Sujoy Kumar Das

Sujoy Kumar Das

Share

পড়ি, দেখি, শিখি, জানি আর লিখি একজন সামান্য লেখক, এখনো লেখালেখি শেখার চেষ্টায় নিমিত্ত।

12/05/2025

গেলো মাসের ৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসভিত্তিক বায়োটেক কোম্পানি ‘কোলোসাল বায়োসায়েন্স’ ঘোষণা দেয়, যে তারা সফলভাবে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে ‘গেম অব থ্রোনস’ সিরিজের ডায়ার নেকড়েদের। এই খবরে চারদিকে তোলপাড় পড়ে যায়। তা হবেই বা না কেন? আজ থেকে হাজার দশেক বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে যে প্রাণী তাকে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে, এ তো আর চারটিখানি কথা নয়। কিন্তু আদতেই তা সম্ভব হয়েছে কিনা তা তর্কের বিষয়।

কোলোসাল বায়োসায়েন্স এই পরিকল্পনা শুরু করে বছর দুই আগে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কোম্পানিটি ঘোষণা করে যে অচিরেই ডোডো পাখি, লোমশ ম্যামথ, ডায়ার নেকড়ে ইত্যাদি বিলুপ্ত ক’টি প্রাণী নতুন করে সৃষ্টি করা হবে। জিন প্রকৌশলের নতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব বিলুপ্ত প্রাণীদের জিনোম থেকে নতুন করে তৈরি করা হবে। তাদের এই উদ্যোগ এর নাম দেওয়া হলো ডি-এক্সটিনশন। ডি-এক্সটিনশনকে বলা যায় এক্সটিনশনের উল্টো প্রক্রিয়া। বাংলা করা যায় ‘অ-বিলুপ্তি’। শয়ে শয়ে বছর আগে হারিয়ে যাওয়া কোনো প্রজাতির জিনোম থেকে ধারে কাছের নতুন কোনো সদস্য সৃষ্টি করাকে বলা যায় ডি-এক্সটিনশন।

এখানে বলে রাখা ভালো যে, কোনো মৃত প্রাণী জীবিত হয়ে ওঠলে কিন্তু ডি-এক্সটিনশন বলা যাবে না। আবার ক্লোন করে কোনো প্রজাতির বিলুপ্তি ঠেকালেও হবে না। কেননা এদের কোনোটায়ই জিন প্রকৌশলের ভূমিকা নেই। বিলুপ্ত প্রাণীর জিনোম থেকে জিন প্রকৌশল প্রক্রিয়ায় নতুন সদস্য সৃষ্টি হলেই একে ডি-এক্সটিনশন বলা যাবে।

কোলোসাল বায়োসায়েন্সের প্রথম টার্গেট ছিল বিলুপ্ত ডোডো পাখি। বৈজ্ঞানিক নাম Raphus cucullatus বা রাফাস কুকুল্যাটাস। আজ থেকে আশি লাখ বছর আগে ভারত মহাসাগরে জেগে উঠা মরিশাস দ্বীপে বাস করত এই পাখি। গাছ-গাছালিতে ভরে উঠলে পূর্ব-এশিয়া থেকে কয়েক প্রজাতির পাখি গিয়ে বসবাস শুরু করে মরিশাস দ্বীপে। ফলমূলে ভরপুর এই দ্বীপ ছিল একেবারে শিকারি বিহীন। তাই এক সময় উড়বার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এইসব পাখি। এদের মধ্যে আমরা কেবল ডোডো পাখিদের খোঁজ জানি।

গায়ে গতরে বেশ বড়ো ছিল ডোডো। ওজনে একেকটা প্রায় ২৩ কেজি হতো। উচ্চতায় ৩ ফুট। প্রথম সাক্ষাতে এই বৃহৎ পাখি ভীতিকরই হবে। ডানা ছিল অকেজো অর্থাৎ উড্ডয়ন ক্ষমতা বিহীন। পৃথিবী এদের সম্পর্কে প্রথম জানতে পারে ডাচ নাবিকদের মাধ্যমে। ষোলো শতকের দিকে মরিশাসে বসবাস শুরু করে এই ডাচ নাবিকেরা। সঙ্গে আসল কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর সহ নানা প্রাণী। অর্থাৎ শিকারি বিহীন মরিশাসে প্রথম দেখা দিলো শিকারিদের আনাগোনা। কিন্তু এতদিন যে নিরীহ পাখির দল শিকারিদের দেখা পায়নি তাদের ভয় পাবার কী কারণ? তাই মানুষের সামনেই আনাগোনা করত ডোডো পাখিরা। ভয় করত না মানুষদের। ওদিকে এই দ্বীপে নাবিকদের একমাত্র মাংসের উৎস এই নিরীহ পাখিগুলোই।

তাই শুরু হয়ে গেলো ডোডো পাখি শিকার। একের পর এক পিটিয়ে মারতে থাকে এদের। ডাচ ভাষায় ডোডো মানে বোকা। ভয় না পেয়ে বিশ্বাস করে মানুষদের কাছে এসেছিল এই বেকুব পাখির দল। আর মানুষ এর খপ্পরে বলির পাঠা হলো এসব পাখি। তাই এদের এমন নামকরণ। ভারতবর্ষের মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরকে তিনটি ডোডো উপহার দিয়েছিল নাবিকেরা। পাখি তিনটির তুলির আঁচরে অক্ষয় করে রাখেন ওস্তাদ মনসুর। ছবিটির নাম ‘জীবন্ত ডোডো’। ছবিটি এখন সংরক্ষিত আছে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে।

05/02/2025

#বইমেলা২০২৫
প্রথম ভিডিওতে বই রিভিও...

বই- দ্য ক্যারেক্টার অব ফিজিক্যাল ল
মূল- রিচার্ড ফাইনম্যান
অনুবাদ- Uchsash Tousif
প্রকাশনা- প্রথমা

একেবারে আনকোরা কণ্ঠ, এক্সপ্রেশন আর কাঁচা হাতের সম্পাদনা... স্ক্রিপ্ট এর অবস্থা তো যাচ্ছেতাই!

তারপরেও লাজ শরমের মাথা খেয়ে ফেস দেখাতে আসছি। আমারে সবাই ক্ষমা কইরা দিয়েন, আমার ভুল হয়েছে 😓😓

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


9/11, Sayed Hasan Ali Lane, Babu Bazar
Dhaka