Bluebox

Bluebox

Share

Clothing brand

10/12/2025

নরমাল but গর্জিয়াস ফ্রক। ৮/৯ বছরের বাচ্চাদের জন্য। 🥰

23/10/2025

২০২২ সালের জুন মাসে, বুদাপেস্টে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ চলছিল।
অ্যানিটা আলভারেজ—মেক্সিকান বংশোদ্ভূত এক আমেরিকান আর্টিস্টিক সাঁতারু—
দারুণ নিখুঁত এক রুটিন পারফর্ম করছিলেন।
কিন্তু পারফরম্যান্স শেষ হওয়ার পর…
তিনি আর জলে ভেসে উঠলেন না।

তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন।
তাঁর দেহ কয়েক সেকেন্ড ভেসে ছিল, তারপর ধীরে ধীরে ডুবে যেতে লাগল।
ধীরে ধীরে… একেবারে পুলের তলায়।

দর্শকেরা বুঝতেই পারল না। বিচারকরাও না।
সবাই হাততালি দিচ্ছিল।

কিন্তু তার কোচ, আন্দ্রেয়া ফুয়েন্তেস, বুঝতে পেরেছিলেন।
তিনি অ্যানিটাকে ভালো করে চিনতেন—
জানতেন পারফর্মেন্সের পর ওর কত সময় লাগে উপরে ভেসে উঠতে।
তিনি হৃদয় দিয়ে অনুভব করেছিলেন—কিছু একটা গড়বড় হচ্ছে।

আর এক মুহূর্ত দেরি না করে ঝাঁপিয়ে পড়লেন জলে।
পোশাক পরে, জুতো পায়ে… একটুও চিন্তা না করে।

সোজা তলিয়ে গেলেন, কোমর ধরে তুলে আনলেন অ্যানিটাকে।
তিনি তাঁকে বাঁচিয়ে আনলেন।

এই ঘটনাটা আমাকে একটা প্রশ্নে আটকে দিয়েছে…

তোমার জীবনে কে আছে, যে তোমার হাসির আড়ালেও বুঝে ফেলবে—তুমি ঠিক নেই?
কে ঝাঁপিয়ে পড়বে তোমার জন্য, যখন তুমি আর নিজে উঠে আসার শক্তি রাখো না?

আর তার থেকেও বড় প্রশ্ন…

তুমি কি এমন একজন কারো জীবনে?
তুমি কি যথেষ্ট খেয়াল রাখো তোমার প্রিয়জনদের,
যেন বুঝে ফেলতে পারো—কখন তারা ভেতরে ভেঙে পড়ছে?
না কি তুমিও শুধু একজন দর্শক, যে হাততালি দিচ্ছে—
আর বুঝতেই পারছে না, তারা ভিতরে ভিতরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে?

এই জীবনে, আমাদের প্রয়োজন এমনই একজনের। Ki

(সংগৃহীত)

08/07/2025

বান্দা দুনিয়াতে যা-ই হারায়, এর ক্ষতিপূরণ মেলে। কিন্তু যখন আল্লাহকে হারায়, তার ক্ষতিপূরণ হয় না।

Send a message to learn more

29/06/2025

🚨 বিলিওনিয়াররা সন্তান জন্মদানের রেকর্ড করছে আর আমাদের শেখানো হচ্ছে দুটি সন্তানই যথেষ্ট!

🔹 সম্প্রতি এলন মাস্ক ১২তম সন্তানের বাবা হয়েছেন। জেফ বেজোসের ৪ সন্তান, বিল গেটসের ৩ সন্তান—যিনি বিশ্বজুড়ে ডি-হিউম্যানাইজেশন প্রজেক্টে (মানুষের সংখ্যা কমানোর প্রকল্প) সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছেন এবং এনজিওতে কোটি কোটি ডলার দান করেছেন!
🔹 ব্ল্যাকরকের সিইও ল্যারি ফিঙ্কেরও ৩ সন্তান, বিনিয়োগ সম্রাট ওয়ারেন বাফেটের ৩ সন্তান, হ্যারি পটার লেখিকা জে. কে. রাউলিংয়েরও ৩ সন্তান।
🔹 ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও ৩ কন্যার জনক।

🟢 এদের সবার চেয়েও বড় কথা, পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ধনী পরিবারের অনেকেই সন্তান জন্ম দেওয়ার দিক দিয়ে রেকর্ড গড়েছেন:
১. Frank VanderSloot - ১৪ সন্তান
২. Farris Wilks - ১১ সন্তান
৩. David Duffield - ১০ সন্তান
৪. Jerry Moyes - ১০ সন্তান
৫. Nelson Peltz - ১০ সন্তান
৬. Richard Schulze - ১০ সন্তান
৭. Fred Smith - ১০ সন্তান
৮. Elon Musk - ১২ সন্তান
৯. Scott Smith - ৯ সন্তান

Frank VanderSloot বলেছিলেন,
“পিতামাতা হওয়া জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং সবচেয়ে আনন্দের বিষয়।”
এখন ভাবুন, আমরা সাধারণ মানুষ বা মুসলমানরা যদি এই কথাটা বলি, সাথে সাথে এনজিও-সমর্থিত প্রচারণা শুরু হবে—“মুসলমানরা খালি বাচ্চা ফুটাচ্ছে”, “পরিবার ছোট রাখো” ইত্যাদি!

