Religion Humanity Science
Religion is exclusive. It flies with two wings. One wing is common, i.e. humanity and the other wing is individualistic i.e. rituals. Both are important.
25,000 for Farmers’ Card
Allah likes to be praised or wants us together
২০০০ সালের আগে অনেক নারীর অবস্থা ছিল কঠিন।
সমাজ ছিল আরও কঠোর।
নারীর স্বাধীনতা কম ছিল।
১. স্বামীর ঘরকে অনেক নারী “কারাগার” মনে করত।
কারণ তাদের নিজের সিদ্ধান্ত ছিল না।
সব কিছু মানতে হতো।
স্বামী, শ্বশুরবাড়ি—সবার কথা শুনে চলতে হতো।
অনেক নারী চাইলেও বের হতে পারত না।
২. আবার অনেক নারী মায়ের বাড়িকে “দোজখ” মনে করত।
কারণ মায়ের বাড়িতে গেলে সমাজ খারাপ কথা বলত।
মানুষ বলত—স্ত্রী নাকি “দোষী” তাই ফিরে এসেছে।
পরিবারও চাপ দিত স্বামীর ঘরে ফিরে যেতে।
৩. তাই দুই জায়গাই নারীর জন্য ছিল কষ্টের।
একদিকে স্বাধীনতা নেই।
অন্যদিকে সমাজের দোষারোপ।
দুই দিকেই নারীর মানসিক যন্ত্রণা ছিল।
৪. ফলে অধিকাংশ নারী স্বামীর ঘরেই থেকে যেত।
কারণ তারা ভাবত—
“কারাগার ভালো, সমাজের দোজখের থেকে।”
এটাই ছিল তাদের বাধ্যতামূলক বেছে নেওয়া।..
স্বামীর ঘর নামের “কারাগার”,
নাকি মায়ের বাড়ি নামের “দোযখ”?**
২০০০ সালের আগের সময় ছিল খুবই ভিন্ন।
সমাজ ছিল অনেক কঠোর।
নারীর স্বাধীনতা ছিল খুব কম।
তার নিজের ইচ্ছা, নিজের কথা—সবই চাপা পড়ে যেত সমাজের নিয়মে।
১. স্বামীর ঘর—অনেক নারীর কাছে ছিল “কারাগার”
বিয়ের পর নারীকে স্বামীর ঘরেই থাকতে হতো।
তার নিজের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ছিল খুব কম।
শ্বশুরবাড়ির নিয়ম মানতে হতো।
কাজ করতে হতো সারাদিন।
অনেক ক্ষেত্রে মানসিক এবং শারীরিক কষ্ট ছিল।
বাইরে বের হওয়া, নিজের পছন্দে কিছু করা—এগুলো ছিল প্রায় অসম্ভব।
এ কারণে অনেক নারী মনে করত—
স্বামীর ঘর মানে কারাগার।
কারণ সেখানে স্বাধীনতা ছিল না, ছিল শুধু দায়িত্ব আর চাপ।
২. মায়ের বাড়ি—অনেক নারীর কাছে ছিল “দোযখ”
নারী যদি কোনো কষ্টে মায়ের বাড়ি ফিরে আসত, তখন সমাজ বলত—
“স্ত্রীর দোষ আছে বলেই ফিরে এসেছে।”
“বউ ঘর ভাঙে কেন?”
“মেয়ে মানুষ বাড়িতে থাকলে সম্মান নষ্ট হয়।”
মায়ের পরিবারও ভয় পেত সমাজের কথা।
তাই তারা বলত—
“ফিরে যা স্বামীর ঘরে, মেয়ে হয়ে বেশি দিন থাকতে মানায় না।”
এভাবে নারী মায়ের বাড়িতে থেকেও শান্তি পেত না।
মন কাঁদত।
সমাজ কাঁটায় কাঁটায় দংশন করত।
তাই অনেকে ভাবত—
মায়ের বাড়িও এক ধরনের দোযখ।
৩. দুই দিকই ছিল কষ্টে ভরা
স্বামীর ঘরে স্বাধীনতা নেই।
মায়ের বাড়িতে সমাজের দোষারোপ।
নারী নিজের সুখ ভুলে শুধু “সমাজ” বাঁচানোর যুদ্ধ করত।
সে হাসত বাইরে, কিন্তু ভেতরে কাঁদত।
৪. তাই অধিকাংশ নারী স্বামীর ঘরই বেছে নিত
১৯৮০, ১৯৯০ বা তারও আগে—
লাখ লাখ নারী এমন বাস্তবতার মুখোমুখি হতো।
তারা ভাবত—
“কারাগারে থাকি,
কিন্তু সমাজের দোযখে পরতে চাই না।”
তাদের কাছে স্বামীর ঘরে থাকা ছিল বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত,
কিন্তু মায়ের বাড়িতে থাকা ছিল অসম্মানের ভয়।
সারকথা
২০০০ সালের আগে নারী সত্যিই দুটি আগুনের মধ্যে পুড়ত—
একদিকে কারাগার,
অন্যদিকে দোযখ।
দুটোই কষ্টের।
তাই তারা চুপচাপ থেকে যেত স্বামীর ঘরে।
কারণ সমাজ তাদের অন্য কোনো পথ দেখাত না।
👉 অসম্ভব বলেও যা মনে হয়, তা আসলে সম্ভব হতে পারে যদি ইচ্ছাশক্তি, ধৈর্য আর কৌশল থাকে।
রূপক ব্যাখ্যা:
“হাতি” এখানে বোঝায় বিশাল, ভারী, বা অসম্ভব কোনো কাজ।
“সূঁইয়ের গোঁড়া” মানে খুব ছোট বা অতি কঠিন পথ বা সুযোগ।
তাই, যখন বলা হয় “হাতিও সূঁইয়ের গোঁড়া দিয়ে পার হতে পারে”, তখন তা বোঝায়—
অদম্য ইচ্ছা, মেধা ও কৌশলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।
উদাহরণস্বরূপ:
যে ছাত্রকে সবাই বলে ফেল করবে, সে যদি মনোযোগ দিয়ে পড়ে—তবে সেও সেরা ফলাফল করতে পারে।
অর্থাৎ “হাতিও সূঁইয়ের গোঁড়া দিয়ে পার হতে পারে।”
জীবনে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়—এই বিশ্বাস থেকেই জন্ম নেয় অসাধারণ সফলতা।
এই গল্পে দেখা যাবে, কীভাবে এক সাধারণ মানুষ নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর ধৈর্যে এমন কিছু করে দেখায়, যা সবাই অসম্ভব বলে ভেবেছিল।
“হাতিও সূঁইয়ের গোঁড়া দিয়ে পার হতে পারে”—এই প্রবাদ আজ আমাদের শেখায়, বড় কাজ ছোট পথে, কঠিন সময়েও সম্ভব, যদি হৃদয়ে থাকে চেষ্টা আর বিশ্বাস।
✨ গল্প:
একবার এক ছোট গ্রামে বাস করতো মোমিন নামে এক তরুণ।
সবার মুখে একটাই কথা—
“এই ছেলেটা কিছুই করতে পারবে না।”
কারণ, তার ছিল না টাকা, না পড়ার সুযোগ, না কারও সাহায্য।
তবু একদিন সে বলল,
“আমি করব, কারণ হাতিও সূঁইয়ের গোঁড়া দিয়ে পার হতে পারে।”
প্রতিদিন ভোরে উঠত সে, নদীর ধারে গিয়ে বই পড়ত।
জ্বালানি কাঠ বিক্রি করে বই কিনত।
বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম আর ধৈর্যের পর সে হলো গ্রামের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়-গামী ছাত্র।
যারা হাসত, তারা অবাক হয়ে দেখল—
অসম্ভবটাই সম্ভব হয়ে গেছে।
আজ তার জীবনের গল্পই প্রমাণ করে—
যদি মন থেকে চাও, তবে সূঁইয়ের ছিদ্রও একদিন হাতির পথ হয়ে যায়।
2 die after being trampled during Miladunnabi procession
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the place of worship
Website
Address
Mirpur Road
Dhaka
1207