Case Reference

Case Reference

Share

It's a Page where we could learn about various kind of case fact and this will help us to took step

Photos from Case Reference's post 22/11/2022

আবেগের কাছে-বিবেক কে হারতে দেওয়া যাবে না।

স্ত্রীদের উচিৎ - অকথ্য ভাষায় গালাগালি পরিহার করা,
এমন গালাগালি একজন মানুষকেও অমানুষ করে তুলে

স্বামীদের উচিৎ - নিজেদের মধ্যে মনের মিল না হলে ‘ আলাদা হয়ে যাওয়া’
কিন্তু এমন নিষ্ঠুর, আত্মঘাতী আচরণ না করা।

Photos from Case Reference's post 06/04/2022

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত অধ্যাপক তাহের হত্যাকান্ডে দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াই শেষে আইনজীবী সেগুফতা তাবাসসুম।
তিনি ছিলেন তার পিতার খুনের মামলার একজন আইনজীবী। দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াই শেষে গতকাল তিনি তার পিতা হত্যার বিচারের চূড়ান্ত রায় পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে।
তাবাসসুমের বাবা তাহের আহমেদ ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক। তার বাবাকে যখন হত্যা করা হয় তখন তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী।
বাবা হত্যার ঘটনায় প্রত্যাশিত বিচার নিশ্চিতের জন্য তিনি তার জীবনের লক্ষ্য পাল্টিয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। পরবর্তীতে বিচারিক আদালতের রায় সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে গেলে সেখানে যাতে বাবা হত্যার ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয় তার জন্য তিনি হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে অনুশীলন শুরু করেন।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ তাবাসসুমের বাবা হত্যার বিচারের রায় প্রদান করেছে। অধ্যাপক তাহের আহমেদকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরো দুই আসামিক যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় আপিল বিভাগ।
অবাক করা ব্যাপার হলো অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার মূল আসামী তারই ডিপার্টমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক মহিউদ্দিন, যিনি কিনা একসময় অধ্যাপক তাহেরের ছাত্র ছিলেন।
শুধুমাত্র কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির পথে বাধা হওয়ায় মহিউদ্দিন, জনাব তাহেরের বাসার কেয়ারটেকারকে সাথে নিয়ে তাকে খুন করে তার লাশ শিক্ষক কোয়ার্টারের বাসার বাইরের ম্যানহোলে ফেলে দেয়।
বাবা হত্যার বিচারের সঠিক রায় পেতে কন্যা তাবাসসুমের দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্লান্তিহীন এ লড়াই অনন্য নজির হয়ে থাকবে।
প্রশ্ন থেকে যায় যার সন্তান আইনের ছাত্র নয়, তার সুবিচার নিশ্চিত করবে কে ?

Photos from Case Reference's post 15/11/2021

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলার বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এর পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন ”ঘটনার ৩৮ দিন পর ধর্ষণের অভিযোগ মেডিকেল প্রতিবেদনকে সমর্থন করে না, বিধায় ধর্ষণের ঘটনায় ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলে যেন মামলা না নেয়া হয়”, প্রকৃত পক্ষে পর্যবেক্ষণটা হওয়া উচিৎ ছিল এমন-”ধর্ষণের অভিযোগ 72 ঘন্টা পর করা হলে মেডিকেল প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত সমর্থন করে না, বিধায় ধর্ষণের ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মামলা করা উচিৎ” এর যৌক্তিকতা:
নিম্নে কিছু ধর্ষন মামলার মেডিকেল রিপোর্টর অংশিক তুলে ধরা হলো:

1 #ধর্ষণ72 ঘন্টা
21| মতামত-
Considering physical examination findings
and others investigation report, members of the medical
board are of the opinion that -
(i) The age of the victim Jobeda
Khatun, D/o - Late Niazamuddin Gazi, is above
18 (eighteen) years.
(ii) There, no sign of recent forceful
sexual in*******se, was detected on the body of
the victim herself.
উক্ত মামলায় আসামী হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছে।
মামলায় অপরাধের গভীরতা খর্ব হয়েছে।
2 #ধর্ষণ72 ঘন্টা
খ- প্যাথলজী পরীক্ষা- Vaginal soab: No Spermatozoa.

18| মতামত-- findings : not found any record of forceful
sexual in*******se.
উক্ত মামলায় আসামী হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছে।
মামলায় অপরাধের যৌক্তিকতা কতটুকু?

3 #ধর্ষণ72 ঘন্টা
21| মতামত- Considering above noted history general configuration and physical findings we are in the opinion that no definite sign of forceful sexual act was found on her person victim "Saki Begum" during the time of Examination.
উক্ত মামলায় আসামী হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছে।
সুতরাং অত্র মামলা দায়েরের যৌক্তিকতা আছে কি?

4 #ধর্ষণ72 ঘন্টা
21. H***n: old ruptured.
22. Cl****is: Normal.
23. Vaginal Smear: Taken- No spermatozoa found.
24. AMR: finding to radiological examination age about
19 years ± 6months
I undersign opined that according to radilogical examination age about (19 years ± 6months) on physical and pathological examination sign symptoms are not consistent with forceful sexual in*******se (r**e)
উক্ত মামলায় আসামী হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছে।
সুতরাং অত্র মামলায় রেপ এর অভিযোগ করা হলেও কোন রেপ এর প্রমাণ মেডিকেল সমর্থন করে না,

সুতরাং সার্বিক মামলার রেফারেন্স থেকে দেখা যাচ্ছে যে, উক্ত ভিকটিম গুলো ধর্ষনের শিকার হওয়া সত্বেও তারা 72 ঘন্টার পর মামলা দায়ের এবং মেডিকেল পরীক্ষার করার কারনে সবগুলোতেই তাদের মামলার পক্ষে মেডিকেল রিপোর্ট আসে নাই বা মামলার সার্থকতা বা যৌক্তিকতা নাই,
তাই ”ধর্ষণের অভিযোগ 72 ঘন্টা পর করা হলে মেডিকেল প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত সমর্থন করে না, বিধায় ধর্ষণের ঘটনায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মামলা করা উচিৎ”

Want your practice to be the top-listed Law Practice in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Dhaka