E library bd

E library bd

Share

Thousands of years before modern medicine provided scientific evidence for the mind-body connection,

30/09/2024

ই-বুক কী, কীভাবে পড়বেন?

সংক্ষেপে বলতে গেলে কাগুজে বইয়ের অনলাইন ভার্সনই ই-বুক। আরেকটু বিশদ করে বললে ইলেকট্রনিক ফরম্যাটের বই; যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সাহায্যে পড়তে হয়, সেটাই ই-বুক। গানের যেমন MP3, .amr, .midi এ ধরনের ফরম্যাট থাকে, ই-বুকেরও বিভিন্ন ফরম্যাট থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ফরম্যাট হচ্ছে .pdf। এর কারণ এই ফরম্যাট বানানো যেমন সহজ, আবার চাইলে ওয়াটার মার্কও দেওয়া যায়, যাতে আপনার ডকুমেন্ট কেউ নিজের বলে না চালাতে পারে। আবার কিছু অ্যাপ দিয়ে এই ফরম্যাটের লেখায় মার্কিংও করা যায়। ঠিক যেমন আমরা কাগজের বইয়ে কলম দিয়ে দাগাই তেমন। পিডিএফ ফরম্যাটের সুবিধা যেমন আছে, কিছু অসুবিধাও আছে। যেমন লেখার ফন্ট ফিক্সড থাকে। পড়তে চাইলে অনেকসময় ছোটফন্টের লেখা জুম করতে হয়। এতে অনেকেই বিরক্ত হন, পড়ার ইচ্ছেটাও চলে যেতে পারে। আর যদি সেই পড়ার ডিভাইসটি মোবাইল হয়, এক্ষেত্রে বিরক্ত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি।

এর সমাধান একভাবে বলা যায় ePub। এটিও ডকুমেন্টের একটি ফরম্যাট। ইংরেজি বইয়ের পাঠক কমিউনিটির মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত ফরম্যাট হলো ePub। বর্তমানে বাংলাতেও অনেকেই epub ফরম্যাটের জন্য কাজ করছেন। তো এখানে pdf তুলনায় কী সুবিধা? কম্পিউটারে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে যেমন লেখার ফন্ট বড়-ছোট করা, বোল্ড করা, হাইলাইট করা যায়। এই সুবিধা পিডিএফ ফরম্যাটে না থাকলেও epub-এ আছে। এ কারণেই এই ফরম্যাটটি পড়ুয়াদের কাছে এতটা জনপ্রিয়। আপনি ছোট স্ক্রিনে পড়লেও চোখ কচলিয়ে ফোন ডিসপ্লে কাছে চোখ নিয়ে লেখা পড়তে হবে না, কারণ প্রয়োজন অনুযায়ী ডকুমেন্টের ফন্ট বড়-ছোট করতে পারবেন।

Epub ছাড়াও mobi, .txt, .djyu, .pdb, tr2, .lit, .aeh- এমন আরও অনেক ফরম্যাটের ই-বুক রয়েছে। বিশেষ করে .mobi ফরম্যাট যেমন জনপ্রিয় kindle- ই-বুক রিডারে ব্যবহার করা হয়।

এখন কথা হলো এত সব ফরম্যাটের ই-বুক আপনি পড়বেন কীভাবে? কারণ মোবাইলে সব ফরম্যাট অ্যাপ ছাড়া সাপোর্টও করবে না। আর করলেও মোবাইলের সাইজ ও ব্রাইটনেস আপনার চোখের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বইপোকাদের জন্য এই সমস্যার সমাধান দিচ্ছে ইবুক রিডার। তুলনামূলক চোখের কম ক্ষতি করে দীর্ঘ সময় বই পড়ার জন্য ইবুক রিডার অত্যান্ত জনপ্রিয়। কারণ ইবুক রিডারে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক ই-ইংক টেকনোলজি। যা আপনার ডিভাইসের মাধ্যমে পড়ার অভিজ্ঞতাকে একদম বদলে দেবে। বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের কম্পিউটার বা যে কোনও ধরনের স্ক্রিন নির্ভরতা যেখানে কমানো সম্ভব হচ্ছে না। সেখানে তুলনামূলক চোখকে একটু স্বস্তি দিতে চিকিৎসকরাও এই টেকনোলজির ডিসপ্লে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে যারা ‘ড্রাই আই’ সমস্যায় ভুগছেন, তাদের চিকিৎসকরা ই-ইংক টেকনোলজির ডিভাইস ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

বিশ্বব্যাপী বইপোকা কিংবা চোখের সমস্যার কারণে যারা এ ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করছেন, তাদের কাছে Boox, Amazon Kindle, Remarkable, Rakuten Kobo, Fujitsu, Supernote, Dasung, Meebook এবং Bigme প্রভৃতি ব্র্যান্ডগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়। দেশের বাজারেও এসব ডিভাইস সরবরাহ করছে মাল্টিমিডিয়া কিংডম। আমাদের কাছে এসব ব্র্যান্ডের সব ধরনের অথোরাইজড ডিভাইস পাচ্ছেন ওয়ারেন্টিসহ। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ইংক টেকনোলজির প্রতিষ্ঠান বুক্সের (Boox) অথোরাইজড ডিস্ট্রিবিউটর মাল্টিমিডিয়া কিংডম। এই ব্র্যান্ডের ই-বুক রিডার থেকে শুরু করে ই-ইংক মনিটরও সরবরাহ করে থাকি আমরা।

30/09/2024

ই-বুক: কাগজের বই কী হারিয়ে যাবে

বাংলা ভাষা বিকাশের ইতিহাস ১৩০০ বছরের পুরনো। ১৯৫২'র ভাষাশহীদের সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাঙালি জাতির কাছে সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। আজকে আমরা বাংলা ভাষায় লিখতে, পড়তে পারছি।

জীবনে সফলতা অর্জন করতে হলে বেশ কিছু গুণাবলি বা দক্ষতার প্রয়োজন পড়ে, হোক সেটি ব্যক্তিগত জীবন কিংবা চাকরি জীবন। এমন অনেক সফল ব্যক্তিত্বের উদাহরণ রয়েছে যাঁরা নিজের চেষ্টায় বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। আর এর মূল চালিকাশক্তি হল বই পড়ার অভ্যাস।

ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ এবং প্রফুল্ল রাখতে পারি।

বই পড়লে অনেক উপকার। বই পড়ার সর্বপ্রথম উপকারিতা হচ্ছে মানসিক উত্তেজনা, মানসিক চাপ হ্রাস, শব্দভাণ্ডার বৃদ্ধি, স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, অন্যের থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন, কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে, নতুন বিষয় আবিষ্কার করে, মনোযোগ বৃদ্ধি করে, যোগাযোগের মন্ত্র, আত্মন্নোতিতে সাহায্য করে।

এক সময় কাদামাটির বুকে পাথরের আঁচড় কেটে মনের ভাব প্রকাশ করতো মানুষ। তারপর অনেক চেষ্টা ও সাধনায় উদ্ভাবিত হয় কাগজ। একইভাবে মুদ্রণযন্ত্রও আবিষ্কৃত হয়। যেগুলো মানব সভ্যতায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটিয়েছিল বলেই ধরা হতো। কাগজের বুকে মুদ্রিত অক্ষর সাজিয়ে মানুষ তৈরি করলো বই। অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ বইয়ের জগতে খুঁজে ফেরে নিজের পরিচয়।

কিন্তু কম্পিউটারের জন্মের পর অনেকের মনেই বইয়ের টিকে থাকা নিয়ে নানারকম প্রশ্ন দেখা দেয়। অনেকেই আবার মনে করেন কম্পিউটার আবিষ্কারের ফলে বইয়ের সাথে একটা প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় কম্পিউটার একধাপ এগিয়ে থাকলেও সবাই স্ব স্ব অবস্থানে রয়েছে। অনেক জায়গা থেকেই মুদ্রিত সামগ্রীকে হটিয়ে দিয়েছে কম্পিউটার।

এরপর ইন্টারনেটের আবির্ভাবের ফলে কম্পিউটারের ক্ষমতা বেড়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সেটি বই বা কাগজকে হটিয়ে পুরোপুরি আমাদের জীবনের দখল নিয়েছে তা বলা যাবে না। বরং কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যাপক প্রাধান্যের এই সময়েও বইয়ের বিক্রি বা প্রচলন কোনটাই কিন্তু কমেনি।

বই এবং কম্পিউটারের মধ্যকার যুদ্ধে উভয়েই সমান তালে লড়লেও বইকে রদ করার জন্য এক সময় এলো ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বই।

ইন্টারনেটের কারণে ডিজিটাল বই সহজলভ্য হওয়ায় ছাপানো বা মুদ্রিত বইয়ের দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে- এরকম কথা শোনা যাচ্ছে অনেক দিন ধরেই। কিন্তু অমর একুশে বইমেলায় গেলে তা মনে হয় না। তবে এই মেলাকে কেন্দ্র করে লেখক ও প্রকাশকদের যে তাড়াহুড়া লক্ষ্য করা যায়, তাতে শেষ পর্যন্ত মানসম্পন্ন বই কতটা বের হয়, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।

বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান লেখক আইজ্যাক আসিমভ বলেছিলেন- ‘আগামীতে কাগজের বই বলে কিছুই থাকবে না। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কাগজের বই হয়ে যাবে ডিজিটাল।’

কাগজের বই না হারালেও মেলায় দর্শকদের একটি অংশ টেনে নিচ্ছে ই-বই। ই-বইকে প্রযুক্তির ভাষায় ই-বুক বলা হয়। ই-বুকগুলো সাধারণত পিডিএফ ফরম্যাটের ফাইলে হয়ে থাকে বা ই-রিডারের উপযুক্ত করে তৈরি হয়ে থাকে যা কোন পাঠক চাইলেই তার স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ বা তার ডেস্কটপ-এর মাধ্যমে পড়তে পারে।

এবারের বইমেলায় দেখা যায় বেশকয়েকটি ই-বুকের স্টল রয়েছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। এগুলো হলো- বইঘর, বেঙ্গল ই-বই, সেই বই ইত্যাদি। মেলায় আসা অধিকাংশ তরুণ-তরুণীরাই ভিড় করছেন এইসব স্টলগুলোতে।

বর্তমানে বিভিন্ন বইয়ের গ্রুপে তাকালেই বোঝা যায় বেশিরভাগ বইপোকারাই এখন ইবুক বা পিডিএফ বইয়ের প্রতি আগ্রহী। টাকা দিয়ে, বাজার ঘুরে বই কেনার যেন এখন আর কোন সময়ই নেই। বিশাল একদল তরুণ-তরুণী বইপ্রেমীরা উপকৃত হয়ে আসছে এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka
1217