KBKh Science
Highlighting recent discoveries, deep insights, and a wide range of scientific topics!
16/06/2026
প্রথম দেখায় কি দুটো ছবিকেই পৃথিবীর কোনো মরুভূমি ভেবে ধোঁকা খেয়েছেন?
আসলে, উপরের ছবিটি আমাদের চেনা পৃথিবীর মরক্কোর সাহারা মরুভূমির বালিয়াড়ি। আর নিচের ছবিটি তোলা হয়েছে পৃথিবী থেকে কোটি কোটি মাইল দূরের লাল গ্রহ মঙ্গলের বুকে!
২০০৬ সালের শুরুতে নাসার স্পিরিট রোভার মঙ্গলের 'গুসেভ ক্রেটার' থেকে এই চমৎকার ঢেউখেলানো বালির স্তরের প্যানোরামা ছবিটি ধারণ করে।
15/06/2026
ইন্টারস্টেলার কি শুধুই একটি সিনেমা?
ইন্টারস্টেলারের এই মহাকাব্যিক রূপকথার পেছনে ছিল এক অনন্য জুটি। পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান এবং নোবেলজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী কিপ থর্ন। নোলানের ভিশন ছিল পরিষ্কার। তিনি চেয়েছিলেন সিনেমার ব্ল্যাকহোল ‘গার্গেনতুয়া’ কোনো সস্তা অ্যানিমেশন হবে না, হতে হবে ১০০% গাণিতিকভাবে নির্ভুল।
সেই ভিশন বাস্তবায়নে থর্নের জটিল সমীকরণগুলোকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস টিমকে তৈরি করতে হয়েছিল সম্পূর্ণ একটি রেন্ডারিং সফটওয়্যার। কাজের বিশালতা বোঝা যায় একটি পরিসংখ্যানে। সিনেমাটির একেকটি জটিল ফ্রেম রেন্ডার করতে কম্পিউটারের সময় লেগেছিল প্রায় ১০০ ঘণ্টা, আর পুরো প্রজেক্টে মোট ডেটা তৈরি হয়েছিল প্রায় ৮০০ টেরাবাইট!
সিমুলেশনে গার্গেনতুয়াকে দেখানো হয়েছিল ১০০ মিলিয়ন সূর্যের ভরের সমান একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল হিসেবে, যা নিজ অক্ষে আলোর গতির ৯৯.৮ শতাংশ গতিতে ঘুরছিল। ফলে এর ‘অ্যাক্রিশন ডিস্ক’ ও ‘গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং’ এর দৃশ্য এতটাই নিখুঁত হয় যে, এই ডেটা ব্যবহার করে পরবর্তীতে দুটি সিরিয়াস গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়।
সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো, এর ৫ বছর পর যখন ব্ল্যাকহোলের প্রথম বাস্তব ছবি (M87*) প্রকাশ পায়, দেখা যায় তার ছায়ার জ্যামিতিক গঠনের সাথে ইন্টারস্টেলারের সেই দৃশ্যের বৈজ্ঞানিক মিল রয়েছে। অর্থাৎ, নোলান আর থর্নের এই প্রজেক্টটি শুধু একটি মুভি সিন থাকেনি। এটা হয়ে উঠেছিল তৎকালীন সময়ের ব্ল্যাকহোলের সবচেয়ে নিখুঁত একটি ভিজ্যুয়াল সিমুলেশন। Love Science? Follow: KBKh Science
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the school
Telephone
Address
Sirajganj