Hair Problems Solution
চুলের যেকোনো সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমা
08/07/2021
❤️শ্যাম্পু করার সঠিক নিয়ম❤️
চুল ধোয়া তো নিত্যদিনের ব্যাপার। এটা আর নতুন করে শেখার কী আছে? এমন ভাবছেন তো ভুল করছেন। কারণ, এই সাধারণ কাজটিও কিছু নিয়ম মেনে করতে হয়। তাড়াহুড়ো বা আলসেমির কারণে আমরা অনেকেই কোনো রকমে চুল ধুয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে যাই। কিন্তু চুলের সঠিক যত্নে এবং চুল পরিষ্কার রাখতে শ্যাম্পু করার কিছু নিয়ম আছে। তা নিচে পর্যালোচনা করা হলো।
কী করব
* প্রথমেই চুলের ধরন বুঝে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার বাছাই করতে হবে।
* শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন।
* এরপর পুরো চুল ভালোভাবে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিতে হবে।
* একটি বাটিতে শ্যাম্পুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে এর ঘনত্ব কমিয়ে নিতে হবে যেন তা চুলের গোড়ায় সহজে পৌঁছাতে পারে।
* ১৫ মিনিট আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে মাথার ত্বক মালিশ করতে হবে। এতে রক্ত সঞ্চালন হবে, যা চুলের গোড়া মজবুত করবে। তা ছাড়া এভাবে চুলের ময়লাও উঠে আসবে।
* ম্যাসাজের সময় মাঝে মাঝে হাতে অল্প করে পানি দিয়ে চুলে ফেনা করতে হবে।
* এবার চুল ভালোমতো ধুয়ে ফেলুন।
* এরপর দ্বিতীয় দফায় শ্যাম্পু করতে হবে। এবার আর ম্যাসাজ নয়। কারণ, ম্যাসাজের ফলে চুলের গোড়া থেকে সিবাম নামের একধরনের তেল নির্গত হয়, এটি থাকলে আর শ্যাম্পু করে লাভ কী? তাই চুল শ্যাম্পু করতে হয় দুইবার।
* পানি দিয়ে ফেনা ধুয়ে ফেলার পর এবার কন্ডিশনার ব্যবহারের পালা। চুলের আগায় কন্ডিশনার লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। মোটা তোয়ালে জড়িয়ে প্রথমে চুলের পানি নিংড়ে নিতে হবে। এরপর ঠান্ডা বাতাস বের হয় এমন হেয়ার ড্রায়ার বা ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নিন।
যা করব না
* শ্যাম্পু করার আগে অনেকেই চুলে তেল দেন, এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে ময়লা চুলে তেল দেওয়া যাবে না।
* চুল ভালো মতো না ভিজিয়ে সরাসরি শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না।
* জোরে জোরে ঘষে ময়লা পরিষ্কারের চেষ্টা করা ঠিক পদ্ধতি নয়।
* কন্ডিশনার গোড়ায় নয়, শুধু আগায় ব্যবহার করতে হবে। এর কাজ চুলকে নরম করা। গোড়ায় এটি লাগালে চুলের গোড়া নরম হয়ে পড়ে যাবে।
* চুল ধোয়া শেষে তোয়ালে দিয়ে জোরে জোরে ঘষে মোছা উচিত না।
* চুলের পানি শুকানোর জন্য গামছা বা তোয়ালে দিয়ে চুল ঝাড়া ঠিক নয়।
* ভেজা চুল আঁচড়ানো উচিত না।
25/06/2021
মেহেদি কি চুল পড়া কমায়?
মেহেদি চুল পড়া রোধ করতে বেশ কার্যকর।
মেহেদি এমন একটি ভেষজ উপাদান, যা চুলের শুষ্কতা ও খুশকি দূর করে, চুল ভেঙে যাওয়া কমায় এবং চুলের আগা ফাটা দূর করে। তবে চুল পড়া কমাতে এই উপাদান সবচেয়ে বেশি কার্যকর। কারণ, মেহেদি ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হয়। তাই রূপ-বিশেষজ্ঞরা চুলে বেশি করে মেহেদি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। চুল পড়া রোধ করতে মেহেদি দিয়ে কয়েকটি হেয়ার প্যাক
১...মেহেদি ও ডিমের সাদা অংশ
একটি ডিমের সাদা অংশ ও তিন টেবিল চামচ মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে রাসায়নিক দ্রব্যসমৃদ্ধ শ্যাম্পুর থেকে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। এই প্যাক ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হবে এবং খুশকি দূর হবে।
২...গ্রিন টি, মেহেদি ও লেবুর রস
চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে গ্রিন টি। চার টেবিল চামচ মেহেদি গ্রিন টির পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি চুল নরম করে, চুল ভেঙে যাওয়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
৩... সরিষার তেল ও মেহেদি
স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য সরিষার তেল খুবই কার্যকর। আর এটি যখন মেহেদির সঙ্গে মেশানো হয়, তখন চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে। সরিষার তেল গরম করে এর মধ্যে মেহেদির পাতা দিয়ে ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার মাথার তালুতে এই তেল দিয়ে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া কমে যাবে।
১...মেহেদি ও ডিমের সাদা অংশ
একটি ডিমের সাদা অংশ ও তিন টেবিল চামচ মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। তবে রাসায়নিক দ্রব্যসমৃদ্ধ শ্যাম্পুর থেকে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো। এই প্যাক ব্যবহারে চুলের গোড়া শক্ত হবে এবং খুশকি দূর হবে।
২...গ্রিন টি, মেহেদি ও লেবুর রস
চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে গ্রিন টি। চার টেবিল চামচ মেহেদি গ্রিন টির পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে এর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে মাথার তালুতে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক চুল পড়া রোধ করার পাশাপাশি চুল নরম করে, চুল ভেঙে যাওয়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
৩... জাফরান অয়েল ও মেহেদি
স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য জাফরান অয়েল খুবই কার্যকর। আর এটি যখন মেহেদির সঙ্গে মেশানো হয়, তখন চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের কাজ করে। মাথার তালুতে মেহেদি ও জাফরান অয়েলের মিশ্রনটি স্কাল্পসহ পুরো চুলে লাগিয়ে, শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। যাদের ঠান্ডার প্রবলেম আছে ৪০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়মিত ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে, চুল পড়া কমে যাবে এবং চুল লম্বা হবে।
24/06/2021
চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে যেসব খাবার
পালংশাক
ভিটামিন ও নানা খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ পালংশাক। এই শাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। হালকাভাবে সিদ্ধ করে একটু নুন-মরিচ দিয়ে যেমন খাওয়া যায়, তেমনি বাহারি নানা পদে রান্না করেও খাওয়া যায় পালংশাক। আর কেবল পালংশাকই নয়, এমন নানা শাকই চুলের জন্য ভালো।
ওট
সকালের নাশতায় দারুণ সংযোজন হতে পারে ওট। ঝটপট নাশতায় দুধে ভিজিয়ে কিংবা কেবল পানিতে ভিজিয়েই ওট খেতে পারেন। দস্তা, তামা, ভিটামিন-বি এবং ভালো মানের প্রোটিনে সমৃদ্ধ ওট। নিয়মিত খাবার তালিকায় ওট রাখতে পারলে বাড়ন্ত চুলের পাশাপাশি আরও অনেক স্বাস্থ্য সুফল পেতে পারেন আপনি।
ডিম
ডিমের পুষ্টি উপাদান দুইভাবে চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করতে পারে। ডিম খাওয়ার পাশাপাশি চুলে ডিম মাখলেও উপকার পাবেন। ডিমের সমৃদ্ধ জৈব প্রোটিন শরীরের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর মতোই চুলকেও পুষ্টি জোগায়। ডিমের সাদা অংশের মতোই কুসুমসহ পুরো ডিমও চুলে মাখা যায়। চুলের যত্নে ডিম খুবই উপকারী।
গাজর
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ গাজর নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। চুলের বৃদ্ধিতে দারুণ উপকারী গাজর। গাজরের এই ভিটামিন মাথার ত্বকে ‘সিবাম’ নামের একটা তৈলাক্ত রাসায়নিক উৎপাদনে সাহায্য করে। এটা চুলের গোড়াসহ মাথার খুলির শুষ্কতা রোধে উপকারী। সকাল-বিকেল কাঁচা গাজর খাওয়ার মতোই নানাপদের রান্নাতেও গাজর রাখতে পারেন।
বাদাম
নানা ধরনের বাদামে পাওয়া যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান এবং তেল ত্বক, চুল, মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডের জন্য দারুণ উপকারী। সাধারণ চীনাবাদাম থেকে শুরু করে, কাজুবাদাম, আখরোট ও অ্যালমন্ড—সবই দারুণ উপকারী খাবার। প্রতিদিনই হালকা খাবার হিসেবে খাওয়ার জন্য নিজের সঙ্গেই অল্প কিছু বাদাম রাখতে পারেন।
মটরশুঁটি
চুলের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান কেরাটিন। মটরশুঁটি ও ডাল এই প্রোটিনে সমৃদ্ধ। শক্তপোক্ত চুলের জন্য নিয়মিত মটর ও ডাল খেতে পারেন। এতে চুলের বৃদ্ধি যেমন হবে, তেমনি চুল থাকবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে।
23/06/2021
আপুরা আজকে তোমাদের জন্য নিয়ে এলাম জবা ফুলের খুব সহজ একটা হেয়ার প্যাক 🌹🌹🌹🌹
খুব সহজে মাত্র ৩টা উপাদান দিয়ে বানালাম --
-----------------------------
উপাদান :
১:জবা ফুল ১০-১২টা
২:ডিম ১টা
৩:নারকেল তেল ৩ টেবিল চামচ
---------------------------------🌹🌹🌹🌹
বানানোর নিয়ম:
সব গুলো উপাদান একসাথে blender এ blend করে নিন। যাদের blender নেই তারা জবা ফুল পাটায় ভাল ভাবে বেটে পেস্ট করে নিন। পরে ডিম আর নারকেল তেল ওই পেস্ট এ দিয়ে ভাল মত মিক্স করে নিন।
পেস্টটি সম্পুন চুলে লাগাবেন। ১-২ ঘন্টা পরে shampoo করে ধুয়ে ফেলবেন।
______________________________________
উপকারিতা:
নারকেল তেল অন্য সব তেল থেকে অনেক বেশি উপকারি। জবা ফুলের উপকারিতা তো আর নতুন করে বলার কিছুনাই। এই প্যাক টি আপনাদের চুল পরা বন্ধ করতে, চুলের গোড়া শক্ত করতে, চুল silky, smooth করতে সাহায্য করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka