক্তিশালী ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের জন্য পর্যাপ্ত দীর্ঘমেয়াদি তহবিল নিশ্চিত করতে আমি তাদের সঙ্গে কাজ করবো।


তিনি আরো বলেন, ইউএনজিএ সভাপতি হিসেবে, আমি বিশ্বাস, পুনর্গঠন, ঐকমত্য লালন এবং সৎ বিশ্বাসের আলোচনার জন্য জায়গা উন্মুক্ত করতে নিজেকে উৎসর্গ করবো, যা সবার মালিকানাধীন সব ধরনের ফলাফলের দিকে পরিচালিত করবে। ভৌগোলিক, লিঙ্গ ও ভাষাগত ভারসাম্য প্রতিফলিত করে আমি আমার অফিস সংগঠিত করবো।



খলিলুর রহমান বলেন, আজ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আমাকে পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করেছে। আমি নম্রতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন একটি ফলপ্রসূ অধিবেশন হবে। কারণ অ্যাসেম্বলিকে জাতিসংঘের সংস্কার, বিশ্ব উন্নয়ন এজেন্ডার পরবর্তী প্রজন্মের প্রস্তুতি এবং পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের সঙ্গে জাতিসংঘের নেতৃত্বের রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য আহ্বান জানানো হবে।


খলিলুর রহমান আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানির নিরাপত্তাহীনতা এবং উন্নয়নের বিভাজন বৃদ্ধিসহ আমাদের সামনে ইতোমধ্যে জরুরি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর পাশাপাশি এগুলো উন্মোচিত হবে।’



এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য পরবর্তী অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে, আমি আমার ভিশন স্টেটমেন্টে উল্লিখিত ছয়টি অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করবো। এগুলো হচ্ছে—শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি ত্বরান্বিত করা, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব, মানবাধিকার, মানবিক কর্মকাণ্ড, শরণার্থী ও অভিবাসী, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য বহুপাক্ষিকতা, ইউএন ৮০ সংস্কার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক শাসন।

02/06/2026

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপিকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেছেন, জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির নেতারা সবাই “গুপ্ত জামায়াতের সদস্য” এবং নির্বাচনের সময় তারা দলের পক্ষে ভোট না দিয়ে জামায়াতকে সহযোগিতা করেছেন।

শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদল আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন হারুনুর রশিদ।


তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “বর্তমান জেলা বিএনপির দায়িত্বে থাকা সবাই গুপ্ত জামায়াতের সদস্য। নির্বাচনের সময় তারা দলের জন্য কাজ করেনি। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, কেউ বিএনপির ভোট করেনি। তাই দলের চেয়ারম্যানের কাছে অনুরোধ, বিষয়টি তদন্ত করা উচিত।”


নির্বাচনের সময় দলের কিছু নেতা প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে রাস্তা অবরোধ ও মশাল মিছিল করেছে এবং প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে রেল অবরোধ পর্যন্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এসব বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।



হারুনুর রশিদ ছাত্রদলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সংগঠনটিকে আদর্শ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
তার বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি যা বলেছি, সেটাই আমার মন্তব্য। এর বেশি কিছু বলার নেই।”


হারুনুর রশিদের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম (রফিক চাইনিজ)।

তিনি বলেন, “জেলা বিএনপির কমিটি তারেক রহমানের দেওয়া। ২০২১ সালে গঠিত কমিটি প্রকাশ্যে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। তাই তাদের ‘গুপ্ত’ বলা ভিত্তিহীন।”


তার দাবি- হারুনুর রশিদ অতীতে সরকারের পক্ষে বক্তব্য দিয়ে দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন এবং নির্বাচনেও পরাজিত হয়েছেন। তার ভাষায়, “পরাজয়ের পর এখন ব্যক্তিগত বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।”


এদিকে জেলা বিএনপির সদস্য ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ওবায়েদ পাঠানও হারুনুর রশিদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, জেলা বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একটি শক্তিশালী সংগঠন। বরং হারুনুর রশিদ নিজেই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।


এই বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্য রূপ নিচ্ছে।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka