Khaled Rent A Car
This is a Car Rental service. You can get any kinds of Car for hire to any places tours and Travels. We provide 24 hours services and we have many cars.
14/01/2022
খালেদ রেন্ট এ কার থেকে গাড়ি ভাড়া করুন আর উপভোগ করুন আপনার ভ্রমন।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সমুদ্রসৈকতে পর্যটকরা
মাইকিং করে সরিয়ে দিচ্ছে কক্সবাজার প্রশাসন
-----------------------
সায়ীদ আলমগীর, কক্সবাজার০৭:২৮, ১৫ আগস্ট, ২০২১ | পাঠের সময় : ২ মিনিট
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চার মাস পর বিধিনিষেধ গত ১১ আগস্ট থেকে শিথিল করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু শুরুর নির্দেশ দেওয়া হলেও কক্সবাজার সৈকত ও অন্যান্য পর্যটন স্পটে যেতে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রেখেছিল প্রশাসন। কিন্তু ১২ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে যে, ১৯ আগস্ট থেকে সব পর্যটন স্পট শর্ত সাপেক্ষে খুলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু শুক্রবার থেকেই ভ্রমণ ও সমুদ্রপ্রেমীরা সৈকত এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশনা না থাকার কথা বলে বিচকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফগার্ডের কর্মীরা সৈকততীরে ভিড় করা নানা বয়সি মানুষকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। কিছু কিছু পয়েন্টে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সৈকতে নেমে পড়েন ভ্রমণপ্রেমীরা।
২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ট্রেনে যাওয়া যাবে কক্সবাজার
সৈকতে হাঁটতে আসা চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার রাসেল দুর্জয় দম্পতি বলেন, ‘অনেক দিন ঘর থেকে বের হতে পারিনি। বাচ্চাদের পাশাপাশি আমরাও হাঁপিয়ে উঠেছি। টিভিতে শুনলাম পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হচ্ছে। সেই খুশিতে শুক্রবার কক্সবাজার সৈকতে এসেছিলাম। কিন্তু প্রশাসনের লোকজন আমাদের নামতে দেয়নি। এত কাছে এসেও সাগরের ঢেউটা ছুঁতে পারিনি, এটা খুবই কষ্টের। তারা মাইকিং করে বলছে ১৯ আগস্টের পর আসতে। এত দিন তো আমাদের তর সইছে না।’
সৈকতে কাজ করা সি সেইফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার মোহাম্মদ ওসমান বলেন, অনেকে প্রতিদিন সৈকতে এসে বালিয়াড়িতে নামতে চান। কিন্তু সরকারি নির্দেশনার কারণে অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাদের ফিরিয়ে দিতে হয়। শুক্রবার কয়েক শ ভ্রমণপিপাসুকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে কক্সবাজারে এসেছেন আমিনুল ইসলামসহ চার বন্ধু। তারা বলেন, ‘মনে করেছিলাম সৈকতে নামাও সম্ভব হবে। কিন্তু প্রশাসনের লোকজন কঠোরতায় তা ঠেকিয়ে দিয়েছে। শুধু আমরা নই, আরো অগণিত নারী-পুরুষকেও একইভাবে ফিরিয়ে দিয়েছে।’
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও হোয়াইট অর্কিড হোটেলের জি এম রিয়াদ ইফতেখার বলেন, জেলা প্রশাসন বলে দিয়েছে, শুধু জীবন ও জীবিকার তাগিদে যারা কক্সবাজারে আসবেন, তাদেরই হোটেলে রাখা যাবে। স্থপনা যখন করা আছে, তা তো ফেলে চলে যেতে পারছে না কেউ। তাই পূর্বের মতো পর্যটনসেবা নিশ্চিত করতে হোটেল-রেস্তোরাঁ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা শুরু করেছেন সবাই। খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যটন ব্যবসায়ীরাও।
কক্সবাজার গেস্টহাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেলের অর্ধেক কক্ষ ভাড়া দিতে। যেহেতু মহামারির সময়, তাই সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত জরুরি। কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদ বলেন, সম্ভাবনার পর্যটনশিল্প করোনার কারণে ধুঁকছে। গত বছরের মতো চলতি বছরও বিপুল পরিমাণ লোকসান গুনছেন পর্যটন-সংশ্লিষ্টরা। করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি সব ধরনের ব্যবসা সচল করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেভাবেই পর্যটনও সচল করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/কেকে
পদ্মা সেতুর খুঁটিতে ধাক্কা লাগলেই ‘বরখাস্ত’
ভয়ে ফেরি চালাতে অনীহা চালকদের
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে
---------------------
২৫ দিনের মধ্যে চারবার পদ্মা সেতুর খুঁটিতে (পাইল ক্যাপ) ফেরির ধাক্কা লেগেছে। প্রতিবারই তাৎক্ষণিক ফেরির চালক ও হুইল সুকানিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে চলাচলকারী ফেরির চালকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ভয়। চালকরা বলছেন, নদীর প্রবল স্রোতে ফেরির নিয়ন্ত্রণ রাখা যাচ্ছে না। পুরনো এসব ফেরির কারিগরি সমস্যাও রয়েছে। তবু দুর্ঘটনার পর কেন তাঁদের বরখাস্ত করা হবে।
গত ২০ জুলাই থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চারবার পদ্মা সেতুর খুঁটিতে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৬ ও ১৭ নম্বর খুঁটিতে একবার করে এবং ১০ নম্বর খুঁটিতে দুইবার ধাক্কা লাগে। সর্বশেষ গত শুক্রবার ১০ নম্বর খুঁটিতে ধাক্কা দেওয়া কাকলি ফেরির চালক ছিলেন বাদল হোসেন। ধাক্কার ঘটনার পর তাঁকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তের পর চালক বাদল গণমাধ্যমকে জানান, ফেরিটির যান্ত্রিক জটিলতা ছিল। তিনি এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেই জানিয়েছিলেন। এমনকি তিনি এই ফেরি চালাতে রাজি ছিলেন না। তবু তাঁকে ফেরি চালাতে বলা হয়েছিল। অথচ দুর্ঘটনার পর সবার আগে চালককেই দায়ী করা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে চালকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। চালকরা অনীহা প্রকাশ করছেন ফেরি চালাতে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন চালক বলেন, পদ্মায় বর্তমানে যে গতিতে স্রোত বইছে, তাতে এমনিতেই ফেরিগুলো টেনে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ইঞ্জিনের গতির চেয়ে স্রোতের গতি বেশি হওয়ায় ফেরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। স্রোতের অনুকূলে চলতে গিয়ে সেতুর কাছে পৌঁছলে ফেরির গতি আর ঠিক রাখা যায় না। প্রবল স্রোত ফেরিকে টেনে নিয়ে যায় পিলারের কাছে। এতে পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা লাগছে। আমাদের করার কিছু থাকে না। কিন্তু দোষটা এসে পড়ছে আমাদের ঘাড়ে। সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। কেন বরখাস্ত করা হবে আমাদের?
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিহন সংস্থার (বিআইডাব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান সৈয়দ তাজুল ইসলাম গতকাল শনিবার শিমুলিয়া ঘাটে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘চালক ও স্টাফদের মধ্যে ক্ষোভ থাকাটাই স্বাভাবিক। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে ভারী যানবাহনকে অন্য রুট ব্যবহার করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে স্বাভাবিক সময়ে ১৫টি ফেরি চলাচল করলেও গতকাল তিন-চারটি ফেরি চলাচল করেছে। এর সব কটিই ছিল মাঝারি আকারের। এই পথে ভারী যান নিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ জট সৃষ্টি হয়েছে। চার দিন অপেক্ষা করেও ঘাট পার হতে পারেনি এমন যানের সংখ্যাও কম নয়। তবে যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকে ঘাট পারাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
আবার এই পথে ভারী যান পারাপার বন্ধ থাকায় পণ্যবাহী গাড়ির ব্যাপক চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে। গতকাল সরেজমিনে এলাকা দুটি ঘুরে দেখা গেছে, পণ্যবোঝাই পাঁচ শতাধিক ভারী যান ফেরি পারাপারে অপেক্ষায় আটকে আছে। আটকে পড়া চালকরা বলছেন, তাঁদের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার পথে যাওয়ার কথা ছিল; কিন্তু ওই পথে যেতে না পেরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে এসেছেন। তিন-চার দিন আটকে থেকে খরচের টাকা ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু এখানে অপেক্ষা করা ছাড়া অন্য উপায়ও নেই। তবে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাটে দিনে চালু রাতে বন্ধ ফেরি
দিনের বেলা সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করলেও সন্ধ্যা থেকে বন্ধ রয়েছে ফেরিগুলো। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাটে সেনাবাহিনীর সদস্যদের কড়া নজরদারি করতে দেখা গেছে। তবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ফেরি চলাচল করেছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিসি।
[প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি ও শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি]
বিনোদন পার্ক চলবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে
নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২১, ১৩: ৩৫
---------------------------------------------
করোনা মহামারির কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের পর্যটন ও বিনোদন পার্ক বন্ধ। বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানসহ সরকারি কোষাগারে আয়কর, মূসক ও অন্যান্য কর বাবদ বিপুল রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০২০ সালে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের প্রথম ধাপের কারণে সরকারি সিদ্ধান্তে বিনোদন পার্কগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২১ সালে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাপের কারণে দেশের সব বিনোদন পার্ক সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত এপ্রিল মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে খাতটি পুনরায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ থাকায় রাইডস ও যন্ত্রগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যান্য ব্যবসা খাতের মতো আমাদের বিনোদন পার্কগুলো খুলে না দিলে এ প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দীর্ঘ সময় বিনোদন পার্ক বন্ধ থাকায় কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের অনেক ক্ষেত্রে বেতন–ভাতা পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তাঁরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাই দ্রুত বিনোদন পার্ক খুলে দেওয়া হোক। অন্যান্য খাত যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালিত হয়, সেভাবে করোনালের বিধি মেনে ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ দর্শনার্থী নিয়ে পার্ক পরিচালনা করার অনুমতি প্রদানের জন্য আহ্বান এ খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। পার্কগুলোয় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানা খুবই সহজ।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যামিউজমেন্ট পার্কস অ্যান্ড অ্যাট্রাকশনসের (বাপা) সভাপতি শাহরিয়ার কামাল সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করেন যেন বিনোদন পার্কগুলো দ্রুত খুলে দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
371, 4th Floor, 5 Mirpur Road, Boishakhi Super Market, Mirpur 1
Dhaka
1216