boikini.com
Official page of www.boikini.com All Kinds of Books & Magazine are available here with E-books.
14/04/2026
নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন,
নতুন করেই হোক শুরু তবে
নব উদ্যোমে আর নব চেতনার সাথে
এগিয়ে যাই সবে...
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩
ফেসবুক এ সকল লেখক-পাঠক, প্রকাশক ও সকল শুভানুধ্যায়ী,
আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের প্রতি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা.........
নতুন বছর ভরে উঠুক হাসি, গান আর আনন্দে.....মুছে যাক সকল বিষাদ আর যন্ত্রনা......
নতুন বছর শুভ হোক।
10/05/2025
প্লেনে উঠেছি, দিল্লি যাচ্ছি, প্রায় ছ’ঘন্টার রাস্তা। ভেবেছিলাম—চুপচাপ বসে বই পড়ব একটু, আর মাঝপথে একটুখানি চোখও বুজব।
ঠিক টেকঅফের আগে দেখি প্লেনের দরজা খোলান হল আর একদল ভারতীয় জওয়ান উঠে এল—দশজন মতো। আমার চারপাশের সিটগুলোয় বসে পড়ল একে একে। মুখগুলো কেমন শান্ত, গম্ভীর।
পাশে বসা এক জওয়ানকে জিগ্যেস করলাম, “কোথায় যাচ্ছেন আপনারা...!”
সে বলল, “আগ্রা। দু’সপ্তাহ ট্রেনিং আছে, তারপর অপারেশন।”
এইটুকু বলেই চুপ। কী অপারেশন, কোথায়, কিছুই বলল না। বুঝলাম, বলার পারমিশন নেই..!
প্রায় এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে, অ্যানাউন্সমেন্ট করলেন এয়ারহোস্টেস.... আপনাদের লাঞ্চ সার্ভ করা হবে, যারা চাইবেন, পয়সা দিয়ে লাঞ্চ কিনে নিতে পারেন।
মানিব্যাগে বের করছি, এমন সময় শুনি ওই জওয়ানদের নিজেদের মধ্যে কথা—
“খাবি?”
“ধুর, এখানে দাম বেশি। নিচে নেমে হোটেলে খাব।”
কী যেন হয়ে গেল ভেতরে। চুপচাপ উঠে গিয়ে এয়ারহোস্টেসকে বললাম, “ওদের সবার খাবার আমিই নিচ্ছি। প্লিজ দিয়ে দিন।”
মেয়েটার চোখে জল চলে এল। ফিসফিস করে বলল, “স্যার, আমার ভাই কার্গিলে। মনে হচ্ছে আপনি ভাইকেই খাওয়াচ্ছেন...!”
মনটা কেমন যেন হয়ে গেল। সিটে ফিরে এলাম, আধ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ওদের সবার হাতে খাবার পৌঁছে গেল।কিছুটা অবাক হলেন ওনারা... কি ভাবলেন জানিনা... খাবার বাক্স খুলে খেত শুরু করলেন। দেখে বোঝা যাচ্ছিল ক্ষুধার্ত..!
আমি নিজের লাঞ্চ শেষ করে টয়লেটের দিকে যাচ্ছি, হঠাৎ এক বৃদ্ধ এগিয়ে এলেন।
বললেন, “সব দেখেছি। আপনি সত্যি ভালমানুষ, স্যার।”
তারপর হাতে এক ৫০০ টাকার নোট গুঁজে দিয়ে বললেন, “এই ভালো কাজের একটা অংশ আমিও হতে চাই...!" আমি কিছু বলতে পারার আগেই নিজের সীটে ফিরে গেলেন ভদ্রলোক!
ফিরে এসে ভাবছি এসব কী হচ্ছে.... দেখি—পাইলট নিজে সিটে চলে এলেন! সীটবেল্ট খুলে উঠে দাঁড়ালাম। হেসে বললেন, “আপনার সঙ্গে হাত মেলাতে চাই।”
আমি অবাক। বললাম, “কেন স্যার?”
তিনি বললেন, “আমি নিজে একদিন ফাইটার পাইলট ছিলাম। সেদিন এক অচেনা মানুষ আমার জন্য খাবার কিনে দিয়েছিলেন। আজ আপনি সেই মুহূর্তটা ফিরিয়ে দিলেন.... আমি শুনেছি কেবিন ক্রুর কাছ থেকে..!"
হঠাৎ করে চারপাশে হাততালি পড়ে গেল। আমি একটু লজ্জা পেলাম। কারণ, আদতে কিছুই করিনি। মন চেয়েছিল, তাই করেছিলাম.... হাততালির জন্যে তো করিনি কিছুই...!
কিছুক্ষণ পর, এক আঠারো বছরের মতো ছেলে হেসে এগিয়ে এল। হাত মেলাল, তারপর একটুকরো কাগজ গুঁজে দিল হাতে। কেমন একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম..!
বিমান নামল।
মাল নামাচ্ছি, এমন সময় এক ভদ্রলোক চুপচাপ আমার পকেটে কিছু একটা ঢুকিয়ে দিয়ে হন্তদন্ত হয়ে চলে গেলেন। আরও একটা নোট।
লাগেজ বেল্টের কাছে দেখলাম ঐ দশজন সৈনিক দাঁড়িয়ে আছে, লাগেজের অপেক্ষায়। দৌড়ে গেলাম ওদের কাছে... বললাম, “এই টাকাগুলো রাখুন। এগুলো কিছু দেশবাসীর ভালবাসা.... ট্রেনিংয়ে যাওয়ার আগে কিছু দরকার হলে খরচ করুন।
আপনারা আমাদের জন্য যা করেন, এই সামান্য টাকা দিয়ে তার দাম চোকানো যায় না। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছি শুধু।”
ওরা চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিল। কারও চোখে জল, কেউ হাসছিল। এক ফ্লাইট দেশবাসীর ভালবাসা নিয়ে ওরা এবার এগিয়ে যাবে...!!
গাড়িতে উঠলাম।
চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করলাম.... “ভগবান, এদের যেন ভালো রেখো....এরা তো প্রাণ হাতে করে মৃত্যুর দিকে হেঁটে যায় দেশের জন্য।”
একজন জওয়ান মানে, যেন দেশের নামে লিখে দেওয়া এক খালি চেক..... যখন চাইবে তাই দিয়ে দেশের নামে জীবন অবধি তুলে নিতে পারবে দেশবাসী....
যেটা ওরা জীবন দিয়েও পূরণ করতে রাজি।
আর আমাদের অনেকেই সেটা বুঝতেই চায় না।
-- সংগৃহীত
এই গল্পটা শেয়ার করবেন কি না সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু আমি জানি, যতবার পড়বেন—চোখটা ভিজে যাবে।
#উত্তমকুমার #স্মিতা_পাতিল
#বাংলা_ছবি
#কলকাতা #কলকাতারডায়েরি
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!
03/03/2025
ট্রেনের একটা কামরায় কয়েকজন ইংরেজের সাথে এক ভারতীয়ও বসেছিলেন। কামরাটা পুরো ইংরেজদের দখলে। তারা সবাই মিলে ভারতীয় লোকটাকে নিয়ে খুব ঠাট্টা-তামাশা করছিল। কেউ বলছিল, "দেখো তো, কেমন লোক ট্রেনে উঠেছে," আবার কেউ তার পোশাক দেখে হাসাহাসি করছিল, বলছিল, "গ্রাম্য ভূত!" কেউ কেউ এতটাই রেগে গিয়েছিল যে, ট্রেনটাকে অভিশাপ দিচ্ছিল আর চিৎকার করছিল, "কেন ওরা একটা ভারতীয়কে ট্রেনে উঠতে দিল? ওকে কামরা থেকে বের করে দাও!"
কিন্তু ধুতি-পাঞ্জাবি, কালো কোট আর মাথায় পাগড়ি পরা লোকটার ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ছিল না। তিনি শান্ত আর গম্ভীর মুখে বসেছিলেন, যেন গভীর কিছু ভাবছেন।
ট্রেনটা দ্রুত গতিতে ছুটছিল, আর ইংরেজরাও সমান তালে লোকটাকে উপহাস আর অপমান করছিল। হঠাৎ সেই লোকটি নিজের আসন থেকে উঠে জোরে চিৎকার করে বললেন, "ট্রেন থামান!" কেউ কিছু বোঝার আগেই তিনি চেন টেনে দিলেন। ট্রেন থেমে গেল।
এবার মনে হলো, ইংরেজরা যেন রাগে ফেটে পড়ছে। সবাই তাকে গালিগালাজ করতে শুরু করল। অভিধানে যত খারাপ শব্দ ছিল, সবই যেন তারা ব্যবহার করছিল, "অশিক্ষিত, অজ্ঞ" ইত্যাদি। কিন্তু সেই লোকটি চুপ করে গম্ভীর ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যেন কারো কথায় তার কিছু যায় আসে না। তার নীরবতা ইংরেজদের রাগ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল।
ট্রেনের গার্ড ছুটে এসে কর্কশ স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, "কে ট্রেন থামিয়েছে?"
কোনো ইংরেজ কিছু বলার আগেই লোকটি বললেন, "আমি থামিয়েছি, স্যার।"
"তুমি কি পাগল? তুমি কি প্রথমবার ট্রেনে উঠছ? জানো, কোনো কারণ ছাড়া ট্রেন থামানো অপরাধ?" গার্ড রাগের সাথে বললেন।
"হ্যাঁ, স্যার! আমি জানি, কিন্তু আমি যদি ট্রেনটা না থামাতাম, তাহলে শত শত লোকের প্রাণ যেত।"
লোকটির কথা শুনে সবাই জোরে হাসতে শুরু করল। কিন্তু তিনি অবিচলিত থেকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বললেন, "এখান থেকে প্রায় এক ফার্লং দূরে রেললাইন ভাঙা। আপনারা চাইলে গিয়ে দেখতে পারেন।"
সেই লোকটি আর কয়েকজন ইংরেজ যাত্রী গার্ডের সাথে গেলেন। পুরো পথটা ইংরেজরা তাকে নানা রকম কটু কথা বলে যাচ্ছিল।
কিন্তু যখন তারা দেখল যে, লোকটি যে দূরত্ব বলেছিলেন, ঠিক সেখানেই রেললাইন ভাঙা, নাট-বল্টু খোলা, তখন সবার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল। যে মুখগুলো ভারতীয় লোকটাকে অশিক্ষিত, অজ্ঞ আর পাগল বলছিল, তারা সবাই কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকাতে লাগল, যেন জানতে চাইছে, এত দূর থেকে তিনি এটা কীভাবে বুঝলেন?
গার্ড জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কীভাবে জানলেন যে, রেললাইন ভাঙা?"
তিনি বললেন, "স্যার, ট্রেনে সবাই নিজেদের কাজে ব্যস্ত ছিল। সেই সময় আমার মনোযোগ ছিল ট্রেনের গতির দিকে। ট্রেনটা স্বাভাবিক গতিতে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ আমি রেললাইনের কম্পনের কারণে গতির পরিবর্তন অনুভব করি। এটা তখনই হয়, যখন কিছু দূরে রেললাইন ভাঙা থাকে। তাই এক মুহূর্তও দেরি না করে আমি চেন টেনে ট্রেন থামিয়ে দিই।"
গার্ড আর সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা ইংরেজরা হতবাক হয়ে গেলেন। গার্ড জিজ্ঞেস করলেন, "এত বিশদ কারিগরি জ্ঞান! আপনাকে তো সাধারণ মানুষ মনে হচ্ছে না। নিজের পরিচয় দিন।"
লোকটি খুব বিনীতভাবে উত্তর দিলেন, "স্যার, আমি ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার মোক্ষগুণ্ডম বিশ্বেশ্বরাইয়া..."
হ্যাঁ! সেই অসাধারণ মানুষটি আর কেউ নন, "ডঃ বিশ্বেশ্বরাইয়া"।
© NIOS NEWS
26/02/2025
‘আনন্দের সাথে শিখি’ স্লোগান ধারণ করে আমাদের যাত্রা শুরু। শিশুর কোমল মন বিনোদনের সাথে শিখতে আগ্রহী। ‘মাই ফাস্টর্ আর্লি—রাইটিং’ সিরিজের এই হ্যান্ডরাইটিং বা লিখতে শিখি বইগুলোতে আমরা শিশুদেরকে সহজভাবে অক্ষর লিখতে শেখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। নির্দেশিত প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করে তারা সহজেই অক্ষর লেখা আয়ত্ব করতে পারবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
18/1 Naya Paltan, 6th Floor, Masjid Lane
Dhaka
1000
18/03/2025