EBoost Consulting Service
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EBoost Consulting Service, Social Media Agency, Gulshan 1, Dhaka.
08/02/2021
কিভাবে সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেন
সেলস ফানেল মার্কেটিং এর অন্যতম সেরা একটা মাধ্যম। তাই আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসকে প্রমোট করতে চান তাহলে সেলস ফানেলের মাধ্যমে অ্যাড তৈরি করে মার্কেটিং করা হতে পারে আপনার জন্য চমৎকার স্ট্রেটিজি। চলুন একটু বুঝে নেয়া যাক কিভাবে আপনি সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেন।
স্টেপ ১- প্রথমেই আপনার আলাদা আলাদা কিছু কন্টেন্ট লাগবে।
প্রথমেই আপনাকে বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে, আপনি ভাইরাল হয় অথবা অনেক চাহিদা আছে এরকম ব্লগ পোস্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন। ব্লগ পোস্ট ছাড়াও সেটা ভিডিও হতে পারে, ইনফোগ্রাফিক হতে পারে, স্লাইড শো হতে পারে, ওয়েবিনার হতে পারে অথবা ফ্রি ই বুক অফার হতে পারে, এটা ডিপেন্ড করে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের উপর। তবে এখানে প্রথমেই সেলের কথা বলা ঠিক হবে না, আপনার ক্লায়েন্টদের রেডি করেন আগে।
এবং এখনে আরেকটা ব্যাপার আপনাকে করতে হবে বয়স বুঝে আপনাকে কন্টেন্ট বানাতে হবে,আপনি হয়তো একটা নির্দিষ্ট বয়স নিয়ে কাজ করেন না, আপনার ক্রেতা হয়তো বিভিন্ন বয়সের আর বিভিন্ন বয়সের মানুষ বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট পছন্দ করবে না এটাই স্বাভাবিক তাই নয় কি? সে জন্য আপনাকে বয়স বুঝে এবং তাই পছন্দ বুঝে কন্টেন্ট বানাতে হবে এবং সেগুলা ফেসবুকে পেইড প্রমোট করতে হবে।
স্টেপ-২ আপনার "Warm Audience" এর কাছে আপনার কন্টেন্ট প্রমোট করতে হবে।
আমরা বলবো যে যারা আপনার Warm Audience তাদের কাছে প্রথমে আপনার কন্টেন্ট মার্কেট করেন, এখন কথা হচ্ছে Warm Audience কাকে বলে জানেন কি?
Warm Audience হচ্ছে তারা যারা কোন ভাবে আপনাকে চেনে জানে ইত্যাদি এবং যেহেতু তারা আপনাকে চেনে এবং জানে তারা আপনার প্রোডাক্টে আগ্রহ দেখাতে পারে।
এরা হতে পারে আপনার পেজে যারা লাইক লিস্টে আছে তারা অথবা আপনার ওয়েবাইটের ভিজিটর।
এখানে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনার কোন কন্টেন্ট সব থেকে ভালো কাজ করে।
স্টেপ-৩ লুকে এ লাইক অডিয়েন্স তৈরি করা
আপনি আপনার কিছু কন্টেন্ট দিয়ে অ্যাড চালালেন, সেটা ভিডিও ভিউজ হতে পারে, এংগেজমেন্ট অ্যাড হতে পারে, লিড জেনারেশন হতে পারে, যেটাই হোক আপনি কিছু অডিয়েন্স পেলেন, সেগুলা দিয়ে আপনি কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করলেন, কিন্তু সেটা আপনার জন্য যথেষ্ট হবে বলে আমার মনে হয় না, আপনাকে লুকে এ লাইক অডিয়েন্সে যেতে হবে? লুকে এ লাইক অডিয়েন্সে কি লাভ? লুকে এলাইক অডিয়েন্স তারাই যারা আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের মতই, তাদের ফেসবুক প্রোফাইল ইনফরমেশন, বিহেবিয়ার ইত্যাদি প্রায় একই রকম, তাহলে আপনি আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের সাথে সাথে কিছু বাড়তি অডিয়েন্স পেয়ে গেলেন যারা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আগ্রহী হতে পারে।
ফেসবুক মার্কেটিং এর বিভিন্ন গাইডলাইন মূলক অনেকগুলা লেখা এক সাথে কতে বাজারে আমার একটা বই আছে, আগ্রহী হলে কালেকশনে রাখতে পারেন। আমাকে ইনবক্স করলে আমি বলে দিবো কোথায় পাবেন।
উদ্যোক্তাদের কথা চিন্তা করে, ফেসবুক মার্কেটিং এর উপর বিভিন্ন গাইডলাইন, সাজেশন, টিপসমূলক আমার লেখা একটা বই আছে বাজারে, যারা নিতে আগ্রহী আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।
স্টেপ ৪ আপনার সেরা কন্টেন্ট প্রমোট করেন
যারা আপনাকে ইতিমধ্যে চেনে তাদের নিয়ে তো কন্টেন্ট বানালেন, কাস্টোম অডিয়েন্স, লুকে লাইক অডিয়েন্স করে তাদের দেখালেন আপনার কন্টেন্ট কিন্তু যারা আপনাকে একদমই জানে না তাদের জন্য কি?
তাদেরকে বলা হয় "Cold audinece" যারা আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে অবগত নয়। আপনার মনে আছে কি ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে আপনি আপনার "Warm audience" কে প্রভাবিত করেছিলেন? এখন সময় হচ্ছে ঠিক সেই কন্টেন্টগুলা থেকে সব থেকে বেস্ট কন্টেন্ট দিয়ে আপনার "Cold audience কে প্রভাবিত করা। যেহেতু এরা একদম নতুন তাই এদের কন্টেন্ট হতে হবে আরো শক্তিশালি, জড়ালো। এখানেও কন্টেন্ট হতে পারে ভিডিও, ব্লগ, ফ্রি ই বুক, ইত্যাদি।
এটা করলে যেটা হবে সেটা হচ্ছে এখান থেকে আপনি কিছু ভালো মানের "Cold audience" আপনার ডাটাবেজে নিয়ে যেতে পারবেন এবং আপনার কন্টেন্ট যদি তারা পছন্দ করে তাহলে তারা আস্তে আস্তে "Cold audience" থেকে "Warm audience" এ রূপান্তরিত হতে পারে। আর সেটাই আপনার দরকার।
স্টেপ ৫- ইফেক্টিভ মার্কেটিং
আপনি এটা আশা করতে পারেন না যে বিশাল সাইজের একটা "Cold audience" নিয়ে আপনি অ্যাড চালাবেন আর সেখান থেকে আপনি টনের উপর টন লিড পেয়ে যাবেন এবং তার আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য পাগল হয়ে যাবে, বিশেষ করে যে সব প্রোডাক্টের কম্পিটিশন অনেক বেশি তারা যদি এরকম আশা করে ভুল হবে, সেল যে একদমই হবে না সেটা না তবে আপনার আশা অনুযায়ী হয়তো হবে না।
যেটা করতে হবে আপনার "cold audience" কে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে আকৃষ্ট করতে হবে, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হবে যেন তারা আস্তে আস্তে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের দিকে ধাবিত হয়। তবে এই সেলস ফানেলের ফর্মুলা রাতারাতি কাজ করবে না এটা মনে রাখবেন, এটা একটা চলমান প্রসেস, আপনাকে এটা দিনের পর দিন করে যেতে হবে এবং একটা সময় এসে আপনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন আপনার প্ল্যান কাজ করা শুরু করেছে।
স্টেপ ৬ ফেসবুক পিক্সেল ব্যাবহার করেন
ফেসবুক পিক্সেল দিয়ে কিভাবে কাজ করবেন
১। ফেসবুক পিক্সেল বানাবেন
২। আপনার ওয়েবসাইটে পিক্সেলের কোড বসাবেন
৩। এরপর আপনি রিমার্কেটিং করবেন, যারা আপনার ওয়েব সাইট ভিজিট করেছে তাদেরকে বারবার আপনার প্রোডাক্ট, সার্ভিস ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
স্টেপ ৭ - ভিডিওর মাধ্যমে রিমার্কেটিং করেন
বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং পদ্ধতি নিয়ে এখন কাজ করা যায়, আপনি যখন এটা ফেসবুকের মাধ্যমে করতে চান আমরা বলবো ভিডিও এর মাধ্যমে আপনার সেলস ফানেলে ন্যারো করেন।
আপনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম ভিডিও ফেসবুকে দেখে থাকেন, আপনারাও বিভিন্ন ভিডিও বানাতে পারেন এবং ভিডিও ভিউজের ডাটা নিয়ে সেটা দিয়ে কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করে আবার আরেকটা কন্টেন্টে সেটা আপ্লাই করে প্রমোট করতে পারেন। তাহলে যারা আপনার ভিডিও আগে দেখেছে তারা আপনাকে কিছুটা চেনে, আরো কয়েকবার দেখালেন আরো ভালো করে চিনলো, এরপর আপনি সেল পোস্ট দিলেন তাদেরকে অডিয়েন্সে সিলেক্ট করে, তবে চেনানোর জন্য যে ভিডিও দিবেন সেটা সেল পোস্ট না হয়ে বিভিন্ন ধরনের টিপস, উপকারি, সচেতনতা পোস্ট, মজার ভিডিও, বানী ইত্যাদি হতে পারে, এখানে আপনার ক্লায়েন্টের পারসোনা অনুযায়ী আপনাকে কন্টেন্ট কি হবে সেটা ঠিক করতে হবে।
ইতি টানি এইভাবে
একটু রিভাইজ হয়ে যাক
১। ভিন্ন ভিন্ন অডিয়েন্সের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করুন, খেয়াল রাখবেন ক্লায়েন্টের পারসনা খুব গুরুত্বপূর্ণ
২। লুকে এলাইক অডিয়েন্স তৈরি করেন (কোল্ড অডিয়েন্স) যারা আপনার প্রোডাক্টে সরাসরি ইন্টারেস্টেড না হলেও একই ধরনের প্রোডাক্টে ইন্টারেস্টেড।
৩। লুকে এলাইক অডিয়েন্সের কাছে আপনার সব থেকে সেরা কন্টেন্ট নিয়ে যান
৪। এখান থেকে কিছু কাস্টোমার "ওয়ার্ম অডিয়েন্সে রুপান্তর হবে এবং কিছু জিনিস কিনবে"
৫। ফেসবুক পিক্সেলের মাধ্যমে রি মার্কেটিং করেন
৬। আপনার সেল বাড়ান।
27/01/2021
🤔🤔সমস্যা যখন অর্গানিক রিচ!🤔🤔
বর্তমানে এত পরিমান ফেসবুক পেজ তৈরি হয়েছে এবং তৈরি হচ্ছে যে সে সংখ্যা টা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। আর তাছাড়া সবাই এত পরিমান পেইড ক্যাম্পেইন করেন যে ফেসবসবুক চাইলেও আর বেশি পরিমান অর্গানিক রিচ করাতে পারে না। ফেসবুকেরও একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফেসবুক প্রতিনিয়ত তাদের অ্যালগরিদমে পরিবর্তন করে চলেছে এবং এই পরিবর্তনের সাথে সাথে অর্গানিক ভাবে পোষ্টের রিচ বৃদ্ধি করা ক্রমাগত চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ছে।
তবে কিছু কৌশল অনুসরন করলে আপনি আপনার পেজের অর্গানিক রিচ বাড়াতে পারেন অনেকাংশে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই বিশেষ কৌশল গুলো যা আপনার বিজনেস পেজের আর্গানিক রিচ বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকগুন।
বর্তমান সময়ে ফেসবুক পেজের অর্গানিক রিচ ১ থেকে ৬ শতাংশ মাত্র।
ফেসবুক মার্কেটিং এক্সপার্টদের মতে তা সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে তোলা সম্ভব ।
বিষয়টি সত্যি অবাক করার মতো।
পেজের অর্গানিক রিচ ধরে রাখতে হলে কিছু কাজ আপনার এখনই শুরু করে দেওয়া উচিত আর কিছু কাজ আপনার না করা উচিত ।
প্রথমে আপনাকে খুঁজতে হবে ফেসবুকের অ্যালগরিদম কোন কনটেন্টগুলো কে অর্গানিক ভাবে সবথেকে বেশি রিচ দেয়।
এখানে ৪ ধরনের কনটেন্ট এর কথা বলা হয়েছে যে গুলো বেশি রিচ এনে দিতে সক্ষম।
চলুন জেনে নেওয়া যাক কি কি সেই কনটেন্ট গুলো-
নাম্বার -১ -ভিডিও পোস্টঃ
ফেসবুক হয়ত ভবিষ্যতের ইউটিভের মত ডিজিটাল ভিডিও স্ট্রিমিং টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে যার কারণে সব থেকে বেশি প্রাধান্য ভিডিও কনটেন্টগুলো পাচ্ছে।
ভিডিও কনটেন্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে রিকমেন্ডেড হচ্ছে, ৭০% ভিডিও কনটেন্ট, ২০% ছবি এবং ১০% লিংক শেয়ার করতে।
লিংক ফেসবুক পোস্টের রিচ কমিয়ে দেয় তবে ভিডিও অথবা ছবির সাথে আপনি লিংক শেয়ার করতে পারেন। সেটি আপনার পোষ্টের রিচে কোন প্রকার প্রভাব ফেলে ফেলবে না।
নাম্বার-২-ফেসবুক লাইভঃ
অনেক এক্সপার্টরা মনে করেন ফেসবুক লাইভ সাধারণ আপলোড করা ভিডিও-র থেকে ছয় গুণ বেশি এঙ্গেজমেন্ট নিয়ে আসতে পারে। তাই প্রতি ৭ দিনে অন্তত একটি ফেসবুক লাইভ ভালো ফলাফল এনে দিতে পারে। আপনিও এটি ট্রাই করে দেখতে পারেন।
নাম্বার-৩- ফেসবুক ওয়াচ পার্টিঃ
ফেসবুকের যে কোন পাবলিক ভিডিও নিজের ওয়াচ পার্টিতে অডিয়েন্স সাথে শেয়ার করতে পারেন। ফেসবুক মতে, অডিয়েন্স ওয়াচ পার্টির ভিডিওগুলোতে কমেন্ট করার প্রবণতা প্রায় ১০০ গুণ পর্যন্ত বেশি।
মনে রাখবেন, অর্গানিক রিচের মূলবিসষয়ই হচ্ছে এনগেজমেন্ট। আপনি যত বেশি এনগেজমেন্ট তৈরি করতে পারবেন, তত বেশি অর্গানিক রিচ বেড়ে যাবে।
নাম্বার-৪- প্রশ্ন করুনঃ
না কোন ভিডিও, না কোন ছবি অথবা না কোন লিংক শেয়ার শুধুমাত্র একটি ছোট্ট সাধারন প্রশ্ন আপনার অডিয়েন্সদের দিকে ছুড়ে দিন। তাহলে দেখবেন আপনার পোষ্ট একংগেজমেন্ট অটোমেটিক বেড়ে গেছে।
আপনার অডিয়েন্সদের জন্য যখন একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন ছুড়ে দিবেন তার বিপরীতে তাদের উত্তর দেবার প্রবণতা দেখা যাবে। আর উত্তর দেওয়া মানেই এনগেজমেন্ট। আর অর্গানিক রিচ বাড়াতে এটাই আমাদের সব থেকে বেশি প্রোয়োজন।
নাম্বার –৫-কম পরিমান পোস্ট করুনঃ
অনেকেই মনে করেন যে, বেশি পোস্ট করলে বেশি এঙ্গেজমেন্ট আসে যা সবক্ষেত্রে সত্য হয় না। ফেসবুক শুধুমাত্র অনেক হাই কোয়ালিটি পোস্টগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেয়। তাই বেশি বেশি পোস্ট করার চেয়ে বেশি কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট তৈরি এবং শেয়ার করার দিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত ।
একটি পোস্ট যখন ফেসবুকে ভাল রেজাল্ট দেয় তখন আপনি যদি আরেকটি পোস্ট করেন তাহলে, এনগেজমেন্ট বিভক্ত হয়ে যাবে।আপনি যদি সপ্তাহে তিনটি পোস্ট করে থাকেন তবে সেটি কমিয়ে সপ্তাহে একটি করুন। চেষ্টা করুন অন্যান্য বিভিন্ন সোর্স থেকে আপনার পোস্টে ট্রাফিক নিয়ে
যে যে বিষয় গুলো আপনার ফেসবুক পেজের অর্গানিক রিচ কমিয়ে দেয়
নাম্বার – ১- ফেসবুক পোস্টের সাথে ইউটিভ লিংক যুক্ত করলেঃ
ভিডিও এর ক্ষেত্রে ফেসবুকের সবথেকে বড় প্রতিযোগী হচ্ছে ইউটিউব। যখন একটি ফেসবুক পোস্টের সাথে ইউটিউব লিংক যুক্ত করছেন অথবা ফেসবুক পোস্টে ইউটিউব লিংক শেয়ার করবেন সেই পোষ্টের অর্গানিক রিচ পাবেন না । এর কারন হল ফেসবুক আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউটিউব লিংকগুলো শনাক্ত করে সেটির রিচ কমিয়ে দিতে পারে খুব ভালভাবেই।
নাম্বার-২-এঙ্গেজমেন্ট বাইট করলেঃ
অনেক সময়েই দেখা যায় যায় যে ফেসবুকে পোস্ট করার পরে সেটিতে কমেন্ট, শেয়ার বা লাইক করার জন্য অনুরোধ করা হয়ে থাকে। যাকে ফেসবুক এঙ্গেজমেন্ট বাইট বলে উল্লেখ করে।
ফেসবুক ফেয়ার কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন পলিসিতে বিশ্বাস করে। তারা মনে করে, মানুষ সেই কনটেন্টগুলো পছন্দ করবে যা সে স্বেচ্ছায় দেখতে চায়। আপনি কখনোই অডিয়েন্সদের আপনার কনটেন্ট দেখতে জোর করতে পারেন না।
তাই এই ধরনের শব্দগুলো ফেসবুক খুব সহজেই ডিটেক্ট করে এবং সেই পোস্টের অর্গানিক রিচ কমিয়ে দেয়। ফেসবুকের ল্যাংগুয়েজ ডাইরেক্টরিতে এখন বাংলা ভাষাও যুক্ত হয়েছে। তাই এঙ্গেজমেন্ট বাইট থেকে এখুনি সতর্ক হোন। অন্যথায় আপনার অর্গানিক রিচের উপর বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।
এঙ্গেজমেন্ট বাইটের বিপরিতে, একটি পোস্ট করার পরে অডিয়েন্সরা সে সম্পর্কে কি চিন্তা করছে? আপনার পোষ্ট সম্পর্কে তাদের মতামত কি? এই সকল বিষয়গুলো জানতে চান বা শেয়ার করার জন্য অডিয়েন্সদের উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
যেমনঃ তাদের কাছ থেকে পোস্টের বিষয়ে কিছু জানতে চাইতে পারেন।
আর চেষ্টা করুন আপনার পেজের সাথে যায় না এমন ধরনের পোস্টগুলো এরিয়ে চলতে তা না হলে আপনি আপনার অনেক ফলোয়ার ধিরে ধিরে হারিয়ে ফেলতে পারেন।
এবার আপনি বলুন আপনি কি আপনার পেজের অর্গানিক রিচ / এংগেজমেন্ট বাড়াতে এই কৌশল গুলো ব্যবহার করেন?
আপনার পেজের অর্গানিক রিচ কেমন??
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Gulshan 1
Dhaka
1212