Creative acts
Hello and assalamualaikum! I am Takia! Welcome to my little world of comics, paintings, crafts......
১৭ই এপ্রিল, ২৩১০ সালঃ
বিজ্ঞানী হল্যান্ড খুব মনোযোগ সহকারে একটি আঠালো পদার্থের দিকে তাকিয়ে আছেন।
কিছুদিন আগেই তাঁকে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের সম্মিলিত জোটের প্রধান পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেননা, তাঁর বিরুদ্ধে জীববিজ্ঞানের অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা ইতিমধ্যে প্রমাণিতও। তবে এই অপমান সহ্য করতে না পেরে তিনি প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছেন। এর প্রতিশোধ সমগ্র মানবজাতির কাছ থেকে তাঁকে নিতেই হবে। বিজ্ঞানীদের মহাবিজ্ঞানি স্যার ড.
হল্যান্ড অ্যাড্রিয়ানকে এত্ত অপমান!নাহ, এটা আর সহ্য করা যায় না।
১২ই মে, ২৩৫৫ সালঃ
সেই ছোট আঠালো পদার্থটি দেখতে দেখতে আজ একটি ৮ ফুটের সবুজাভ দানবে পরিণত হয়েছে। তার আকার অনেকটা মানুষের মতো হলেও, গায়ের রঙটি সবুজাভ। তার মুখটি সত্যি বড় বিস্ময়কর! চেহারায় নাকের বদলে আছে ২ টি বড় বড় ফুটো। তিনটি চোখের কোটরে আঁধার ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না।কানের বদলে আছে ২ টি ছোট ছোট ছিদ্র। কিন্তু তার মুখের গহ্বরেই আছে আসল চমক। সেখানে তার যেমন আছে ধারালো দাঁত, তেমনি আছে লম্বা, সরু জিহ্বা। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হল মানুষের রক্তের ঘ্রাণ এদের পাগল বানিয়ে ফেলতে পারে!!!
তবে হ্যাঁ, পৃথিবীর সকলের মতো এদেরও কিন্তু একটা দুর্বলতা আছে …………………
৪ই ফেব্রুয়ারি, ২৩৫৮ সালঃ
গবেষণাগারের আশেপাশে ব্যাপক হুলস্থুল ও হাঙ্গামা হচ্ছে। সাইরেন বাজছে এবং সাথে একটা আওয়াজও ভেসে আসছে, “পালানোর সব পথ বন্ধ। নিজেকে আইনের হাতে সঁপে দিন।“ বৃদ্ধ বিজ্ঞানী হল্যান্ড চোখে মুখে আত্মবিশ্বাস নিয়ে দৃপ্ত পায়ে হেটে ইন্সপেক্টর নমানের সামনে এসে দাঁড়ালেন। ইন্সপেক্টর মুখে একটু বিরক্ত ভাব আনেন আর মুখ ভেংচিয়ে ফোড়ন কাটেন, “বৃদ্ধ বয়সে এটা কি ধরনের ভীমরতি হল। শুনি?” “কোনটি?” শুধালেন বিজ্ঞানী হল্যান্ড। এবার ইন্সপেক্টর তীব্র ক্লেশে চিৎকার করে উঠলেন, “এসব কি হেঁয়ালি হচ্ছে? পত্রিকা পড়েন না? জানেন না কি একটা কিম্ভূত সরীসৃপের হাতে কয় লক্ষ মানুশ খুন হয়েছে? আপনি শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী হয়েও কেন বেপারটা এড়িয়ে জাচ্ছেন?”
বিজ্ঞানী কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে রইলেন। এরপর হা হা করে অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেন আর বললেন, “হ্যাঁ, আমি, মহাবিজ্ঞানি ড. হল্যান্দ-ই এর পেছনে দায়ী, জানতে চান কেন? কারণ একটাই আমি অপমানের বদলা নিতে জানি। আমি আজ বলে দিচ্ছি এই পৃথিবীতে আর বেশিদিন এই মানবসভ্যতা টিকবে না।“
অবাক ইন্সপেক্টর জিজ্ঞেস করলেন, “এসব তবে আপনারই কীর্তি?”
“হ্যাঁ, আমারি কীর্তি। কি ভেবেছিলে তোমরা আমাকে এভাবে অপদস্থ করে ফিরিয়ে দিবে আর আমিও তোমাদের ছেড়ে দিবো? কক্ষনো না। এই পৃথিবীতে কেউ বাঁচবে না। হা হা হা ……………….”
গল্পটি কেমন লাগছে? আশা করি মতামত জানাবেন। এটি আমার লেখা প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি। গল্পে সবকিছুই কাল্পনিক। দ্বিতীয় পর্ব খুব শীঘ্রই আসছে!
#লেখায়_তাকিয়া_বিনতে_তৌহিদ
#স্ত্রাখের_আক্রমন
পর্ব -০১
01/02/2022
Alhamdulillah. Got 1st prize in Calligraphy segment...........🥳
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the establishment
Website
Address
Dhaka