ICON Consultancy - Study In Abroad
World Wide Admission Visa Support
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা
দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়া মহাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ একটি
দেশ। দক্ষিণ কোরিয়ার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো
ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুবিধাও দিয়ে থাকে। বাইরের
দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু স্কলারশিপের
ব্যবস্থাও রয়েছে দেশটিতে। শিক্ষাব্যবস্থাঃ
সিঙ্গাপুরে অ্যাসোসিয়েট ডিগ্রি, ব্যাচেলরস ডিগ্রি,
মাস্টার্স ডিগ্রি, ডক্টোরাল ডিগ্রি নেওয়ার জন্য উচ্চ
শিক্ষার্থে যেতে পারেন। দেশটির বেশির ভাগ
বিশ্ববিদ্যালয় বছরে দুটি সেমিস্টার অফার করে থাকে।
একটি হলো মার্চের শুরু থেকে মধ্য জুন পর্যন্ত। আর
দ্বিতীয় সেমিস্টারটি হলো সেপ্টেম্বরের প্রথম দিক
থেকে মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত। ব্যাচেলর ডিগ্রির জন্য
সাধারণত চার বছর ফুল টাইম পড়াশোনা করতে হয়।
মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য সাধারণত দুই বছর এবং
ডক্টোরাল ডিগ্রির জন্য সাধারণত দুই-তিন বছরের ফুল
টাইম স্টাডির প্রয়োজন হয়।
ভর্তির যোগ্যতাঃ ব্যাচেলরস প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য
কমপক্ষে ১২ বছরের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়।
অর্থাৎ আপনাকে ন্যূনতম এইচএসসি পাস হতে হবে।
মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হতে চাইলে অবশ্যই
সফলতার সঙ্গে কমপক্ষে ১৬ বছরের শিক্ষাগত জীবন শেষ
করতে হবে। মাস্টার্স করা থাকলে আপনি আরও উচ্চতর
ডিগ্রির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচঃ ইউরোপ আমেরিকার
দেশগুলোর তুলনায় দক্ষিণ কোরিয়ার
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিউশন ফি অনেক কম। তবে
দেশটিতে পড়াশোনার খরচ নির্ভর করে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টিউশন ফি আলাদা।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গড়ে বার্ষিক টিউশন ফি
হলো চার হাজার মার্কিন ডলার থেকে শুরু করে দশ
হাজার মার্কিন ডলার। টিউশন ফির সঙ্গে প্রতি মাসের
খাবার খরচ বাবদ গড়ে ৩০০ ডলার যোগ করতে হবে।
থাকা খরচ বাবদও মাসে এ রকম অর্থ গুণতে হবে।
খণ্ডকালীন কাজের সুযোগঃ নিয়ম অনুসারে প্রথম
সেমিস্টার শেষ করার পর বিদেশি শিক্ষার্থীরা
খণ্ডকালীন কাজের অনুমতি পায়। শিক্ষার্থীরা
সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ পায়। এ সময় তারা
পূর্ণকালীন কাজ করতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ায়
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর রেস্টুরেন্ট, লাইব্রেরি,
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, দোকান, স্ম্যাকবার ও
ল্যাবরেটরিতে খণ্ডকালীন কাজ করার সুযোগ রয়েছে।
কীভাবে আবেদন করবেনঃ দক্ষিণ কোরিয়ার
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে আবেদনের সময়সীমা
দেওয়া থাকে। যে বিভাগে ভর্তি হতে চান, বিস্তারিত
জানতে সেই বিভাগের অ্যাডমিশন অফিস বরাবর
সরাসরি লিখতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
ওয়েবসাইটেও আবেদন ফরম পাওয়া যায়। দেশটির কিছু
বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনের মাধ্যমেও আবেদনপত্র পূরণ
করার সুবিধা দিয়ে থাকে। এর পর ভিসা ও অন্যান্য কী
কী কাগজপত্র প্রয়োজন হবে সে তথ্য আবেদনকারীকে
জানিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্র,
মার্কসিটসহ সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ইংরেজি
ভার্সন, বিদ্যালয় বা কলেজের ছাড়পত্র, ইংরেজি বা
কোরিয়ান ভাষা টেস্ট স্কোর, পাসপোর্টের
ফটোকপি প্রভৃতি কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে।
13/04/2016
দক্ষিন কুরিয়ায়
ICON Consultancy - Study In Abroad
30/01/2016
>> মালয়েশিয়ায় বৈধতা পাচ্ছে সাড়ে ৩ লাখ বাংলাদেশী...
!!! লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন.........
# দালালদের মাধ্যমে লেনদেন না করতে হাইকমিশনের অনুরোধ
মনির হোসেন ২৯ জানুয়ারি ২০১৬,শুক্রবার, ০০:০০
মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানরত প্রায় সাড়ে ৩ লাখ বাংলাদেশীসহ বিদেশী শ্রমিকদের বৈধতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। এমন ঘোষণার পরই মঙ্গলবার বন জঙ্গলসহ নানা স্থানে লুকিয়ে থাকা বাংলাদেশীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার শহীদুল ইসলামের সাথে গতকাল বৃহস্পতিবার যোগাযোগ করা হলে তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক গতকাল তাদের সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবৈধ যত শ্রমিক রয়েছে তাদের বৈধতা দেয়া হবে। তবে কত দিনের মধ্যে অবৈধরা বৈধ হতে পারবে, সে ব্যাপারে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তিনি বলেন, এখানে দুষ্ট লোকের সংখ্যা বেশি। এর আগে মালয়েশিয়া সরকার অবৈধদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। তখন বহু শ্রমিকের পাসপোর্ট, টাকা নিয়ে দালালেরা সটকে পড়ে। এবার যাতে তারা যোগাযোগ না করে সরাসরি হাইকমিশনে যোগাযোগ করে, সে ব্যাপারে তিনি সাধারণ শ্রমিকদের কাছে অনুরোধ জানান।
প্রসঙ্গত ২০০৮ সালে হঠাৎ মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করে দেয়। এমন ঘোষণার পর অর্ধলক্ষাধিক শ্রমিকের নামে ঢাকায় কলিং ভিসা আসার পরও তারা আর বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়নি। এ অবস্থায় মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানোর নামে মানবপাচারকারী চক্র গড়ে উঠে দুই দেশে। ওই চক্রের সদস্যরা গ্রামের সহজ সরল লোকজনকে স্টুডেন্ট, ট্যুরিস্ট, ভ্রমণ ভিসার নামে মালয়েশিয়া পাঠানো শুরু করে। একপর্যায়ে টেকনাফ দিয়ে ট্রলারে অসংখ্য মানুষকে মালয়েশিয়ায় পাচার করে দেয়। এতে পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটে। থাইল্যান্ড আর মালয়েশিয়ার সীমান্তে পাওয়া যায় মানুষের গণকবর। এসব ঘটনার পর মালয়েশিয়া সরকার পেশাভিত্তিক ভিসা ইস্যু শুরু করে। এ ভিসায় শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্টসহ দক্ষ লোক যাওয়ার কথা থাকলেও দেশ থেকে গণহারে অদক্ষ শ্রমিক মালয়েশিয়া যাওয়া শুরু করে, যা এখনো অব্যাহত আছে। এতে অনেকেই সেখানে গিয়ে ঠিকমতো কাজ পাচ্ছেন না। আবার অনেকেই দেশটির বিভিন্ন জেলখানায় আটকে থেকে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব বিষয় ছাড়াও মালয়েশিয়ায় এ মুহূর্তে শ্রমিক সঙ্কট রয়েছে। যার কারণে দেশটিতে থাকা কয়েক লাখ অবৈধ শ্রমিককে বৈধ করার ঘোষণা দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
গতকাল বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল আহমেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনার শহীদুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় লাখ লাখ অবৈধ বাংলাদেশী আবারো বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে এবার যাতে সবাই বৈধ হওয়ার সুযোগ পান সে ব্যাপারে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে হাইকমিশনকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে মালয়েশিয়া হাইকমিশনের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে নয়া দিগন্তকে বলেন, হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম স্যার আট মাস আগে এখানে যোগ দেন। এরপর থেকেই তিনি মালয়েশিয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধ শ্রমিকদের কিভাবে বৈধ করা যায় সেই প্রক্রিয়া চার মাস আগে থেকেই তিনি শুরু করেছেন। সেই লক্ষ্যে দেশটির জাহিদ হামিদির সাথে ঘরোয়া বৈঠক করে বাংলাদেশী অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ করে নেয়ার প্রস্তাব দেন। এরপরই এ প্রস্তাব গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম শুরুর কথা জানান। এরই ফল হচ্ছে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈধতা দেয়ার ঘোষণা। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা ধারণা করছি মালয়েশিয়াতে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ অবৈধ শ্রমিক রয়েছে। এখন কোন কোন ক্যাটাগরির শ্রমিক বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন সেটি বিস্তারিত জানার পরই বলতে পারবে বলে জানান তিনি। তবে সবার আগে দেখতে হবে মালয়েশিয়া সরকার অবৈধদের বৈধ করার জন্য কত দিন সময় বেধে দেয়।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ হাইকমিশনার এ প্রতিবেদককে বলেন, এবার বৈধ করার প্রক্রিয়ায় যেসব কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয়া হবে তাদের সাথে আমি ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক করেছি। কারণ বিগত সময়ে মালয়েশিয়া সরকারের সাধারণ ক্ষমার ঘোষণায় দুই লাখ ৬৪ হাজার অবৈধ শ্রমিক বৈধ হলেও বাকি অনেকেই পাসপোর্ট ও টাকা ঠিক জায়গায় দিতে না পারায় বৈধ হতে পারেনি। অনেকেই প্রতারিত হয়েছেন। এবার দালালেরা সেই সুবিধা যাতে না নিতে পারে সেজন্য বাংলাদেশী কমিউনিটিকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটি এখন চিন্তাভাবনা করছি। তবে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে সবাইকে অনুরোধ জানাব, কেউই যাতে দালালদের শরণাপন্ন না হয়। যেকোনো সমস্যার জন্য সরাসরি হাইকমিশনে যোগাযোগ করে। নতুবা এবারো বৈধ হওয়ার নামে অনেকেই প্রতারিত হতে পারেন বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka