Haa Haa - Hee Hee - Ho Ho

Haa Haa - Hee Hee - Ho Ho

Share

Not All Readers Are Leaders, but All Leaders Are Readers.
- Harry S. Truman

সেই হারিয়ে যাওয়া বন্ধু - মিজানুর রহমান তুহিন 01/08/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/08/blog-post.html

সেই হারিয়ে যাওয়া বন্ধু - মিজানুর রহমান তুহিন আমি ছোট বেলা থেকেই অনেক বন্ধুপ্রিয় মানুষ ছিলাম। ছোট থেকেই আমার বন্ধুবান্ধবদের অনেক বেশিই ভালবাসতাম। যদিও তখন জা....

11/07/2021

#তফা
- খাদিজা আক্তার তানহা
−−−−−−−−−−−−−−
আমার নাম সৃষ্টি । আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তফা। ভারি অবাক করা মেয়ে। আমি তফাকে যতো দেখেছি শুধু অবাকই হয়েছি। ওর মতো মেয়ে এখন খুব কমই দেখা যায়। জানিনা ওর মতো এমন একজন মানুষের সাথে কিভাবে বন্ধুত্ব হলো। ২০১৫ সালের কথা হঠাৎ বছরের মাঝে অক্সফোর্ড স্কুলে ক্লাস থ্রি তে একটি মেয়ে ভর্তি হয়। দেখতে অনেকটা অগোছালো তবে চেহারা দায়িত্ববোধের ছাপ রয়েছে।
সাধাসিধে স্বভাবের একটি মেয়ে।প্রথমদিন ক্লাসে ঢুকেই মুচকি হাসি দিয়ে, কথা নেই বার্তা নেই, আমার পাশে এসে বসে পড়লো। আমি চুপচাপ বসে আছি। ওর হাবভাব দেখে বুঝতে পেরেছি কিছু একটা বলতে চাচ্ছে। তাই আমিই জিজ্ঞেস করলাম, "তোমার নাম কি?" এই হল আমার ভুল। এরপর থেকে সে শুধু কথা বলেই যাচ্ছে! মজার বিষয় হলো তফা কথা যতই বেশি বলুক না কেন। ওর মনটা অনেক ভালো। স্বচ্ছ কাচের মত। লুকোচুরি বলতে কিছু নেই আর একটু বেশিই আবেগপ্রবণ।
কিছুদিনের মধ্যেই তফা আর আমার খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেলো। ওর কিছু কিছু কথা খুবই হাস্যকর। কথা বলার সময় মুখের অনেক অঙ্গভঙ্গি করে কথা বলে।
একদিন ইংরেজি ক্লাসে স্যার কিছুটা রাগ্ন্বিত হয়ে ক্লাসে ঢুকলেন। ইংরেজি ক্লাস নেন আবিদ স্যার, তিনি হলেন প্রচন্ড রগচটা স্বভাবের। তার মেজাজের পূর্বাভাস পাওয়া কঠিন। ক্লাসে এসেই বোর্ডে ইংরেজি ওয়ার্ড লিখতে শুরু করলেন। একটা করে ওয়ার্ড লিখছেন আর সবার দিকে তাকাচ্ছেন মনে হচ্ছে সবাইকে কাচা চিবিয়ে ফেলবেন।
লেখা শেষ করে এবার সবাইকে বললেন বোর্ডে লেখা শব্দগুলোর বাংলা অর্থ কে পারবে হাত তোলো। পুরা ক্লাসের মধ্যে একজনেরও হাত উঠছে না। হঠাৎ তফা হাত উঠিয়ে বললো, " স্যার, আমি পারবো।"
বলেই তফা বাংলা অর্থ বলতে শুরু করলো। স্যারতো এই বিষয়ে অনেক খুশী হলেন আর ওই দিন থেকেই স্যারের কাছে ভালো ছাত্রী উপাধি পেয়ে গেলো।
এরপর থেকে সব ক্লাসেই সঠিক উত্তর দিয়ে সেরা হয়ে উঠতে লাগলো।
তবে ওই যে বলেছিলাম আবেগপ্রবণ। এটাই তফার জন্য কাল হয়ে দাড়াল। ও আমাদের স্কুলের একটি ছেলের প্রতি দূর্বল হয়ে পড়লো। এক অজানা মায়া অনুভব করতে লাগলো। ওর সাথে কথা না বলে এক মুহূর্তও দিবসের মতো লাগতো। কিন্তু বিষয় হচ্ছে ছেলেটি মোটেই সুবিধার না, বাজে স্বভাবের।
ছেলেটির তফা নিজের পড়াশোনায় মনোযোগ কমিয়ে দিলো। ফলাফল ফাইভের পরীক্ষায় ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলো না।
দেখতে দেখতে স্কুল ছেড়ে যাওয়ার সময় হলো। ক্লাস নাইনে সবাই আলাদা আলাদা স্কুলে ভর্তি হয়ে গেলো।
আমি তফার সাথে যোগাযোগ রাখার অনেক চেস্টা করেছিলাম, কিন্তু পড়ে আর ওর সাথে তেমন কথা হতো না।......
ক্লাস টেনে আমি এক বায়োলজি কোচিং -এ ভর্তি হই। অবাক করা বিষয় হচ্ছে আমি তফাকে সেখানে খুঁজে পাই। আমি ওকে দেখেই খুশিতে এলাহি কান্ড। কিন্তু ও আমাকে দেখেও কেমন যেন না দেখার ভান করলো। কোচিং ছুটি হওয়ার পর আমি ওকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "আমাকে চিনতে পেরেছিস?"
"সৃষ্টি!", বলেই মুচকি হাসি দিল। তারপর ওর সাথে অনেক কথা হলো। ওর সাথে কথা বলে আমার মনে হলো ও যেন আগের মত নেই। এখন কথা বার্তায় অনেক পরিণত আর গোছানো স্বভাবের হয়ে গেছে। আর অনেক সুন্দরীও হয়ে গেছে! ওর আশেপাশে অনেক ছেলে ঘোরাঘুরিও করে তবে ও এসব আর পাত্তা দেয় না। ও নিজের পড়াশোনা আর জীবন সম্পর্কে অনেক সচেতন হয়ে গেছে। তবে তফা বলেছে একজন আছে যাকে ঘিরে সে নিজের জীবনকে গড়ার স্বপ্ন দেখে তবে তাকে বলতে পারে না। যদি স্বপ্নটা দুঃস্বপ্ন হয়ে যায়। তাই সে নিজেকে গড়তেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
−−−−−−−−−−−−−−
➤ব্লগের লিংকঃ https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_11.html
➤লেখা যেভাবে পাঠাবেনঃ https://www.facebook.com/106046371740697/photos/a.107452991600035/114137104264957/

10/07/2021

#মধ্যবিত্ত_পরিবারের_মেয়ে
- মরিয়ম আক্তার
−−−−−−−−−−−−−−
আমার নাম আয়মানা।আমি কলেজে পড়ি।আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে।আমার বাবা একজন প্রাইভেট স্কুল টিচার।বাবার বেতনও প্রাইভেট স্কুল টিচারের মত কম,যা দিয়ে আমাদের সংসার চলে। আমি টিউশন করে নিজের খরচ নিজেই চালাই। এইতো কিছুদিন আগেই আমার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হলো।আজ রেজাল্ট দিয়েছে।রেজাল্ট তেমন ভালো হয়নি।যার কারণে মন খুব খারাপ ছিলো আমার।মা ফোন দিচ্ছিলো বারবার দেরী হওয়ার কারণে।ফোনে কথা বলা শেষ হতেই আমার কানে এলো আমার বন্ধু আশা আমাকে টিটকারী করে বলছে ' কিরে কি ২ টাকার ফোন চালাস '। বলেই সে তার বন্ধুদের সাথে হাসাহাসি করা শুরু করলো। আমি ওর কথা শুনে খুব রেগে গেলাম। কলেজ থেকে বড় রাস্তায় হাটা শুরু করলাম।সময় ছিল সন্ধ্যা ৬টা।হেঁটে-হেঁটে বাড়ি ফিরলাম।
বাড়ি ফিরেই নিজের ঘরে ঢুকে গেলাম।একটু পরে মা খেতে ডাকার জন্য রুমে এলো।তখনই আমি চেচিয়ে বলে উঠলাম " বাবা কেনো আমার সব চাহিদা পূরণ করতে পারে না,সবার বাবা পূরণ করতে পারে আমার বাবা কেনো পারেনা?" বলেই দরজা বন্ধ করলাম।বাবা বোধহয় পাশের রুম থেকে সব শুনতে পেয়েছে। তারপর আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।সকালে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য বাবা মা ঘুম থেকে উঠে। ওইদিন মা উঠলেও বাবা উঠলো না।মা বাবা কে ডাক দেয়"তুমি উঠছো না কেনো? নামাজ পড়বে না?" বলেই মা বাবাকে ধরলো।দেখলো বাবার শরীরটা ঠান্ডা হয়ে আছে। মা বুঝত পারলো কি হয়েছে। মা বাবার মাথাটা নিজের কোলে নিয়ে চুপ করে বসে ছিল।
খুব সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গলো। সাধারণত আমার এত সকালে ঘুম ভাঙ্গেনা। ঘুম থেকে উঠেই বাবা মার ঘরে গেলাম।
গিয়ে দেখলাম মায়ের কোলে বাবা শুয়ে আছে।আমি খুব অবাক হলাম।মাকে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে? মা আমাকে ধমক দিয়ে বললো চুপ থাক।দেখছিস না তোর বাবা ঘুমাচ্ছে।আমি বাবাকে ধরলাম।বুঝলাম বাবা আর নেই।আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম বাবার কাছে।
দুপুরে বাবার মাটি হয়ে গেলো।
আমি বাবার কবরের পাশে বসে বললাম " বাবা তুমি ফিরে আসো।আমার কিচ্ছু চাইনা । শুধু তুমি ফিরে আসো।" . . . . . . . . . . . . .
বাবা মারা যাওয়ার ১ বছর হয়ে গেছে।যেই মেয়েটার কাছে এখন কলেজের বই থাকার কথা, সেই মেয়ের ওপর এখন দুইজন মানুষের ক্ষুধা মেটানোর দায়িত্ব।
−−−−−−−−−−−−−−
➤ব্লগের লিংকঃ https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post.html
➤লেখা যেভাবে পাঠাবেনঃ https://www.facebook.com/106046371740697/photos/a.107452991600035/114137104264957/

হারিয়ে যায় নি - আয়মন ইসলাম 07/07/2021

https://haahaaheeheehoho.blogspot.com/2021/07/blog-post_7.html

হারিয়ে যায় নি - আয়মন ইসলাম আজ আমার জন্মদিন। আজকে আমার বয়স ৮ বছর পূর্ণ হয়ে ৯ হবে। বাবাকে অফিস থেকে তাড়াতাড়ি আসতে বলেছি। এখন সন্ধ্যা ৭ টার মত বা....

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Bashundhara Residential Area
Dhaka
1229