Istiak Ahmed Rimu

Istiak Ahmed Rimu

Share

“An investment in knowledge pays the best interest”

06/10/2025

কিছু সোস্যাল রুলস:
১. কোনো উপহারের দাম কখনো প্রকাশ করবেন না।
কেউ আপনার জন্য কোন উপহার কিনেছে, দাম জিজ্ঞেস করবেন না। আবার নিজে যখন কাউকে কিছু উপহার দিবেন, প্রাইজ ট‍্যাগসহ কখনোই দিবেন না, এটা ভীষণ বাজে দেখায়।

২. কাউকে উপহার দিবেন সেই ধরনের জিনিস যা তিনি ব‍্যবহার করতে পারবেন। এমন কিছু না দেয়া ভালো যে জিনিস তিনি ব‍্যবহার করেন না। আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দেন, কিন্তু অপরদিকের মানুষের রুচির বিষয়টা মাথায় রাখবেন।

৩. কেউ আপনাকে কোন উপহার দিলে ধন‍্যবাদ জানাতে ভুলবেন না। আমি তো এসব পড়ি না, আমি তো এগুলো ব‍্যবহার করি না, এসব বলবেন না।

৪. কমপ্লিমেন্ট দিন। যে কোন মানুষ প্রশংসা পছন্দ করে। তোষামোদ না করে সত্যিকারের প্রশংসা করুন। এটা সুন্দর একটা অভ্যাস। কারো বাসায় বেড়াতে গেলেন, তার বাসা, রান্না, আপ‍্যায়ন এগুলো নিয়ে নিজের ভালো লাগা প্রকাশ করুন যা আপনার আসলেই ভালো লেগেছে, জানাতে কুন্ঠিত হবেন না।

৫. মানুষের পার্সোনাল স্পেসকে সম্মান দিন। না বললে কারো শোবার ঘরে, পার্সোনাল রেস্ট রুমে, কিচেনে ঢোকা উচিত নয়। ব‍্যক্তিগত জিনিসপত্র ধরা তো একদমই উচিত নয়। প্রয়োজনে এসব জায়গায় যেতে একটু অনুমতি নিয়ে নিন। মানুষ এগুলো সম্মান করে।

ভদ্রতা আসলে একটা বোধ, এর থেকে বোঝা যায় আপনার emotional intelligence কতটুকু। সম্মান দিতে শিখুন, দেখবেন না বলতেই মানুষ ও আপনাকে সম্মান করবে।
এগুলো universal😊

24/07/2025

জাপানিদের কিছু ভালো গুণ ও অভ্যাস যা তাদের ব্যক্তিগত সফলতা এবং সমাজ গঠনে সহায়তা করে, সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো:
1. শৃঙ্খলা (Discipline) – সময়নিষ্ঠা, নিয়ম মানা ও দায়িত্বশীলতা তাদের জীবন ও কর্মক্ষেত্রে সফলতার মূল চাবিকাঠি।
2. পরিশ্রমী মনোভাব (Hardworking Attitude) – তারা কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস করে এবং কাজে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা দিয়ে থাকে।
3. সম্মানবোধ (Respect) – তারা অন্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল, বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, শিক্ষক ও সহকর্মীদের প্রতি।
4. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা (Cleanliness) – ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা তাদের গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস।
5. দলগত কাজের মানসিকতা (Teamwork) – তারা একসঙ্গে কাজ করতে ভালোবাসে এবং দলগত সফলতাকে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।
6. আত্মসংযম (Self-Control) – আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে ধৈর্য ও শান্তভাবে কাজ করতে পারা একটি বড় গুণ।
7. উন্নতির ধারাবাহিকতা (Kaizen: Continuous Improvement) – ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজেকে ও কাজকে উন্নত করার মনোভাব।

এই গুণগুলো শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং পুরো সমাজে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলে💖

Photos from Istiak Ahmed Rimu's post 22/06/2024

#সাপ🛑
বর্ষা কালে সাপের আনাগোনা বাডবে এটাই স্বাভাবিক । এতে বেশি টেনশনের করার কিছু নেই । তবে বেজি, গুই সাপ, দারাশ সাপ এদেরকে মারবেন না এরা অন্য সকল বিষধর সাপ মেরে খেয়ে ফেলে। দারাশ সাপ (Rat snake) Colubridae গোত্রের বিষহীন সাপ Coluber mucosus। এদের দেহের রং হালকা বাদামি বা হলুদ বাদামি কিংবা জলপাই বাদামি। সুতরাং বিষধর সাপের প্রাকৃতিকভাবে নির্মূল চাইলে এদের মারবেন না। আর সাপ কাটলে ভীত না হয়ে নিচের ফর্মূলা গুলো মেনে চলুন✅

