Allegro It

Allegro It

Share

Allegro IT is one of the promising software, web application, mobile application, graphic design, di

31/01/2026

মাত্র ৩০ দিনে ৭টি স্কিল শিখে ঘরে বসে আয় করুন ৩০০–৯০০ ডলার

“অনলাইনে আয় করতে চাই” — এই কথাটা ভাবলেই কি আপনার মাথায় হাজারটা প্রশ্ন ঘোরে?
কোথা থেকে শুরু করব?
কী শিখব?
আদৌ কি সম্ভব?

সোজা কথা বলি — সম্ভব। একদম সম্ভব।
আপনার কোনো ডিগ্রি লাগবে না
লাখ টাকার ল্যাপটপ লাগবে না

দরকার শুধু
👉 ৩০ দিন সময়
👉 ইন্টারনেট
👉 আর শিখতে চাওয়ার মানসিকতা

আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি এমন ৭টি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল, যেগুলো শিখতে এক মাসের বেশি লাগে না এবং যেগুলো ব্যবহার করে হাজারো ফ্রিল্যান্সার নিয়মিত আয় করছে। কোনো ভুয়া গল্প না।

চলুন, সরাসরি কাজে যাই 👇

১. Canva Design (সবচেয়ে সহজ স্টার্ট)
ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে সুন্দর পোস্ট দেখে মনে হয়— “ইশ! আমিও যদি পারতাম!”
সুসংবাদ: আপনিও পারবেন।

বানাতে পারবেন
• সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
• ইউটিউব থাম্বনেইল
• পোস্টার, CV, প্রেজেন্টেশন

আয় করবেন যেভাবে
১০টা স্যাম্পল বানান → Fiverr গিগ খুলুন → ছোট বিজনেসে মেসেজ দিন

শিখতে সময়: ১০–১৫ দিন
আয়: ৩০০–৬০০ ডলার/মাস

২. Copywriting (শব্দ দিয়েই টাকা)
কঠিন ইংরেজি না জানলেও চলবে।
Copywriting মানে মানুষকে ক্লিক, মেসেজ বা কিনতে আগ্রহী করা।

লিখতে পারবেন
• ক্যাপশন
• বিজ্ঞাপনের লেখা
• ওয়েবসাইট কনটেন্ট
• ইমেইল

শিখতে সময়: ৩০ দিন
আয়: ৩০০–৭০০ ডলার/মাস

৩. Video Editing (এই যুগের সোনার খনি)
রিলস, শর্টস, টিকটক — ভিডিও ছাড়া এখন কিছুই চলে না।

টুলস
• CapCut
• InShot
• DaVinci Resolve

টিপস: সিনেমা বানাতে হবে না, ফাস্ট ও ক্লিন এডিটই যথেষ্ট।

শিখতে সময়: ২০–৩০ দিন
আয়: ৪০০–৭০০ ডলার/মাস

৪. Social Media Management
বিজনেসগুলো জানে না কী পোস্ট করবে, কখন করবে।
এখানেই আপনার সুযোগ।

কাজ
• পোস্ট ডিজাইন
• ক্যাপশন
• পোস্ট প্ল্যান
• কমেন্ট রিপ্লাই

শিখতে সময়: ১৫–২০ দিন
আয়: ৩০০–৬০০ ডলার/মাস

৫. Notion Template (একবার বানান, বারবার বিক্রি)
Notion এখন প্রোডাক্টিভিটির রাজা

বানাতে পারেন
• হ্যাবিট ট্র্যাকার
• স্টাডি প্ল্যানার
• মানি ট্র্যাকার

শিখতে সময়: ১০–১৫ দিন
আয়: ৩০০–৭০০ ডলার/মাস

৬. Basic Web Design (কোডিং ভয় নয়)
ডেভেলপার হতে হবে না।
শুধু বেসিক জানলেই ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়।

শিখবেন
• HTML
• CSS
• Basic JavaScript

শিখতে সময়: ৩০ দিন
আয়: ৫০০–৯০০ ডলার/মাস

শুরু করবেন যেভাবে (Golden Roadmap)

✅ যেকোনো একটি স্কিল বেছে নিন
✅ ৩০ দিন সময় দিন (দিনে ১ ঘণ্টা)
✅ ৫টা স্যাম্পল দিয়ে পোর্টফোলিও বানান
✅ Fiverr / Upwork / LinkedIn প্রোফাইল খুলুন
✅ অন্তত ২০ জনকে ডাইরেক্ট মেসেজ দিন

শুরুর রেট কম হতে পারে —
$10 → $25 → $50 → $100

এভাবেই সবাই শুরু করে।

প্রথম ৩০০ ডলার আপনার ব্যাংক ব্যালান্সের চেয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস বেশি বদলে দেবে।

আপনি বুঝবেন—
✔ আপনি শিখতে পারেন
✔ অনলাইনে আয় বাস্তব
✔ আপনি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন

বেশিরভাগ মানুষ “ঠিক সময়ের” অপেক্ষায় থাকে। সফল মানুষরা শুরু করে দেয়।

আজ থেকে ৩০ দিন পর—
আপনার হাতে থাকবে একটি নতুন স্কিল
অথবা আপনি আজকের জায়গাতেই থাকবেন

সিদ্ধান্ত আপনার।

সূত্র: Medium

19/09/2022

হোয়াটসঅ্যাপে ৪ ধরনের ভুয়া মেসেজ এড়িয়ে চলবেন

মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন না এমন মানুষ এখন খুব কম দেখা যায়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মেসেজ-এর সাহায্যে পাঠানো হয়। তবে কথায় আছে, যেকোনো ভালো কিছুর একটি খারাপ দিক আছে। আর তাই জালিয়াতরা এখন সাধারণ মানুষকে ঠকাতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কিছু মেসেজ ছড়ানো হচ্ছে, যেগুলিকে বিশ্বাস করলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। আসুন এগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

১) চাকরি সম্পর্কিত মেসেজ
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের এখন অনেক ভুয়া কোম্পানি থেকে মেসেজ পাঠিয়ে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ভাল বেতনের লোভ দেখিয়ে এই মেসেজে একটি লিঙ্কে ক্লিক করতে এবং নিজের সম্পর্কে তথ্য দিতে বা একটি নম্বরে কল করতে বলা হয়। তারপর ছলে বলে কৌশলে ব্যবহারকারীর ব্যাংকের তথ্য হাতিয়ে তাকে ঠকানো হয়।

২) লাকি ড্র বা পুরস্কার জয়ের মেসেজ
এটি প্রতারকদের পুরানো কৌশলগুলির একটি, যেখানে ব্যবহারকারীদের প্রলুব্ধ করা হয় এবং ফাঁদে ফেলা হয়। এই ধরনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজগুলি কেবিসি জিও লাকি ড্র বা এই জাতীয় অন্যান্য নাম দিয়ে করা হয় এবং ব্যবহারকারীদের জানায় যে তারা নগদ পুরস্কার জিতেছে। ব্যবহারকারীদের এই পুরস্কার মূল্য পাওয়ার জন্য মেসেজের সাথে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করতে বলা হয় এবং সেখানে ক্লিক করার পর একটি ফর্ম সামনে আসে, যেখানে নিজের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পূরণ করতে বলা হয়। এরপর প্রসেসিংয়ের জন্য কিছু অর্থ দাবি করা হয়। আর তাদেরকে বিশ্বাস করে একবার টাকা দিলেই, আরও অর্থ দাবি করা হয়। এভাবেই চলে প্রতারণা।

৩) ওটিপি চাওয়া মেসেজ
কিছু হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী এমন মেসেজও পান যেখানে তাদের নম্বরে আসা ওটিপি চাওয়া হয়। ওই মেসেজে লেখা থাকে, ‘দুঃখিত আমি ভুল করে আপনার নম্বরে ওটিপি’সহ একটি গুরুত্বপূর্ণ মেসেজটি পাঠিয়ে দিয়েছি। আপনি কি আমাকে এই ওটিপি বলতে পারবেন? এটা স্পষ্ট যে প্রতারকরা ভুল করে কোনও ওটিপি পাঠায় না, তবে ওটিপির সাহায্যে তারা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকে লগইন করার চেষ্টা করতে পারে।

৪) একটি ভিডিও বা ছবিতে আপনাকে দেখার দাবি
অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, প্রতারকরা মেসেজের সাথে লিঙ্ক পাঠায় এবং ভয় দেখিয়ে লিঙ্কটিতে ক্লিক করার জন্য চেষ্টা করে। মেসেজে লেখা থাকে, ‘এই ভিডিওতে কি আপনাকে দেখা যাচ্ছে?’ বা ‘এটা কি আপনার ছবি?’ এটা স্পষ্ট যে, কৌতুহলবশত ব্যবহারকারী এই মেসেজের সঙ্গে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করেন এবং তাকে ম্যালিশিয়াস ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ব্যবহারকারীর ডিভাইস হ্যাক করার চেষ্টা করা হয়।

09/05/2022

শিশুর ঘাড়ে ইন্টারনেটের অভিশাপ

উনিশ শতকের শিল্পবিপ্লবের কারণে মানুষ প্রযুক্তি উন্নয়নের ব্যাপারে তৎপর হয়ে উঠেছে। মানব মস্তিষ্ককে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবিত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি। তার মধ্যে অন্যতম হলো ইন্টারনেট আবিষ্কার। এসব নতুনত্বের কারণে বিশ্ব মানুষের হাতের মুঠোয়। ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, মানুষের সর্বজনীন কল্যাণ সাধন করা।

অনলাইন যুগের কারণে আমাদের পড়াশোনাসহ সব ক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিশুদের করোনার সময়ে অনলাইন পাঠদান করাটা ছিল উল্লেখযোগ্য অবদান। অনলাইন দুনিয়া শিশুদের কাছে আসলেই অন্যরকম এক জগৎ তৈরি করেছে। যেখানে তারা সারাটা দিন ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল, টিকটকের মতো সাইটগুলোয় ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। কেউ কিছু কিছু সাইটকে ভালো কাজে ব্যবহার করলেও অধিকাংশ শিশুর অনলাইন সাইটগুলোর খারাপ বিষয়গুলোর সঙ্গে পরিচিত হয়ে যায়। অজান্তে বা না বুঝে সেগুলো ব্যবহারও করে তারা।

আমাদের দেশে দেখা যায় তরুণ-তরুণীরা রীতিমতো স্মার্টফোনে আসক্ত হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকে পর্নোগ্রাফির মতো সাইটগুলোয় বিচরণ করে থাকে। যার ফলস্বরূপ তাদের মধ্যে আচরণগত সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। তাদের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে দেখা যায়। নানা ধরনের অনৈতিক সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন তারা। অনেকে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। অল্পবয়সী শিশুরা সারাদিন কার্টুনের মতো কনটেন্ট দেখে দিন পার করে দেয়। যার প্রভাবে তাদের আচার-আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে যায়। ওই সব শিশুরা ঠিকমতো পড়াশোনা, খাবার, খেলাধুলা অর্থাৎ সময়ের কাজ সময়ে করে না। যার ফলে তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। পড়াশোনাতেও ব্যাঘাত ঘটছে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, যে বয়সে একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অর্জনে খেলাধুলা কিংবা শারীরিক কসরতে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল; সেই বয়সের একটি শিশু আজকাল স্মার্টফোন আসক্তিতে নিমগ্ন থাকে। আজকাল কোনো রেস্টুরেন্ট, দাওয়াতের জায়গা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত অবস্থাতেও শিশু-কিশোরদের স্মার্টফোন আসক্তি যেন পিছু ছাড়ে না। বিভিন্ন ভিডিও, কার্টুন কিংবা গেমসের মাধ্যমে ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের শান্ত রাখতে হয় অনেক অভিভাবক সন্তানদের হাতে নানা ধরনের গেজেট তুলে দিচ্ছে। অনেক অভিভাবকই নিরাপত্তাহীনতার অজুহাতে সন্তানকে নিজের চোখের সামনে রাখতে মুঠোফোন কিংবা ল্যাপটপ তুলে দিয়ে আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। অনেকে কর্মস্থলে ব্যস্ততার দরুনও শিশুকে সময় দিতে না পেরে গেজেট কিনে দিচ্ছেন।

বর্তমান যুগে ব্যস্ততম জীবনযাপনের জন্য মা-বাবাদের আগের মতো শিশুদের সময় দেওয়া কিংবা দেখাশোনা করাটা বহুলাংশে কমে এসেছে। সন্তানের হাতে স্মার্টফোন তুলে অনেকাংশে তাঁরা নির্ভার থাকতে চান। সাম্প্রতিক করোনার প্রেক্ষাপটেই আমরা দেখতে পাই, শিশু-কিশোরের হাতে স্মার্টফোনের দেখা মেলা ছিল ভার, আজ তার হাতে রয়েছে চকচকে নতুন একটি স্মার্টফোন।

স্মার্টফোন আসক্তি শিশুর ধৈর্য ও মনোযোগ কমিয়ে দেয়। এ কারণে শিশু ধীরে ধীরে অসহিষ্ণু, অসামাজিক ও উচ্ছৃঙ্খল হয়ে পড়ে। তার সহজাত সামাজিক গুণাবলির বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। অনেক সময় ধরে ফোন ব্যবহারের কারণে শিশুরা পর্যাপ্ত ঘুম থেকে বঞ্চিত হয়।

ছোট্টবেলা থেকেই শিশুর হাতে স্মার্টফোনের পরিবর্তে বিভিন্ন গল্প বা উপন্যাসের বই তুলে দিন। শিশুদের মধ্যে বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস যেন গড়ে ওঠে তার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করুন। খেলার মাঠের প্রতি তাদের প্রবল উৎসাহ, সেটিকে আরও উৎসাহিত করুন। সন্তানকে অধিক সময় দেওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক সংযোগ বাড়াতে হবে। এমনকি বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে করে মোবাইলে আসক্ত হওয়ার মতো সময় তার না থাকে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে শিশুদের খেলাধুলা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা মোবাইল বা অন্যান্য ইলেকট্রনিকস ডিভাইসের প্রতি আসক্ত হয়ে না পড়ে।

09/05/2022

ইন্টারনেট ছাড়াই জিমেইল

হঠাৎ করেই কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা হয় অনেকের। তবে চিন্তা নেই, ইন্টারনেট ছাড়াও জিমেইল ব্যবহার করা যায়। শুনতে অবাক লাগলেও ইন্টারনেট ছাড়া জিমেইলে পুরোনো ই–মেইল পড়ার পাশাপাশি নতুন ই–মেইলও পাঠানো যায়। তবে নতুন ই–মেইল সঙ্গে সঙ্গে প্রাপকের ঠিকানায় যাবে না। কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট–সংযোগ চালু হলেই অফলাইনে পাঠানো ই–মেইল নির্দিষ্ট ঠিকানায় চলে যাবে।

অফলাইনে জিমেইল ব্যবহার করতে হলে প্রথমে https://mail. google. com/mail/u/0/ /offline ঠিকানায় প্রবেশ করতে হবে। এবার Enable offline mail অপশনের পাশে টিক চিহ্ন দিতে হবে। এখানে After logging out of my Google account–এর নিচে থাকা যেকোনো একটি অপশন নির্বাচন করতে হবে। Keep offline data on my computer নির্বাচন করলে জিমেইল থেকে লগআউট হলেও কম্পিউটারে তথ্য থেকে যাবে। আর যদি Remove offline data from my computer নির্বাচন করেন, তাহলে জিমেইল থেকে লগআউট হলেই অফলাইনে করা কাজের তথ্য মুছে যাবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


House: 05, Road: 17, Block: E, Banani
Dhaka
1213