Prokoron.Com

Prokoron.Com

Share

A Brand That You Need !

25/11/2022

ত্বকের ক্যানসার............
ত্বকের ক্যানসারে ত্বকের কোষগুলি কীভাবে বদলায়, গবেষকরা সেটা অনুসন্ধান করে দেখেছেন। উদ্দেশ্য হলো, এমন একটা ক্রিম আবিষ্কার করা, যা এই প্রক্রিয়াকে রুখতে কিংবা বিলম্বিত করতে পারবে।
যেন একজন প্রাপ্তবয়স্ক হঠাৎ আবার শিশুতে পরিণত হয়ে দ্বিতীয়বার বাড়তে শুরু করেছে– কিন্তু অসুস্থ হয়ে। ত্বকের একটি সাধারণ কোষ এভাবেই টিউমারে পরিবর্তিত হয়। যেন তার কম্পিউটার প্রোগ্রামটা উল্টে দেওয়া হয়েছে। ব্রাসেলস ফ্রি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই তথ্যটি আবিষ্কার করেছেন।
তারা তথাকথিত ‘বাসাল সেল ক্যানসার'-এর টিউমারগুলি নিয়ে গবেষণা করেন। এই জাতের ক্যানসার প্রধানত ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেখা যায়, যে কারণে এককালে এটাকে ‘শ্বেত' ত্বকের ক্যানসার বলা হতো।
বিজ্ঞানীরা এযাবত জানতেন, ত্বকের স্টেম সেলগুলোর মিউটেশন হয়েই ত্বকের ক্যানসারের সেল তৈরি হয়। ত্বকের স্টেম সেলগুলি সাধারণত ত্বক যাতে কাটাছেঁড়ার পর নিয়মিত সারে, তার ব্যবস্থা করে। কিন্তু তারা যখন মিউটেট করে, অর্থাৎ তাদের ডিএনএ বদলে যায়, তখন তারা যথেচ্ছ বংশবৃদ্ধি শুরু করতে পারে।
ক্যানসার গবেষক সেড্রিক ব্লঁপ্যাঁ কিন্তু দেখাতে সমর্থ হয়েছেন যে, শুধু স্টেম সেলগুলিই নয়, ত্বকের সাধারণ, সুস্থ কোষগুলোও এই উল্টো প্রোগ্রামিং-এর ফলে ক্যানসারের সেলে পরিণত হতে পারে।
হাইডেলবের্গে জার্মান ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্রের মার্টিন স্পিক মনে করেন, ত্বকের সাধারণ কোষ এবং স্টেম সেল, দুটো থেকেই ক্যানসারের উৎপত্তি হতে পারে। যার ফলে সংশ্লিষ্ট টিউমারগুলিও বিভিন্ন আকার ও প্রকৃতি পায়। আসল কথা হলো, ত্বকের সাধারণ কোষগুলির প্রোগ্রাম পাল্টে দিলে তারা ধীরে ধীরে এমব্রিয়োনাল স্টেম সেলের আকৃতি ধারণ করে।
এই এমব্রিয়োনাল স্টেম সেলগুলিকে বস্তুত শুধু ভ্রূণের মধ্যেই পাওয়া যায়। স্টেম সেলগুলো প্রয়োজনে মানুষের শরীরের যে কোনো অঙ্গ গঠন করতে পারে। তাদের কাজই হলো, কোষের ক্ষয়ক্ষতি মেরামত করা। তবে জন্মের পর মানুষের শরীরে যে ধরনের স্টেম সেল পাওয়া যায়, সেগুলোর বিকাশ সম্পূর্ণ হয়েছে। তারা বিশেষ বিশেষ ধরনের কোষে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু সব কোষে নয়। কাজেই এই ‘প্রাপ্তবয়স্ক' স্টেম সেলগুলি অতো সহজে ক্যানসার সেলে পরিবর্তিত হতে পারে না, যেমন ভ্রূণের স্টেম সেলগুলি পারে।
কিন্তু ত্বকের কোষগুলো যদি তাদের প্রোগ্রাম বদলে এক ধরনের এমব্রায়োনিক স্টেম সেলে পরিবর্তিত হয়, তাহলে বোঝা যাবে, ত্বকের ক্যানসার কেটে বাদ দেওয়া সত্ত্বেও বার বার ফিরে আসে কেন। কেননা ক্যানসারের উৎপত্তির ওই স্টেম সেলগুলি ক্যানসারগ্রস্ত কোষসমষ্টিও ঠিক একইভাবে মেরামত করে - যা তাদের স্বভাব। তার ফলে ক্যানসার আবার ফিরতে ও বাড়তে পারে।
ব্রাসেলস'এর বিজ্ঞানীরা যেটা করেছেন, সেটা হলো এই যে, তারা দেখিয়েছেন, আদত যে কোষগুলো থেকে ক্যানসারের শুরু, সেগুলো নিজেদের ক্যানসার সেলে বদলাতে পারে, একমাত্র যখন তারা বেটা-ক্যাটেনিন নামের একটি জৈব-রাসায়নিক সঙ্কেত পায়। এই বিশেষ ধরনের প্রোটিনগুলি কোষের ভিতরে সেই বার্তা পৌঁছে দেয়।
ওই সঙ্কেত যাওয়ার পথটি আটকে দিতে পারলে, উল্টো প্রোগ্রামিং করা, স্টেম সেলের অনুরূপ ত্বকের কোষগুলি থেকে টিউমারের সৃষ্টি হতে পারে না। কাজেই বিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে এমন একটি ত্বকের ক্রিম উদ্ভাবন করার আশা করছেন, যা কোষের অভ্যন্তরে ক্যানসার তৈরির ওই বার্তা পৌঁছানো বন্ধ করতে পারবে। সানবেদিং'এর সময় যে সান ক্রিম মাখা হয়, তাতে ওই পদার্থটি মিশিয়ে দিলেই চলবে।
পশ্চিমে সূর্যস্নান করতে গিয়ে সানবার্নের বিপদ ছাড়াও, শেষমেষ ত্বকের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কাজেই এটা এক ঢিলে দুই পাখির মতো কাজ করবে। ক্রিমটা যেখানে লাগানো হবে, বড়জোর সেখানে কিছুটা লোম উঠে যেতে পারে - সৌন্দর্যের দৃষ্টিকোণ থেকে যেটা বিশেষ অকাম্য নাও হতে পারে।
২০১২ সাল থেকেই এই ধরনের একটি বড়ি বাজারে এসেছে, যা ত্বকের ক্যানসারের শ্বেতাঙ্গ রোগীদের দেওয়া হয়। এই ট্যাবলেটও ক্যানসার তৈরির সঙ্কেত প্রেরণের অপর একটি পথ রোধ করে। কিন্তু এই ট্যাবলেট সারা শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। পদার্থটি ক্রিম হিসেবে পাওয়া গেলে, তা স্থানীয়ভাবে প্রয়োগ করা যাবে বলে আশা করছেন গবেষকরা।

22/11/2022

অনেকের মুখে প্রায়ই ঘা দেখা দেয়। তারা হয়তো ভাবেন এ আর এমনকি! আবার ভালোও হয়ে যাচ্ছে। চার-পাঁচ দিন কষ্টের পর ভালো হলে রোগটিকে আমলে আনার দরকার কি? সমস্যা হচ্ছে মুখের ঘা যেমন ভিটামিন-শূন্যতার কারণে দেখা দিতে পারে; তেমনি মুখ ও ঠোঁটে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসের সংক্রমণেও হতে পারে। তবে শরীরে পুষ্টির অভাবে তথা ভিটামিন-শূন্যতার কারণে অনেক সময় ভাইরাসসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সন্ধানী জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এজন্য মুখের ভাইরাস রোগে কিছুটা হলেও বিশেষ করে ভিটামিন প্রয়োগে ফল পাওয়া যায়। মুখে সাধারণত হারপিস ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে, যা হারপিস সিমপ্লেক্স ও হারপিস জোস্টার নামে পরিচিত। হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস প্রধানত লালা এবং শরীরের অন্যান্য নিঃসৃত রসের মাধ্যমে মুখে সংক্রমিত হয়ে থাকে। এটি দুই ধরনের- টাইপ-১ ও টাইপ-২।
হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস দিয়ে প্রাথমিক সংক্রমণের ক্ষেত্রে মাড়ি ও ঠোঁটে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে, যা জিনজাইভো স্টোমাটাইটিস নামে পরিচিত। অনেক সময় শিশুদের ক্ষেত্রে মাড়িতে এ অবস্থার সৃষ্টি হলে, মনে হতে পারে তাদের দাঁত উঠছে। ডেন্টাল সার্জনদের মধ্যে যারা হ্যান্ডগ্লোভস ছাড়া রোগী দেখে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে হাতের আঙুলে হুইটলো হতে পারে, যা হারপেটিক হুইটলো নামে পরিচিত। হুইটলো হলে আঙুলে ব্যথা হতে পারে। সেকেন্ডারি হারপিস বা কোল্ড সোর আঘাতের কারণে হতে পারে। সূর্যের আলোতে বারবার এবং বেশিক্ষণ থাকলে এবং মানসিক চাপযুক্ত অবস্থায় থাকলে।
হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের প্রাথমিক সংক্রমণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী আর কোন কষ্ট অনুভব করে না। রোগটি এভাবে আপনাআপনি ভালো হয়ে যায়, যা হারপিস ল্যাবিয়ালিস নামে পরিচিত। বারবার হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ঠোঁটে ফুসকুড়ি হতে পারে এবং প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা চিলাইটিস নামে পরিচিত। সাধারণ মানুষের কাছে এ অবস্থাটি জ্বরঠোসা নামে পরিচিত। তবে সিফিলিসের কারণেও ঠোঁটে ঘা দেখা দিতে পারে। প্রজনন অঙ্গের বাইরে সবচেয়ে বেশি সিফিলিসের লক্ষণ দেখা যায় পুরুষদের ওপরের ঠোঁটে এবং মহিলাদের নিচের ঠোঁটে। এ সময় ঠোঁটে ক্ষত দেখা যেতে পারে।
ঠোঁটের প্রদাহকে আবার অ্যাংগুলার স্টোমাটাইটিসও বলা হয়। আয়রনের অভাবে শরীরে যে রক্তশূন্যতা হয় সে ক্ষেত্রেও অ্যাংগুলার স্টোমাটাইটিস হতে পারে। ক্যানডিডা অ্যালবিকানস (ফাঙ্গাস রোগ) দ্বারা সংক্রমণের ক্ষেত্রেও ঠোঁটে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। যারা প্রাপ্তবয়সে হারপেটিক সংক্রমণে আক্রান্ত হয় তাদের মধ্যে মারাÍক এবং দীর্ঘমেয়াদি আকারে হারপিস রোগ শরীরে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সেখান থেকে এনকেফাইলাইটিসের মতো মস্তিষ্কেও প্রদাহ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
হারপিস ভ্যারিলিসা জোস্টার ভাইরাসের প্রাথমিক সংক্রমণের কারণে চিকেন পক্স বা জলবসন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত ১০ বছরের কমবয়সী শিশুর জলবসন্ত হয়ে থাকে। হারপিস ভ্যারিসিলা জোস্টার ভাইরাস হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে বিস্তার লাভ করে থাকে। মুখমণ্ডলের ট্রাইজেমিনাল নার্ভ বায়ুতে হারপিস ভ্যারিসিলা জোস্টার ভাইরাস সংক্রমণে মুখে ব্যথা হতে পারে। এজন্য মুখের অভ্যন্তরে ঘা দেখা দিতে পারে।
রোগ নির্ণয়
রোগের লক্ষণগুলো ছাড়াও রক্তের ভাইরাস এন্টিবডি মার্কার পরীক্ষার মাধ্যমে হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ-১ এবং টাইপ-২ সহজেই নির্ণয় করা যায়। রক্ত পরীক্ষাটি একজন অভিজ্ঞ ভাইরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে করাতে হবে। পরীক্ষাটি কিছুটা হলেও ব্যয়সাপেক্ষ।
হারপিস রোগের চিকিৎসা
অ্যাসাইক্লোভির গোত্রভুক্ত ট্যাবলেট ভাইরাক্স (৭ থেকে ১৪ দিন) সংক্রমণের মাত্রা এবং ধরন অনুযায়ী খাওয়া যেতে পারে। তবে যারা দীর্ঘমেয়াদী হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে ওষুধ অনেক সময় উপকারে নাও আসতে পারে। কিন্তু রোগ যেন দ্রুত সংক্রমিত হতে না পারে সেজন্য আপনাকে ওষুধ সেবন করতেই হবে। রোগীকে এ সময় প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হয়। সর্বোপরি মুখের অভ্যন্তর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এজন্য ক্লোরোহেক্সিডিন মাউথওয়াশ ০.২% ব্যবহার করতে হবে দুই সপ্তাহের জন্য। গর্ভাবস্থায় ভাইরাক্স ট্যাবলেট সেবন করা যাবে না। তাছাড়া দুগ্ধদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যাদের কিডনি সমস্যা আছে অথবা রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেশি থাকে তাদের কোন অবস্থাতেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। তবে কিডনির সামান্য সমস্যা থাকলেও অ্যাসাইক্লোভির গোত্রভুক্ত ওষুধের পরিবর্তে অ্যালাসাইক্লোভির গোত্রভুক্ত ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে পারেন। ঠোঁটে ঘা বা ক্ষত থাকলে অ্যাসাইক্লোভির ক্রিম ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে এমনটি আশা করা ঠিক নয়। মুখের অভ্যন্তরে বারবার ভাইরাস সংক্রমণ আলসাররূপে দেখা যায়। অতএব জ্বরঠোসাই হোক আর ঠোঁটে ঘা-ই হোক সব ধরনের রোগের সংক্রমণের চিকিৎসায় আপনাকে সচেতন হতে হবে।

Copyright: The Dhaka Times

19/11/2022

কিসমিস ভাল লাগে না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। ‍মিষ্টান্ন পছন্দ করেন এমন ভোজনরসিকদের কাছে কিসমিস অমৃত। কিসমিস খুব উপকারী একটি খাবার। এর খাদ্যগুণ বলে শেষ করা যাবে না। কিসমিস বেশ ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরের কোষগুলোকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে।
কিসমিসে ভালো থাকে ত্বক। এটি নিয়মিত খেলে আপনার তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। মিষ্টিজাতীয় খাবার হলেও কিসমিস দাঁত ও মুখের কোনো ক্ষতি করে না। বরং ওরাল হেলথের জন্য কিসমিস বিশেষ উপকারী। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট ওরাল ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করতে সাহায্য করে। কিসমিসের শর্করা মূলত ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ জাতীয়। এর ফলে দাঁতে কোনো ক্যাভিটি তৈরি হয় না। তাই সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারে ফ্রুট সালাদে কিসমিস রাখতে পারেন। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও ত্বক উজ্জ্বল রাখতে গাজর ও নানা রকম ফল নিয়মিত খেতে বলা হয়। কারণ এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ। সঠিক পরিমাণে এগুলো পেতে হলে দিনে অন্তত ৩টি ফল খেতে হবে। এটি সব সময় সম্ভব না হলে একমুঠো কিসমিস হতে পারে এর দারুণ বিকল্প। একমুঠো কিসমিস বাদামের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে হাই এনার্জি, প্রোটিন এবং ফাইবার পাবেন। আবার অ্যানিমিয়া কমাতে এবং ওজন বাড়াতে কিসমিস সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কিসমিসে রয়েছে—এনার্জি ৩০৪ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ৭৪.৬ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ৭.৭ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৮ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ২০.৪ মিলিগ্রাম।
সেমাই-পায়েসে তো থাকবেই। এবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চলে আসুক হাতের মুঠোয় বেশ কয়েকটি কিসমিস। থাকুক সুস্থতা। থাকুক তারুণ্য।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Road-10, DIT Project, Merul Badda
Dhaka
1212