TTS Collection

TTS Collection

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from TTS Collection, Media/News Company, Dhaka.

23/05/2026

হাসব্যান্ড এর মন রাখার জন্য নিজের পায়ুপথ ফুলায় লাল করে ফেলা,কলা গাছের ফার্নিচার মার্কা মেয়ে মানুষের কথা নিশ্চয়ই আমার মুখে শুনছেন অনেকবার।

এতদিনে আপনাদেরকে দেখানোর জন্য,সেটার পারফেক্ট এক্সাম্পল খুঁজে পেলাম।

আমাদের দেশের ছেলেদের পছন্দের তালিকায় প্রথম হলো, কম বুঝা, অল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত গায়ে সুন্দর খালাতো বইন টাইপের মেয়ে মানুষ।

আমাদের দেশের বেশিরভাগ ছেলেরা শিক্ষিত,বুঝদার, ম্যাচুরড মেয়েদের উপর stand করতে পারে না।

কারণ দেখায়, বেশি শিক্ষিত মেয়েরা সংসারে মনোযোগী হয় না, বাচ্চাদের খেয়াল রাখে না বা বেশি বয়সে বাচ্চা হয় না।

আসল কারণ হলো, শিক্ষিত বুঝদার মেয়ের সাথে bulsh*tting করা যায়।

ছেলেরা even নিজের বরাবর কাউকে ও বিয়ে করতে চায় না। নিজের থেকে উপরে তো প্রশ্ন ই উঠে না । আমাদের দেশের ছেলেদের সেলফ এস্টিম এত কম ভাবা ও যায় না।

যাইহোক, এই ডাইনির কাছে হাসব্যান্ড সব শেয়ার করছে। ধর্ষণ ও তার সামনে করছে। মেরে ও তার সামনে ফেলছে।

চেহারা টা দেখেন। না আছে কোনো ভয়, না আছে কোনো অনুশোচনা।

আছে নির্লিপ্ততা।
আছে সংসার করার তীব্র আকাঙ্খা।
তা পায়ুপথ লাল করে হোক আর যেমনে হোক। আমার যতটুকু মনে হচ্ছে বিকৃত যৌনচারে আড্ডিক্টেড ছিল দুইটা ই।

যাইহোক, হাসব্যান্ড যদি বলে, সূর্য পশ্চিম দিকে উঠে আর আপনি ও যদি বিশ্বাস করতে থাকেন তাই তার মানে আপনার অটোনমি শেষ। Autonomy (অটোনমি )মানে হলো নিজের সিদ্ধান্ত নিজের নেয়ার ক্ষমতা, ভালো মন্দ বিচার করার ক্ষমতা।

দিনশেষে আপনি ও মানুষ, হাসব্যান্ড ও তাই। ভুল সবার হতে পারে। হাসব্যান্ড ভুল করলে সেটা ধরায় দেয়া আর নিজে ভুল করলে সেটাতে confess করা হলো একজন হেলথি হিউমান এর ফিচারস।

বিয়ে করেন, প্রেম করেন, সম্পর্কে থাকেন কিন্তু অটোনমি নষ্ট করে একটা অথর্ব তে পরিণত হবেন না।
নারী পুরুষ উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।

একজন অথর্ব না পরিবারের কোনো কাজে আসে,না সমাজের কোনো কাজে আসে।

আমার বউ/হাসব্যান্ড একমাত্র সঠিক আর সব ভুল....
আমি একমাত্র সঠিক আর সব ভুল....
আমার বোন একমাত্র সঠিক আর সব ভুল....
আমার ভাই একমাত্র সঠিক আর সব ভুল...
আমার বাবা মা সঠিক আর সব ভুল...

অটোনমি না থাকা অথর্ব মানুষের চিন্তার প্যাটার্ন এমন।

ভুল আমাদের সবার হতে পারে। আল্লাহ যে ব্রেন দিছে আমাদের, সেটাকে একটু কষ্ট করে কাজে লাগিয়ে মেন্টাল reasoning করতে হবে...

কে ঠিক, কে ভুল, কতটুকু ঠিক, কতটুকু ভুল.

Gut স্ট্রং থাকতে হবে এমন ভাবার। অথর্ব হলে পারবেন না। স্ট্রং অটোনমি থাকতে হবে।

Note : আমাদের দেশে মেয়েরা হলো মেয়েদের সবথেকে বড় শত্রু। Specially কলা গাছের ফার্নিচার মার্কা মেয়ে মানুষগুলো থেকে সাবধান থাইকেন।

#বাংলাকাউন্সেলিং

22/05/2026

বাংলাদেশে হঠাৎ এত "সাইকো কিলার" কেন❓
একটু কি ভেবে দেখেছেন এই বিষয়ে⁉️

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে এমন কিছু হত্যাকাণ্ড ঘটেছে যা দেখে মানুষ থমকে গেছে।

নিষ্ঠুরতার ধরন দেখে মনে হয়েছে — এটা কোনো "স্বাভাবিক মানুষ" করতে পারে না।

কিন্তু প্রশ্ন হলো — এই মানুষগুলো কি জন্ম থেকেই এমন ছিল?

না। গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা।

মস্তিষ্কে কী হয়?

পর্নোগ্রাফি দেখলে মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয় — ঠিক যেভাবে মাদকে হয়।

বারবার দেখলে মস্তিষ্ক "আরও বেশি উত্তেজনা" খুঁজতে থাকে।

এক পর্যায়ে সাধারণ কন্টেন্টে আর কাজ হয় না।

তখন শুরু হয় হিংসাত্মক, নিষ্ঠুর কন্টেন্টের দিকে ঝোঁক।

***অনুভূতি মরে যায়

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন পর্নোগ্রাফি দেখলে —

*অন্যের কষ্টে সহানুভূতি কমে যায়

*মানুষকে "বস্তু" মনে হতে শুরু করে

*বাস্তব ও কল্পনার পার্থক্য ঘুচে যায়

এই তিনটি জিনিস যখন একসাথে হয় —

তখন একজন মানুষ "কিলার মাইন্ডসেট"-এ প্রবেশ করতে পারে।

***বিশ্বের গবেষণা কী বলছে?

FBI-র সিরিয়াল কিলার স্টাডিতে দেখা গেছে — ধরা পড়া অধিকাংশ সিরিয়াল কিলার হার্ডকোর পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ছিল

***টেড বান্ডি (বিখ্যাত সিরিয়াল কিলার) মৃত্যুর আগে স্বীকার করেছিল — পর্নোগ্রাফিই তাকে এই পথে নিয়েছে

হিংসাত্মক পর্নোগ্রাফি দেখা ব্যক্তিদের মধ্যে যৌন সহিংসতার প্রবণতা ৩১% বেশি

(Journal of Communication গবেষণা)

বাংলাদেশের বাস্তবতাঃ

স্মার্টফোন সস্তা হয়েছে,ইন্টারনেট সহজলভ্য হয়েছে।

কিন্তু ডিজিটাল সাক্ষরতা ও মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা সেভাবে বাড়েনি এবং অনেক পরিবারেই ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদের বড়ো করার ব্যাপারে অনীহা দেখা যায়;অথচ একমাত্র আল্লাহ ভীতি ছাড়া পৃথিবীর কোন শক্তি নেই যা একজন মানুষকে এরকম নৃশংস কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে⁉️

ফলে কিশোর থেকে তরুণ — অনেকেই না বুঝেই এক অন্ধকার পথে হাঁটছে।

17/05/2026

কার ভাগে কত পড়লো ভাই?

চিনি না জানি না।
কোনদিন দেখা হয়নি পর্যন্ত।
তবুও যেদিন জেনেছি মেয়েটি অসুস্থ, মনটা বিষন্ন হয়ে আছে।
জানতাম,যে কোন মুহূর্তে মৃত্যুর খবর আসবে।
তবে যেটা জানতাম না তা হলো মৃত্যুতেও লোকেদের আনন্দ হয়।
কেন তারা কি মারা যাবে না?
নাকি মৃত্যু শুধু খারাপ/ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য তোলা।

আমার দাদা প্রায় ৯০+ বছর বেঁচেছিলেন।
সব প্রকৃতিক খাবার খেতেন।
অর্গানিক যাকে বলে।
মৃত্যুর ১ মাস আগে ধরা পড়লো লিভার সিরোসিস।
কোন অষুধের তোয়াক্কা না করে গ্রামে চলে গেলেন।
১ মাস পর কোন এক ফজরের নামাজের পর ঘুমন্ত অবস্থায় মারা গেলেন।
জীবনে কোন অষুধ খেতে দেখিনি।
সব নিজে গাছের ছাল, বাকল দিয়ে হামানদিস্তায় ছেঁচে অসুধ বানাতেন।দাদা ছিলেন হালকা পাতলা।
কম খেতেন।পরিশ্রম করতেন বেশ।তবুও তাঁর লিভার সিরোসিস হলো।

কারিনা লিভার ডিজিজে মারা গেল।সবাই দল বেধেঁ ডাক্তারি ফলাতে আসলো।
কত আজব কারন যে বের হলো।
যাই হোক,কেন লিভার নষ্ট হলো আমার জানা নাই।
কিন্তু, এ উসিলায় তার মৃত্যু হলো।

আমাদেরও মৃত্যু হবে যেদিন যার যেভাবে লেখা আছে।

বুঝলাম না, বাংগালীর ওর সাথে কি শত্রুতা ছিল বা আছে।
ওকে অনেকে চেনে,আমাদের কেউ চেনে না সেটা?
ও কন্টেন্ট বানিয়ে টাকা রোজগার করতো আর আমরা বিছানায় আয়েশ করে শুয়ে বসে সেটা দেখতাম সেটা সমস্যা?

নাকি, ও আমার রোজগারের টাকায় খেয়ে অসুস্থ হলো সেটা?
কি সমস্যা আমাদের?
কেন সমস্যা আমাদের?

এতটুকু একটা মেয়ে মারা গেল।
ও স্লিভলেস পরতো,ওড়না পরতো না,নেইলপালিশ লাগাতো এটা সমস্যা?
ভাইরে ৩ বাচ্চার মা, আপাদমস্তক নেকাব পরা, উঠতে বসতে জাজাকাল্লাহ খাইরান বলা, ছোট মেয়েকেও হিজাব পরানো, মাদ্রাসা পরিচালনাকারীকে দেখেছি নিজের কৈশোর কালের প্রেমিকের ছবি বুকে নিয়ে সংসার ছাড়ার পরিকল্পনা করতে।
ঘরে অনুগত স্বামী, সন্তান কিছুই তার ভালো লাগে না।
পোশাক যদি মানুষের চরিত্র, আখলাকের কথা বলে দিত, তাহলে তো ভালোই হতো।

একদিক থেকে কারিনার জন্য, আমাদের এসব আলোচনা শাপে বর হয়েছে।
আমাদের সোয়াব ও নিয়ে, ওর যা গুনাহ আছে,,,, নিজে যেচে আমরা সেটা ভাগ করে নেবার প্রতিযোগিতায় নেমেছি।
কে কত ভাগ পেলাম সেটা একদিন জানা যাবে।

একটু থামেন।
নিজের কথা ভাবেন।
এ কি এক মানসিক রোগীর দেশ হয়ে উঠছে বাংলাদেশ?

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka