Boost Lab It Solutions

Boost Lab It Solutions

Share

We are providing 360° Facebook Instagram and Tiktok Marketing solutions with awesome eye-catchy customer-driven design

27/05/2022

✅ আপনার কি ঝামেলামুক্ত এবং অরিজিনাল ডলার দিয়ে বুস্ট প্রয়োজন?
আমরা অরিজিনাল ডলার দিয়ে এবং ফেসবুক ভেরিফাইড এ্যাড ম্যানেজার দিয়ে
পেইজে বুস্ট করে থাকি ।
✅ অল্প টাকায় বিদেশী ডলার এবং কুপন ব্যাবহার করে বুস্ট/ প্রোমোট আপনার শখের বিজনেস পেইজটি হারাতে পারেন ।তাই নিশ্চিন্তে ১বার আমাদের সার্ভিসটি নিয়ে যাচাই করে দেখতে পারেন ।

📛আশানুরূপ সেল পাচ্ছেন না?
📛পেজের রিচ খুবই কম?
📛অন্যান্য পেইজের তুলনায় নিজের পেজকে অগোছালো মনে হয়?
📛কষ্টার্জিত টাকার বিজনেস বন্ধ হয়ে ইনভেস্টমেন্ট লস হবার উপক্রম ?
✅সমাধানে পাশে আছে Boostlab it Solution
আমাদের প্রফেশনাল মার্কেটিং টিম বিনামূল্যে আপনার পেইজ এনালাইসিস করে আপনার বিজনেসের সমস্যা Find out করবে ।
এবং সমস্যার যথাউপযুক্ত সমাধান দেবে ।

বিঃদ্রঃ আপনাকে আগে পেমেন্ট করতে হবেনা। আপনার বিজ্ঞাপন Active হওয়ার পর আপনি Confirm হয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন ।

Boost Your business With Boost Lab It Solutions
Your Business Our responsibility

18/05/2022

ব্যবসা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন কিন্তু জানেন না আপনার জন্য মার্কেট থেকে তাড়াতে কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছে। আবার অনেকেই ব্যবসায় পরিচালনা করছেন কিন্তু প্রতিযোগীদের কৌশলের কাছে কোন ভাবেই ব্যবসায়কে এগিয়ে রাখতে পারছেন না। আপনি সহজ ও সরল ভাবে ব্যবসায় করতে মার্কেটে আসছেন। আর আপনার প্রতিযোগী সেই মার্কেটের দখল নিয়ে অলরেডী ব্যবসা করছে।

একটা কথা আছে অবস্থান কেউ কাউকে করে দেয় না। নিজের অবস্থান নিজেকেই নির্ধারন করে নিতে হয়। প্রতিযোগীর কাছ সহযোগীতার আশা করা বৃথা হবে। আপনার প্রতিযোগীকে অনুসরন না করে কৌশলে বাজার অংশ দখল করতে পারাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আর আপনাকে এজন্য বাজারে থাকা আপনার পন্যের প্রতিযোগী বিশ্লেষন করতে হবে খুব সুক্ষ দৃষ্টিতে।

বাজারে আপনি যে সকল পন্য বিক্রি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন একই পন্য আগে থেকে অনেকেই বাজারজাত করছে। আপনার থেকে তার অভিজ্ঞ। সে ক্ষেত্রে আপনার পন্যটির অবস্থান খুব সুদৃঢ় হতে হবে। না হলে মার্কেটে প্রবেশের কিছু দিনের মধ্যে আপনাকে বিদায়ের ঘন্টা বাজাতে হবে।

একটি বাজারে বেশ কিছু প্রতিযোগী পাবেন। যাদের একটি পক্ষ বাজারের খুব বড় অংশ দখল করে নিয়ে মার্কেট লিডার হিসেবে বাজারে অবস্থান করছে। তারই খুব কাছাকাছি কোন কোম্পানী বাজারের সেই বড় অংশ দখলকারী মার্কেট লিডারকে পেছনে ফেলার জন্য প্রতিনিয়ত ধাওয়া করছে। সেই সাথে বাজারে আরও কিছু ছোট ছোট কোম্পানীর দেখা পাবেন যারা নীরবে তাদেরকে দেখছে। তাদের কৌশলগুলো পর্যবেক্ষন করছে। সেই সাথে নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে বাজারে নিজের অবস্থানকে শক্ত করছে।

বাজারে প্রবেশ ও আপনার পন্যের বাজার অবস্থান তৈরীর জন্য মার্কেটে প্রবেশের আগে-পরে বাজার ও প্রতিযোগী বিশ্লেষনের ‍কাজ করতে হবে। আপনি যদি চিন্তা করেন বাজারে দশ বা পনেরটি পন্য বাজারজাত করবেন দেশ ব্যাপী তবে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে সবকটি পন্যই সব স্থানে সব সপরিমান বাজার অংশ দখল করতে পারবে না। কোন কোন স্থানে এমন হবে যে আপনার কোন একটি পন্য নুন্যতম বিক্রয় নাও হতে পারে। আবার অন্য কোন স্থানে সেই পণ্যেরই ব্যাপক চাহিদা পেয়ে যেতে পারেন।

আপনার প্রতিযোগী আপনার সমজাতীয় পন্য কি দামে বিক্রয় করছে? বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিলার অথবা ক্রেতাকে কি কি অফার প্রদান করছে? কোন একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করছে? বিক্রয় পরবর্তী সেবার মান কেমন? ক্রেতা কেন তার পন্যটি বাজারে এসে খুজছে? ক্রেতা কেন সন্তুষ্ট আপনার প্রতিযোগীর পন্যটি ব্যবহার করে? আপনার প্রতিযোগীর পন্য ও আপনার পন্যের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? ক্রেতা যা চায় তা কি আপনার পণ্যে আছে? খুঁজুন প্রশ্নগুলোর উত্তর।

মার্কেট থেকে প্রাপ্ত সঠিক উত্তরের বিশ্লেষন করুন এবং সেই হিসেবে আপনার সামর্থ্য বিবেচনা করে কৌশল নির্ধারন করুন। কৌশল নির্ধারনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় সব সময় মাথায় রাখবেন। আপনি অন্যের কৌশল কপি বা অনুকরন করবেন না। নিজেই কৌশল উদ্ভাবন করবেন। অন্যদের কৌশল বিচার বিবেচনা করে আপনি ধারনা নিতে পারেন।

বাজারে প্রবেশের নির্ধারিত কৌশল ধরে রাখুন। এক ধাপে নয় কয়েক ধাপে পরিকল্পনা করুন। একটি স্থায়ী পরিকল্পনার সাথে সাথে কয়েকটি অস্থায়ী পরিকল্পনা করে রাখুন। সততার সাথে সুনাম অর্জনের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করুন। আপনার পন্যকে ব্রান্ডে পরিনত করতে খুব বেশী সময় লাগবে না।

18/05/2022

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমরা অনেকেই বারংবার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েও লেগে থাকতে পারেননি কিংবা মাঝপথে এসে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন এমন সংখ্যাও কম নয়। ব্যবসায় নেমে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পেছনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারাটা সবচেয়ে বড় হুমকি স্বরুপ।

কোন ব্যবসায়ের শুরুতে বাজার পর্যালোচনা ও সঠিক মাত্রায় ঝুঁকি নিরুপন করতে না পারাটা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা। যে কোন ব্যবসায়ের শুরুতে কিছুটা সময় নষ্ট করুন। ভাল করে জানার চেষ্টা করুন আপনি কি করতে যাচ্ছেন। আর সে বিষয়ে আপনার কতটা দক্ষতা আছে। যদি সে বিষয়ে আপনার জনার সল্পতা থাকে তবে চেষ্টা করুন সম্পূর্ণ বিষয়টি ভাল ভাবে আয়ত্তে আনার জন্য। অনুমান নির্ভর করে কোন কাজ করবেন না।

অনুমান ভিত্তিক কোন কাজ করলে তার ফলাফল আপনার জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। আপনার উদ্যোগকে কবরে পাঠানোর জন্য আপনার অনুমানই যথেষ্ট। যখন আমরা কোন পরিকল্পনা করতে শুরু করি, ভাবি আমি এ বিষয়টি নিয়ে কাজে নামলে সফলতা পেতে সময় লাগবে না। এই ব্যবসায় পরিকল্পনা সবার থেকে ভিন্ন। আমার পরিকল্পনাই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনা। এটাতে আমি সফল হব। আর বাজারে আমার প্রতিদ্বন্দীরা ছিটকে যাবে। আমার সাথে প্রতিযোগীতায় টিকতে পারা সহজ হবে না কারও পক্ষে।

