Elozaa Digi Tech
Elozaa.com is the largest online shopping store in Bangladesh and Elozaa Digi Tech is a part of Eloazz.com.
18/05/2025
২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মেহদী হাসান খানের হাত ধরে জন্ম নেওয়া এই সফটওয়্যারটি শুধু একটি টাইপিং টুল নয়, এটি বাংলা ভাষার ডিজিটাল প্রসারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
২২ বছর পরে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা পেলো অভ্র। আজ বৃহস্পতিবার অভ্রর স্রষ্টা মেহদী ও তার দলের হাতে একুশে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তবে যতটা সহজ ভাবছেন, এই কিবোর্ডের পথচলা কিন্তু মোটেই সহজ ছিল না।
অভ্র কিবোর্ড যেভাবে কাজ করে
অভ্র কিবোর্ড একটি ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো ফোনেটিক টাইপিং পদ্ধতি। ব্যবহারকারী ইংরেজি অক্ষরে বাংলা শব্দের উচ্চারণ লিখলে, সফটওয়্যারটি তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলা বর্ণে রূপান্তর করে।
উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজিতে 'ami' লিখলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে 'আমি' হয়ে যায়। এ ছাড়া, অভ্রতে বিভিন্ন কিবোর্ড লেআউট (যেমন: প্রভাত, মুনীর অপটিমা, অভ্র ইজি) রয়েছে, যা পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন ব্যবহারকারীরা। উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস—সব অপারেটিং সিস্টেমে সমানভাবে কাজ করে অভ্র।
বাংলা ভাষাকে সহজতর করতে অভ্র যেভাবে কাজ করেছে
অভ্র কিবোর্ডের আগে বাংলা টাইপিং ছিল জটিল ও সময়সাপেক্ষ। ২০০৩ সালের আগে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বাংলা টাইপিংয়ের প্রধান মাধ্যম ছিল বিজয় কিবোর্ড, যেটি ইউনিকোড সমর্থন করত না। ফলে ইন্টারনেটে বাংলা লেখা প্রায় অসম্ভব ছিল। এ সংকট থেকেই জন্ম নেয় অভ্র।
মেহদী হাসান খান নিজের উদ্যোগে ভিজ্যুয়াল বেসিক ডটনেট ব্যবহার করে ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার তৈরি করেন। এর ফোনেটিক পদ্ধতি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য বাংলা টাইপিংকে সহজলভ্য করে তোলে। ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে অভ্রর প্রথম সংস্করণ মুক্তি পায়। অভ্র ওপেন সোর্স এবং বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়।
অন্যদিকে বিজয় একটি বাণিজ্যিক সফটওয়ার। টাকা খরচ না করে আপনি বৈধভাবে এই এই সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন না।
বিজয়ের আগ্রাসন
'বিজয়' সফটওয়্যারের সত্ত্বাধিকারী আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রধান নির্বাহী আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ২০১০ সালে প্রথম প্রকাশ্যে অভ্রকে ব্যবসায়িক হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করেন তিনি। বাধা দিতে শুরু করেন এর প্রসারে।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে বছর এপ্রিলে একটি সংবাদপত্রের নিবন্ধে অভ্রকে ইঙ্গিত করে জব্বার অভিযোগ করেন, হ্যাকাররা তার 'বিজয়' সফটওয়্যারটি চুরি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে। অভ্র কিবোর্ডকে পাইরেটেড সফটওয়্যার হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।
অভ্র কিবোর্ডের বিরুদ্ধে একাধিকবার আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন মোস্তাফা জব্বার। অভ্রকে 'পাইরেটেড সফটওয়্যার' দাবি করার পাশাপাশি এর ইউনিবিজয় লে-আউটকে তার প্যাটেন্টকৃত বিজয় কিবোর্ডের নকল বলে অভিযোগ করেন।
এ নিয়ে ২০১০ সালে তিনি কপিরাইট অফিসে অভিযোগ করেন। যার ফলে মেহদী হাসান খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয় এবং অভ্র থেকে ইউনিবিজয় লে-আউট সরিয়ে নেওয়া হয়। জব্বারের কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৫ সালে গুগল প্লে স্টোর থেকে অভ্রভিত্তিক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ রিদমিক কিবোর্ড সরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও পরে নতুন লেআউট নিয়ে এটি আবার প্লে স্টোরে ফিরে আসে।
ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৮ সালের মন্ত্রীসভায় টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন মোস্তাফা জব্বার। তথ্য ও প্রযুক্তি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। অভ্রর জনপ্রিয়তাকে বাধাগ্রস্ত করতে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বিজয় কিবোর্ড বাধ্যতামূলক করে।
তবে এর কারণ হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ জানায়, বিজয় কি-বোর্ড 'বাংলা লেখার জাতীয় মান' হয়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ সব ধরনের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ কিট বা এপিকে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করে—অর্থাৎ নতুন ফোন ব্যবহারকারীর হাতে যাওয়ার আগেই সেখানে থাকতে হবে বিজয় কিবোর্ড।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
অভ্রকে ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম, মাইক্রোসফট এবং সফটপিডিয়া স্বীকৃতি দিয়েছে।
অভ্রর বৈশিষ্ট্য ও জনপ্রিয়তা
অভ্র মূলত ওপেন সোর্স এবং বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য একটি সফটওয়্যার। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো-
১. ফোনেটিক টাইপিং: ইংরেজি অক্ষর দিয়ে বাংলা উচ্চারণ লিখলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলায় পরিবর্তিত হয়।
২. বিভিন্ন লেআউট: অভ্রতে প্রভাত, মুনীর অপটিমা, অভ্র ইজি, জাতীয়সহ বিভিন্ন বাংলা কী-বোর্ড লেআউট রয়েছে।
৩. প্ল্যাটফর্ম স্বাধীনতা: এটি উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে কাজ করে।
৪. ফ্রি ও ওপেন সোর্স: অভ্রর সোর্স কোড উন্মুক্ত, তাই এটি সহজেই উন্নয়ন করা সম্ভব।
এ সফটওয়্যার দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। বিশেষ করে ফেসবুক, ব্লগ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বাংলা লেখার সুবিধা থাকায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, অভ্র শুধু একটি সফটওয়্যার নয়, এটি একটি আন্দোলন—বাংলা ভাষাকে মুক্ত করার আন্দোলন। এটি প্রমাণ করেছে, প্রযুক্তি শুধু ব্যবসার জন্য নয়, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।
মেহদী হাসান খান ও তার দলের প্রচেষ্টা বাংলা ভাষার ডিজিটাল রূপান্তরে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 'ভাষা হোক উন্মুক্ত'—এ দর্শন নিয়েই অভ্র এগিয়ে চলেছে ভবিষ্যতের পথে।
All Of Your Digital Products Are available At Elozza.com
09/02/2025
হোয়াটসঅ্যাপ কাজ না করলে কী করবেন?
প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা ফোনের সমস্যার কারণে মাঝেমধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই! সমস্যার সমাধান করে দ্রুত অ্যাপটি সচল করার ৬টি কার্যকর উপায় এখানে দেওয়া হলো।
১. হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভার ডাউন কিনা যাচাই করুন
প্রযুক্তিগত কারণে কখনও কখনও হোয়াটসঅ্যাপ-এর সার্ভার ডাউন হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যা আপনার ফোনে নয়, বরং অ্যাপ্লিকেশনে হতে পারে। এটি যাচাই করতে ডাউনডিটেক্টরে গিয়ে দেখে নিন হোয়াটসঅ্যাপ-এর সার্ভার চালু আছে কিনা।
২. অ্যাপ বন্ধ করে পুনরায় চালু করুন
ক্ষুদ্র প্রযুক্তিগত ত্রুটি এড়াতে অ্যাপটিকে দ্রুত রিস্টার্ট করুন। শুধু ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বন্ধ করলেই হবে না, সম্পূর্ণ রিফ্রেশ করে পুনরায় চালু করুন।
৩. হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করুন
মেটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর হোয়াটসঅ্যাপ-এর নতুন ভার্সন লঞ্চ করে। এতে নতুন ফিচার তো যোগ হয়ই, পাশাপাশি আগের ভার্সনের নিরাপত্তা ত্রুটিও সমাধান করা হয়। প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোরে গিয়ে নিশ্চিত করুন যে আপনার অ্যাপটি সর্বশেষ ভার্সনে আপডেট করা আছে।
৪. ফোন রিস্টার্ট করুন
ফোন রিস্টার্ট করলে অপারেটিং সিস্টেম রিফ্রেশ হয় এবং অনেক অস্থায়ী ত্রুটি মিটে যায়। হোয়াটসঅ্যাপ-এ সমস্যা হলে এটি একবার চেষ্টা করে দেখুন।
৫. ইন্টারনেট কানেকশন পরীক্ষা করুন
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের জন্য ভালো ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত জরুরি। মোবাইল ডাটা বা ওয়াই ফাই কানেকশন ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা যাচাই করুন। প্রয়োজনে রাউটার রিস্টার্ট বা মোবাইল ডেটা টগল করুন।
৬. অ্যাপ ক্যাশে ডিলিট করুন
অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ-এর ক্যাশে ডিলিট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে Settings > Apps > WhatsApp > Storage এর যান। সেখান থেকে Clear Cache অপশনে ক্লিক করুন। এর মাধ্যমে অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট হবে, যা অনেক সময় সমস্যার কারণ হতে পারে।
Purchased Your Digital Products From www.elozaa.com
04/02/2025
জিমেইলে যুক্ত হচ্ছে ‘শিল্ডেড ই-মেইল’ ফিচার:
ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে নিত্যনতুন ফিচার নিয়ে আসছে গুগল। এবার তারই ধারাবাহিকতায় জিমেইলে “শিল্ডেড ই-মেইল” সুবিধা যুক্ত করতে যাচ্ছে গুগল। নতুন এ ফিচারে ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা গোপন রাখার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা থেকে রক্ষা পাবেন।
বর্তমানে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজে প্রায় সবাই ই-মেইল ব্যবহার করে। তবে ই-মেইলে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা জমা হওয়ায় প্রয়োজনীয় বার্তা খুঁজে পেতে কষ্ট হয়। আবার সাইবার অপরাধীরা এই স্প্যাম কলের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতারণাও করে থাকে। এ সব সমস্যা থেকে বাঁচতেই নতুন ফিচার নিয়ে আসছে গুগল।
অ্যান্ড্রয়েড কর্তৃপক্ষের এক নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, গুগল প্লে সার্ভিসের সর্বশেষ সংস্করণ ২৪.৪৫.৩৩ বিশ্লেষণ করে জিমেইলের অটোফিল সেটিংসে শিল্ডেড ই-মেইল সুবিধা উপস্থিত হয়েছে। শিল্ডেড ই-মেইল সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাইলে কোনো ওয়েবসাইটে নিবন্ধন বা অনলাইন সেবা নেওয়ার সময় তাদের ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা গোপন রেখে বিকল্প ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করতে পারবেন। এর ফলে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো স্প্যাম বার্তাগুলো বিকল্প ই-মেইল ঠিকানায় জমা হবে। বিকল্প ঠিকানায় আসা ই-মেইলগুলো পড়ার পাশাপাশি উত্তরও দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
এ বিষয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যাপলের ‘‘হাইড মাই ই–মেইল’’ সুবিধার আদলে তৈরি শিল্ডেড ই–মেইল সুবিধাটি জিমেইল ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। তবে এ সুবিধা বিনা মূল্যে না-কি অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করা যাবে, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানানো হয় নি। ধারণা করা যাচ্ছে, গুগল শিগগিরই নতুন এই ফিচারটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাবে।
Purchased Your Digital Products From
02/02/2025
ভুয়া থার্ড পার্টি অ্যাপস চিনবেন যেভাবে:
আমরা হামেশাই বিভিন্ন অ্যাপস ডাউনলোড করে থাকি। কিন্তু সেক্ষেত্রে ফেক থার্ড পার্টি অ্যাপস এবং অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার কী ভাবে বুঝতে পারব?
প্রথমেই যে অ্যাপস ডাউনলোড করতে চান তার ডেভেলপারের নাম দেখে নিতে হবে। অনেক সময়ে কোনো অ্যাপস সার্চ করার ক্ষেত্রে একই নামে একাধিক অ্যাপস দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে অ্যাপের নাম ও ডেসক্রিপশনও দেখে নেওয়া প্রয়োজন। প্লে স্টোর থেকে যে কোনো অ্যাপস ডাউনলোডের আগে তার রিভিউ, রেটিং ও ডাউনলোড কাউন্ট মিলিয়ে নিলে একটা সম্ভাব্য ধারণা পাওয়া যাবে।
কোন অ্যাপস কবে পাবলিশ হয়েছে, তাও জানা প্রয়োজন। সেখানে সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে অ্যাপস থেকে দূরে থাকুন। এ ছাড়া যে কোনো অ্যাপস আপনার ফোনে কী কী পারমিশন চাইছে, তা দেখেও আপনি ভুয়ো অ্যাপস চিনতে পারবেন। কোনো অ্যাপস আপনার ফোনে অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা, অডিও, লোকেশন, ফোন কল অথবা অন্য যে কোনো পারমিশন চাইলে তা ভুয়া অ্যাপস হতে পারে।
সেগুলি দিয়ে সাইবার প্রতারণার সম্ভবনা থাকে। গুগল প্লে প্রোটেক্টের সাহায্যে অ্যাপস এবং ডিভাইসকে ম্যালওয়ারের হুমকি থেকে রক্ষা করতে পারেন। সে জন্য প্লে স্টোর অ্যাপে প্রোফাইল আইকনে যান এবং প্লে প্রোটেক্টে ট্যাপ করুন, সেটিংসে প্লে প্রোটেক্ট দিয়ে স্ক্যান অ্যাপস চালু করুন।
আপনার ডিভাইসটি ভেরিফাই সার্টিফাইড করে নিতে পারেন। এজন্য গুগল প্লে স্টোর অ্যাপস খুলুন। উপরের ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন। সেটিংসের যান এবং আপনার ডিভাইসটি প্লে প্রোটেক্ট সার্টিফাইড কি না, পরীক্ষা করুন। কোনো অ্যাপে প্রচুর বানান বা ব্যাকরণগত ভুল খুঁজে পেলে তা ভুয়া অ্যাপস হতে পারে। কোনো বিশ্বস্ত ডেভেলপার এমন ভুল করবে না।
Purchased Your Digital Products License From WWW.ELOZAA.COM
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the school
Address
Rainbow Valley, Faser Tek Road
Dhaka
1212