Pips Winner
we provide it service (web design, graphics, digital marketing)
05/04/2023
#ফরেক্স_মার্কেটের_ইতিহাস......!!
ফরেক্স মার্কেট এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৭১ সালে, আর তা সম্ভব হয়েছিল টেকনোলজি, কমিউনিকেশন, এবং রাজনৈতিক অগ্রসারতার সমন্বয়ের মাধ্যমে। বৈদেশিক মুদ্রার আদান প্রদান এর ধারণা পাওয়া যায় মধ্যযুগ থেকেই যখন কোন দ্রব্য সামগ্রীর ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য কাগুজে নোট প্রচলন করা হয়। মুলত ১৮৭৬ সালে স্বর্ণ ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা ( gold exchange standard) চালু করা হয়েছিল এবং এই ব্যবস্থায় মুদ্রার মূল্যমান স্বর্ণের মানের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হত। ফলে মোট স্বর্ণের মূল্যর সমপরিমাণ কাগুজে মুদ্রা কোন দেশের জন্য রাখা হত। এই পদ্ধতি যদিও ভাল ছিল, কিন্তু স্বর্ণ এর আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে এই পদ্ধতির ত্রুটি ধরা পড়ে এবং একে বিদায় নিতে হয়।
এই স্বর্ণ ভিত্তিক মুদ্রা ব্যবস্থা বাতিল করা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুর সময় যখন ইউরোপীয় দেশগুলোতে তাদের বিশাল সব প্রকল্পগুলোকে বাস্তবায়িত করার মতো টাকা ছিলোনা। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত হয়, সকল মুদ্রার মান নির্দিষ্ট হবে এবং আমেরিকান ডলার হবে মুদ্রার জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত ভিত্তি যা স্বর্ণ এর বিপরীতে একমাত্র পরিমাপকৃত মুদ্রা। এই ব্যবস্থাকে বলা হয় ব্রেটন উডস ব্যবস্থা ( Bretton Woods System) যা ১৯৪৪ সালে কার্যকর হয়। ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে তারা আর স্বর্ণের বিপরীতে ডলার এর বিনিময় এ আগ্রহী নয় যা বৈদেশিক সংরক্ষণ হিসেবে রাখা আছে। এর ফলে ব্রেটন উডস ব্যবস্থাও বাতিল হয়ে যায়।১৯৭১ সালে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ভিয়েতনাম যুদ্ধের অর্থ যোগানোর জন্য ডলারকে স্বর্ণের স্ট্যান্ডার্ড থেকে তুলে নেন। এই পক্রিয়াটি সরকারি পলিছি তে পরিবর্তন আনে এবং এরই ফল হচ্ছে ডেবিট-ক্রেডিট প্রথা। ১৯৭৩ সালের দিকে অধিকাংশ উন্নত দেশের মুদ্রাই ‘free-floating’ হয়ে যায়। এর মাধ্যমেই আধুনিক বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের প্রবর্তন হয় যা ১৯৯০ সালের দিকে বর্তমান যান্ত্রিক ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার রূপ নেয়।
ব্যাংকঃ ফরেক্স এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছিল যে ফরেক্স এ মুদ্রার লেনদেন মূলত ব্যাংক গুলোতেই হয়। যেমন, আরমাডা মারকেটস এর পার্টনার হচ্ছে সিটি ব্যাংক (Citi Bank) এল এম এ এক্স(LMAX)। বড় বড় ব্যাংক গুলো প্রতিদিন কয়েক শত কোটি ডলারের লেনদেন সম্পন্ন করে থাকে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানঃ আমাদের দেশে ফরেক্স এর অনুমোদন নেই, তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোর উপস্থিতি কম। দেশের বাইরে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন দেশে তাদের পণ্য ও সেবা আদান-প্রদান করার জন্য অর্থ লেনদেন করে। ফরেক্স এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বড় অঙ্কের লেনদেন হয়ে থাকে এইসব প্রতিষ্ঠান এর বিভিন্ন দেশে ব্যবসায়ী দেনা-পাওনা মিটানোর মাধ্যমে।
খুচরা ব্যবসায়ীঃ যদিও ফরেক্স এর অধিকাংশ লেনদেন করে বিভিন্ন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান, খুচরা ব্যবসায়ী দের অংশগ্রহন অনেক অংশেই বেড়ে চলেছে। আমাদের দেশের কথাই ধরুন না। শেয়ার বাজারে লস করে অনেকেই এখন ফরেক্স এর দিকে আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং অনেকেই ট্রেড করা শুরু করেছেন।
সোজা কোথায় – মুদ্রা। আমরা যখন একটি কারেন্সি কিনি তখন আমরা একটি দেশের কিছু শেয়ার কিনছি, একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার মত। কারেন্সির দাম হল ওই দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিচ্ছবি। যখন আমরা জাপানিজ ইয়েন কিনি (buy), আমরা মুলত জাপানি অর্থনীতিতে একটি শেয়ার কিনি। আমরা মনে করি জাপানি অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও আরও উন্নতি হবে। যখন আমরা ওই শেয়ারগুলো বিক্রি (Close) করে দেব, আশা করি আমরা লাভ করব।
সাধারণত, একটি কারেন্সির সাথে অন্য কারেন্সির আদান প্রদান হার সেই দেশটির অর্থব্যবস্থার তুলনায় অন্য দেশের অর্থব্যবস্থার প্রতিফলন।
আমরা জানি প্রত্যেক দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামোর উপর ভিত্তি করে ঐ দেশের মুদ্রার মান প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয় । কখনো ইউরো’র বিপরীতে ইউ.এস.ডি শক্তিশালী হচ্ছে আবার কখনো ইউ.এস.ডি’র বিপরীতে ইউরো শক্তিশালী হচ্ছে, এইরকম সব দেশের মুদ্রা একটি আরেকটির বিপরীতে শক্তিশালী এবং দুর্বল হয়।
অর্থাৎ পেয়ারের একটি মুদ্রার দাম বাড়লে অপরটির দাম কমে। তাই দাম বাড়লেও আপনি প্রফিট করতে পারবেন আবার দাম কমলেও আপনি প্রফিট করতে পারবেন, আর ফরেক্সের এই সুবিধাটিই হল অনান্য সব ব্যাবসা থেকে আলাদা। যা ফরেক্সকে আরো বেশি জনপ্রিয় করে তুলছে। অনান্য বাজারে আপনার ক্রয়কৃত পণ্যর দাম যদি কমে যায় তাহলে আপনাকে অপেক্ষা করতে হয় দাম বাড়ার জন্য, বিষয়টি ঠিক আছে যেখানে দাম কমলে আপনার আর লাভ করার সুযোগ থাকে না, অথবা আপনাকে অপেক্ষা করতে হয় কখন দাম কমবে যখন আপনি কম দামে ক্রয় করে তা বেশি দামে বিক্রি করবেন, ট্র্যেডিশনাল মার্কেটে ব্যবসায়ীরা অপেক্ষা করে কখন দাম সর্বনিম্ন পড়বে যাতেকরে তারা কম দামে কিনে বেশি দামে সেল করতে পারে কিংবা দাম সর্বচ্চ বাড়ার পর অপেক্ষা করে দাম কমার।
11/09/2022
আগামী সপ্তাহের জন্য কিছু চার্ট এনালাইসিস।
যারা টেলেগ্রামে আমাদের সিগন্যাল ও চার্ট পেতে চান জয়েন করুন আমাদের এই চ্যানেলে https://t.me/+joF5XMebvENjMDJl
এছাড়া ৩ মাসের প্রো ইলিওট ওয়েভ ট্রেডার কোর্স করতে পারবেন
অথবা শুধুমাত্র বেসিক ফরেক্স শেখার সুযোগ রয়েছে
সাথে আরও থাকছে লাইফটাইম সাপোর্ট ও সিগন্যাল গ্রুপে লাইফটাইম মেম্বারশিপ।।।
যোগাযোগ ০১৮১৬১৬৬২২১
04/05/2020
USDCAD sell limit 1.4115 Tp open
Sl 1.4220
15/11/2019
যার যার স্ট্রাটেজী অনুযায়ী কেন্ডেল স্টিক এর বেসিক টেকনিক।
👉 অনেকেই জানতে চেয়ে বারবার নক করেন, অথবা বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করে থাকেন যে, দাদা এন্ট্রি কনফার্মেশন বিষয়টা কি? আর এটি কিভাবে পাব?
এন্ট্রি কনফার্মেশন বলতে বুঝানো হয়, আপনার স্ট্রাটেজী অনুযায়ী পাওয়া এন্ট্রি পয়েন্টে ঠিক কোন সময় ট্রেড ওপেন করবেন। সেই মুহুর্তটা নিশ্চিত হওয়া।
বিভিন্নজন বিভিন্ন মেথড ব্যবহার করে এই কনফার্মেশন পাবার জন্য। অনেকেই বিভিন্ন ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে থাকে। দুই বা ততোধিক ইন্ডিকেটর এর ক্রসিং পয়েন্টেই ট্রেড কনফার্মেশন হিসেবেও ধরে নেয় অনেকেই।
তবে যে যেভাবেই কনফার্মেশন নিয়ে থাকুক না কেন, আমি ফ্রেশ চার্ট ব্যবহার করি ও আমার ফলোয়ার সবাইকে তাই করতে বলি। কারন আমি জানি যে চার্ট হচ্ছে গোটা মার্কেটের আয়না। আপনি যদি চার্ট ভালভাবে বুঝতে পারেন, তাহলে গোটা মার্কেটের অধিকাংশ ব্যাপারই বুঝতে সক্ষম হবে।
সেই হিসেবে ফ্রেশ চার্টে কিভাবে ক্যান্ডেল দেখেই কনফার্মেশন পেতে পারেন তার একটি একটি করে ধারাবাহিক আলোচনা করব। আজ প্রথম পর্ব দিয়ে শুরু করলাম। আশা করি এটি নতুন বা পুরোতন সকল ট্রেডারকেই কিছুটা হলেও আনন্দিত করবে।
ট্রেড এন্ট্রি কনফার্মেশন আলোচনার প্রথম পর্বে আমি আলোচনা করব “পিনবার কনফার্মেশন” নিয়ে।
🌷 পিনবার শব্দের নাম শুনলেই প্রথমে যা মাথায় আসে তা হচ্ছে লম্বা পিনের মত একটা লেজ থাকবে এই ক্যান্ডেলে।
জ্বি হ্যা, ঠিক তাই। এই ক্যান্ডেলে ক্যান্ডেলবডির চেয়ে শ্যাডো বা লেজ বেশ বড় হয়। নিচের ছবি দেখলেই বুঝতে পারবেন আরও ভাল করে।
এখন প্রশ্ন করতে পারেন, পিনবার কেন তৈরি হয় ও কিভাবে এটিকে কনফার্মেশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারব?
‘ঢিল’ তো আমরা সবাই ছুড়তে পারি। এই ঢিল ছোড়ার সময় একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন কি, যত জোরে ঢিল ছুড়তে চান আপনার হাত ঠিক ততো জোরেই আগে পিছন দিকে এনে এরপর সামনে দিকে ছুড়তে হয়। তাই না?
🌷 আরেকটা উদাহরণ দিচ্ছি, অলিম্পিকে দৌড় প্রতিযোগিতা দেখেছেন কি? ম্যারাথন এথলেটরা সামনে দিকে দৌড় শুরু করার আগ মুহুর্তে পেছন দিকে একটু ঝুকে এসে পিছনের পায়ে ধাক্কা দিয়ে এরপর সামনের দিকে ছুটতে শুরু করে। ঠিক তাই তো?
🌷 এবার আরেকটা উদাহরণ দেই। শত্রু কেউ আপনার মানিব্যাগ মেরে দিয়ে পালাতে শুরু করল। আপনি দৌড়ে তাকে ধরে ফেললেন। এরপর তার নাক বরাবর দিলেন একটা জ্যাব।
রাগের মাথায় জ্যাব বসিয়েছেন চোরের নাকে, তাই হয়তো খেয়াল করেন নি। এখন একটু খেয়াল করুন ঠান্ডা মাথায়। আপনার হাতের মুঠোর শক্ত জ্যাব চোরের নাক বরাবর যখন মারছিলেন, ঠিক তার আগ মুহুর্তে আপনার মুষ্ঠিবদ্ধ হাত পিছনে সঞ্চিত শক্তি জমা করে জোরসে মেরেছিলেন কিনা!
ঠিক বলছি তো? এমনটাই করেছিলেন কি?
জ্বি হ্যা। আপনি এমনটাই করেছিলেন। কিন্ত এখন ভাবনার বিষয় হলো, সামনের দিকে দ্রুত ছুটবে, এমন কিছু ছোটার আগ মুহুর্তে হালকা পিছন দিকে কেন আসে?
