BookTook.Com
“A treasure trove of all kinds of books”
25/09/2024
বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি পরামর্শ:
১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে অহেতুক পড়ে থাকেন।
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।
সংগৃহিত
31/03/2024
বই পড়া নিয়ে মজার সব তথ্য।
১) Dog’s Ear– বুকমার্ক হিসেবে বইয়ের পাতার ওপরের দিকের কোণাটা ভাঁজ করে রাখেন তো পড়তে পড়তে উঠে যাওয়ার আগে। ওটাকে Dog’s Ear বলে। কেন? আবার বলতে হবে, কিছু কিছু কুকুরের কানটা ঐভাবেই থাকে যে।
২)Librocubicularist (লিব্রোকুবিকুলারিস্ট) – যে ব্যক্তি বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ে।
৩)Epeolatry (এপিওলাট্রি) – এ হল গিয়ে শব্দের আরাধনা করা। শব্দের মধ্যে এক অসামান্য মাধুর্য, বাক্যে তার ব্যবহার মন কে যখন মুগ্ধ করে দেয়। ভাষাবিদ দের মধ্যে এই মোহ বিশেষ দেখা যায়।
৪)Logophile (লোগোফাইল) – যে ব্যক্তি শব্দের প্রতি মোহাবিষ্ট।
৫)Bibliosmia (বিব্লিওসমিয়া) – পুরনো বইয়ের গন্ধ
৬)Book bosomed (বুক বোসম্ড) – যে ব্যক্তি বই ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে পারে না।
৭)Omnilegent (অমনিলেজেন্ট) – যে বিষয়ের বাছ বিচার না করে সব ধরনের বই পড়ে।
৮)BallyCumber (ব্যালিকাম্বার) – অর্ধেক পড়া অবস্থায় যে সব বই রেখে আপনি উঠে যান,সেই সব বই কে BallyCumber বলে
৯)Tsundoku (সুন্দোকু) – জাপানীজ শব্দ। ইংরেজী প্রতিশব্দ নেই। এর অর্থ কেনার পর থেকে বই একবারের জন্য না খোলা।
১০)Princep (প্রিন্সেপ) -কোন বইয়ের প্রথম ছাপা কপিটিকে princep বলে।
১১)Sesquipedalian (সেস্কুইপিডালিয়ান) – যে শব্দে অনেকগুলি Syllable বা পদাংশ থাকে।যেমন- ses/qui/pe/da/li/আন
১২)Colophon (কোলোফন) – বইয়ের শিরদাঁড়া, কিংবা প্রচ্ছদে প্রকাশকের যে প্রতীক চিহ্ন দেখা যায়
১৩) Biblioclasm (বিব্লিওক্লাসম) – ইচ্ছাকৃতভাবে বই নষ্ট করা।
১৪)fascile (ফ্যাসাইল) – খন্ড।প্রথম খন্ড,দ্বিতীয় খন্ড…ইত্যাদি।fascile হল কোন বই অনেকটা সময় ধরে যখন বিভিন্নখণ্ডে প্রকাশিত হয়-যেমন এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, অক্সফোর্ড ডিকশনারি।
১৫)Afficted (আফিক্টেড) – কোন গল্পের শেষটায় চরম মর্মান্তিক এবং সেটা পড়ার পর প্রবল কাঁদতে ইচ্ছে হলেও কাঁদতে না পারা,লোকে কি ভাববে এই অনুভূতিকে afficted বলে।
১৬)Bookklempt (বুকক্লেম্প্ট) – যখন কোন সিরিজের শেষ বইটা পড়ে ফেলেছেন।জানেন যে আর কোন খন্ড বেরোবে না।তবু এই সত্যি কে মেনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত নন আপনি।এই অনুভূতিকেই বুককলিম্পিত বলে।
১৭)Chaptigue (চ্যাপটিগ) – সারারাত জেগে বই পড়ার পরের দিন সকাল বেলা আপনার যে ভীষন ক্লান্তিবোধটা আসে, জানবেন ওই ক্লান্তিটাকে Chaptigue বলে।
১৮) Delitrium (ডেলিট্রিয়াম) – নতুন কেনা বইয়ের গন্ধে আপনার মনে যে ফুরফুরে ভাবটা ওটার নামই Delitrium।
১৯)Madgedy (ম্যাজেডি) – কোন দুঃখের গল্প বারবার পড়া এবং পড়তে পড়তে আবার যে আশা করা এবার নিশ্চয়ই শেষটা অন্য রকম হবে।
২০) Mehnertia (মেনারটিয়া) – কোন বই অনেকটা পড়ার পর থামিয়ে দিয়ে পুনরায় প্রথম থেকে পড়া শুরু করা।কারণ ততক্ষনে আপনি পড়তে পড়তে খেই হারিয়ে ফেলেছেন যে কি পড়ছেন।
২১)Rageammend (রেজামেন্ড) – যখন আপনি পছন্দের বইটা অন্যান্য বন্ধুদেরকে পড়ার জন্য সুপারিশ করবেন আর করার পরই শুনবেন যে তাদের সেটা আগেই পড়া হয়ে গেছে এবং মোটেও ভাল লাগেনি,তখন আপনার মনের যা অবস্থা হয়, সেটাই।
২২)Swapshame (স্বপশেম) - যখন একটা বই পড়ছেন।পড়তে পড়তে অন্য একটা বই যার শুরুটাও মনে ধরেছে।এখন বুঝতে পারছেন না কোনটা আসলে পড়বেন। মনের এই অবস্থাটাই শ্বাপশামে
সংগৃহীত
21/01/2024
বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস
১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
৪) নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1917