Muhammad's Diaries
রব,এমন সন্তান দিন যে হোক মনের প্রশান্তি,চক্ষুর শীতলতা-আমরাহীন দুনিয়াতেও সে নেক সন্তানের মতো দুআ করুক! Cheers!
26/05/2026
অনেক সময়ই দেখা যায় সন্তান কোনো কারণে কান্নাকাটি করছে বা জেদ ধরছে, আর আমরা সাথে সাথে তাকে শান্ত করার জন্য বকা দিই অথবা তার পছন্দের কোনো খেলনা বা মোবাইল দিয়ে দিই।
কিন্তু জেন্টল প্যারেন্টিং (Gentle Parenting) এবং চাইল্ড সাইকোলজি অনুযায়ী, বাচ্চার জেদ বা 'ট্যানট্রাম' সামলানোর সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো "ডায়ভারশন অ্যান্ড রিডাইরেকশন" (Diversion & Redirection)।
সহজ কথায়, বাচ্চার মনোযোগ অন্য কোনো নিরাপদ ও আকর্ষণীয় দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া। কীভাবে করবেন?
জেনে নিন ৩টি সহজ ট্রিকস:
১. সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু থেরাপি (Physical Diversion): বাচ্চা যখন খুব জেদ করছে, তখন হুট করে তাকে হালকা একটু কাতুকুতু দিয়ে দিন বা জড়িয়ে ধরুন। এতে তার ব্রেইনের রাগের সিগন্যালটা আচমকা ব্রেক হয়ে যায় এবং সে হেসে ফেলে।
২. এনার্জি রিডাইরেকশন (Energy Redirection): বাচ্চা যদি রেগে গিয়ে আপনাকে বা দেওয়ালে লাথি বা ঘুষি মারতে চায়, তাকে বকা না দিয়ে বলুন—"আম্মু বুঝতে পারছি তোমার রাগ হচ্ছে। দেওয়ালে লাথি দিলে পা ব্যথা পাবে, এই যে বালিশ নাও, বালিশে যত ইচ্ছা লাথি দাও!" এতে তার রাগটাও প্রকাশ পায়, আবার কারও ক্ষতিও হয় না।
৩. কৌতূহল জাগানো (Curiosity Spark): কান্নাকাটি করার সময় হঠাৎ জানালার বাইরে তাকিয়ে বলুন, "আরে! দেখো দেখো পাখিটা ওটা কী নিয়ে যাচ্ছে?!" বাচ্চার কৌতূহলী মন তখন কান্নার কথা ভুলে ওদিকেই মনোযোগ দেবে।
বাচ্চার রাগ বা জেদ কোনো অন্যায় নয়, এটি তাদের ইমোশন প্রকাশের একটা মাধ্যম। তাই রাগের বদলে ধৈর্য আর বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তাদের সামলানোই আসল মাতৃত্ব। ❤️
আপনার বাচ্চা জেদ করলে আপনি কীভাবে সামলান? কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন!
24/05/2026
এই ultra modern যুগে সন্তানদের শুধু “ভালো স্কুল” বা “ভালো ভবিষ্যৎ” দিলেই দায়িত্ব শেষ না।
কারণ এখনকার পৃথিবী খুব দ্রুত বাচ্চাদের attention, mindset আর emotions কে influence করছে।
এই সময়ে যদি সন্তানের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা পরিবার না হয়,
তাহলে পৃথিবী খুব সহজেই তাদের মন দখল করে নেয়।
আর তাই—
যদি সন্তানই হয় একজন বাবার সবচেয়ে বড় শক্তি, সম্পদ আর legacy,
তাহলে বাবাদের তাদের সাথে relationship build করা উচিত ছোট ছোট বাস্তব জিনিস দিয়ে।
শুধু টাকা এনে দেয়া না,
সময় দেয়া।
শুধু শাসন না,
কথা শোনা।
শুধু “আমি তোমার ভালো চাই” না,
এমন ব্যবহার করা যেন সন্তান সেটা অনুভবও করতে পারে।
একজন বাবা প্রতিদিন মাত্র ১৫–২০ মিনিট পুরো attention নিয়ে সন্তানের সাথে খেললে, কথা বললে, গল্প শুনলে—
সেই connection অনেক বড় বড় জিনিসের চেয়েও powerful হয়ে যায়।
যে বাবা সন্তানের feelings dismiss না করে শুনে,
ভুল করলে অপমান না করে guide করে,
মায়ের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলে,
নিজের stress healthyভাবে handle করে—
সে অজান্তেই একটা emotionally secure মানুষ গড়ে তোলে।
আজকাল অনেক সন্তান expensive gifts পায়,
কিন্তু বাবাকে পায় না।
অনেক বাবা একই বাসায় থেকেও emotionally unavailable।
ফলে সন্তান ধীরে ধীরে phone, internet, stranger কিংবা বাইরের validation-এর দিকে ঝুঁকে পড়ে।
কিন্তু যে সন্তান বাবার সাথে হাসতে পারে,
ভয় ছাড়া কথা বলতে পারে,
ভুল করেও যার পাশে দাঁড়ানো মানুষ পায়—
সে বাইরে acceptance খুঁজতে comparatively কম মরিয়া হয়।
একদিন টাকা, status, business— সবই হয়তো অন্য কারো হবে।
কিন্তু একজন বাবা তার সন্তানের মনে কেমন স্মৃতি রেখে গেল,
সেটা অনেক দূর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। 🤍
-উম্মে হাবিবা
২৪-০৫-২৬
24/05/2026
শিশুদের “আদব” শেখানো আসলে শুধু “ভদ্র হও” বলার বিষয় না — এটা তাদের nervous system, observation, imitation আর daily connection-এর সাথে গভীরভাবে জড়িত। টডলাররা সবচেয়ে বেশি শেখে দেখে দেখে। তাই শুরুটা হয় ঘর থেকেই। 🌱
শুরুর দিকে মায়েরা যেভাবে আদব শেখাতে পারেনঃ
“জোর করে manners” না, বরং ছোট ছোট consistent অভ্যাস তৈরি করুন
যেমন:
🔹কিছু চাইলে “please”
কিছু পেলে “আলহামদুলিল্লাহ/ধন্যবাদ”
ভুল করলে “sorry”
কারো সাথে দেখা হলে সালাম
বাচ্চার সাথে সম্মানজনকভাবে কথা বলুন
আপনি যদি বারবার বলেন:
“একটু অপেক্ষা করো প্লিজ” “ধন্যবাদ আম্মুকে সাহায্য করার জন্য”
তাহলে ও এগুলো absorb করতে শুরু করবে।
🔹লেকচার কম, modelling বেশি
টডলারদের brain লম্বা explanation কম বুঝে, কিন্তু behaviour copy খুব দ্রুত করে।
রাগের মুহূর্তেও ভাষা soft রাখার চেষ্টা করুন
কারণ শিশুরা শুধু “কি বললাম” না, “কীভাবে বললাম” সেটাও শেখে।
🔹ইসলামিক আদব ছোট থেকেই naturalভাবে introduce করুন
যেমন:
খাবারের আগে “বিসমিল্লাহ”
হাঁচি দিলে “আলহামদুলিল্লাহ”
বড়দের সালাম
প্রাণীর প্রতি কোমল আচরণ
🔹Sharing আর empathy play-এর মাধ্যমে শেখান
যেমন পুতুল/টেডি নিয়ে:
“ওহ, bear টা কষ্ট পেয়েছে, একটু gentle touch দেই?”
ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে “খারাপ ছেলে” বলবেন না
Behaviour আলাদা, child আলাদা। বলুন:
“মারা যাবে না, gentle hands.”
এতে shame না, skill শেখে।
আদব শেখানোর সবচেয়ে powerful সময় হলো daily routine
খাওয়া, খেলনা গুছানো, দরজায় knock করা, কারো কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা— এগুলাই real-life practice।
একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
টডলার বয়সে impulse control পুরো develop হয় না। তাই একই জিনিস ১০০ বার remind করা লাগতেই পারে। এটা “অসভ্যতা” না, brain development-এর অংশ। 🧠
শেষে একটা কথা—
“ভদ্র বাচ্চা” বানানোর আগে “নিরাপদ অনুভব করা বাচ্চা” গড়ে তোলা বেশি জরুরি। কারণ connection থেকেই আস্তে আস্তে respectful behaviour তৈরি হয়। 🤍
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Niketon
Dhaka
1212