Turn To Allah

Turn To Allah

Share

Turn to Allah before you return to Allah.

05/07/2026

আজ আপনাদের সঙ্গে দুরুদে ইব্রাহিম এর কিছু অসাধারণ গল্প শেয়ার করছি✨🎀
🥇 “দুরূদে ইব্রাহিম এর সাথে আমার গল্প...🌷

আমি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, আমি তিন মাস ধরে একটা অস দোয়া কবুলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। দোয়া এমনই ছিল, বারবার মনে হচ্ছিল এই দোয়া টা কোনোভাবেই কবুল হবে না।
কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, যখন আমি দুরুদে ইব্রাহিম বারবার পড়তে থাকলাম, তখন সেই অসম্ভব দোয়াটা হয়ে গেল!
ইনশাআল্লাহ, এখন থেকে আমি দুরুদে ইব্রাহিম আরও বেশি করে নিয়মিত পড়তে থাকব, যেন আমার সব দোয়া কবুল হয়।

🥈“যেকোনো মেয়ের জন্য, যার কিছু চাওয়া আছে...🌷

চাই সেটা বিয়ে হোক, সন্তান লাভ, জীবনে সহায়তা পাওয়া বা কোনো বিষয়ে সহজতা — দুরূদে ইব্রাহিম পড়ুন।
আল্লাহর কসম, আমি এর মাধ্যমে আশ্চর্য রকমের প্রশান্তি ও সমাধান পেয়েছি। এমনকি আজও একটি বড় দোয়া কবুল হয়েছে !

নিয়মিত পড়ুন, আল্লাহর উপর পুরো বিশ্বাস রাখুন, আপনার দোয়া কবুল হবে ইনশাআল্লাহ।
দোয়া করতে নিজেকে সীমাবদ্ধ করবেন না, আর দোয়া কবুলের সবচেয়ে বরকতময় সময় হল আযান ও ইকামতের মাঝের সময়।

আল্লাহর কসম, দুরুদে ইব্রাহিম পড়া শুরু করার পর থেকে আমার বহু চাওয়া পূরণ হয়েছে।
আপনিও খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের দোয়াগুলো বাস্তবে রূপ নিতে দেখবেন ইনশাআল্লাহ।

---

🥉 সত্যি বলছি, দুরুদে ইব্রাহিম এক অলৌকিক দোয়া..🌷

আমি যখন নিয়মিতভাবে দুরুদে ইব্রাহিম পড়া শুরু করলাম, আমার ঈমান ও আল্লাহর প্রতি ভরসা ভয়ঙ্করভাবে বেড়ে গেল।
এমন এমন দোয়া কবুল হতে শুরু করল, যেগুলো আমি একসময় দোয়া করতে করতে কবুল হবে না বলে ছেড়ে দিয়েছিলাম, এমনকি আমি নিজেও ভুলে গিয়েছিলাম সে দোয়াগুলোর কথা।
বোন আমার আপনিও শুরু করুন।
এর ফজিলত বলে শেষ করা যাবে না। এমনকি আলাদা করে দোয়া না করলেও হবে, যদি দুরুদে ইব্রাহিমই আপনার দোয়া হয়—তবেই যথেষ্ট।🌸🤍

Tayyebah-তাইয়্যেবাহ

05/07/2026

*দু' উজ্জ্বল সূরা*
*পড়া বারাকাত*

তোমরা কুরআন পড়। কারণ কুরআন পাঠ কিয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে। তোমরা দু' উজ্জ্বল সূরা আল বাকারাহ্ ও আ-লি 'ইমরান পড়বে। কেননা কিয়ামতের দিন এ সূরা দু'টি মেঘখণ্ড অথবা দু'টি সামিয়ানা অথবা দু'টি পক্ষ প্রসারিত পাখির ঝাঁকরূপে আসবে। এ দু' সূরার পাঠকদের জন্য আল্লাহর নিকট সুপারিশ করবে। বিশেষ করে তোমরা সূরা আল বাকারাহ্ পড়বে। কারণ সূরা আল বাকারাহ্ পড়া বারাকাত আর তা না পড়া আক্ষেপ। এ সূরা দু'টি পড়তে পারবে না অলস বেকুবরা।

`গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ ২১২০`

Photos from Turn To Allah's post 23/06/2026

আল্লাহর ৯৯ টি নাম ! (বাংলা অর্থ সহ) ▶️আল্লাহর ৯৯ নামের ফজিলত।👇

আবু হুরাইরাহ্‌ রাদিআল্লাহু তা’আলা আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

“আল্লাহ্‌ তা’আলার রয়েছে নিরানব্বইটি নাম, একশো থেকে একটি কম, যে এই নামগুলি মনে রাখবে, বুঝবে এবং উপলব্ধি করবে, সে জান্নাত -এ যাবে।” [বুখারি ৩.৫০:৮৯৪, মুসলিম ৩৫:৬৪৭৬, আত-তিরমিযী ৫১.৮৭:৫১৩৮]

সূরা বনী ইসরাঈল:110 - বলুনঃ আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই।

সূরা আল আ’রাফ:180 - আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক।

সূরা আল হাশর:24 - তিনিই আল্লাহ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নাম সমূহ তাঁরই। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।

সূরা ত্বোয়া-হা:8 - আল্লাহ তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য ইলাহ নেই। সব সৌন্দর্যমন্ডিত নাম তাঁরই।

*প্রশ্ন: আল্লাহর নাম কি নিরানব্বইটিতে সীমাবদ্ধ নাকি আরো আছে?*

উত্তর:

আল্লাহর নাম নিরানব্বই সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং তাঁর নামের প্রকৃত সংখ্যা তিনি ছাড়া কেউ জানে না।

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রা. হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিম্নোক্ত দুয়াটি:

أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ ، أَوْ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ

“আমি আপনার সেই সকল নাম ধরে প্রার্থনা করছি, যে নামগুলো আপনি নিজেই নিজের জন্য নির্ধারণ করেছেন। অথবা সৃষ্ট জগতের কাউকে শিক্ষা দিয়েছেন, অথবা আপনার কিতাবে নাজিল করেছেন অথবা আপনার নিজের কাছেই ইলমে গায়ব (অদৃশ্য জ্ঞান)এ সংরক্ষিত রেখে দিয়েছেন।” (মুসনাদ আহমদ, হা/৩৭০৪, সিলসিলা সহীহাহ, আলবানী)

ইবনে তাইমিয়া রাহ. বলেন, “এতে প্রমাণিত হয়, আল্লাহ তায়ালার নাম নিরানব্বিইটির অধিক।” (মাজমু ফাতাওয়া ৬ খণ্ড ৩৭৪ পৃষ্ঠা)

আর যে হাদীসে নিরানব্বইটি নামের কথা বলা হয়েছে সেটির ব্যাখ্যায় ইমাম নওবী রহ. বলেন,

اتَّفَقَ الْعُلَمَاء عَلَى أَنَّ هَذَا الْحَدِيث لَيْسَ فِيهِ حَصْر لأَسْمَائِهِ سُبْحَانه وَتَعَالَى , فَلَيْسَ مَعْنَاهُ : أَنَّهُ لَيْسَ لَهُ أَسْمَاء غَيْر هَذِهِ التِّسْعَة وَالتِّسْعِينَ , وَإِنَّمَا مَقْصُود الْحَدِيث أَنَّ هَذِهِ التِّسْعَة وَالتِّسْعِينَ مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّة , فَالْمُرَاد الإِخْبَار عَنْ دُخُول الْجَنَّة بِإِحْصَائِهَا لا الإِخْبَار بِحَصْرِ الأَسْمَاء اهـ

“আলেমগণ এ ব্যাপারে একমত যে, উক্ত হাদীসে এ কথা নেই যে, আল্লাহর নাম নিরানব্বইটির মধ্যে সীমাবদ্ধ। হাদীসের এ অর্থ নয় যে, এই নিরানব্বইটি ছাড়া আল্লাহর আর কোন নাম নেই। বরং এ কথার উদ্দেশ্য হল, যে ব্যক্তি এই নিরানব্বইটি নাম সংরক্ষণ করবে (তথা মুখস্ত করার পাশাপাশি বুঝে আমল করবে) সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অর্থাৎ এখানে এ নামগুলো সংরক্ষণকারীর জন্য জান্নাতে প্রবেশের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। নামের সংখ্যার সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয় নি।” (শরহে সহীহ মুসলিম)

--------------------------------------------------------

গ্রন্থনায়: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী

দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

আল্লাহর ৯৯ টি নাম

---------------------

১। আল্লাহ্,

২। আর রহিম - পরম দয়ালু,

৩। আর রহমান - পরম দয়াময়,

৪। আল জাব্বার -পরাক্রমশালী,

৫। আল-আযীয -প্রবল,

৬। আল-মুহাইমিন -রক্ষণ ব্যবস্থাকারী

৭। আল-মু'মিন - নিরাপত্তা বিধায়ক,

৮। আস-সালাম -শান্তি বিধায়ক,

৯। আল-কুদ্দূস - নিষ্কলুষ,

১০। আল-মালিক - সর্বাধিকারী,

১১। আল-ওয়াহ্হাব - মহা বদান্য,

১২। আল-ক্বহ্হার- মহাপরাক্রান্ত,

১৩। আল-গফ্ফার-মহাক্ষমাশীল,

১৪। আল মুসউয়ির- রুপদানকারী,

১৫। আল-বারি'- উন্মেষকারী,

১৬। আল খলিক্ব- সৃষ্টিকারী,

১৭। আল মুতাকাব্বির- অহংকারের

ন্যায্য

অধিকারী,

১৮। আর ঢ়'ফি- উন্নয়নকারী,

১৯। আল খ্ব'ফিদ- অবনমনকারী,

২০। আল বাসিত- সম্প্রসারণকারী,

২১। আল ক্ববিদ- সংকোচনকারী,

২২। আল আলীম- মহাজ্ঞানী,

২৩। আল ফাত্তাহ্- মহাবিজয়ী,

২৪। আর রযযাক- জীবিকাদাতা,

২৫। আল লাতিফ- সুক্ষ দক্ষতাসম্পন্ন,

২৬। আল আদল্- ন্যায়নিষ্ঠ,

২৭। আল হাকাম- মিমাংসাকারী,

২৮। আল বাসীর- সর্বদ্রষ্টা

২৯। আস সামী'- সর্বশ্রোতা,

৩০। আল মুঝিল- হতমানকারী,

৩১। আল-মু'ইয্ব- সম্মানদাতা,

৩২। আল কাবীর- বিরাট, মহৎ,

৩৩। আল আলিই -অত্যুচ্চ,

৩৪।আশ শাকুর- গুণগ্রাহী,

৩৫। আল গ'ফূর- ক্ষমাশীল,

৩৬। আল আযীম-মহিমাময়,

৩৭। আল হালীম- সহিষ্ণু,

৩৮। আল খবীর- সর্বজ্ঞ,

৩৯। আল মুজীব- প্রার্থনা গ্রহণকারী

৪০। আর রক্বীব- নিরীক্ষণকারী,

৪১। আল কারীম-মহামান্য,

৪২। আল জালীল- প্রতাপশালী,

৪৩। আল হাসীব- মহাপরীক্ষক,

৪৪। আল মুক্বিত- আহার্যদাতা,

৪৫। আল হাফীয- মহারক্ষক,

৪৬। আল হাকক্ক-সত্য,

৪৭। আশ-শাহীদ-প্রত্যক্ষকারী

৪৮। আল বা'ইছ-পুনরুত্থানকারী,

৪৯। আল মাজীদ- গৌরবময়,

৫০। আল ওয়াদুদ- প্রেমময়,

৫১। আল হাকীম –বিচক্ষণ,

৫২। আল ওয়াসি- সর্বব্যাপী,

৫৩। আল মুবদী- আদি স্রষ্টা,

৫৪। আল মুহসী- হিসাব গ্রহণকারী,

৫৫। আল হামিদ-প্রশংসিত,

৫৬। আল ওয়ালী- অভিভাবক,

৫৭।আল মাতীন- দৃড়তাসম্পন্ন,

৫৮।আল ক্বউই- শক্তিশালী,

৫৯। আল ওয়াকীল- তত্বাবধায়ক,

৬০। আল মাজিদ-মহান,

৬১। আল ওয়াজিদ-অবধারক,

৬২। আল ক্বইয়ূম- স্বয়ং স্থিতিশীল,

৬৩। আল হাইই- জীবিত

৬৪। আল মুমীত- মরণদাতা,

৬৫। আল মুহয়ী- জীবনদাতা,

৬৬। আল মু'ঈদ- পুনঃ সৃষ্টিকারী,

৬৭। আল আওয়াল- অনাদী,

৬৮। আল মুআক্ষির- পশ্চাদবর্তীকারী,

৬৯। আল মুক্বদ্দিম- অগ্রবর্তীকারী,

৭০। আল মুক্বতাদির- প্রবল, পরাক্রম,

৭১। আল ক্বদির- শক্তিশালী,

৭২। আস সমাদ- অভাবমুক্ত,

৭৩। আল ওয়াহিদ- একক,

৭৪। আত তাওয়াব- তওবা গ্রহণকারী,

৭৫। আল বারর- ন্যায়বান,

৭৬। আল মুতা'আলী- সুউচ্চ,

৭৭। আল ওয়ালি- কার্যনির্বাহক,

৭৮। আল বাতিন- গুপ্ত,

৭৯। আজ জহির- প্রকাশ্য,

৮০। আল আখির- অনন্ত,

৮১। আল মুক্বসিত- ন্যায়পরায়ণ,

৮২।যুল জালাল ওয়াল ইকরম-

মহিমান্বিত

ও মাহাত্ম্যপূর্ণ

৮৩।মালিকুল মুলক-রাজ্যের মালিক,

৮৪। আর র'ওফ- কোমল হৃদয়,

৮৫। আল আফুউ-ক্ষমাকারী,

৮৬। আল মুনতাক্বীম- প্রতিশোধ

গ্রহণকারী,

৮৭। আল হাদী- পথ প্রদর্শক,

৮৮। আন নাফী- কল্যাণকর্তা,

৮৯। আদ দরর – ( তাগুতের)

অকল্যাণকর্তা,

৯০। আল মানি'- প্রতিরোধকারী,

৯১। আল মুগ'নি- অভাব মোচনকারী,

৯২। আল গ'নিই - সম্পদশালী

৯৩। আল জামি- একত্রীকরণকারী,

৯৪। আস সবুর- ধৈর্যশীল,

৯৫। আল রশীদ- সত্যদর্শী,

৯৬। আল ওয়ারিস- উত্তরাধিকারী,

৯৭। আল বাকী- চিরস্থায়ী,

৯৮। আল বাদী- অভিনব সৃষ্টিকারী,

৯৯। আন নূর- জ্যোতি।❤️🌸

20/06/2026

যাদের সন্তান হচ্ছে না, আপনাদের জন্য কার্যকরী একটা পোষ্ট।

সন্তান না হওয়ার কষ্ট অনেক বড় পরীক্ষা হতে পারে। ইসলামে সন্তান লাভের জন্য কিছু আমল ও দোয়ার কথা উল্লেখ আছে। তবে পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ চিকিৎসা গ্রহণ করাও ইসলামে উৎসাহিত করা হয়েছে।

১. বেশি বেশি ইস্তিগফার করা
নুহ (আ.) তাঁর জাতিকে বলেছেন:

"তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো... তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সাহায্য করবেন।"

নিয়মিত "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়তে পারেন।

২. হযরত জাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া
সন্তান লাভের জন্য এটি খুবই প্রসিদ্ধ দোয়া:

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنْتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ

"হে আমার রব! আমাকে একা (নিঃসন্তান) রেখে দেবেন না, আর আপনিই সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী।"

৩. এই দোয়াটিও পড়তে পারেন
رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ

"হে আমার রব! আপনার পক্ষ থেকে আমাকে পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি দোয়া শ্রবণকারী।"

৪. তাহাজ্জুদ ও আন্তরিক দোয়া
রাতের শেষ অংশে দুই রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে দোয়া করা অত্যন্ত উপকারী আমল।

৫. দান-সদকা করা
সামর্থ্য অনুযায়ী গোপনে দান-সদকা করা এবং আল্লাহর কাছে সন্তানের জন্য দোয়া করা।

৬. স্বামী-স্ত্রী উভয়ের নেক আমল
নিয়মিত সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখা।

মনে রাখতে হবে, সন্তান হওয়া বা না হওয়া আল্লাহর হিকমতের বিষয়। অনেক নবী-রাসূলও দীর্ঘ সময় নিঃসন্তান ছিলেন, পরে আল্লাহ তাঁদের সন্তান দান করেছেন। তাই আশা হারানো উচিত নয়।

আল্লাহ যাঁরা সন্তান কামনা করেন তাঁদের জন্য উত্তম ও নেক সন্তান দান করুন। আমিন।

20/06/2026

ইয়া আল্লাহ,
এই ছোট্ট হাতদুটো আমার কাছে আমানত।
তুমি দিয়েছ, তুমিই হেফাজত করো।
তাকে এমন ভালোবাসায় বড় করো
যে ভালোবাসা তোমাকে ভুলিয়ে না দেয়,
বরং তোমার দিকেই ফিরিয়ে আনে।

তার চোখদুটো যা দেখুক
তাতে হালালের আলো থাকুক।
তার কানদুটো যা শুনুক
তাতে সত্যের ধ্বনি থাকুক।

তার মুখ থেকে যা বের হোক
তাতে তোমার যিকির থাকুক।

ইয়া আল্লাহ,
যেদিন সে পড়ে যাবে,
আমি পাশে না থাকলেও তুমি থেকো।
যেদিন সে কাঁদবে,
আমার বুকে মাথা না রাখলেও
তোমার রহমতে যেন মাথা রাখতে পারে।

তাকে তুমি দাও বরকতময় রিজিক
তার অন্তরকে করো শোকরগোজার
তার ঘুম দাও প্রশান্তিময়
তাকে বানাও মুত্তাকীদের ইমাম।

ইয়া আল্লাহ,
আমাকে এমন মা বানাও
যে তার জন্য দুনিয়া গড়ে দেওয়ার আগে
তোমার সাথে তার সম্পর্ক গড়ে দেয়।
আমিন।
©

14/06/2026

১২ টি কাজ করবেন। জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।

১. সময়মত নামাজ আদায়।
২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী।
৩. সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল।
৪. প্রতিদিন কিছু অংশ কুরআন তিলাওয়াত।
৫. ইশরাকের নামাজ।
৬. বিতরের নামাজ বাদ দেবেন না।
৭. জুমআর দিন সূরা কাহাফ।
৮. রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
৯. আযান ও ইকামতের মাঝে দুয়া করা।
১০. পিতামাতার আনুগত্য।
১১. সাদাকাহ করা।
১২. দরূদ পড়া।

আল্লাহ তায়ালা জীবনের উপর রহমত ও বরকতের বন্যা বইয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ।

~ উস্তাদ আম্মারুল হক হাফিঃ

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Ajimpur
Dhaka