Sparkle Science
বিজ্ঞানের জগৎ এ সবাইকে স্বাগতম✨
15/12/2025
অর্থকষ্টে কেন মানুষের ঘুম আসে না, বিজ্ঞান কী বলে?
উত্তর: ঘড়ির কাঁটায় রাত ২টা। সারা দিনের খাটুনি শেষে শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিয়েছেন। চোখ দুটো ঘুমে জড়িয়ে আসছে, কিন্তু মস্তিষ্ক? সে যেন কিছুতেই শান্ত হচ্ছে না। মাথার ভেতর চলছে এক অদ্ভুত ক্যালকুলেটর। আগামী মাসের বাড়ি ভাড়া, ক্রেডিট কার্ডের বিল কিংবা বাচ্চার স্কুলের বেতন—টাকার এই হিসাব-নিকাশ আপনাকে কিছুতেই ঘুমাতে দিচ্ছে না।
এই দলে কিন্তু আপনি একা নন। যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির নতুন এক গবেষণা বলছে, অর্থনৈতিক চাপ বা ফিন্যান্সিয়াল স্ট্রেস আমাদের ঘুমের সবচেয়ে বড় শত্রু। আর এই নির্ঘুম রাত শুধু আপনার শরীর খারাপ করছে না, পরদিন অফিসে আপনার কাজেরও বারোটা বাজাচ্ছে। তৈরি হচ্ছে এক ভিসিওয়াস সাইকেল বা দুষ্টচক্র।
সমীকরণটা অনেকটা এ রকম: টাকার চিন্তা, ঘুম নেই; পরদিন খারাপ পারফরম্যান্স, চাকরির ভয়, আবার টাকার চিন্তা। কিন্তু টাকার সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক কোথায়? এই সাপে-নেউলে সম্পর্কটা আসলে কীভাবে কাজ করে?
এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বেছে নিলেন আমেরিকার আর্মি এবং এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের পূর্ণকালীন সদস্যদের। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্সের অর্থায়নে চলা এই গবেষণায় প্রায় ৯ মাস ধরে তাঁদের ওপর নজর রাখা হয়েছিল।
গবেষক রেবেকা ব্রোসইট এবং তাঁর দল শুধু মুখের কথায় বিশ্বাস করেননি। তাঁরা অংশগ্রহণকারীদের হাতে পরিয়ে দিয়েছিলেন রিস্ট-ওর্ন অ্যাক্টিগ্রাফ। এটি এমন এক বিশেষ যন্ত্র, যা নির্ভুলভাবে বলে দেয় মানুষটা আসলে কতক্ষণ ঘুমিয়েছে আর কতক্ষণ বিছানায় ছটফট করেছে। ফলাফল? যাদের মাথায় অর্থনৈতিক চাপ ছিল, তাদের ঘুমের দফারফা!
15/12/2025
মহাকাশে নতুন রেকর্ড গড়ল আন্তর্জাতিক স্পেস ষ্টেশন!
আন্তর্জাতিক স্পেস ষ্টেশনছবি: নাসা
মহাকাশের হয়তো আমাদের সবচেয়ে গর্বের বস্তু আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএস। মানুষের তৈরি এই বিশাল ল্যাবরেটরি গত ২৫ বছর ধরে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। কিন্তু সব ভালো জিনিসেরই একটা শেষ আছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ঘোষণা দিয়েছে, আর মাত্র ৫ বছর পর এই বিশাল স্টেশনটিকে কক্ষপথ থেকে নামিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে আছড়ে ফেলা হবে।
কিন্তু মৃত্যুর আগে বাতি যেমন দপ করে জ্বলে ওঠে, ঠিক তেমনি আইএসএস তার শেষ বয়সে এসে গড়ল এক নতুন ইতিহাস। মহাকাশ স্টেশনের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো এর ৮টি ডকিং পোর্টের সব কটিই এখন হাউসফুল!
মানে আইএসএসকে যদি একটা বাড়ি ভাবেন, তাহলে হাউসফুল শব্দটা বেশ মানানসই। পৃথিবীর ৪০০ কিলোমিটার ওপরে ভাসমান একটা বাড়ি, আর তার সব কটি দরজায় নভোযান পার্ক করা আছে। আইএসএসের ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।
বর্তমানে স্টেশনটির সঙ্গে যুক্ত আছে মোট ৮টি মহাকাশযান। এর মধ্যে আছে স্পেসএক্স-এর দুটি ড্রাগন ক্যাপসুল। এর মধ্যে একটি কার্গো বা মালবাহী, অন্যটি মানুষবাহী। আরও রয়েছে নর্থরপ গ্রুমম্যানের সিগনাস এক্সএল, জাপানি মহাকাশ সংস্থা জাক্সার তৈরি কার্গো শিপ এইচটিভি-এক্স১, রাশিয়ার রসকসমসের দুটি সয়ুজ নভোযান এবং দুটি প্রোগ্রেস কার্গো শিপ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka