Kazi Engineering Knowledge.

Kazi Engineering Knowledge.

Share

পরিশ্রম করে যাওয়ার অভ্যাসই একজন মানুষকে শত ব্যর্থতার পরও সফলতা এনে দেয়।

11/02/2025

ইঞ্চিকে ফুট, মিলিমিটার, সেন্টিমিটার ও মিটারে কনভার্ট করার চার্ট
ইঞ্চি --ফুট --মিলিমিটার--সেন্টিমিটার--মিটার
1 --- 0.08 --- 25.4 --- 2.54 --- 0.0254
2 --- 0.17 --- 50.8 --- 5.08 --- 0.508
3 --- 0.25 --- 76.2 --- 7.62 --- 0.0762
4 --- 0.33 --- 101.6 --- 10.16 --- 0.1016
5 --- 0.42 --- 127 --- 12.70 --- 0.1270
6 --- 0.50 --- 152.4 --- 15.24 --- 0.1524
7 --- 0.58 --- 177.8 --- 7.78 --- 0.1778
8 --- 0.67 --- 203.2 --- 20.32 --- 0.2032
9 --- 0.75 --- 228.6 --- 22.86 --- 0.2286
10 --- 0.83 --- 254 --- 25.4 --- 0.2540
11 --- 0.92 --- 279.4 --- 27.94 --- 0.02794
12 --- 1 --- 304.8 --- 30.48 --- 0.3048
Thanks,

Photos from Kazi Engineering Knowledge.'s post 31/01/2025

#সেফটি টাংকি

#সেপটিক ট্যাংক কেমন হওয়া প্রয়োজন আসুন এ সম্পর্কে জানি।

সেপটিক ট্যাংক ডিজাইনঃ

-সেপটিক ট্যাংকের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২ থেকে ৮
গুণ ধরতে হবে ।
-.ভিত্তিতে ১:৩:৬ অথবা ১:২:৪ অনুপাতে সিসি ঢালাই
করতে হবে ।
-.সিমেন্ট মসলা দ্বারা ইটের গাঁথুনী করে সেপটিক
ট্যাংক নির্মাণ করতে হবে ।
-.ভিতরের দেওয়ালে ১:৩ অনুপাতে ১২ মিমি
পুরুত্বে প্লাস্টার করতে হবে ।
-.সেপটিক ট্যাংকের নূন্যতম প্রস্থ ৬০ সেমি এবং
তরলের গভীরতা ১ মিটার ধরতে হবে ।
-সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে নামার আগে
অবশ্যই বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা
উচিত। এ বিষয়গুলোয় একটু নজর দিলেই দুর্ঘটনা
অনেকাংশে কমে আসবে।

#আসুন সেপটিক ট্যাংকের আয়তন নির্ণয় করতে
শিখি :

ধরি,
আমরা ১০০ জন ব্যবহারকারী জন্য সেফটিক ট্যাংক
তৈরী করবো.
আমাদের দেশে সিউয়েজের সর্বোচ্চ হার
গড়ে দৈনিক প্রতিজনের জন্য ৯০ লিটার থেকে
১২০ লিটার পর্যন্ত ধরা হয়।
সুতরাং আমরা ধরি,
জনপ্রতি দৈনিক সর্বোচ্চ সিউয়েজ প্রবাহের হার =
১১০ লিটার।
সুতরাং দৈনিক মোট সিউয়েজের পরিমাণ = (১০০×১১০)
= ১১০০০ লিটার।
= ৩৮৮.৪৬ ঘনফুট।
অবরোধকাল ধরলাম = ১ দিন।
সুতরাং কক্ষের তরল ধারণ ক্ষমতা = (৩৮৮.৪৬×১)
=৩৮৮.৪৬ ঘনফুট।
মনেকরি, কক্ষে তরলের গভীরতা = ৪ ফুট।
কক্ষের তলের ক্ষেত্রফল =(৩৮৮.৪৬÷৪)=
৯৭.১১ বর্গফুট।
মনেকরি, ট্যাংকের প্রস্থ = B
এবং দৈর্ঘ্য = L =৩B
সুতরাং তলের ক্ষেত্রফল = B×৩B =৩B²
সুতরাং ৩B²= ৯৭.১১
বা, B² =(৯৭.১১÷৩) =৩২.৩৭
বা, B = √৩২.৩৭
সুতরাং B = ৫.৬৮ ফুট
সুতরাং L= ৩B =৩×৫.৬৮ =১৭.০৪ ফুট
মুক্ত এলাকার গভীরতা ২.৫০ ফুট ধরা হলে, মোট
গভীরতা হবে = (৪+২.৫০)= ৬.৫০ ফুট।
সুতরাং সেপটিক ট্যাংকের আয়তন = দৈর্ঘ্য ×প্রস্থ
×গভীরতা
=(১৭.০৪×৫.৬৮×৬.৫০) ফুট।
সুতরাং ১০০ জন ব্যবহারকারীর জন্য সেফটিক
ট্যাংকের আয়তন হবে = (১৭.০৪×৫.৬৮×৬.৫০) ঘনফুট

Photos from Kazi Engineering Knowledge.'s post 30/01/2025

স্টিরাপের বিস্তারিত আলোচনাঃ
===================
স্টিরাপঃ কলাম বা বীমের প্রধান রড গুলোকে খাচাঁর মধ্যে আটকে রাখার জন্য প্রধান রডের ডায়ার চেয়ে কম ডায়ার রড দিয়ে নির্মিত বিভিন্ন আকৃতির বন্ধনিকে প্রকৌশলীক ভাষায় স্ট্রীরাপ,টাই,শেয়ার রিইনফোর্সমেন্ট,ওয়েব রিইনফোর্সমেন্ট, আর প্রচলিত ভাষায় চুড়ি,রিং ইত্যাদি বলে থাকে।

দেয়ার কারনঃ উল্লম্ব বিভক্তি প্রতিরোধ করার জন্য এবং অনুদৈর্ঘ্য স্টিল বারকে স্থিতিশীল রাখতে স্টিরাপ সরবরাহ করা হয়। স্টিরাপ বক্রীয় বিভক্তি ও তির্যক প্রসারণ ফাটল ধরতে প্রতিরোধ করে।

স্ট্রীরাপ এর পরিমাপঃ সহজে বোঝার জন্য একটা রেক্টেংগুলার বীমের স্ট্রীরাপ ধরে হিসেব করি।আমরা বই পুস্তকে স্ট্রীরাপের দৈর্ঘ্য বের করা শিখেছি ২(গভীরতা+প্রস্থ) + ৩০ সেঃমিঃ তাই না?? বাস্তবে এই পরিমাপে রড কর্তন করলে তা কখনোই মিলবে না

★স্ট্রীরাপ রডের কাটিং দৈর্ঘ্যে বাস্তব ভিত্তিক হবে সুত্র = ২(বীমের গভীরতা +বীমের প্রস্খ্য) +(২* হুক) - হুকের বেন্ড রিডাকশন।
বীমের প্রকৃত গভীরতা = বীমের গভীরতা -(২*ক্লীয়ার কভার)-(২* ব্যবহৃত রডের ডায়ার অর্ধেক)
তদ্রুপ প্রস্থটাও একি রকম হবে।

★বেন্ডের জন্য বিয়োগঃ স্ট্রীরাপ তৈরীর সময় হুক সহ ৫ টি " কোন" তৈরী হয় এই কোন করার সময় রড বেন্ড বরাবর বৃদ্ধি পেয়ে বেড়ে যায় একে রডের এলোংগেশন বলে।

★গুরুত্বপূর্ন তথ্যঃ স্ট্রীরাপ তৈরীর সময় হুক বা ডেভেলপমেন্ট লেন্থ এর পরিমাপ সুত্র ১০ ডি তবে বীম বা স্টেইট রডের ক্ষেত্রে ১২ ডি যেখানে ডি মানে ব্যবহৃত রডের ডায়া সে হিসেবে ডায়ার ১০ বা ১২ গুন কিন্তু কোড অনুসারে এটা ৭৫ মিমি নির্ধারিত এটা ব্যপার নয় একটা ধরলেই হবে।
বেন্ড বা হুকের জন্য রড এর প্রসারন ধরা হয়
৪৫ ডিগ্রির জন্য ১ ডি [ ডি = রডের ডায়া]
৯০ ডিগ্রির জন্য ২ ডি
১৩৫ ডিগ্রির জন্য ৩ ডি
১৮০ এর জন্য ১ ডি।
এই তথ্য মনে রাখতে হবে যেখানেই রড বেন্ড হবে সেখানেই এই হারে রিডাকশন।

★উদাহরনঃ ধরি একটি বীমের গভীরতা ৪৫০ মিমি, প্রস্খ্য ৩০০ মিমি,ক্লিয়ার কভার ২৫ মিমি এবং স্ট্রীরাপ রডের ডায়া ৮ মিমি তাহলে একটি স্ট্রীরাপ রডের দৈর্ঘ্য বের করুন।

★সলিউশনঃ স্ট্রীরাপ রডের কাটিং দৈর্ঘ্য হবে = ২(বীমের গভীরতা + বীমের প্রস্খ্য) +(২* হুক) - হুকের বেন্ড রিডাকশন।.........(১) নং সুত্র

★তার পুর্বে বের করতে হবে
বীমের প্রকৃত গভীরতা b = বীমের গভীরতা -(২*ক্লীয়ার কভার)-(২* ব্যবহৃত রডের ডায়ার অর্ধেক) [মান বসিয়ে]
=৪৫০ মিমি - (২*২৫মিমি)-(২*৮মিমি/২)
= ৩৯২ মিমি
অনুরুপ
বীমের প্রকৃত প্রস্থঃ a = ৩০০ -(২*২৫)-(২*৮/২)
= ২৪২ মিমি
হুক এর দৈর্ঘ্য ১০ ডি মানে ১০ * ব্যবহৃত রডের ডায়া = (১০*৮) মিমি বা ৮০ মিমি

★ বেন্ড এর জন্য রড বৃদ্ধি
এই স্ট্রীরাপে চিত্র মত ৯০ ডিগ্রি বেন্ড ৩ টি এবং ১৩৫ ডিগ্রি বেন্ড ২ টি আমরা সুত্রে শিখেছি ৯০ এর জন্য ২ ডি আর ১৩৫ এর জন্য ৩ ডি তাহলে
৯০ এর জন্য ৩টি বেন্ড *২*৮মিমি = ৪৮ মিমি
১৩৫ এর জন্য ২টি বেন্ড *৩*৮মিমি= ৪৮মিমি
এবার সব মান পেয়ে গেলাম সেই মোতাবেক
স্ট্রীরাপ রডের কাটিং দৈর্ঘ্য হবে = ২(বীমের গভীরতা + বীমের প্রস্খ্য) +(২* হুক) - হুকের বেন্ড রিডাকশন।[ মানগুলো বসিয়ে পাই]
=২(৩৯২+২৪২)+(২*১০*৮)-(৪৮+৪৮)
= ১৩৩২ মিমি অর্থাৎ প্রতিটি স্ট্রীরাপ রডের দৈর্ঘ্য হবে ১৩৩২ মিমি।

16/01/2025

নির্মাণ কাজে বালি সম্পর্কিত বিস্তারিতঃ
=========================
নির্মাণ কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বালি, নির্মাণ কাজের জন্যে বলতে গেলে বালি ছাড়া কোন কাজ করাই সম্ভব নয়। ঢালাই, ইটের গাঁথুনি, প্লাস্টার ইত্যাদি কাজে বহুলভাবে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি মূলত সিলিকা থেকে পাওয়া যায়। সাধারণত সমুদ্র বা নদীর উপকূলে, সমুদ্রের তলায়, নদীয় তলায় বালি পাওয়া যায়।

এই বালিকে আমরা তিনভাগে ভাগ করতে পারি। এগুলো হচ্ছে: পিট বালি, নদীর বালি, সমুদ্রের বালি। পিট বালি সাধারণত ভরাট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। সমুদ্রের বালিতে ক্ষতিকর লবণ থাকায় ব্যবহারের অযোগ্য। তাই নির্মাণকাজে মূলত নদীর বালি ব্যবহার করা উচিৎ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই বালির মাঠ পরীক্ষা করতে হবে।

১। নির্মাণ কাজে বালি ব্যবহার করার আগে কোন প্রকার ময়লা, কাদামাটি যেন না থাকে তা বালির মাঠ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। নির্মাণ কাজের পূর্বে বালি ভালভাবে ধুয়ে নিতে হবে যেন বালির সাথে সংযুক্ত কাদা, ময়লা, আগাছা, ডালপালা, নুড়ি বের হয়ে যায়।

২। খুব সহজে কিছু ক্ষেত্রে পরীক্ষা দ্বারা গুণাগুণ চিহ্নিত করা যেতে পারে। যেমন:

ক) এক হাতের তালুতে বালি নিয়ে অন্য হাত দিয়ে ঘষলে যদি হাতের তালুতে ময়লা লেগে যায়, তবে বুঝতে হবে বালি ভালো নয়।

খ) সামান্য বালি মুখে নিয়ে লবণাক্ততা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

৩। একটি কাচের গ্লাসে ১/৪ ভাগ বালি দ্বারা এবং ৩/৪ ভাগ পানি দ্বারা পূর্ণ করে ঝাঁকানোর পর স্থির করলে যদি বালির স্তর একেবারে নিচে থাকে, তবে বুঝতে হবে বালি ভালো। রঙহীন হলেও ভালো বালি বলে চিহ্নিত হবে।

৪। ৩% কস্টিক সোডা সল্যুশনের সাথে অল্প কিছু বালি যোগ করে একটি বোতলে কিছুক্ষণ ঝাঁকিয়ে ২৪ ঘন্টা ঐ অবস্থায় রেখে দিতে হবে। যদি বোতলে রক্ষিত দ্রব্যের রং পরিবর্তন হয়ে বাদামী হয়, তবে বুঝতে হবে বালিতে রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান।

৫। আমরা সাইটে বালি ট্রাকে করে নিয়ে আসি। অনেক সময় অল্প শিক্ষিত মানুষ এই বালি গ্রহণ করে থাকে। সেই ব্যক্তিকে বোঝাতে হবে যে এক ট্রাক শুকনো বালির চেয়ে এক ট্রাক ভেজা বালির ওজন অনেক বেশি। তাই রাতের বেলা বালি সাইটে আসলে অবশ্যই তা শুকনো/ভেজা তা দেখে নিতে হবে। কারণ সম্পূর্ণ শুকনো বালিতে পানি মেশালে বালির আয়তন বৃদ্ধি পায়। এই বৃদ্ধির ফলে আমরা পরিমাণে কম বালি পাব।

প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন।

16/01/2025

🟩 সাটারিং এর হিসাবঃ

সাটারিং তৈরীতে কি পরিমাণ কি কি লাগবে তা কিভাবে হিসাব করবো তা অনেকে জানেন না। এই হিসাব টা জানা থাকলে সঠিক কাজের সাথে সাথে আপনার খরচ ও অনেক অংশে কমে যেতে পারে।

🔹হিসাবঃ
ছাদের দৈর্ঘ্য=৫০ ফিট, প্রস্থ = ৩০ ফিট

▪️ছাদের সাটারিং এর কাঠ (প্লাই উড) প্রয়োজন (৫০*৩০)= ১৫০০ এসএফটি
▪️প্লাই উড ৮’X১২’ এবং থিকনেস হবে ১২ মিমি.

▪️এবং কাঠ লাগবে = এরিয় X ০.০২ ( থাম্ব নেল রুলস অনুযায়ী)
= ১৫০০ X ০.০২
= ৩০ টি

▪️বীমের নিচের কাঠের জন্য (থিকনেস থাকে ১.৫”)
= এরিয়া X ০.২৪ (থাম্ব নেল রুলস)
= ১৫০০ X ০.২৪
= ৩৬০ আর এফ টি

▪️মাঝে বসাতে কাঠ লাগবে (৩” X ৩” লম্বা কাঠ)
= এরিয়া X ০.০৪ (থাম্ব নেল রুলস)
= ১৫০০ X ০.০৪
= ৬০০ আর এফ টি

▪️পেরেক (নেইল ) = ১৫০০ X ০.০২ = ৩০ কেজি

▪️বীমের নিচের জন্য বাঁশ লাগবে = ৩৬০ X ০.৫
= ১৮০ টি

▪️স্ল্যাবের নিচের জন্য বাঁশ লাগবে = ১৫০০ X ০.১৬ (রুলস)
= ২৪০ টি

▪️কাঠ বাঁশকে আটকাতে ক্ল্যাম্প লাগবে = ১৫০০ X ০.০৮
= ১২০ টি

▪️সাটারিং এর তেল লাগবে = ১৫০০ X ০.০০৬ = ৯ লিটার।

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka