Electrical Service Master
ইলেকট্রিক্যাল শিক্ষার শুরু হোক এখানেই
21/06/2023
Inverter:
ইনভার্টার এক ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যা DC কারেন্ট কে AC তে রূপান্তরিত করে। ইনভার্টার ব্যবহার হয় ডিসি সোর্স থেকে এসি পাওয়ার সাপ্লায়ের জন্য
Inverter তিন প্রকার।
(১) স্কোয়ার ওয়েব ইনভার্টার
(২) মডিফায়াইড সাইন ওয়েব ইনভার্টার
(৩) পিউর সাইন ওয়েব ইনভার্টার
Inverter সাধারণত স্কোয়ার ওয়েব, মডিফিটেড সাইন ওয়েব, পালস সাইন ওয়েব, পালস ওয়াইডথ মডুলেশন তৈরি করতে পারে।
আউটপুট ফ্রিকুয়েন্সিঃ
ইনভার্টারারের আউটপুট ফ্রিকুয়েন্সি সাধারণ এসি সাপ্লাই ফ্রিকুয়েন্সির মতই ৫০ অথবা ৬০ হার্টজ।
ভোল্টেজঃ
এর আউটপুট ভোল্টেজ মূলত অনেকটাই গ্রীড লাইন ভোল্টেজের মতই হয়ে থাকে। যেমনঃ ১২০ অথবা ২৪০ VAC ডিস্ট্রিবিউশন লেভেল।
Inverter এর ব্যবহার :
Inverter অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোটর কন্ট্রোলিং এর কাজে Inverter ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ইলেকট্রিক মোটর স্পীড কন্ট্রোলঃ
ইনভার্টার বা ভিএফডি বা ড্রাইভ মূলত ব্যাবহার করা হয় লোডের স্পিড বা গতিকে কন্ট্রোল করার জন্য। ধরুন আপনার একটি কনভেয়ার বেল্ট আছে। যাকে আপনার মাঝে মাঝে 10 minute এ ঘুরাতে হবে।আবার মাঝে মাঝে 5 minute ঘুরাতে হবে।
তাহলে আপনি এই বেল্টের স্পিড কিভাবে কন্ট্রোল করবেন? অবশ্যই ঘুরানোর জন্য যে মোটর আছে তার স্পিড কন্ট্রোল করবেন। আর এর স্পিড কন্ট্রোল করার জন্য আপনাকে Inverter / ভিএফডি / ড্রাইভ ব্যাবহার করতে হবে। ইনভার্টার / ভিএফডি/ ড্রাইভ দিয়ে মোটরের লোড নেওয়ার ক্ষমতাকে কমবেশী করা যায়।
কিছু প্রশ্ন ও চিন্তার খোরাক!!
যদি পৃথিবী বিদ্যুৎ বিহীন হয়ে পরে তাহলে...
১.আধুনিক সভ্যতা কেমন হবে?
২.শিল্প কারখানা কেমনে চলবে?
৩.আন্তর্জাতিক অর্থনীতির কি অবস্থা হবে?
৪. পৃথিবীর যোগাযোগ ব্যবস্থার কি হবে?
৫.চিকিৎসা বিজ্ঞানের কি অবস্থা হবে?
৬.আমাদের জনজীবনে কি প্রভাব পরবে?
আসুন সকলে অপচয় না করে প্রয়োজন মাফিক বিদ্যুৎ এর ব্যবহার নিশ্চিত করি।
বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিকে গালি দেয়ার আগে তাদের কাজ করার ক্ষমতার বিষয়ে জানুন। !!!!
"বিদ্যুৎ কিভাবে আমাদের বাসার সুইচ পর্যন্ত আসে?"
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ( পাওয়ার প্লান্ট) বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
যেমনঃ BPDB, EGCB, RPCL, APSCL, B-R Power generation, NWPGCL
।পাওয়ার প্রোডাকশন কোম্পানি থেকে রিসিভিং স্টেশন পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন থাকে। যেটাকে প্রাইমারি ট্রান্সমিশন লাইন / গ্রিড লাইন বলে।
গ্রিড লাইনের ভোল্টেজ ১৩২, ২২০,, ৪০০ KV পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটা দেশ ভেদে ভিন্ন হয়।
রিসিভিং স্টেশন রিসিভ করে বিভিন্ন সাবস্টেশন / ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলোর কাছে পৌছে দেয়।
এখন যে ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ সাবস্টেশান / ডিস্ট্রিবিউশান কোম্পানির কাছে যাবে সেটাকে সেকেন্ডারি ট্রান্সমিশন লাইন বলে। PGCB ( Power Grid Company of BD) এই কাজটাই করে। গ্রিড ভোল্টেজ রিসিভ করে তা সেকেন্ডারি টান্সমিশান লাইন দিয়ে ডিস্ট্রিবিউটরদের (বিক্রেতা) কাছে পৌছে দেয়।
বিক্রেতা/ ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গুলা ভোল্টেজকে সহনীয় মাত্রায় এনে তাদের ভোক্তাদের(চমাদের) কাছে পৌছে দেয়।
DESCO ( Dhaka Electric Supply Company Ltd), DPDC, NESCO, PDB (Distribution) এই কাজটা করে।
এখন যদি, প্রোডাকশন এর তুলনায় গ্রাহকের চাহিদা বেশি হয় তাহলে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিকে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হবেই।
%%%
তবে এটাও সত্য যে অনেক সময় বিভিন্ন প্রভাবে কোন এলাকায় (লোডশেডিং) কম কোন এলাকায় বেশি হয়।
বি:দ্র: তাই সকলে ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলোকে(বিক্রেতা) গালাগালি না করে বিদ্যুৎ অপচয় না করলে আমাদে ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Bogura
Dhaka