Medi Kindred
Treatment in Indian best branded Hospitals, Telemedicine, Patient Consultancy, Oxygen supply, Abroad
18/05/2026
একবার একজন মানুষ মদ পান করে মারা যায়। আর একই সময়ে এক নারী আত্মহত্যা করে। তাদের দু’জনের জানাজা একই মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।
তখন কিছু লোক ইমাম আবু হানিফা রহঃ -কে জিজ্ঞেস করলেন: তারা কি জান্নাতে যাবে নাকি তাদের শেষ পরিণতি হবে জাহান্নাম?
তিনি চাইলে- তখন মানুষকে উত্তেজিত করে নানা শাস্তির আয়াত বর্ণনা করে উত্তর দিতে পারতেন। মানুষকে নানা ফ্যাসাদে জড়িয়ে রাখতে পারতেন। কারণ মদ পান করা গুনাহ। আর আত্মহত্যা করা বড় পাপ।
কিন্তু আবু হানিফা বুঝেছিলেন, মানুষের পরিণতি নির্ধারণ করা তাঁর কাজ নয়। তাঁর কাছে জান্নাত খোলার চাবি কিংবা জাহান্নাম বন্ধ করার তালা একটাও নেই। আর তিনি নিজে মানুষের নিয়ত বা শেষ পরিণতির বিচারকও নন।
তখন তিনি প্রজ্ঞাপূর্ণভাবে বললেন। আমি তাদের ব্যাপারে সেই কথাই বলি যা ইবরাহিম আঃ বলেছেন:
যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হয়, নিশ্চয়ই তার রব পরম ক্ষমাশীল এবং দয়ালু।
আর আমি তাদের ব্যাপারে সেই কথাই বলি যা ঈসা আঃ বলেছেন:
তুমি যদি তাদের শাস্তি দাও, তারা তো তোমারই বান্দা। আর যদি তুমি তাদের ক্ষমা কর, তবে নিশ্চয়ই তুমি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।
আর আমি তাদের ব্যাপারে সেই কথাই বলি যা নূহ আঃ বলেছেন:
তাদের সব হিসাব তো আমার রবের কাছেই আছে। যদি তোমরা বুঝতে পারো।
এভাবে তিনি অত্যন্ত প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে বিষয়টি আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেন এবং নিজের অবস্থানকে শুধু একজন বান্দার সীমার মধ্যে রাখলেন।
তিনি কারও পরিণতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। আল্লাহর রহমতের দরজাও বন্ধ করেননি এবং নিজেকে স্রষ্টার আসনেও বসাননি।
আজকের দিনে মানুষের বড় একটি পরীক্ষা হলো- অনেকে সুযোগ পেলেই খুব দ্রুত অন্যদের বিচার করতে এগিয়ে আসে। নিজেদের ইচ্ছামতো জান্নাত-জাহান্নাম বণ্টন করে এবং নিজেদের আল্লাহর রহমতের অভিভাবক মনে করে।
মানুষ কারো কাজ বা চিন্তার সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু কারও সম্পর্কে এই ফয়সালা কখনো দিতে নেই - সে জান্নাতে যাবে নাকি জাহান্নামে। কারণ এটা একমাত্র আল্লাহরই সিদ্ধান্ত।
কারণ তিনিই জান্নাত ও জাহান্নামের মালিক।
তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি সবার চেয়ে অধিক দয়ালু। তিনি প্রজ্ঞা ও ন্যায়ের সাথে যা ইচ্ছা তাই করেন। আর আমরা তাঁর বান্দা, আমরা তাঁর গোলাম। আমাদের সীমা জানা উচিত এবং তা অতিক্রম করা কখনই উচিত নয়।
কিন্তু আমরা কি করি ?
অন্যের মৃত্যু নিয়ে তামাশা করি-যেন নিজে কখনো মারা যাবোনা। অন্যের পাপ অন্বেষণ করি , যেন নিজে পাপী না। আর অন্যকে এতো সহজেই দোযখে পাঠাই যেন নিজে জান্নাতি ছাড়া আর কিছুই না।
12/05/2026
ডায়াবেটিস নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই—সচেতনতা আর নিয়ম মেনে চললেই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:
১️⃣ নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা-
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি হলো নিজের সুগারের অবস্থা জানা।
ফাস্টিং ও খাবারের ২ ঘণ্টা পর সুগার পরীক্ষা করা
HbA1c টেস্ট ৩–৬ মাস পরপর করা
রিপোর্ট অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া
২️⃣ খাবারে নিয়ম ও সংযম-
খাবারই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় অংশ।
কম শর্করা ও কম চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া
সাদা ভাত, চিনি, মিষ্টি, সফট ড্রিংক এড়িয়ে চলা
লাল চাল/আটা, ডাল, শাকসবজি, মাছ ও পরিমিত পরিমাণ মাংস খাওয়া
নির্দিষ্ট সময়ে অল্প অল্প করে খাবার খাওয়া
ফল খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণে সীমিত
৩️⃣ নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়াম-
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা
হালকা ব্যায়াম, যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং
দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে না থাকা
৪️⃣ ওষুধ ও ইনসুলিন সময়মতো নেয়া-
ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া,নিজের ইচ্ছায় ওষুধ কমানো বা বন্ধ না করা!ইনসুলিন নিলে সঠিক সময় ও ডোজ মেনে নেওয়া!
৫️⃣ ওজন নিয়ন্ত্রণ-
অতিরিক্ত ওজন থাকলে ধীরে ধীরে কমানোর চেষ্টা!ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে
৬️⃣ মানসিক চাপ কম রাখা-
অতিরিক্ত টেনশন সুগার বাড়িয়ে দেয়
নামাজ, দোয়া, মেডিটেশন বা পছন্দের কাজে সময় দেওয়া! এবং পর্যাপ্ত ঘুম (৬–৮ ঘণ্টা)
৭️⃣ ধূমপান ও অতিরিক্ত চা-কফি পরিহার-
ধূমপান পুরোপুরি বাদ দেওয়া
অতিরিক্ত চা-কফি ও এনার্জি ড্রিংক এড়ানো
৮️⃣ পা, চোখ ও কিডনির যত্ন-
পায়ে কাটা-ছেঁড়া হলে দ্রুত চিকিৎসা
বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা
কিডনি ফাংশন ও ইউরিন টেস্ট করা
🌿 মনে রাখবেন
ডায়াবেটিস কোনো অভিশাপ নয়। এটি একটি জীবনযাপনভিত্তিক রোগ। নিয়ম, ধৈর্য আর সচেতনতা থাকলে ডায়াবেটিস নিয়েও সুন্দর, কর্মময় ও স্বাভাবিক জীবন কাটানো সম্ভব।
রোহেনা রিপা
রেজিস্টার্ড ফার্মাসিস্ট
Medi Kindred
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
52 B, Malibagh Chowdhury Para
Dhaka