PakaBari.com
Pakabari About
Pakabari provides Extensive Knowledge of Different business Strategies and Framwork, Which will Help Bangladesh SME’s to do Big Business.
19/06/2021
🌳১৪ টি সেরা ফেসবুক বিজনেস পোস্ট আইডিয়া 🌳
আপনার ব্যবসায়ের জন্য খুব যত্ন করে একটি ফেসবুক পেইজখুলে বসেছেন। ভালো কথা। কিন্তু পরে যে কি পোস্ট দেয়া যায় তাই ভেবেই কূল পাচ্ছেন না। অধিকাংশেরই এটা কমন প্রবলেম। অনেক ছোট ব্যবসায়িকেই দেখা যায় তাদের ফেসবুক পেইজে দিনের পর দিন একই ধরনের পোষ্ট করে যাচ্ছেন। পোষ্টগুলো প্রোপারলি আদৌ কাজ করছে সে দিকে খেয়ালও করছেন না।
এমনটা যদি আপনার ক্ষেত্রেও হয়, তাহলে বলতে হয়, আপনার ফেসবুক পেইজ খোলার উদ্দেশ্য তাহলে অবশ্যই ব্যাহত হচ্ছে। তাহলে বরাবরের মতই প্রশ্ন উঠতেই পারে, তাহলে উপায় ? জ্বি, উপায় অবশ্যই আছে। তবে তার জন্য আপনাকে একটু অ্যাক্টিভ হতে হবে।
এই পোষ্টে আমি প্রাথমিকভাবে যারা নতুন সেসব ব্যাবসায়ীদের জন্য ফেসবুক পেজের কিছু কিলার পোষ্ট আইডিয়া নিয়ে কথা বলবো। এই আইডিয়াগুলো প্রচুর লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার জেনারেট করার পাশাপাশি আপনার ওয়েবসাইটের ক্লিকের হারও বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ।
১। প্রথমে একটি সমস্যা দিন, তারপর সমাধান জিগ্যেস করুন
এই ধরনের পোষ্ট এন্টিবায়োটিকের মত কাজ করে। লোকেরা সাধারণত প্রশ্নের উত্তর দিতে ভালবাসে এবং সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে আগ্রহী।
যেমন:
আপনি হলে কি করতেন ?
আমাদের একজন পাঠকের একটি প্রশ্ন ছিল, আপনি কি সাহায্য করতে পারেন?
আমার একটি সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার এবং আমি আপনার ফিডব্যাক আশা করছি।
আপনি কি ধরনের পরামর্শ দিবেন , যিনি সংগ্রাম করছেন ……….।
২। ভালো কনটেন্ট পোষ্ট করুনঃ
একটি ভাল কনটেন্ট সবাই পছন্দ করে। আর এ জন্য অনলাইনে আপনি হাজার হাজার কনটেন্ট এপ পাবেন। আপনি তাদের যে কোন একটা ব্যাবহার করতে পারেন আপনার কনটেন্ট রান করাতে। বোনাস হিসেবে এর মাধ্যমে আপনি ইমেইল আইডি সংগ্রহ করে ইমেইল লিস্ট ও বানাতে পারেন। ইমেইল আইডি সংগ্রহের কলা-কৌশল নিয়ে পরের কোন কিস্তিতে আলাপ হবে।
৩। অনুপ্রেরনামূলক ছবি শেয়ার করুনঃ
শুধু ফেসবুক নয় ব্যাক্তি জীবনেও নেতিবাচক ঘটনার যেন অন্ত নেই। কেবল সমস্যা,হতাশা ও ব্যর্থতা ইত্যাদি সংবাদ বা পোষ্টের কারণে সবাই বিরক্ত ও হতউদ্যোম হয়ে উঠে।
তাই আপনি গতানুগতিক পোষ্টের বাইরে গিয়ে মাঝে মাঝে প্রেরণাদায়ী কোটেশান বা ইমেজ পোষ্ট করতে পারেন। এই ধরনের পোষ্ট সব অডিয়েন্সের উপরই প্রভাব ফেলে ।
৪। শুন্যস্থান পূরণঃ
শুন্যস্থান পুরনের পোষ্ট কিছুটা ধোয়াটে একটা ধারনা। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, লোকেরা এই ধরনের পোষ্ট অনেক পছন্দ করে। আপনি এই ধরণের শূন্যস্থান পূরণের পোস্টের জন্য যেকোন প্রশ্নকে পুনঃ সাজিয়ে শূন্যস্থান বানাতে পারেন। দেখা যায় এই ধরনের পোষ্টের এনগেজম্যান্ট বেসিক প্রশ্নের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। আপনি নিজেই একটা পোষ্ট দিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
৫। মৌসুমি পোষ্টঃ
সামনে আসছে এমন কোন ছুটিকে উপলক্ষ্য করে একটি হলিডে ইমেজ, কোটেশান বা শুভেচ্ছা বার্তা শেয়ার করতে পারেন। আর সম্ভব হলে পার্সোনাললি টাচ করারও চেষ্টা করুন। যদি আপনি এমনটা করেন তাহলে সেটি আপনার ফ্যানদেরকে মনে করিয়ে দিবে যে আপনি একজন রিয়েল / বাস্তবিক ব্যক্তি।
৬। ব্লগ পোষ্টের সারাংশঃ
অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক ব্যাবসায় মালিকরা শুধু মাত্র তাদের ব্লগ পোষ্টের লিঙ্ক শেয়ার করে, যার সাথে কোন ধরনের অতিরিক্ত কোন টেক্সট থাকে না । ব্লগ পোষ্ট শেয়ারের বেলায় আপনাকে খুবই সাবধান হতে হবে যেন কোন লিঙ্ক শেয়ারের সময় তার সাথে এর পেছনের গল্প বা এর একটি সার সংক্ষেপ থাকে। এতে করে আপনার ফ্যানরা লিঙ্কে ক্লিক করার আগে জানতে পারবে পোষ্টের বিষয় বস্তু। এক্ষেত্রে ফেসবুকের নিজস্ব Facebook debugger tool আপনাকে অনেক হেল্প করবে।
৭। শুধুমাত্র ফ্যানদের জন্য ডিসকাউন্ট অফারঃ
“আপনার ফেসবুক ফ্যানদের জন্য এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট অফার করুন, এটা হবে আপনার ফ্যান হবার গিফট”
সম্ভব হলে ডিসকাউন্ট প্রমোটে ইমেজ ব্যবহার করুন। এইগুলো ফ্যানদের মনোযোগ আকর্ষণে খুবই কার্যকর। অন্য দিক দিয়ে ইমেজ পোস্ট তুলনামূলক বেশি শেয়ার হয়ে থাকে।
৮। আপনার নিজের অন্য কাউকে ক্রস প্রমোটঃ
আপনি আপনার ব্যবসায়ের পণ্য বা সেবার সম্পূরক কোন ব্যাবসায়ের সাথে টিম হিসেবে কাজ করতে পারেন। সেটি আপনাদের দুই জনকেই একে অপরকে ক্রস প্রমোট করতে সাহায্য করবে। যেমন কোকাকোলা ক্যাটবেরির সাথে প্রায়ই করে থাকে। তেমনি আপনারাও উভয়েই উভয়কে ট্যাগ করতে পারেন। একে অপরের ফ্যান পেইজে লাইক দেবার জন্য নিজেদের ফ্যানদের কাছে সুপারিশ করতে পারেন, আবার একে অন্যের কনটেন্ট শেয়ার ও করতে পারেন।
৯। টিউটোরিয়ালের লিঙ্কঃ
আপনার ফ্যানদের স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড বা হাউ টু ডু সামথিং, এ ধরণের পোষ্ট দিতে পারেন। এই ধরনের পোষ্ট এনগেজমেন্ট বাড়াতে দারুন ভুমিকা পালন করে, বিশেষ করে ক্লিকের জন্য ও শেয়ারের জন্য।
১০। বিশেষজ্ঞ টিপসঃ
কোন একটি সাধারণ সমস্যা সমাধানে বা কোন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে কোন একজন ইন্ডাজট্রি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ শেয়ার করতে পারেন। সেই বিশেষজ্ঞ আপনি নিজেই হতে পারেন।
১১। ব্যাক্তিগত পোষ্টঃ
মাঝে মাঝে ব্যাক্তিগত ইমেজ বা নিজস্ব গল্প শেয়ার করতে মোটেও দ্বিধাবোধ করবেন না। এ বিষয়টি আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদাভাবে পরিচয় করাতে সাহায্য করবে।
১২। আপনার ব্যাবসায়, অফিস বা কর্মচারীদের ইমেজ শেয়ার করুনঃ
আপনার কর্মক্ষেত্রের কোন ছবি, বা আপনার কর্মচারিদের কোন ইমেজ বা কাস্টমারদের ইমেজ (অবশ্যই তাদের অনুমতি নিয়ে) শেয়ার করবেন। এটা সামাজিকভাবে আপনার ব্যবসাকে আরো বেশি চাঙ্গা ও নির্ভরশীল ইমেজ তৈরিতে বেশ কাজে দিবে।
১৩। পরামর্শ বা সুপারিশ আহবানঃ
আপনি মাঝে-মধ্যে আপনার ফ্যানদের কাছ থেকে কি করে আরো ভাল পণ্য বা সেবা দেয়া যায় তার জন্য তাদের কাছ থেকে পরামর্শ বা সুপারিশ চাইতে পারেন। আপনি হয়ত মেয়েদের পোশাক বিক্রি করেন, সেক্ষেত্রে আপনি আপনার মেয়ে ফ্যানদের কাছে বিভিন্ন পরামর্শ বা সুপারিশ চাইতে পারেন। যেমন: হতে পারে আপনি সবচেয়ে ভাল ফেসওয়াশ বা ফেসক্রিম কোনটি জানতে চেয়ে পরামর্শ চাইতে পারেন। দেখা গেছে এ ধরনের পোষ্টের এনগেজমেন্ট অনেক বেশি হয়। এর কারণ হতে পারে, আমরা জাতিগত ভাবে অন্যকে পরামর্শ দিতে একটু বেশিই পছন্দ করি।
১৪। প্রশ্ন আহবানঃ
আপনি ‘আপনার ফ্যানদের কাছ থেকে আপনার নিস রিলেটেড বা নির্দিষ্ট কোন টপিকের উপর প্রশ্ন চাইতে পারেন। যেখানে আপনি তাদের জানাতে পারেন, প্রশ্নগুলোর উত্তর বিশেষজ্ঞগণ দিবেন এবং একইসঙ্গে সেরা প্রশ্নকর্তাও পাবেন গিফট বা গিফট ভাউচার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka