Exclusive Beauty Tips

Exclusive Beauty Tips

Share

Exclusive beauty tips provide you many hidden beauty tips and tricks.

Photos 12/08/2015

মুখের ত্বক টানটান করে তুলতে এই ৫টি প্যাক

ত্বকের নমনীয়তা এবং সৌন্দর্য ধরে রাখতে ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর ত্বককে টান টান করার জন্য আমাদের কোন দামী প্রসাধনীর প্রয়োজন নেই। এর সমাধান রয়েছে আমাদের ঘরেই।

এখানে কয়েকটি ঘরোয়া ফেস মাস্ক দেয়া হলো যা ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে ত্বককে সতেজ করার পাশাপাশি ত্বকের পেশীকে করবে টান টান।

চালের গুঁড়ো এবং পেঁপের মাস্ক
এই মাস্কটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে পাকা পেঁপে, চালের গুঁড়ো এবং মধু। প্রথমে একটি পরিষ্কার পাত্রে পাকা পেঁপে খুব ভালো করে চটকে নিতে হবে। তাতে এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এর সাথে ৩ টেবিল চামচ মধু দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে এই মাস্কটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপেতে থাকা পাপাইন নামক উপাদানটি ত্বকের ভাঁজ ও চামড়া ঝুলে পরা প্রতিরোধ করে।

ব্লুবেরি ও মধুর মাস্ক
ত্বকের ধরন ভালো করতে এবং বলিরেখা কমাতে ব্লুবেরি খুবই উপকারী। এক মুঠো ব্লুবেরি নিয়ে ব্লেন্ড করে একটি মসৃন পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আগে সামান্য মধু দিয়ে পুরো মুখে মেখে নিয়ে তার উপর ব্লুবেরি পেস্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল এবং টান টান।

ডিম এবং অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক
ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে অ্যালোভেরা ও ডিম চমৎকার কাজ করে। ডিমের সাদা অংশ নিয়ে বিট করে এতে কিছুটা অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে আবার বিট করে মসৃণ আর ফ্লাপি একটা পেস্ট তৈরি করুন। তারপর একটি ব্রাশ দিয়ে মুখের নিচের দিক থেকে উপরের দিকে লাগান। মুখের প্যাকটি শুকিয়ে গেলে তুলা নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ঠিক আগের মতই নিচের দিক থেকে উপরের দিকে দিয়ে প্যাকটি তুলে ফেলুন। এটি মুখের শুষ্কতা, বলিরেখা, ত্বকের ভাঁজ দূর করে ত্বকের উজ্জলতা ও ইলাস্টিসিটি ফিরিয়ে আনবে।

কলা এবং হুইপক্রিম
যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য কলা হচ্ছে চমৎকার একটি মাস্ক। তাই এই মাস্কটি তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে কলা এবং হুইপ ক্রিম। কলা চটকে নিতে হুইপ ক্রিমের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। আপনি চাইলে এর সাথে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন ত্বকের জন্য প্যাকটিকে শক্তিশালী করতে। পুরো মুখে এটা লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার ত্বককে করবে পুনর্গঠিত এই ঘরোয়া মাস্কটি।

শশা এবং ডিমের সাদা অংশ
এই প্যাকটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ঠাণ্ডা শশা ও ডিমের সাদা অংশ। প্রথমে কিছুটা শশা নিয়ে খোসা ফেলে দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত তারপর এর সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখের নিচের অংশ থেকে উপরের দিকে অর্থাৎ থুতনির নিচ থেকে গালের উপরের দিকে ম্যাসেজ করুন কিছুক্ষন এবং ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার মুখের ঝুলে যাওয়া ত্বককে দৃঢ় করতে সাহায্য করবে।

এই প্যাকগুলো ব্যবহার করার সাথে সাথে নিয়মিত ভাবে অলিভ অয়েল বা অন্য যেকোনো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল দিয়ে মুখে ম্যাসেজ করুন। তবে অবশ্যই সঠিক পদ্ধতিতে ম্যাসেজ করবেন তা নাহলে বিপরীত ফল হতে পারে। সঠিক ভাবে এই মাস্কগুলোর ব্যবহারের মাধ্যমেই আপনি পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত নিখুঁত ও টান টান ত্বক। নিয়মিত ব্যবহারে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন বলিরেখা মুক্ত তারুণ্য উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী।

Photos from Exclusive Beauty Tips's post 02/08/2015

মুখের মেদ কমাতে ফেসিয়াল এক্সার্সাইজ

ডাবল চিন বা থুতনিতে মেদ জমা অনেকের কাছেই আতঙ্কের মতো একটা জিনিস। বিশেষত যারা তাদের চেহারা নিয়ে অতি সতর্ক থাকেন সবসময়। এটি হচ্ছে বার্ধক্যের সবচেয়ে কমন একটি লক্ষণ। এটি অন্যান্য কিছু কারণেও হতে পারে, যেমন বংশগত এবং এমন অস্বাস্থ্যকর ডায়েট যাতে ফ্যাট এবং ক্যালরির পরিমাণ খুব বেশি থাকে। যখন শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়, তখন এর ছাপ মুখে গিয়েও পড়তে দেখা যায়। যার ফলে মুখে এবং থুতনির নীচে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়ে চেহারার আকার নষ্ট হয়ে যায়। আর এই সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে সহজ এবং সুলভ উপায় হচ্ছে ফেসিয়াল বা মুখের এক্সার্সাইজ়। আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু ফেসিয়াল এক্সার্সাইজ় দেয়া হলো যা মুখের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে মুখের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

এক্সার্সাইজ় ০১:

ঘরের এক জায়গায় সোজা হয়ে দাঁড়ান। এরপর আপনার মুখ এমন ভাবে পিছনে নিন যাতে মুখটি সিলিং এর দিকে আড়াআড়ি ভাবে থাকে। এখন ঠোঁট প্রসারিত করে সিলিং এর দিকে কিস্ করার মতো করুন। এভাবে ৫ সেকেন্ড রাখুন। ৫ বার পুনরাবৃত্তি করুন। এক্সার্সাইজ়টি করার সময় মুখের অন্যান্য যে মাসল গুলো ব্যবহার হয় না সেগুলো যতটা সম্ভব রিল্যাক্সড্ রাখার চেষ্টা করবেন।

এক্সার্সাইজ় ০২:

এই এক্সার্সাইজ় বসে বা দাঁড়িয়ে যেকোন পজিশনে করা যায়। মেরুদন্ড এবং মুখ সোজা করে বসুন। এরপর নীচের ছবির মতো করে মাথা ধীরে ধীরে এক ঘাড় থেকে আরেক ঘাড়ের দিকে আবর্তিত করুন। এটি এমনভাবে করতে হবে যাতে একটি পূর্ণ সার্কেলের মত হয়। আর যদি ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করেন তাহলে সেমি সার্কুলার গতিতে করতে পারেন। এভাবে ৩-৫ বার করুন। তবে এই এক্সার্সাইজ় করার সময় বেশি তাড়াহুড়া করা যাবে না।

এক্সার্সাইজ় ০৩:

ফ্লোরে জোর আসনে বসুন। এখন বাম হাতটি কোমর থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে ফ্লোরের উপর রাখুন। আঙ্গুল গুলোর উপর খুব জোরে ভর দিবেন না। এবার ডান হাত এবং তালু সোজা করে উপরে উঠান এবং ধীরে ধীরে হাত বাঁকা করে বা দিকের কান ধরুন।এ অবস্থায় মাথা ধীরে ধীরে ডান কাঁধের দিকে ঝুকান এবং বেশি না ঝুকিয়ে সেখানে হালকা চাপ দিন। এখন বাম হাত ফ্লোর থেকে উঠিয়ে বাম হাতের উপরের বাহুতে রাখুন এবং সেখানে হালকা চাপ দিন। এ অবস্থায় ১০ সেকেন্ড পর্যন্ত থাকুন। ঠিক একই ভাবে ডান হাতটি কোমর থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে রাখুন এবং বা হাত দিয়ে ডান কান ধরুন এবং উপরের প্রক্রিয়াটি পুনরায় করুন।

- এছাড়াও প্রতিদিন ১ ঘণ্টা শারীরিক এক্সার্সাইজ এবং ২০ মিনিট মুখের এক্সার্সাইজ করার অভ্যাস করুন।

Photos 27/07/2015

কনসিলার দিয়ে চোখের নিচের কালো দাগ এবং মুখের দাগ লুকানোর পদ্ধতি

কনসিলার দিয়ে দাগ লুকানো
শুধু ফাউন্ডেশন দিয়ে মুখের কালো দাগ, চোখের নিচে কালো দাগ পুরোপুরি ভাবে লুকানো যায় না। তাছাড়া পার্টি মেক-আপ করতে গেলে যদি মেক-আপ এর উপর মুখের কালো দাগ গুলো ভেসে থাকে, দেখতে খারাপ লাগে।
মুখের মেক -আপ এর ন্যাচারাল লুক আনার জন্য ২ টি কন্সিলার ব্যবহার করতে হবে। একটি ত্বকের রঙ এর থেকে এক শেড উজ্জ্বল রঙ আর একটি হলুদ অথবা কমলা রঙের কন্সিলার। আমরা জানি কমলা রঙ কালো রঙ কে নিউট্রাল করে।

চোখের নিচে কালো দাগ নিরাময়ের পদ্ধতিঃ

স্টেপ ১ – আমি ফাউন্ডেশন দেয়ার পর কন্সিলার দেই। প্রথমে একটি ফাউন্ডেশন ব্রাশ দিয়ে পুরো মুখে ফাউন্ডেশন দিবেন। ভালো করে ব্লেন্ড করবেন।

স্টেপ ২ – যদি কোন কন্সিলার পেলেট ( ছবিতে দেয়া আছে ) থাকে তাহলে ঐখান থেকে কমলা অথবা হলুদ কালারের স্কিন কারেক্টর নিয়ে চোখের নিচে এবং চারপাশে লাগাবেন।

স্টেপ ৩ – তারপর হাতের আঙ্গুল দিয়ে হালকা করে আস্তে আস্তে কন্সিলার ব্লেন্ড করবেন। চোখের নিচে কন্সিলার দিতে ব্রাশ থেকে হাতের আঙ্গুল-ই বেশি ভালো।

স্টেপ ৪ – তারপর নিজের ত্বকের থেকে এক শেড হালকা কন্সিলার নিয়ে চোখের নিচে আবার লাগাবেন এবং ভালো করে ব্লেন্ড করবেন।

স্টেপ ৫ – যেকোনো প্রেস পাওডার দিয়ে পুরো মেক-আপ টাকে সেট করবেন।

স্টেপ ৬ – কন্সিলার দেয়ার পর চোখের ফাইনাল লুক।


কন্সিলার দিয়ে মুখের দাগ ঢাকার পদ্ধতিঃ

মুখের দাগ ও চোখের কালো দাগ নিরাময়ের পদ্ধতির মতই করতে হবে। তাছাড়া কিছু বিশেষ দিক খেয়াল রাখতে হবে।

স্টেপ ১- প্রথমে মেক-আপ প্রাইমার লাগাতে হবে। যাদের মেক আপ প্রাইমার নেই তারা মেক-আপের আগে ৩/৪ টি বরফ কুচি মুখে লাগিয়ে নিবেন এবং মেক- আপের সময় ৩/৪ বার মুখে পানি স্প্রে করবেন। এতে করে মেক-আপ দীর্ঘক্ষণ থাকবে, ঘামবে না। যাদের স্কিন তৈলাক্ত , তারা মুখে প্রাইমার এর বদলে মিল্ক অফ মাগ্নেসিয়া দিতে পারেন ( ফার্মেসি তে কিনতে পাওয়া যায় )

স্টেপ ২- মুখে প্রথমে কমলা অথবা হলুদ কালারের কন্সিলার দিয়ে শুধু মাত্র যেখানে দাগ আছে সেখানে দিবেন। পরিষ্কার হাত দিয়ে কন্সিলার হালকা হালকা করে ব্লেন্ড করবেন।

স্টেপ ৩- নিজের পছন্দ মত ফাউন্ডেশন পুরো মুখে লাগিয়ে, ভালো ব্রাশ অথবা স্পঞ্জ দিয়ে ব্লেন্ড করবেন। মনে রাখবেন যত বেশি ব্লেন্ড করবেন, তত মেক-আপের ফিনিসিং ভালো হবে।

স্টেপ ৪-এর পর নিজের ত্বকের সাথে ম্যাচ করা কন্সিলার দাগের উপর লাগিয়ে, আঙ্গুল দিয়ে ডেব করুন।

স্টেপ ৫-মুখে ফেস পাওডার অথবা মিনেরাল পাওডার যেকোনো একটা দিয়ে ফিনিশিং দিবেন।

এখন আসা যাক কন্সিলারের কথা। বাংলাদেশে কন্সিলার পেলেট পাওয়া যায় না। সে ক্ষেত্রে কমলা অথবা হলুদ কালারের পেন স্টিক ব্যবহার করতে পারেন। আর ত্বকের শেডের কন্সিলার আমাদের দেশে অনেক ব্র্যান্ডের পাওয়া যায়। MAC, Revlon, Maybelline, elf, Neutrogena, Covergirl ব্র্যান্ডের কন্সিলার অনেক ভালো।

Photos 27/07/2015

মুখের অনাকাঙ্ক্ষিত লোম দূর করার একটি অসাধারণ কৌশল!

অনাকাঙ্ক্ষিত লোম আপনার সৌন্দর্যকে যেমন নষ্ট করে, তেমনই একে পরিষ্কার করা অত্যন্ত ঝামেলাদায়কই বটে। খুব সহজ লভ্য কিছু উপাদান দিয়ে ঘরেই তৈরি করে নিন এই বিশেষ "প্যাক" আর সম্পূর্ণ ব্যথা মুক্ত ভাবে পরিষ্কার করে ফেলুন মুখ সহ শরীরের যে কোন স্থানের অনাকাঙ্ক্ষিত লোম।

যা লাগবে
বেসন ২ টেবিল চামচ
১ টেবিল চা চামচ টক দই বা ঘন দুধ
২ টেবিল চামচ ভালো মানের চন্দনের গুঁড়া
১ টেবিল চামচ ভালো সরিষার তেল
১ টেবিল চামচ গোলাপ জল
১ চিমটি হলুদ

যা করবেন
-এই সমস্ত উপাদান দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। লাগলে সামান্য এক্ত পানি দিতে পারেন। একদম ঘন পেস্ট হবে।
-এবার এই পেস্ট কাঙ্ক্ষিত স্থান গুলোতে মাখুন। একটু শুকাতে দিন।
-পুরোপুরি শুকাবে না। যখন সামান্য একটু ভেজা ভেজা থাকবে, তখন হাত দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে থাকুন।
- এই ঘষায় ত্বক যেমন স্ক্রাবিং করা হবে, তেমনই অনাকাঙ্ক্ষিত লোম একদম গোঁড়া থেকে উঠে আসবে।
-পুরো প্যাক উঠে গেলে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সাথে সাথেই কোন সাবান দেয়ার প্রয়োজন নেই।
-নিয়মিত ব্যবহারে লোম একদম নির্মূল হবে এবং নতুন লোম গজালেও সেগুলো গজাবে পাতলা হয়ে। সপ্তাহে ২/৩ দিন ব্যবহার করতে পারেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1214