Dr & Science
Language is the road map of a culture.
29/08/2023
হাত ভাঙার পর ডাক্তারের কাছে না গিয়ে গিয়েছিলেন কবিরাজের কাছে।
☞এখন পচনের (Necrosis) কারনে কেটে ফেলতে হবে হাতের এই অংশটুকু 😢
এই ছবিটা থেকে অনেক কিছু শিখার আছে। হাত ভাঙ্গলে কবিরাজের কাছে না গিয়ে, একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হউন। ❤️
18/12/2022
Vamos Argentina ! 🇦🇷
আমরা এখন পর্যন্ত অন্যতম সেরা বিশ্বকাপ ফাইনালের সময়ে বাস করছি। আমাদের সবাইকে প্রতিভা, কঠোর পরিশ্রম এবং স্বপ্নে বিশ্বাস করানোর জন্য আপনাকে #মেসিকে ধন্যবাদ!!
22/10/2022
রক্তবর্ণের প্রস্রাবের জন্য কি শুধু হেমাচুরিয়া দায়ী?
আসসালামু আলাইকুম।
পোস্টকৃত ছবিটি দেখে অনেকে মনে করতে পারেন এটি একটি হেমাচুরিয়ার কেইস, কিন্তু প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে যে রিপোর্ট পাওয়া গেল তা খুবই আশ্চর্যজনক। রোগীর প্রস্রাবে কোনরকম r.b.c. নেই, কোন infection নেই, এমনকি বাকি সবকিছু স্বাভাবিক, তারপরও কেন রং গাড় লাল। আরেকটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যাবে প্রস্রাবের রঙ আসলে রক্তবর্ণ নয়, গাড় গোলাপি। রোগীর ওষুধের এবং খাবার হিস্ট্রি নিয়ে খুব অবাক হয়েছি। রোগী বিগত কয়েকদিন ধরে প্রচুর পরিমাণে ড্রাগণ ফ্রুট খাচ্ছিলেন। যার কারনে প্রস্রাব এরকম গাড় রং ধারণ করেছে। পরবর্তীতে ড্রাগণ ফ্রুট খাওয়া বন্ধ করে দিলে প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ইন্টারনেটে খোঁজা খুঁজির পরে জানতে পারলাম ড্রাগণ ফ্রুট (লাল), বিটরুট খাওয়ার ফলে প্রস্রাবের রং এরকম হালকা গোলাপি থেকে গাড় গোলাপি বা লাল হতে পারে। তবে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়।
Dr. Md. Shaif Hossain Ninad
ISMC-11
Session : 14-15
20/10/2022
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র হোস্টেলের ৪ তলা থেকে নিচে পরে যান। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যুকে ঘিরে চলে রাবি ছাত্রদের তাণ্ডব। সম্পূর্ণ ঘটনা প্রক্টর স্যারের মুখেই যা শুনলাম, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ইমার্জেন্সিতে এলে অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় স্যালাইন সহ। কিন্তু অবস্থা অত্যন্ত খারাপ ছিল। নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে পাঠানো হয় ওয়ার্ডে একজন মেয়ে ইন্টার্ন ডাক্তার রিসিভ করে জানান রোগী মারা গেছেন। তখন রাবি কিছু শিক্ষার্থীকে বুঝিয়ে বলার পর আরেক দল এসে দাবি জানায় কেন তাকে ডাক্তার দেখছেনা এবং আইসিইউ দেওয়া হচ্ছে না। (অলরেডি পেশেন্ট কিন্তু মারা গেছে এবং তারা ইন্টার্ন কে ডাক্তার না মেনে সিনিয়র ডাক্তার কেন এটেন্ড করছেনা এ নিয়ে বলে)।
তখন আবার জানানো হয় পেশেন্ট ওয়ার্ডে আসতে আসতে মারা গেছেন। তারা এই মৃত্যুমেনে না নিয়ে ওয়ার্ডে নারী ইন্টার্ন সহ কর্তব্যরত সিনিয়র মিডলেভেল যাদের বেশিরভাগ বিসিএস ক্যাডার অফিসার সবাইকে জিম্মি করে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন। এমনকি চিনতে না পেরে ২-৩ জন নিজেদের লোককেও পিটিয়ে ফেলেন। প্রক্টর স্যার নিজেও নাকি প্রহৃত হয়েছেন।
এখন, হাসপাতালে যে তাণ্ডব চলেছে সবাই দেখেছে। পরবর্তী তে ইমার্জেন্সি আটকে রাবি ছাত্ররা কয়েকটি দাবি করে।
১. ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ তাদের দিতে হবে।
২. ডাক্তারদের অবহেলায় মারা গেছে এর বিচার করতে হবে।
এবার আসি নিজের মতামতে,
প্রক্টর স্যার, সহকারী প্রক্টর স্যার সহ যতজন শিক্ষক প্রতিনিধি রোগীর সাথে এসেছেন সবাই বলেন আসার সাথে সাথেই ইন্টার্ন ডাক্তার রোগী রিসিভ করে চিকিৎসা দিতে চেষ্টা করেন এবং তখনই জানান রোগী মারা গেছে। তারা বলেন, ছাত্রদের বুঝ দিতে আইসিইউ এ পাঠানো যেত।
এখন রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে আইসিইউ বেডের জন্য সিরিয়াল থাকে প্রায় ৩০ টা। মরনাপন্ন রোগীরাই আইসিইউ তে থাকে। তাদের সরিয়ে একজম ঘোষিত মৃত রোগীকে আইসিইউ তে দিতে হবে ছাত্রদের বুঝ দিতে। এই ছাত্ররা কি ইমম্যাচিউর অশিক্ষিত লোক?
যারা প্রথম থেকে ছিল তাদের কোন অভিযোগ ছিলনা। পরবর্তীতে এসে কারা এই অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি করল? ডাক্তার বা ইন্টার্ন বা হাসপাতাল বন্ধ হলে কাদের লাভ? অথবা যদি এর জের এ ইউনিভার্সিটি বন্ধ হয় কারা এর ফায়দা পায়?
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, রাত ১০ টায় ও মৃত ছাত্রের মগজের কিছু অংশ সে যেখানে পরে যায় সেই হলের কলপারে পড়ে ছিল, (পুলিশের কাছে এভিডেন্স + ছবি দেখেছি) এ ধরনের গুরুতর পেশেন্ট যে হাসপাতাল পর্যন্ত আসতে পেরেছে তাই অনেক বেশি ছিল। এই পেশেন্ট পৃথিবীর কোন হাসপাতালেই বাঁচার সম্ভবনা ০%। তাহলে সব জেনেশুনে ২০ লাখ টাকা দাবি করা এবং উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ভাবে ভাঙচুর ও মারারির কারন কি?
সবার শেষে প্রশ্ন থাকে, রোগী হলের উপর থেকে এমনি এমনি নিচে পরে যায় কিভাবে? নাকি নাশকতা ছিল?
হঠাত মৃত রোগী নিয়ে ২০ লক্ষ টাকা দাবি নিয়ে হাসপাতাল ভাঙচুর, ডাক্তারকে প্রহার ও সর্বোপরি ইমার্জেন্সি বন্ধ করে কেন রোগীদের চিকিৎসা বন্ধ করে দেওয়া হল?
এই রকম মৃত্যুর পরেও খুব দ্রুত কেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নিয়ে যেতে এত তৎপরতা দেখাচ্ছে রাবি প্রশাসন যেখানে তার ফ্যামিলি মেম্বার কেউই এসে পৌছায়নি। এটা নাশকতা কী হতে পারে না?
ডাক্তারের অবহেলা ছিল কি না নাকি এমন কন্ডিশন ছিল যা চিকিৎসা করা সম্ভব ছিল না এটাও তো ময়না তদন্তে আসতো।
যাইহোক, একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। আশাকরি এই নাশকতার পেছনের সবাই ধরা পরবে। যদি উদ্দেশ্যমূলক কিছু থাকে তাও বের হয়ে আসবে।
শেষে ছাত্রদের ভয়াবহ অজ্ঞানতা ও বর্বর রূপ দেখে মাথায় একটি প্রশ্নই ঘুরছে, এরা ছাত্র নাকি সন্ত্রাসী??
©Tawhid Romel
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Banasree
Dhaka