#সাপে_কাটার_প্রতিকারঃ
সাপে কাটলেই মানুষের মৃত্যু হবে এমন একটি প্রচলিত ভুল ধারণা চালু আছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক অনিরুদ্ধ ঘোষ বিবিসিকে বলেছেন, বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ সর্প দংশনের ক্ষেত্রে সাপ থাকে নির্বিষ।
ফলে সাপে কাটলেই মৃত্যু হবে এমন ধারণা সঠিক নয়।
তবে, সাপ যদি দংশন করে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব সাপে কামড়ানোর ওষুধ বা অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করতে হবে। তাহলে মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে যে অ্যান্টিভেনম ব্যবহার করা হয়, তা মূলত ভারতের তামিলনাড়ু থেকে আসে।
অধিদপ্তরের অসংক্রামক ব্যাধি বিভাগের লাইন ডিরেক্টর ডা. হাবিবুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় বছরে পাঁচ কোটি টাকার কিছু বেশি পরিমাণ অ্যান্টিভেনম আমদানি করা হয় দেশে।
তবে, এই অ্যান্টিভেনম 'অনুপযুক্ত'এবং 'অপ্রয়োজনীয়' --- এমন সমালোচনা রয়েছে।
টক্সিকোলজি সোসাইটির অধ্যাপক ফায়েজ বলছিলেন, বাংলাদেশে যে অ্যান্টিভেনম আনা হয়, সেটি মূলত চারটি সাপের বিষের একটি 'ককটেল' বা মিশ্রণ, যা কিছু সাপের দংশন নিরাময়ে কাজ করে।
বাকি ক্ষেত্রে সেগুলো আংশিক কাজ করে। এটি একেবারেই যথার্থ নয়। তামিলনাড়ু স্থানীয় সাপের বিষ দিয়ে তারা তাদের অ্যান্টিভেনম তৈরি করে থাকে।
সেখানকার সাপ এবং সাপের বিষের সাথে আমাদের দেশের সাপের বিষে ফারাক আছে। ভারত থেকে যে অ্যান্টিভেনম আনা হয়, তার মাত্র ২০ শতাংশ বাংলাদেশের সাপের সঙ্গে মেলে।"
এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা হচ্ছে, যেখানকার মানুষকে সাপ কেটেছে, সেখানকার স্থানীয় সাপ থেকে অ্যান্টিভেনম তৈরি করে চিকিৎসা দিতে হবে। না হলে তা কার্যকর হয় না।
তবে, প্রতি বছর বন্যার সময় বিশেষ করে সাপে কাটার প্রচুর ঘটনা ঘটলেও এখনো অ্যান্টিভেনম কেবলমাত্র জেলা শহর, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সদর হাসপাতালে থাকে।
প্রয়োজন এবং চাহিদা অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে সরবারহ করা হয়।

#সাপে_কাটলে_কী_করবেন?
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক অনিরুদ্ধ ঘোষ যিনি সাপের দংশন এবং অ্যান্টিভেনম নিয়ে গবেষণা করেন, তিনি বলছিলেন, সাপ কাটলে কী করতে হবে, তার সঙ্গে কী করবেন না---দুইটাই জেনে রাখতে হবে।
তার পরামর্শ হচ্ছে---
কী করবেন
* দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন
* হাত বা পা ভাঙলে যেমন করে শক্ত কিছু দিয়ে কাপড় দিয়ে হলকা করে বাধা হয়, সেভাবে বাধুন
* সাপে কাটা পেশী যতটা কম সম্ভব নড়াচড়া করুন, পেশীর নড়াচড়া যত কম হবে, বিষ তত কম ছড়াবে।
কী করবেন না
* আতংকিত হওয়া যাবে না
* ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের অপেক্ষা করে কালক্ষেপণ করবেন না
* চিকিৎসক দেখার আগ পর্যন্ত কিছু খাওয়া উচিত না
* কোন মলম বা মালিশ লাগানো উচিত না
* সাপে কাটা জায়গায় শক্ত করে বাঁধা, কারণ রক্ত জমে গিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন।
বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিভেনম
বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তায় ২০১৭ সালে অ্যান্টিভেনম তৈরির লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়।
পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে যুক্ত রয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, টক্সিকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং জার্মানির গ্যেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।
এর আগে ১৯৮৫ সালে প্রথমবারের মতো একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ঘোষ এই অ্যান্টিভেনম প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর, তিনি বলছিলেন প্রকল্পের জরিপের কাজ অর্থাৎ দেশি সাপের প্রায় সব ধরণের প্রজাতির ওপর জরিপ চালানো শেষ হয়েছে।
এছাড়া সবচেয়ে বিষধর সাপের প্রজাতি সংগ্রহ এবং সেগুলোর লালনপালনের জন্য লোকজনকে প্রশিক্ষণ দেয়া এ ধরণের কাজ চলছে।
বিষধর সাপের জীবনযাপন ও দংশন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুরোপুরি জানার পরই অ্যান্টিভেনম তৈরির কাজটি সফল হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করে।

16/06/2024

জনস্বার্থে ঈদের নামাজের পদ্ধতি জানিয়ে দিলাম যেনো ভুল না হয়। 😍

কোরবানির ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে ফেলবেন না। রাস্তায় কোরবানি দিলে দয়া করে ময়লা ও রক্ত ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে যেতে ভুলবেন না। আশপাশের অসচ্ছল, গরীব আত্মীয়দের তাদের হক দিতে কার্পন্যতা করবেন না✅

অগ্রীম ঈদ মোবারক।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka