Nomad Go
I am a Nomad , So there are no Info , i can go anywhere anytime...
11/02/2026
ভোটের সময় আঙুলে যে কালি লাগানো হয় তা সাধারণ কালি নয় — এটাকে ইনডেলিবল ইঙ্ক বা অমোচনীয় কালি বলা হয়। এই কালির মূল উদ্দেশ্য হলো একজন ভোটার যাতে একাধিকবার ভোট দিতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ছোট্ট কালির দাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইনডেলিবল ইঙ্ক বিশেষ রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি, যার প্রধান উপাদান হলো সিলভার নাইট্রেট। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক লবণের সাথে বিক্রিয়া করে এমন এক যৌগ তৈরি করে, যা পানিতে গলে না এবং সহজে মুছে যায় না। সূর্যের আলো পড়লে এই দাগ আরও গাঢ় হয়ে ওঠে। তাই অনেকেই লক্ষ্য করেন, ভোট দিয়ে বাইরে ঘোরাঘুরির পর আঙুলের দাগ আগের চেয়ে বেশি কালো দেখায়।
অনেকে মনে করেন, সাবান, ডিটারজেন্ট, নেলপলিশ রিমুভার বা অন্যান্য কেমিক্যাল ব্যবহার করলে এই কালি তুলে ফেলা যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব নয়। কারণ এই কালি শুধু ত্বকের উপরিভাগে থাকে না, বরং ত্বক ও নখের কোষের ভেতরে প্রবেশ করে যায়। ফলে জোর করে তুলতে গেলে উল্টো ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এই দাগ দূর করার একমাত্র উপায় হলো সময়ের অপেক্ষা। আমাদের ত্বকের উপরিভাগের কোষ নিয়মিতভাবে ঝরে পড়ে এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।
ইনডেলিবল ইঙ্ক শুধু একটি কালি নয় — এটি ভোটাধিকার সুরক্ষার একটি কার্যকর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। ছোট্ট একটি দাগ নিশ্চিত করে যে, একজন নাগরিক তার ভোটাধিকার একবারই প্রয়োগ করছেন। তাই আঙুলের এই দাগ আসলে দায়িত্ব পালন ও গণতন্ত্রে অংশগ্রহণের একটি দৃশ্যমান চিহ্ন।
😁
হাদির সার্জারী ভালো হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। গু/লি/টা বের হয়ে গেছে ডানদিক দিয়ে টেম্পোরাল বোন ভেদ করে ঢূকে আরেকদিকে ম/গ/জের নিচের অংশ দিয়ে বের হয়ে গেছে। ব্রেনের কিছু অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। সেটায় আশা করি সমস্যা হবে না। ব্রেনের ভিতরের র/ক্ত/পা/ত বন্ধ করা হয়েছে।
দেশবাসী, হাদিকে আপনাদের দোয়ায় রাখুন। ইনশাল্লাহ হাদি আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।
23/10/2025
সালমান শাহ Hত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী:
সালমানকে Hত্যা করার জন্য ১২ লাখ টাকার চুক্তি করেন সালমানের শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। সময় টিভির আর্টিকেল মারফত জানা যায় রেজভি উক্ত জবানবন্দি দিয়েছিলেন ১৯৯৭ সালে।
রেজভী বর্ণনা অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গুলিস্তানের একটি বারে রাত ৮ টায় ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ ও রেজভী দেখা করেন। ওই দিন ছাত্তার ও সাজু নামে আরও ২ জন ছেলে আসে। এরপর ফারুক আসে। ২ লাখ টাকা বের করে জানান সামিরার মা এই টাকা দিয়েছেন। সালমানকে Meরে ফেলার জন্য মোট ১২ লাখ টাকা দেবেন। কিন্তু ২ লাখ টাকা নিয়ে ফারুকের সঙ্গে ডনের কথাকাটি হলে ফারুক বেরিয়ে যান এবং কিছুক্ষণ পর আরও ৪ লাখ টাকা নিয়ে আসেন। রেজভী জানান, ফারুক বলেন কাজের আগে ৬ লাখ ও কাজের পরে ৬ লাখ।
এরপরই প্লাস্টিকের একটি দড়ি, সিরিঞ্জ, Revলবার ইত্যাদি গুছিয়ে নেয়া হয়।
ঘুমন্ত সালমানকে ক্লোrOফর্ম দিয়ে বেহুশ করেন সামিরা। কিছুক্ষণ পর সালমান শাহর জ্ঞান ফিরলে সবার শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এসময় সালমান শাহর শরীরে ইনজে কশন পুশ করতে বলেন আজিজ ভাই। সালমানকে Hত্যা করার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে দেয়া হয় তার লাsh।
08/10/2025
লাং নিয়ে আসিস কাশবনে 😁🙃
08/10/2025
৪০ বছরের এক মানুষ এলেন হাসপাতালে
বললেন, “পেট ব্যথা করছে, কয়েকদিন পায়খানা হয়নি।”
এক্সরে হাতে নিয়ে আমরা হতবাক…
ভেতরে দেখা গেল কাঠের টুকরো আটকে আছে! সে কোনভাবেই স্বীকার করলোনা এটা সে ঠুকায়ছে
অপারেশন করে বের হলো সুন্দর করে ঘষে বানানো একটা কাঠের অংশ।
এটা দুর্ঘটনা না।
এটা অজ্ঞতা + শরীরকে না বোঝার ফল।
এমন কাজে হতে পারে
অভ্যন্তরীণ ছিদ্র ও রক্তক্ষরণ
মারাত্মক সংক্রমণ
মল ধরে রাখতে না পারা
এমনকি জীবনহানিও!
লজ্জা নয়, সচেতনতা দরকার।
শরীর কৌতূহলের জায়গা নয়, দায়িত্বের জায়গা।
ব্যথা, রক্তপাত বা ফোলাভাব হলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।
গুগল নয়
প্রফেশনাল হেল্প নিন।
এই মানুষটা বেঁচে গেছে সময়মতো অপারেশনের জন্য,
কিন্তু সবাই এতটা ভাগ্যবান হয় না।
একটা কাঠের টুকরো নয়
এটা আমাদের সমাজের “চুপচাপ থেকে বিপদ ডেকে আনার” প্রতীক। সমাজটা কোথায় যাচ্ছে ভেবে অবাক। এ ধরনের যৌন বিকৃতি থেকে নিরাপদে থাকুন, নয়তো জীবন সংকটে পড়বে।
শেয়ার করুন, সচেতন হোক সমাজের আশেপাশের মানুষ।
Dr-Abdur Rahman
08/10/2025
গবেষণায় দেখা গেছে, ডিসপোজেবল কাগজের কাপে গরম পানি রাখলে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই প্রায় ২৫,০০০ মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পানিতে মিশে যায়। এর মূল কারণ কাগজ নয়, বরং ভেতরের প্লাস্টিক কোটিং যা তাপের সংস্পর্শে ভেঙে পড়ে। এ প্রক্রিয়ায় শুধু মাইক্রোপ্লাস্টিকই নয়, লেড, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়ামের মতো ভারী ধাতু, ফথালেটসহ ক্ষতিকর রাসায়নিক এবং ফ্লোরাইড, ক্লোরাইড, নাইট্রাইটের মতো আয়নও পানীয়তে মিশে যায়।
স্বাস্থ্যঝুঁকির দিক থেকে বিষয়টি উদ্বেগজনক, কারণ মানুষের রক্ত, মস্তিষ্ক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ইতিমধ্যেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। যদিও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনও গবেষণাধীন, তবে ঝুঁকি এড়াতে সচেতন হওয়া জরুরি।
সমাধান খুবই সহজ—প্লাস্টিকের আস্তরণবিহীন বিকল্প ব্যবহার করুন। স্টেইনলেস স্টিল, কাচ বা সিরামিক মগ সবচেয়ে নিরাপদ। আর যদি ডিসপোজেবল কাপ ছাড়া উপায় না থাকে, তবে গরম পানীয় কিছুটা ঠান্ডা করে তাতে ঢালুন বা কফি শপে সিরামিক মগ চাইতে পারেন।
08/10/2025
ট্রান্সমিটারের ক্ষেত্রে লাইসেন্স লাগে, কিন্তু শুধু রিসিভারের ক্ষেত্রে লাগে না, এমনটাই জানতাম। অর্থাৎ বাংলাদেশে টিভি লাইসেনসিং ব্যবস্থা ভুল। তাই অনুসন্ধান শুরু করলাম। তখন অবাক হয়ে দেখলাম ব্রিটেনে এই লাইসেন্সিং আছে, শুধু তাই না, কোন বাসায় টেলিভিশন আছে কিনা, সেটা বাইরে থেকে ধরার জন্য তারা একধরণের স্ক্যানার মেশিনও বানিয়েছে! যাহোক, লাইসেন্সিং বাতিল করা হয়নি, তবে অবাস্তব বিধায় আর কার্যকর নয়।
07/10/2025
ভাইরে ভাই..এমন ঘটনা ঘটানোও সম্ভব..সিনেমার ঘটনাও ফেল..
যাস্ট অবিশ্বাস্য..
ঘটনা মানিকগঞ্জ শহরের স্বর্ণকারপট্টিতে..
সেখানের..অভিজুয়েলার্সে-র মালিক শুভর দোকানে গতকাল রাত ১১টার দিকে ডা-কা-তি হয়..মোটর সাইকেল যোগে ৬জন ডা-কা-ত এসে স্বর্ণের দোকান লু-টপাট করে..এসময় মালিক শুভর পিঠে ধা-রা-লো অ-স্ত্র দিয়ে বেশ কয়েতটি আ-ঘা-ত করে..
ডা-কা-ত দল চলে যাবার পর আশেপাশের মানুষ ছুটে এসে মালিক শুভকে হাসপাতালে পাঠায় ও পুলিশে ফোন দেয়..
ঘটনা এখানে শে-ষ হলে হতে পারতো..কিন্তু মুল ঘটনা অন্য জায়গায়..
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অপারোশনে নামে..এবং কয়েকঘন্টার মধ্যে আসামীদের ধরে ফেলে..আসামীদের মধ্যে রয়েছে আমান..মিলন..শরিফ..নয়ন ও সোহাগ..
ওদিকে আহত শুভর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে তাকে ঢাকা পাঠানো হয়..
শহরে উত্তেজনা বাড়তে থাকে..
পুলিশ আসামীদের ধরে থানায় নিয়ে এসে উত্তম মাধ্যম দিলে ঘটনার মোড় অন্যদিকে চলে যায়..
আসামীরা যা বলে তা আপনি হয়তো আগে কোনদিন শুনেন নি
আসামীরা জানায়..তারা কোন ডা-কা-ত নয়..তাদের দিয়ে নাটক করিয়েছে স্বয়ং শুভ..অর্থাৎ ঐ দোকানের মালিক..
এবং এই ঘটনা ঘটানোর জন্য তাদের নগদ পাঁচ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে..
এবং..ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করার জন্যই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী শুভর পিঠে ছু-রি মা-রা হয়েছে..
অর্থাৎ..পুরো ঘটনা পরিকল্পনা অনুযায়ী পারফেক্টলি শে-ষ করেছে..
এবার প্রশ্ন হল..শুভ এমন কাজ করতে গেল কেন..
এটা শুনলে মানুষের উপর থেকে আপনার বিশ্বাস উঠে যাবে..
বিষয়টি হচ্ছে..শুভর দোকান বেশ বড় দোকান..তার দোকানে অনেক স্বর্ণ জমা থাকে..অনেকে গহনা বানানোর জন্যও অনেক স্বর্ণ জমা রাখে..সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে তার দোকানে ৩৯ ভরি ৭ আনা সোনা জমা ছিল..
শুভর টার্গেট ছিল..দোকানে ভয়াবহ ডা-কা-তি হয়ে সব লুটপাট করে নিয়ে গেছে খবর ছড়িয়ে সকলের আমানত রাখা স্বর্ণ আত্মসাত করা..
এবার চিন্তা করেন..একজন প্রতিষ্ঠিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী যদি এমনটা করে তাহলে বিশ্বাস করবেন কাকে..
পুলিশ সম্পূর্ন স্বর্ণ উদ্ধার করেছে..
মানুষের সচেতনতার জন্য পোস্টটি শে-য়া-র করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন..
ছবি..কিছুক্ষণ আগে মানিকগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সমস্ত ঘটনার বিবরণ জানান 🙂
- মাহমুদুল হাসান
05/10/2025
১৯৭২ সাল। ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওয়াল্টার মিশেল এক অদ্ভুত কিন্তু অত্যন্ত গভীর এক মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা করেন শিশুদের উপরে। যা পরে ‘মার্শমেলো টেস্ট’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে।
অধ্যাপক মিশেলের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ছিল এই গবেষণার পেছনে। তাঁর দুই মেয়ে টিনা ও সাবরিনার বয়স ছিলো চার এবং ছয় বছর । তারা একটি স্কুলে যেতো যেখানে আরও বিশজন শিশু ছিল। মিঃ মিশেল সেই স্কুলের শিশুদেরকেই তাঁর পরীক্ষার অংশ করেন।
প্রতিটি শিশুকে একে একে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের সামনে রাখা হয় একটি মার্শমেলো এক ধরণের নরম ও মিষ্টি জাতীয় খাবার যা শিশুরা খুবই পছন্দ করে।
তারপর অধ্যাপক প্রতিটি শিশুকে আলাদা করে বলেন: তুমি চাইলে এখনই এটা খেয়ে নিতে পারো। তাহলে এই একটিই পাবে।
কিন্তু যদি ১০ মিনিট অপেক্ষা করো তাহলে তুমি আরও একটি পাবে। মোট দুটি।
এরপর তিনি কক্ষ ত্যাগ করেন এবং প্রতিটি শিশুর প্রতিক্রিয়া নিজের ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করতে থাকেন।
তিনি দেখেন- কেউ সঙ্গে সঙ্গেই মার্শমেলো খেয়ে ফেলে। কেউ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। কেউ চোখ বন্ধ করে অথবা মুখ ঘুরিয়ে নেয় যেন দেখতেই না পায় লোভনীয় খাবারটিকে। কেউ হাত দুটো পেছনে রাখে। আবার কেউ অদ্ভুত উপায়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখে যাতে সময় পেরিয়ে যায়।
কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।
সময় গড়িয়ে যায়। দুই দশকেরও বেশি পেরিয়ে গেছে। অধ্যাপক মিশেল তখন বয়সের ভারে নত। আর টিনা, সাবরিনাও প্রাপ্তবয়স্ক।
থ্যাংকস গিভিং ডে হলো আমেরিকার একটি বিশেষ হলিডে। সেদিন মোটামুটি সবাই আপনজনের টানে বাড়ি ফিরে আসে। টিনা,সাবরিনাও এসেছে। মধ্যাহ্নভোজের পর তারা মিলে শৈশবের বন্ধুদের গল্প করছিল। পাশে বসে থাকা তাদের পিতা শুনছিলেন সেই স্মৃতিচারণা।
হঠাৎ তাঁর সেই পুরনো গবেষণার ডায়েরিটির কথা মনে পড়ে । তিনি ডায়েরিটি বের করে প্রত্যেক শিশুর নাম ধরে জানতে চান, কে এখন কী করছে।
ফলাফল ছিলো অবিশ্বাস্য সুন্দর।
যারা শিশু বয়সেই নিজেকে সংবরণ করতে পেরেছিলো। তারাই ভবিষ্যতে শুধু শিক্ষা আর ক্যারিয়ারে সফল হয়নি। তাদের পারিবারিক জীবনও হয়েছে সুন্দর, শান্ত, সুখি,সমৃদ্ধ। তাদের জীবনে মানসিক স্থিতি এসেছে, জীবনদর্শনেও এসেছে পরিপক্কতা।
নরওয়ের খ্যাতিমান সাইকোলোজিস্ট ফিন স্কারদেরোড বলেছিলেন- একজন মানুষের চেতনা বা কনসাসনেস যা শৈশবে গড়ে ওঠে তাই সারাজীবন তাকে চালিত করে।
এরপর ঘটে আরেক ঘটনা। যা খুবই চিন্তার এবং বেদনার।
অনেক বছর পর স্ট্যানফোর্ডে আবার সেই একই পরীক্ষার আধুনিক সংস্করণ করে। এবার শুধু মার্শমেলো নয় । সাথে যোগ হয়েছে স্মার্ট ডিভাইস।
ফলাফল?
২০ জন শিশুর মধ্যে ১৮ জনই মার্শমেলো ছেড়ে আগে হাত বাড়িয়েছে ডিভাইসের দিকে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, আজকাল মানুষের মন প্রতি চার সেকেন্ডে একবার বিভ্রান্ত হয়। আর একবার মন বিভ্রান্ত হলে সেই মনকে আবার আগের কাজের কেন্দ্রে ফেরাতে গড়ে লাগে প্রায় ৩২ মিনিট। আমাদের মন এখন একটি পিং পং বলের মতো এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছে অনবরত। কোনো গভীরতায় সে আর স্থির থাকতে পারছে না।
এই ডিভাইস-নির্ভরতা শিশুদের কনসাসনেসে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরি করছে। শুধু শিশুরা নয়। প্রাপ্তবয়স্করাও এই নেশার ফাঁদে বন্দী।
আজকাল কেউ আর দীর্ঘ লেখা পড়তে চায় না। প্রতি চার সেকেন্ডেই আমরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছি পড়বো কি পড়বো না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যেই তৈরি হয়েছে নতুন আসক্তি। আমরা জানি না ঠিক কবে থেকে আমাদের আঙুল নিজের ইচ্ছেতেই স্ক্রিনে ওপরে নিচে নেমে যাচ্ছে, এক রিল থেকে আরেক শর্টসে। এক মিম থেকে আরেক গিফে।
ঠিক যেমন ক্যাসিনো মালিকেরা জানেন ক্যাসিনোতে সবাই জিতে না, বেশিরভাগই হারে। তারপর যায় এক নেশায়। আজকের প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আমরা জানি রিলস বা শর্টস দেখে বড় কিছু শিখছি না। তবু আমাদের মন যেন বাধ্য হচ্ছে দেখতে। আমাদের আঙুল, চোখ আর মন সব যেন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে।
আমরা বসে থাকতে পারি না। মনোযোগ ধরে রাখতে পারি না, গভীর চিন্তা করতে পারি না। ফিলানত্রোপিস্ট ওয়ারনে বাফেট প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচশত পাতা পড়েন। আগামী পৃথিবীতে হয়তো মহাযুদ্ধ হবে। কিন্তু মহাকাব্য আর রচিত হবে না। কারণ আমাদের এখন পাঁচ শ রিল দেখার সময় আছে কিন্ত পণ্চাশ পাতা পড়ার সময় নাই। আমাদের এই ব্যাধির শুরু হয়তো আমাদের অজান্তেই হয়েছে কারো মার্শমেলো দিয়ে আর কারো একটা স্মার্ট ডিভাইস দিয়ে।
এই অবস্থা সত্যই আশংকাজনক আর এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি। শিশুদের মধ্যে ধৈর্য হারিয়ে যাচ্ছে। বয়স্কদের মন ক্রমেই অস্থির হয়ে উঠছে।
আর আপনি যদি এই লেখাটি ধৈর্য ধরে এতোক্ষণ পর্যন্ত পড়ে থাকেন তবে আপনি ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছেন আপনার ভেতরে এখনো অপেক্ষার, মনোযোগের, চিন্তার শক্তি বেঁচে আছে। যে শক্তিটা এই অস্থির সময়ে সবচেয়ে মূল্যবান। আর এজন্য আপনাকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ।
-Arif Mahmud.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1209