একবার ভাবুন। আপনার প্রতিযোগী আপনার থেকে কম বুদ্ধিমান নয়। আপনার থেকে তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতাও বেশী। আর কৌশলের কথা যদি বলি তো আপনি কার কাছে শুধুমাত্র বাচ্চা শিশু। আমরা যখন কোন পরিকল্পনা করা শুরু করি শুধু পজেটিভ দিক, না হয় তো শুধু নেগেটিভ দিক দেখতে থাকি। কিন্তু নেগেটিভ পজেটিভ দুটো বিষয়কে ব্যালেন্স করতে পারি না। যার ফলাফল হয় হ্যা নয় তো না। ভুলটা শুরু হয় এখান থেকেই।

আপনার কাছে কতটুকু সামর্থ্য আছে, কতটা সুযোগ আছে তা বিবেচনা করেন না। কতটা ঝুঁকি আপনার জন্য রয়েছে কিংবা আপনি কতটা হুমকির মুখে পড়তে পারেন তার হিসেব করেন না। যখন যে বিষয়টা নিয়ে পরিকল্পনা করেন মনে হয় সেটাই সবচেয়ে লাভবান। মোহ বুঝেন তো। মোহে পড়লে নাকি হুস জ্ঞান থাকে না। ঠিক আপনার অপার সম্ভাবনার পরিকল্পনার মোহ আপনাকে কখন যে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে সেটাও জানেন না।

নিজেকে দক্ষ হিসেবে তৈরী করুন আপনি যে ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন তার জন্য। আপনি নিজে দক্ষ না হলে অন্যের কাজের ফাঁকিবাজি কখনও ধরতে পারবেন না। আপনাকে ঠকিয়ে অন্যকেউ আপনার লাভের গুড় নিয়ে যাবে। দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিজেকে তৈরী করতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে দিনরাত। কোথা থেকে কিভাবে কোন কাজটি হয় সে সম্পর্কে আপনাকে সঠিক ভাবে জানতে হবে। আপনি জুয়া খেলার মত অনিশ্চিত কোন কিছু করতে আসেন নি। যে রাতারাতি বড় হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখবেন। আপনি সততার সাথে ব্যবসা করতে আসছেন এটা সব সময় মনে ধরে রেখে সে অনুযায়ী কাজ করুন।

বাস্তবততার নিরিখে পরিকল্পনা করে কাজ করুন। খুঁজে খুঁজে বের করুন আপনার সুযোগ ও ঝুঁকি। জানার চেষ্টা করুন কিভাবে ঝুঁকি মোকাবেলা করে আপনি আপনার গন্তব্যে পৌছাবেন। অনুমান ভিত্তিক কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতেই পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেওয়াটা বোকামী ছাড়া আর কিছুই হবে না। আপনার একটা সঠিক সিদ্ধান্ত আপনার আগামীকে উজ্বল করবে। আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিবে। আপনার পরিবার সহ আরও কিছু মানুষের সাপোর্ট হবে। সুতরাং আরও বেশী সাবধানতা অবলম্বন করুন। প্রত্যাশার সাথে বাস্তবতার ব্যালেন্স করে জেনে বুঝে দক্ষতার সাথে বিনিয়োগ করুন যে কোন ব্যবসায়।

লেখক:
মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ

17/05/2022

উদ্যোক্তা হতে আমরা অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করি, আবার অনেক সময় বিনিয়োগও করে বসি।
কিন্তু অপরিকল্পিত বিনিয়োগ আমাদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় আবার অনেক ক্ষেত্রে সীমিত মূলধনের জন্য আমাদের মনের মধ্যে থাকে নানান ভয় এবং আশঙ্কা।
তবে যাচাই-বাছাই এবং পরিকল্পিত বিনিয়োগ করলে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে আসে।
তবে মনে রাখতে হবে আপনি কখনোই খালি হাতে ফিরবেন না হয় জিতবেন, না হয় অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন যে আপনার পরবর্তী জীবনের জন্য আপনাকে প্রস্তুত করবে। তবে যে কোন ব্যবসা শুরু করার পূর্বে প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো যথাযথ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করা।

কোন ব্যবসায় ইনভেস্ট করার পূর্বে আপনাকে যেসব বিষয় উপর খেয়াল রাখতে হবে

👉সময় :
প্রথমে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি যে ব্যবসা করতে চাচ্ছেন সেই ব্যবসার পেছনে আপনি দৈনিক কি পরিমান সময় ব্যয় করতে পারবেন হোক সেটা স্বল্পমেয়াদে বা দীর্ঘ মেয়াদে এবং সেভাবেই আপনার আপনাকে পরিকল্পনা করতে হবে

👉পণ্য :
আপনি যে পণ্য নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন তার মার্কেট ডিমান্ড এবং মার্কেট এনালাইসিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । এখানেই আমরা সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকি । প্রপারলি মার্কেট এনালাইসিস না করে অনেকেই আমরা একটি ফেসবুক পেজ খুলে সেই ব্যবসায় ইনভেস্ট করে ফেলি এবং যা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের উপর মানসিক চাপ বা অনেক ক্ষেত্রে বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় ।

👉অর্থের পরিমাণ এবং অর্থের সুষম বন্টন :
আপনি কি পরিমাণ অর্থ নিয়ে ব্যবসায়ে ইনভেস্ট করতে চাচ্ছেন এটিও পরিকল্পনার একটি অংশ । সব অর্থ একেবারেই ইনভেস্ট করবেন নাকি ধাপে ধাপে ইনভেস্ট করবেন তা নির্ভর করবে আপনার ব্যবসার ধরনের উপর ।
এক্ষেত্রে আমরা অনেক সময় যে বড় ভুলটি করে থাকি সেটি হল অর্থের সুষম বন্টন না করে ।
ই-কমার্স বা 𝙛-𝙘𝙤𝙢𝙢𝙚𝙧𝙘𝙚 আপনি যেটাই বলুন না কেন এটা সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি আপনার পণ্যের প্রতি সবচেয়ে বেশি ফোকাস করতে পারবেন । ফিজিক্যাল শপের ক্ষেত্রে আপনাকে শপের জন্য অ্যাডভান্স, দোকান ভাড়া, ডেকোরেশন, কর্মচারীর বেতন, অন্যান্য বিলসমূহ ইত্যাদিতে এককালীন প্রচুর টাকা ব্যয় করতে হয় । কিন্তু ই-কমার্স বা 𝙛-𝙘𝙤𝙢𝙢𝙚𝙧𝙘𝙚 ইত্যাদি কোন ব্যয় নেই বললেই চলে । সুতরাং আপনি আপনার ইনভেস্টের একটি বড় অংশই ব্যয় করতে পারেন আপনার পণ্যের পিছনে । তবে এখানে আমরা সবচেয়ে Major যে ভুলটি করে থাকি আমাদের পুরো অর্থ ব্যয় করে দেই পণ্যের পিছনে । আমরা ভুলে যাই যে আমাদের যেই ফেইসবুক পেজ রয়েছে সেটার ও ডেকোরেশন, ইম্প্রেশন এবং প্রচারণার বিষয় রয়েছে ।
যার ব্যায় ফিজিক্যাল শপের থেকে তুলনামূলক অনেক কম কিন্তু গুরুত্ববহ।
সুতরাং মূলধনের পুরো অংশই পণ্যের পিছনে ব্যয় না করে একটি অংশ জমা রাখতে হবে যেটা ফেইসবুক মার্কেটিং , পেজ ডেকোরেশন এবং পেজ ইম্প্রেশন ক্রিয়েট এ সহযোগিতা করবে ।
এ নিয়ে সামনে আমাদের পেইজে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে

নতুন উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বদা পাশে থাকবে 𝐁𝐨𝐨𝐬𝐭 𝐥𝐚𝐛 𝐈𝐓 𝐒𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐓𝐞𝐚𝐦

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Dhanmondi
Dhaka
1209