Supreme it solution
We are Supreme IT Solution, your trusted digital partner. We are a conscientious and creative team with over 5 years of experience.
Meta Andromeda খুবি সিম্পল একটা জিনিস ভাই, কিন্তু বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে এটারে কঠিন থেকে কঠিনতর বানাই ফেলছে ভাই ব্রাদাররা।
আসেন খুব সিম্পল একটা লজিক, এক্সপ্লেনেশান আর উদাহরণের মাধ্যমে সহজ করে ব্যাপারটা আপনাকে বুঝাই বলি, সাথে এইটাও বুঝাবনে Meta Andromeda আপনার উপকার করতেছে নাকি অপকার! 😀
মেটা এন্ড্রোমেডা হইতেছে ভাই জাস্ট একটা টেকনলজি, হ্যা স্রেফ একটা টেকনলজি এর থেকে বেশি কিছু না। আসেন একটু টেকনলজিটা বুঝার চেষ্টা করি।
Meta Andromeda হইতেছে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার আর মেশিন লার্নিং এর সংমিশ্রনে ডিজাইন করা একটি নতুন সিস্টেম, যেখানে ব্যবহার হয়েছে MTIA (Meta Training & Inference Accelerator) এবং NVIDIA Grace Hopper Superchip।
**** শুনেন এই টেকনলজি আমি বুঝি নাই, সো আপনার ও বুঝার দরকার নাই। যা পড়ছেন ভুলে যান বাট নিচের গল্পটা খুউউউব মন দিয়ে পড়েন। ওইটাই হইলো গিয়া আসল খেলা। 😀
শুরুতেই বুঝি আগের নিয়ম আর এখনের নতুন নিয়মের মেডা এডের মধ্যে আসলে পার্থক্যটা কোথায়:
আগে Meta শুধু এইটুকু বুঝতে পারতো আপনি জুতার বিজ্ঞাপন দেখেছেন, জুতার পেজে গেছেন, জুতার অ্যাডে ক্লিক করছেন। এতটুকু দেখে বলত - এই মানুষটা জুতা পছন্দ করে।
কিন্তু এখন Andromeda দেখে, আপনি জুতার কোন রঙ পছন্দ করেন, কোন ডিজাইন দেখলে থামেন, কখন স্ক্রল করেন, কখন থামেন, কোন সময় আপনি কেনাকাটা করতে বেশি আগ্রহ দেখান, আপনি ভিডিও বেশি দেখেন নাকি স্ট্যাটিক? আপনি কোন environment এ কিনেন বাড়িতে? অফিস ব্রেকের সময়? রাত ১০টার পর? নাকি ঘুমাতে যাবার আগে? কোন কনটেন্টে আপনি বেশি engage করেন- emotion? realistic? নাকি humor?
উফফফ লিখতে লিখতে টায়ার্ড হয়ে গেলাম। 😀
আচ্ছা যাক টপিকে ফিরি, এই যে উপরে একটা ফিরিস্তি দিলাম এগুলা সব মিলিয়ে ঝিলিয়ে মেটা আপনার একটা বিহেভিওরাল প্যাটার্ন তৈরি করে। আর এই প্যাটার্ন তৈরিতে মেটাকে কে হেল্প করে যানেন?
ওইযে উপরের টেকনলজিটা যেটা আমরা বুঝি নাই! 😀
আশা রাখি মেটা এন্ড্রোমেডা কি জিনিস, এইটার ফলে মেটা মার্কেটিং এর এক্সাক্ট কোন জায়গাটায় পরিবর্তন আসছে এই ব্যাপারটা আপনি এখন পানির মতন ক্লিয়ার।
এখন ফ্যাক্ট যেটা সেটা হইলো, এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হলে আপনাকে কি কি করতে হবে।
আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে অনেক পরিশ্রম। 🤣
রাইট ঠিকই শুনছেন, আপনাকে মেলা পরিশ্রম করা লাগবে ভাই। কোন উপায় নাই। আর এই পরিশ্রমটা আপনাকে করতে হবে কন্টেন্ট বানানোর পিছে টাইম দিয়ে। লজিক বুঝাই, যেহেতু মেটা এখন একজন অডিয়েন্সকে আরো ডিপলি এনালাইসিস করে সো সে এখন আরো বেটার জানে কোন অডিয়েন্সের কাছে কোন কন্টেন্ট পাঠালে আপনার এড আগের থেকে আরো বেটার পারফর্ম করবে। সো আপনাকে এখন একটা কাজই করা লাগবে আর সেইটা হইলো মেটাকে মাল্টিপল অফ কন্টেন্ট এবং মাল্টিপিল অফ ভেরিয়াশনের কন্টেন্ট প্রোভাইড করতে হবে। মেটা যেটা করবে সে একদিকে অডিয়েন্সের ডেপথ বিহেভিওর দেখবে আরেকদিকে আপনার কন্টেন্টে চোখ বুলাবে। যেই অডিয়েন্সের সাথে যেই কন্টেন্ট ম্যাচ করবে বলে মনে হবে সেই অডিয়েন্সকে সেই কন্টেন্টই পাঠাবে।
লেখা কিন্তু শেষ না, আরো আছে পড়তে থাকেন, কাজে আসবে। 😜
আরেকটা জিনিস এন্ড্রোমেডা আপডেট আসার আগে ও কিন্তু মেটা আগে থেকেই বেটার ক্রিয়েটিভিটি, বেটার কন্টেন্ট, বেটার কমিউনিকেশন এইগুলাকে প্রিফার করতো। সে সব সময়ই বলতো আপনি ভালো কন্টেন্ট বানালে ভালো এনগেজমেন্ট পাবেন। আর ভালো এনগেজমেন্ট পেলে আপনার এড রিলেভেন্সি আরো বাড়বে এন্ড এডে আরো ভালো রেসাল্ট আসবে।
তবে এন্ড্রোমেডা আপডেট আসার পর সে এখন আর এটা বলতেছে না, আপনি ভালো কন্টেন্ট বানান, সে বলতেছে আপনি অনেক কন্টেন্ট বানান, ভিন্ন ভিন্ন এঙ্গেল থেকে বানান যেমন problem/solution, storyline, pain point, testimonial ইত্যাদির উপর বেইস করে বানান।
ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাট ব্যাবহার করেন এডে যেমন shorts video, long video, static, carousel, collection ইত্যাদি। ভিন্ন ভিন্ন buyer persona র উদ্দেশ্যে কন্টেন্ট তৈরি করুন যেমন খেজুর একজন মুরব্বি ও খেতে পারে, বাচ্চা ও খেতে পারে আবার একজন এথলেট ও খেতে পারে। এরপর সে এটা ও বলছে ভিন্ন ভিন্ন কনটেক্সট থেকে ও আপনি কন্টেন্ট বানান যেমন শীতকালে ফ্যামিলির জন্য শিতের কাপড় কিনা একটা ফেস্টিভ্যাল এর মত, আবার এটা একটা নিড, আবার এটা ফ্যামিলির প্রতি রেস্পন্সিবিলিটি ও।
উপরেই বলছি কন্টেন্টের পিছনে আপনাকে ভালো এফোর্ট দেয়া লাগবে মাস্ট। বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে আপনাকে কন্টেন্ট মেইক করে সেটা মেটাকে দিতে হবে এখন। আর মেটা ডিসিশন নিবে কোন এঙ্গেলের কন্টেন্ট কোন অডিয়েন্সের কাছে পাঠালে সেটা সেই অডিয়েন্সকে ট্রিগার করতে পারবে।
এই হলো মোটামুটি এন্ড্রোমেডার মেইন ঘটনা, আপনাকে ফেসবুক খুব ক্লিয়ার একটা ডিরেকশন দিছে ভাই অডিয়েন্স টার্গেট এখন আর এড সেটের মধ্যে নাই, অডিয়েন্স টার্গেট এখন ক্রিয়েটিভের ভিতর বা তোমার এডের ভিতর।
আরেকটা জিনিস, আগে আমরা অনেক এডসেট ব্যাবহার করতাম এডে। এখন মেটা বলে এডসেটের পরিমাণ কমাও। কারণ টার্গেট যেহেতু করবানা সো অনেক এডসেট রেখে আসলে লাভ নাই। বরং এডের পরিমাণ বাড়াও।
N.B. উপরের শর্ত গুলা রিটার্গেটিং এডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না ও হতে পারে। আমার মতে একদম ই প্রযোজ্য না। রিটার্গেটে আপনি সেই রিলেভেন্ট ম্যাসেজই দিবেন যেটা আপনার TOFU লেয়ারের ছিল।
ওহ একটা লাস্ট ডিসকাশন রয়ে গেছে, এন্ড্রোমেডা আপনার উপকার করতেছে নাকি অপকার?
যদি আপনার মাল্টি ভেরিয়েশন কন্টেন্ট বানানোর স্ট্রেন্থ থাকে তাহলে ভাই আপনার উপকার করতেছে আর যদি এই স্ট্রেন্থ না থাকে তাইলে ভাই অপকার করতেছে। সোজা সাপ্টা আন্সার দিলাম। 😀
গেলাম আজকে, আসবোনে আরেকদিন নতুন কোন কন্টেন্ট নিয়ে।
18/08/2025
আপনার সফলতার গল্পগুলো শুরু হোক আমাদের হাত ধরেই। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তিগত কাজের প্রতিভা লক্ষ ও কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিন খুব সহজে। শুধু বুস্ট করলেই সেল বাড়েনা, শুধু বুস্ট করলেই ব্রান্ড হয়না।
আপনার প্রোডাক্ট ইন্টারেস্ট কাস্টোমার কে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাদের।
তাই ভুল যায়গায় বুস্ট করে নিজের অর্থ ও পেইজ কে নষ্ট করবেন না।
আমরা দিচ্ছি আপনার পেইজের ১০০ ভাগ নিশ্চয়তার সিকিউরিটি এবং এ্যাডভান্স লেভেল বুস্ট।
আমাদের সার্ভিস সমূহঃ
✅ফেইসবুক এডস
✅গুগল এডস
✅ইউটউব এডস
✅টিকটক এডস
✅গ্রাফিক্স ডিজাইন
✅ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভলাপমেন্ট
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ- 01810-047811
12/08/2025
♻️♻️আপনার মূল্যবান অনলাইন ব্যবসা প্রসারের জন্য বুস্ট বা প্রোমোটে করতে চাচ্ছেন ? তাহলে আমাদের কাছে পাবেন, আপনার বিজনেস এর সাথে মিল রেখে
📊 Advance level এ 100% সঠিকভাবে অডিয়েন্স টার্গেটিং ,সঠিক লোকেশন টার্গেটিং , ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ , FAQ অপশোন এবং সঠিক এড বাজেট সিলেক্ট করে বুস্ট , প্রোমোট করে দেয়া।
♻️যা অল্প সময়ে স্বল্প ব্যায়ে অধিক কাস্টমার এর কাছে আপনার ব্যাবসার পরিচিতি বৃদ্ধি করবে , এবং অধিক রেসপন্স আশা করতে পারবেন।
আর তাই দেরি না করে বুস্ট ,প্রমোট করতে এবং ডিসকাউন্ট পেতে এখনই আমাদের পেইজে ম্যাসেজ দিন বা কল করুন। ধন্যবাদ।
☎️01810-047811
11/08/2025
ধন্যবাদ Bhaiya Housing,
আমাদের টিমের উপর আস্থা রাখার জন্য
11/08/2025
কোকাকোলার সাফল্যের গল্প শুধুমাত্র তার বিখ্যাত পানীয়ের জন্য নয়, বরং এর বিপণন কৌশল, ব্র্যান্ডিং, এবং বিশ্বব্যাপী বিস্তারের জন্যও প্রশংসিত। কোকাকোলা ১৮৮৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়, যখন ফার্মাসিস্ট ড. জন পেম্বারটন একটি বিশেষ সিরাপ তৈরি করেন, যা পরে সোডা ওয়াটারের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হয়। প্রথম দিনে মাত্র ৯ গ্লাস বিক্রি হলেও, শীঘ্রই এর স্বাদ ও সতেজতার কারণে জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। কিছুদিন পর ব্যবসায়ী আসা গ্রিগস ক্যান্ডলার কোকাকোলার Patent কিনে নেন এবং Aggressive মার্কেটিং শুরু করেন।কানডলার কোকাকোলার পানীয়টির জন্য একটি সুদৃশ্য বোতল তৈরি করেন, যা বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত বোতলে পরিণত হয়। “Delicious and Refreshing” স্লোগানের মাধ্যমে কোকাকোলা কেবল একটি পানীয় নয়, বরং আনন্দ ও সতেজতার প্রতীক হয়ে ওঠে।
১৯১৫ সালে কোকাকোলার বোতলের আকৃতি একটি আইকনিক ডিজাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা এখনো আধুনিক কোকাকোলার বোতলগুলোর রূপ। এই বোতলটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত বোতল হয়ে দাঁড়ায়।
কোকাকোলার বিজ্ঞাপনও ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রথম দিকে তাদের বিজ্ঞাপনগুলি মূলত প্রেস এবং সাইনবোর্ডে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে টেলিভিশন, রেডিও, পত্রিকা এবং বিলবোর্ডের মাধ্যমে কোকাকোলা তার প্রচারণা চালায়। ১৯৩০-এর দশকে গ্রেট ডিপ্রেশনের সময় কোকাকোলা নিয়ে আসে সান্তা ক্লজ ক্যাম্পেইন, যা মানুষের মনে আশা ও আনন্দ জাগায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তারা সৈন্যদের জন্য বিনামূল্যে কোক পাঠায়, যা ব্র্যান্ডের প্রতি অসাধারণ বিশ্বস্ততা তৈরি করে। ১৯৭১ সালে “I’d Like to Buy the World a Coke” ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কোক শান্তি, ঐক্য ও মানবিক সংযোগের প্রতীক হয়ে ওঠে।
কোকাকোলার সাফল্য শুধু তার পণ্য বা বিজ্ঞাপনে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিশ্বব্যাপী সঠিক বাজারের বিশ্লেষণ এবং চাহিদার প্রতি সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে তার বিস্তার ঘটিয়েছে। কোকাকোলার ব্যবসায়িক মডেল ছিল অত্যন্ত উদ্ভাবনী, যেখানে স্থানীয় বাজারের চাহিদার অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্বাদ এবং প্যাকেজিং তৈরি করা হতো। এর ফলে, এটি বিশ্বের প্রতিটি কোণায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। ইন্টারপ্রিনিউরদের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষা যে, স্থানীয় চাহিদার প্রতি মনোযোগ দেওয়া এবং সেগুলির সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করা ব্যবসায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সময়ের সাথে সাথে কোকাকোলা তাদের মার্কেটিংয়ে নতুনত্ব আনতে থাকে। ২০১১ সালে শুরু হওয়া “Share a Coke” ক্যাম্পেইনে বোতলে মানুষের নাম ছাপিয়ে দিয়ে ব্র্যান্ড ও গ্রাহকের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি ভাইরাল হয়ে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে।
আজকের দিনে কোকাকোলা বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে বিক্রি হয়, প্রতিদিন প্রায় ১.৯ বিলিয়ন সার্ভিং গ্রহণ করা হয়। তাদের বর্তমান স্লোগান “Taste the Feeling” প্রমাণ করে যে কোক মানে শুধু পানীয় নয়—এটি আনন্দ, সম্পর্ক ও একসাথে কাটানো মুহূর্তের প্রতীক।
সর্বশেষে, কোকাকোলার সাফল্যের গল্প প্রমাণ করে যে, একটি ভালো ব্যবসা মডেল, শক্তিশালী বিপণন, উদ্ভাবনী চিন্তা, এবং সামাজিক দায়িত্বের প্রতি মনোযোগ দিয়ে কোনো উদ্যোক্তা বিশ্বের অন্যতম সফল ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে পারে। এটি ইন্টারপ্রিনিউরদের জন্য একটি মহান উদাহরণ যে, সঠিক পরিকল্পনা এবং মনোযোগ দিয়ে শুরু থেকে সফলতার শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
167/24 Matikata Road (Near ECB Chatter) Matikata
Dhaka
1206