🔴 কিন্তু বাস্তবতা হলো—যারা পৃথিবীর রাজনীতি, অর্থনীতি আর প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করছে, তারাই নিজেদের পরিবারে বেশি বেশি সন্তান নিচ্ছে। তারা কিন্তু ফ্যামিলি প্ল্যানিং মেনে সন্তান সীমিত রাখছে না! অথচ তারা ফান্ডিং করা এনজিওগুলোর মাধ্যমে আমাদের দেশে, আমাদের পাঠ্যপুস্তকে, আমাদের টিভির বিজ্ঞাপনে “দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো” শ্লোগান ঢুকিয়ে দিয়েছে!

🛑 এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য স্পষ্ট—মুসলিম ও উন্নয়নশীল দেশের মানুষের সংখ্যা যেন বাড়তে না পারে, যাতে আমরা সংখ্যায় কমে গিয়ে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি।

⚠️ অথচ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ স্পষ্টভাবে বলেছেন:
“বিয়ে করো এবং বেশি বেশি সন্তান জন্ম দাও; আমি কিয়ামতের দিন তোমাদের সংখ্যা দেখে গর্বিত হব।”
(সুনান আবু দাউদ)
আমরা নবীর আদেশ ভুলে গেছি, আর পশ্চিমারা ও তাদের দোসররা নিজেদের দেশে বেশি সন্তান নিয়ে শক্তি বৃদ্ধি করছে। এটা বোঝা জরুরি—
✅ তাদের দেশে বেশি সন্তান ভোগের জন্য, ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য
✅ আমাদের দেশে সন্তান কমাতে শেখানো হচ্ছে, আমাদের শক্তি ভাঙার জন্য

👉 তাই মুসলিম পরিবারগুলোকে নতুন করে ভাবতে হবে—কীভাবে আমরা নিজেরাই নিজেদের দুর্বল করছি “দুটি সন্তানের বেশি নয়” মানতে গিয়ে, যেখানে আমাদের শত্রুরা নিজেরা বেশি বেশি সন্তান নিয়ে আমাদের চেয়ে সংখ্যায়-শক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে!
(Copied)



ছবি- ইলন মাস্কের সন্তান-সন্ততি

04/06/2025

"আইন মেনে চলা" একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা সমাজকে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ করে তোলে। আইন মেনে চলার ফলে ব্যক্তিগত ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়, এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় থাকে।

আইন মেনে চলার ফলে আমরা বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করি,
যেমন -
--আমাদের জীবনে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, যা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নির্বিঘ্নে করতে সাহায্য করে।
-- সমাজে অপরাধ কমে এবং সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।
-- সমাজে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
-- বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বাড়ে।

-- সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।

---সমাজে নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায় এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।

আইন মানার অন্যান্য ক্ষেত্রসমূহ--
সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলা:
--ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালানো, হেলমেট ব্যবহার করা, সিটবেল্ট ব্যবহার করা ইত্যাদি।

কর পরিশোধ করা: নিয়মিত কর পরিশোধ করা, যা দেশের উন্নয়নে সাহায্য করে।

কর্মক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলা: কর্মক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী ও নিয়মকানুন মেনে চলা।

অন্যের অধিকারের প্রতি সম্মান করা: অন্যের অধিকারকে সম্মান করা এবং তাদের ক্ষতি না করা।

আইন মেনে চলার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, এবং সুস্থতা বজায় থাকে।

আইন মেনে চলা একটি দায়িত্বশীল নাগরিকের পরিচয়, যা সমাজে শান্তি ও উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

দুঃখজনক ব্যপার হলো আইন মেনে চলা সম্পর্কিত এই ছোট্ট সফটওয়্যারটা বাঙালীদের মাথায় ইনস্টল করা নেই। 😰

31/05/2025

নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন বন্দী করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিল।

শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাঁটাওয়ালা সিংহাসনে বসিয়ে ও ছেঁড়া জুতা দিয়ে পিটিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিল, তখন হাজার হাজার মানুষ সেই তামাশা দেখে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিল! মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুইশত বছরের গোলামি সাদরে গ্রহণ করেছিল ওভাবেই।

একটি মজার তথ্য দেই। লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখেছেন, নবাবকে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুঁড়ত তবে ইংরেজদের করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো।

আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান, গোলাবারুদ সহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা । কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯ শত জনই ছিল হাতেপায়ে ধরে নিয়ে আসা সৌখিন ব্রিটিশ অফিসার যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিল না, এরা কোনোদিন যুদ্ধও করেনি।

এত কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলেন এবং জিতবেন জেনেই নেমেছিলেন। কারণ, তিনি খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্ত করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই, বড় সৈন্যবাহিনী এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো। যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুঁকি তিনি কেন নেবেন?

এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটি সহ বাকিগুলোর পরিণতিও তাদের নবাবের মতোই হবে এবং হয়েছেও তাই।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগম সহ প্রত্যেকটি বেইমানের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেঈমানির উপর ভরসা করে যুদ্ধ করতে আসেননি। তিনি যুদ্ধে নেমেছিলেন বাঙালির মানসিকতা নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আন্দাজ করে। তিনি জানতন, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবকে হেনস্থা করলে এই জাতি বিনোদনে দাঁত কেলাবে কিংবা হা করে চেয়ে চেয়ে দেখবে।

তাই বিনা দ্বিধায় সার্টিফিকেট দেয়াই যায়, বাঙালি জাতির মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ!
(Copied)
picture: collected

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00