MainlyCoding.com

MainlyCoding.com

Share

Mainly Coding (মেইনলি কোডিং) is a Personalized Online Learning Platform dedicated to learning and teaching Programming practically in Bangla.

14/12/2021

প্রশ্ন ৭: মাঝে মাঝে কোডিং করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলি কেন?

"প্রোগ্রামিং করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি বা প্রোগ্রামিং নিয়ে ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে গেছি" - এমন সিচুয়েশন দুনিয়ার সকল প্রোগ্রামাদেরই কম বেশি ফেইস করতে হয়েছে। এটিকে বলা হয় "ইমপস্টর সিনড্রম" (Impostor Syndrome)। এটিকে একটি রোগ হিসাবেও ধরতে পারেন। সাধারণত প্রোগ্রামিং জগতের শুরুর দিকে অথবা মাঝ পথে এসে এই রোগটির প্রভাব দেখা যায় অনেকের মাঝেই।

আমার যখন প্রোগ্রামিংয়ে হাতেখড়ি হয়েছিল, মাস খানেক পরে নিজেই এটির স্বীকার হয়েছিলাম। বানিয়ে বলছিনা- কম বেশি সবাই-ই এটি দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন এবং হচ্ছেন।

তখন মনে হয় যে, "আমাকে দিয়ে আর হবে না", "এগুলো আমার জন্যে নয়", অথবা "আমি আর কুলাতে পারছি না"। অনেকের আবার এক ধরণের অনিহাও চলে আসে প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি।

মজার বিষয় হল- ঠিক এ সময়েই যারা "লেগে থাকেন" তারাই এই ইমপস্টর সিনড্রম কাটিয়ে উঠতে পারেন।

ইমপস্টর সিন্ড্রম হওয়ার কারণগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য কারণ হল- আসে পাশের মানুষদের স্কিল দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাওয়া, অথবা কোন কঠিন কোডিং বা ফ্রেমওয়ার্ক শিখতে যেয়ে হোঁচট খাওয়া। মনের ভেতর ভয়য়ের জন্ম হওয়া বা অনিচ্ছা চলে আসা।

অনেকে বলেন যে- আমি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি, কিভাবে কোডিং শিখব? প্রকৃতপক্ষে, এখনও আপনার আগ্রহ আছে বলেই, এখনও আপনি মানুষজনকে জিজ্ঞেস করছেন কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। পুরোপুরি আগ্রহ হারিয়ে ফেললে এটি নিয়ে আর দ্বিতীয়বার ভেবেও দেখতেন না।

আপনার যেটা হয়েছে তা হল- কোড করে আপনি আর মজা পাচ্ছেন না, অথবা প্রোগ্রামিং করার জন্যে আপনি রেগুলার সময় দিতে পারছেন না। আর তা না হলে আপনি প্রোগ্রামিংয়ের ভেতরকার গল্পটি ঠিক মতো ধরতে পারেন নি এখনও।

এই সমস্যা সমাধানের জন্যে আপনি আপনার ব্যাক্তিগত রুটিন ঠিক করুন। এটি আমরা বেশিরভাগ মানুষই পাত্তা দেই না। কিন্তু খুবই প্রয়োজনীয় বিষয় এটি।

১. কোড করার সময় এক বোতল বা গ্লাস পানি নিয়ে বসুন, যাতে ডিহাইড্রেটেড হয়ে ব্রেইন দুর্বল হয়ে না যায়। কিছুক্ষণ পর পর পানি বা কফিতে একটু চুমুক দেওয়াটাই আপনাকে কোড করতে ইচ্ছা জুগাবে, ট্রাস্ট মি।
২. ফেইসবুক, ইউটিউব, বা ইন্সটাগ্রামের অন্যান্য ভিডিওগুলোতে হুট করে চলে যাচ্ছেন কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন। একবার মন ঘুরে গেলে, ওইদিন আর কোড করা হবে না। এটা তো আজকেই আমার হল 😑
৩. প্রোগ্রামিং করার সময় যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ওই সময়টুকু ব্যাবহার করুন। প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে হবে তো!
৪. কোড করার আগে একটু আয়োজন করে বসুন। যেমন- খুব ক্ষুধায় না থাকা, টেবিলটা একটু পরিপাটি করে বসা, ইত্যাদি।
৫. অনেক দিন পর পর কোডিং করতে বসলে রীতিমতো কখনই সফলতা আসবে না। আমি নিজেই ১ এক মাসের মতো কোডিং না করলে অ আ ক খ সব ভুলে যাই।
৬. সবসময় একটানা কোড করে যেতে থাকবেন না। মাঝে মাঝে একটু উঠে হাঁটাহাঁটি করুন অথবা সাময়িক বিশ্রাম নিন। ফেটিগ ধরে গেলে আর কিছুই ভালো লাগবে না। (তবে ক্ষেত্র বিশেষে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতেই পারেন। আমি রেগুলার সময়ের কথা বললাম।)
৭. সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- যাই শিখেছেন তা দিয়ে নিজের মতো করে ছোট খাটো কিছু না কিছু করতে চেষ্টা করুন। ব্রেইনকে কাজে না লাগালে জং ধরে যাবে, এটাই স্বাভাবিক।

আর সব থেকে ভালো হয়, যে কোনো টপিকের বিষয়বস্তু বোরিং লাগলে প্লাটফর্মটা চেইঞ্জ করে অন্য কোথাও থেকে শিখুন। এবং শেখার সময় নিজ দায়িত্বে হালকা পাতলা রিসার্চও করুন। এতে শেখার প্রোডাক্টিভিটি বেড়ে যাবে বহুগুণে।

Remember:
Nothing is complex, you just need a good teacher and a good example.

সম্পূর্ণ বইটি পড়তে ভিজিট করুন-
https://mainly.link/PFBFB

হ্যাপি কোডিং 🙂

10/12/2021

দক্ষ প্রোগ্রামিং স্কিল ছাড়াও একজন সফল প্রোগ্রামার হতে হলে আপনার নিম্নবর্তী স্কীলগুলো থাকতে হবে-

(১) ইংরেজির উপরে ভালো দক্ষতা (কারণ, প্রোগ্রামিং নিয়ে লেখা প্রায় সব রিসোর্স-ই ইংরেজিতে)।
(২) একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের/ ফ্রেমওয়ার্কের/ লাইব্রেরীর ডকুমেন্টেশন পড়ার ও বোঝার ধৈর্য।
(৩) কোনো প্রোগ্রামিং সমস্যায় পরলে তা সমাধান করার মানসিকতা।
(৪) গুগোল সার্চ করে আপনি যা জানতে চাচ্ছেন তা কম সময়ে বের করতে পারার দক্ষতা।
(৫) আপনার সিনিয়রদের কোড ও অন্যান্য জায়গা (যেমন- ওপেন সোর্স প্রজেক্ট, অনলাইন টিউটোরিয়াল ইত্যাদি) থেকে নতুন কন্সেপ্ট, টেকনিক বা কোডিং স্টাইল আয়ত্ত করার সামর্থ।
(৬) সম্পূর্ন নতুন কোনো একটি ল্যাংগুয়েজ/ ফ্রেমওয়ার্ক/ লাইব্রেরী আয়ত্ত করার ফ্লেক্সিবিলিটি।
(৭) আপনার বাছাই করা যেকোনো একটি বা দুইটি ল্যাংগুয়েজের ভেতরের খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানা এবং কোন ধরনের প্রজেক্টের জন্য কোন ল্যাংগুয়েজ/ ফ্রেমওয়ার্ক/ লাইব্রেরী বেশি উপযুক্ত সে সম্পর্কে জানা।
(৮) যে ল্যাংগুয়েজ শিখছেন সেটা দিয়ে ছোটখাটো কয়েকটি প্রজেক্ট বানিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করা।
(৯) সময় সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং বিশেষ করে টাচ টাইপিং নিজের আয়ত্তে আনতে হবে (এই স্কীল না থাকলে সময় কুলাতে পারবেন না)।
(১০) সর্বশেষে, সবসময় নতুন কিছু সেখার জন্য নিজেকে উন্মুক্ত রাখা।

এখানে লক্ষ্য করলে দেখবেন, এই পয়েন্টগুলোর মধ্যে কোনো বিশেষ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম দেইনি, এবং এটি পুরোপুরি ইচ্ছাকৃত।

সম্পূর্ণ বইটি পড়তে ভিজিট করুন-
https://mainly.link/PFBFB

08/12/2021

প্রশ্ন ৯: মোবাইল অ্যাপস/ গেমস/ সফটওয়ার বানাতে চাই, কিভাবে আগাবো?

একটা অ্যাপ, গেম বা সফটওয়্যারকে আপনি একটি বাড়ির সাথে তুলনা করতে পারেন। ধরুন, আপনি একটি বাড়ি বানাতে চান। বুঝানোর সাপেক্ষে বলছি- এখন বাড়ি আপনি একাই বানাতে চান, অন্য কোনো মিস্ত্রির হেল্প ছাড়া। এজন্যে কি আপনাকে অনেক ধরনের কাজ জানতে হবে না?
ধরুন, আপনি শুধু রাজ মিস্ত্রির কাজ জানেন, কিন্তু রংমিস্ত্রি, ইলেক্টিশিয়ান, কাঠমিস্ত্রি এদের কাজ না জানলে বাড়ি কি একা বানানো সম্ভব? অথবা শুরু করলেও কি এভাবে শেষ করতে পারবেন? বা একটা কাজ শেষ হলেও বাকিগুলো ছাড়া কি কেও এটিকে বাড়ি বলবে?

অ্যাপ-গেম-সফটওয়্যার বানানো বিষয়টা ঠিক এমনই। একটা প্রোগামিং ল্যাংগুয়েজ শিখেই অ্যাপ, গেম বা ওয়েবসাইট বানানো যায় না। এটা দিয়ে শুধু আপনি রাজমিস্ত্রির কাজ অর্থাৎ গঠন বানাতে পারবেন। রঙ করতে হলে আপনাকে ডিজাইন শিখতে হবে, চালানোর উপযোগী করতে হলে নানানরকম এপিআই ইউজ করতে হবে। অর্থাৎ, বিভিন্ন ধরনের কাজ আছে একটা অ্যাপ বা গেম বা কোনো সফটওয়্যারে কিংবা একটি ওয়েবসাইটের পেছনে। তাই একদম শুরুতেই এগুলোতে গভীরভাবে মনোযোগ দেয়া ভালো না। তো প্রথমে করবটা কি?

প্রথমে একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ খুব ভালোভাবে শিখুন। যারা অ্যাপ বা সফটওয়্যার বানায়, তারা সকলেই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটা আগে খুব ভালো করে শিখে নিয়েছিলেন। আর গেম বানানোর ক্ষেত্রে তো আরও বেশি জোর দেওয়া উচিৎ।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন, আর যাই হোক যেকোনো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ খুব ভালো করে শিখা লাগবেই। একটি শিখলে অন্যটিতে বেশি সময় দেওয়া লাগে না; কথাটি বললাম কারণ আপনার সামনে কাজের প্রয়োজনে এবং সুবিধার্থে একাধিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার দরকার হতেও পারে।
তবে, সামনে কি হবে না হবে, এগুলো না ভেবে আপনি শুরু করে দিন। বাকিটা এমনিতেই মাথায় চলে আসবে কিভাবে কি করা উচিৎ।

এরপর প্রবলেম সল্ভিং এ মনোযোগ দিন। ছোট খাটো প্রোজেক্ট করুন। কিছু বানানোর চেষ্টা করুন। গুগোল-ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি করুন। তারপর যখন দেখবেন এগুলোর মাস্টার হয়ে গেছেন, এরপর আপনাকে অ্যাপ ডেভেলোপিং বা সফটওয়্যার বা গেম বানানোর জন্যে আলাদা কিছু শিখতে হবে। এগুলকে বিভিন্ন রকম নামে ডাকে মানুষ, যেমন- ফ্রেমওয়ার্ক, লাইব্রেরি, প্ল্যাগইন, এপিআই ইত্যাদি। একেকটির একেক রকম কাজ। তখন বুঝবেন প্রোগ্রামিং এর ব্যাসিক শেখা কতটা হেল্পফুল ছিলো। নাইলে মাথার উপর দিয়ে যেত এসব।

সম্পূর্ণ বইটির লিংক নিচে দেওয়া হল।

প্রোগ্রামিং নিয়ে এরকম হাজারো সব প্রশ্নের উত্তর দিবে এই ইবুকটি-
https://mainly.link/PFBFB

ইবুকটি নিয়ে আরও বিস্তারিত জানুন-
https://mainly.link/PFBFB

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Baunia Bazar Main Road, Uttara
Dhaka
1230