Taking the First Step
আমাদের পেইজে আপনাকে স্বাগতম,
বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিকে তাকে ভালোলাগা। ৭ সেমিস্টারের সিনিয়র। প্রপোজ তো দূরে থাকুক ইন্ট্রোভার্ট আমি কথা বলারই সাহস পেতাম না। দুই সেমিস্টার পরে প্রথম কথা হলো। তাও বাসায় ফেরার পথে শুধুই হাই-হ্যালো। ভালোলাগা কখনোই থেমে ছিলো না বরং হৃদয়-উদগ্রীব হচ্ছিলো আরো প্রবলভাবে। তারপর কোভিড আসলো আমি গৃহবন্দী, তার বিশ্ববিদ্যালয় শেষ। দেখার কোন সুযোগ নেই। কাঁপা হাতে মেসেঞ্জারে নক! টুকটাক কথা শুরু, কোনোটাই প্রেমসুলভ নয়। এভাবেই বছর দুয়েক। হঠাৎ একমাত্র যোগাযোগমাধ্যম থেকে উধাও। কিছুতেই নাগাল পাওয়া যাচ্ছিলো না। '২৩ এর মার্চে হঠাৎ তাহার নিজ থেকে সরাসরি কল। ভাবতেই পারিনি সে! জিজ্ঞেস করে উড়ুউড়ু আমাকে ঢাকায় নিয়মিত পাওয়া যাবে কিনা! ততদিনে আমি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে দেশের এপ্রান্ত-ওপ্রান্ত ভবঘুরে। কেন জিজ্ঞেস করেছিলো সেটা বুঝলাম পরদিন। দুপুরে হঠাৎ ফোন করে বললো ঘুরতে যাবে। অফিস ফেলে সরাসরি তার দেওয়া ঠিকানায়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা শেষে মধ্যরাত্রি। বাসায় পৌঁছে দেওয়ার পর তার কৃতজ্ঞতার বার্তা। চলতে থাকলো প্রায় প্রতিদিন। তিনমাস পর তার পক্ষ থেকেই প্রপোজ! আমার স্বপ্নরা আকাশ ছুঁয়ে ছিলো। সবটুকু উজাড় করে ভালোবাসা। ততদিনে আমি জানি সে আমার প্রগাঢ় ভালোবাসা বুঝতো, জানতো বলেই সময়মতো এসেছে! আমায় আর পায় কে?! বিয়ের কথা চলছিলো, তার পারিবারিক অনুষ্ঠানেও আমার যাত্রা ছিলো। সব যেন আমার মত!
পহেলা জানুয়ারী '২৪ আকাশ ভেঙে পড়লো মাথায়। প্রিয়তমা হাঁটছে অন্য একজনের হাত ধরে, কাঁধে বিভিন্ন উপহার, একগুচ্ছ গোলাপ আর চকলেট নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছি আমি! পাথর হয়ে গিয়েছিলাম। তাদের বসা ক্যাফের সামনে দাঁড়িয়ে কত সিগারেট শেষ হলো হিসেব নেই। দু'দিন পর জিজ্ঞেস করতেই আমাদের সব সমাধি। সে জানতো, আমি সব সইতে পারলেও প্রতারণা সইবো না। তাকে হাসিমুখে বিদায় বললাম রাত ৩.২৭ এ, ঠিক সেই সময়টায় যেই সময়টাতে সে কাঁদোকাঁদো কন্ঠে বলেছিলো সারাজীবন জড়িয়ে রাখবে?
আমি রাখতে চেয়েছিলাম, পারিনি! সেই থেকে আজ অব্দি আমি হাসতে পারিনি। এতটাই এলোমেলো জীবন হয়ে গেছে যে, চাকুরী ছেড়েছি, ব্যবসা হারিয়েছি,অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছি। নিজেকে বুঝিয়েছি হাজার বার, হাজার রকম ভাবে। পারিনি, কিছুতেই পারছি না। নিজেকে সামলানোর জন্য খুব শীঘ্রই দেশ ছাড়ছি, হয়তো আর কখনোই ফিরবো না। আমি থাকবো না সেই শহরে যেই শহরে আছো তুমি। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, আরো বেশি ভেঙে যাচ্ছি। আমি পরাজিত হচ্ছি।
অথচ এই আমিই তাকে নিয়ে লিখেছিলাম:-
প্রিয়তমা হারায় না যুদ্ধে
হো চি মিনের আত্মগোপনে
লেখা হয় সুনিপুণভাবে
কবিতার পর কবিতার লাইনে
তোমায় খুঁজবো আমি অতন্দ্র প্রহরে
আমার শেষ না হওয়া যৌবণে
জীবনের শেষ ক'টি বেলায়
যখন থাকবে চোখে মোটা চশমার ফ্রেম!
আর লিখতে পারছি না। ভালো থেকো প্রিয়তমা। আমার ভালোবাসা তুমি জানতেও পারবে না। ভালো আছো নিশ্চয়ই। আমি ভালো নেই। এই অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আমি তোমার স্মৃতি জড়িয়ে আছি অথচ তোমায় জানাতে পারছি না। কাউকেই বলতে পারছি। সমাজ-রাষ্ট্র আমার হাত বেঁধে দিয়েছে, আমি তোমার সামনে দাঁড়াতে পারছি না৷ তোমায় ভূলতে পারছি না। অথচ তোমায় কখনোই পাবো কিনা জানিনা! এ এক অদ্ভুত মায়াজাল। কেন এলে? এ প্রশ্নটাও করতে পারছি না! প্রিয়তমা ইমা, করিও ক্ষমা!
রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের স্বর্ণের মার্কেটের ২য় তলায় আগুন, ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট।
16/04/2023
আলহামদুলিল্লাহ, বিদ্যানন্দের বাটপারি আস্তে আস্তে প্রকাশ পাচ্ছে। এক বোনের আইডি থেকে বিষয়টা সামনে আসে।
দেখেন, সেম ব্যাকগ্রাউন্ড, সেম প্রোডাক্ট। শুধু এক্সপোজার কমানো, বাড়ানো।
বিদ্যানন্দ যে জিনিসকে পোড়া কাপড়ে তৈরি অলংকার বলে প্রচার করছে, সেই একই জিনিস মার্চের নয় তারিখেই এক ই-কমার্স গ্রুপে বিক্রির জন্য আপলোড দেয়া হয়। অর্থাৎ এটা বিদ্যানন্দেরই না! ওরা শুধু আবেগ নিয়ে খেলেছে!
এখন সুশীল সমাজের বক্তব্য কী? মানবিক বিদ্যানন্দের অমানবিক বাটপারি, মানুষের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলে ফান্ড রেইজ করাটাকে কেমন দৃষ্টিতে দেখছেন?
িদ্যানন্দ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Dhaka Division
Dhaka