কারন, পিছন দিকে এলে বাড়তি কিছু শক্তি পাওয়া যায়। যা আরও দ্রুত বা জোরে সামনে যেতে সাহায্য করে। যেমনটি ঢিল ছোড়ার সময়, দৌড়ের সময় বা আপনার হাতের জ্যাব মারার সময়।
💹 এবার ফরেক্স মার্কেটের চার্টে আসুন। ক্যান্ডেল মুভ করছে। এর আড়ালে অনেক ছোট বড় নিউজ নানান সাইজের এনার্জি প্রেশার দিচ্ছে মার্কেটকে। মার্কেট সেই অনুপাতে আপ ও ডাউন করেই চলেছে। কিন্ত এতো এতো নিউজ আলাদা করে কাভার করা ইম্পসিবল একেবারেই। তাহলে কি করবেন?
আপনি আপনার স্ট্রাটেজী অনুযায়ী এনালাইসিস করলেন। এনালাইসিস করার মাধ্যমে এন্ট্রি পয়েন্ট পেয়েও গেলেন। এখন বুঝতে পারছেন না যে ঠিক কখন এন্ট্রি ওপেন করবেন।
এখানে এন্ট্রি কনফার্মেশন হিসেবে আপনি ‘পিনবার’ নামক ক্যান্ডেলকে ব্যবহার করতে পারেন।
📌=> কেন এটি ব্যবহার করবেন?
উপরের উদাহরণসমুহের ঘটনা ঠিক এখানেও ঘটে। মার্কেট যখন কোন দিকে মুভ করার জন্য তৈরি হয়, ঠিক তার আগ মুহুর্তে সামান্য উল্টোদিকে মুভ করে বাড়তি কিছু এনার্জি নেবার আশায়।
এরপরই প্রেশার পাওয়া দিকে জোরসে মুভ করে। আর উল্টোদিকে হালকা মুভ করা অংশে রেখে যায় একটা চিকন সুতোর মত দাগ।
📌=> কিভাবে এটি ব্যবহার করবেন?
আপনার স্ট্রাটেজী অনুযায়ী পাওয়া এন্ট্রি পয়েন্টে যদি পিনবার পেয়ে যান। আর তা যদি বাই এন্ট্রির ক্ষেত্রে বুলিশ পিনবার হয়, তবে এন্ট্রি ওপেন করতে পারেন।
একইভাবে সেল এন্ট্রির পয়েন্টে যদি বেয়ারিশ পিনবার পেয়ে যান তবে এন্ট্রি ওপেন করতে পারেন।
📌=> কখন এন্ট্রি ওপেন করবেন?
পিনবার ক্যান্ডেলকে অনেকেই অনেকভাবে ব্যবহার করে থাকে।
-কেউ পিনবার তৈরি হলেই এন্ট্রি ওপেন করে থাকে।
– কেউ পিনবার তৈরি হবার পরের ক্যান্ডেল আবার ৫০% পুলব্যাক হলে এরপর ট্রেড ওপেন করেন।
– কেউ পিনবার তৈরি হলে বুলিশের ক্ষেত্রে ক্যান্ডেলের টপ লেভেল ক্রস হলে ট্রেড ওপেন করেন, বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের ক্ষেত্রে বটম লেভেল ব্রেক করলে ট্রেড ওপেন করেথাকেন।
এখানে আপনার স্ট্রাটেজী অনুযায়ী পিনবারকে কোন মেথডে ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায় তা ব্যাকটেস্ট করে এবং লাইভ ডেমো টেস্ট করে নিজেই ঠিক করে নিতে হবে। এরপর সেই মোতাবেক শুরু করতে পারেন আপনার ট্রেডিং।
👍 পরিশেষে, আমার লেখা পড়ে কোন স্ট্রাটেজী ছাড়াই যারা শুধু পিনবার পেলেই ট্রেড ওপেন করবেন বলে শর্টকাটে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন ইতোমধ্যে, তাদের জন্য বেশ বড় সমবেদনা রইল। কারন, সকল পিনবার কিন্ত কাজ করে না। পারফেক্ট লেভেলগুলোতে ভাল কাজ করে। আর তা আপনার স্ট্রাটেজী দিয়েই বের করতে হবে সেই লেভেলগুলো।
ভাল একটা স্ট্রাটেজী তৈরি করুন আপনার সাইকোলজির সাথে মিলিয়ে, এরপর কনফার্মেশন মেথড ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে ভাল কোন মেন্টরের সাপোর্ট নিন যিনি আপনাকে প্রফিটেবল লেভেল খুজে পাওয়ার মত স্ট্রাটেজী তৈরি করে দিতে পারবেন আপনার সাইকোলজির সাথে মিল রেখে।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ওনেক ভাল থাকবেন এই কামনায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
American Plaza 9/A Uttara Dhaka
Dhaka
1230