On Point
যারা একাত্তর অস্বীকার করে, অথবা একাত্তরের স্মৃতি মুছে ফেলতে চায় তারা নিজ দায়িত্বে দূরে থাকুন...!
27/02/2026
কারাগারে মৃত্যুর মিছিল!
মিথ্যা মামলায় বিনা বিচারে দীর্ঘদিন কারাবন্দী থেকে অসুস্থ অবস্থায় জামিন না পেয়ে কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জুলুম নিপীড়নে মৃত্যুবরণ করেছেন পটুয়াখালী, দুমকি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক খান ভাই।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজউন।
বিগত ১৮ মাস অবৈধ ইউনুস প্রশাসন আওয়ামী লীগের নির্দোষ নেতাকর্মীদের উপর যে নির্মম বর্বরতা চালিয়ছে, বর্তমান প্রশাসনও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
আগুনের দিন শেষ হবে একদিন। বিনা বিচারে আটক সকল রাজবন্দীর মুক্তি চাই।
টিআইবির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, জাল ভোট পড়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ ও প্রতিপক্ষের এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে ১৪.৩ শতাংশ।
-
According to observations by Transparency International Bangladesh (TIB), fake votes were cast in 21.4 percent of cases, and in 14.3 percent of centers, opposition polling agents were obstructed from entering.
14/02/2026
আওয়ামী লীগের একটা গণতান্ত্রিক চরিত্র আছে , অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে কর্মীরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ,নেতারা নয়। সজীব ওয়াজেদ জয় সেটা সমন্ধে খুব ভালো করেই অবগত। সেই কর্মীদের আবেগ অনুভূতি ভালো করেই বুঝেন তিনি... কর্মীরা যদি চায় সজীব ওয়াজেদ জয় আসবেন পরিষ্কার করে দিয়েছেন।
মানে সজীব ওয়াজেদ জয় কর্মীদের দিকে তাকিয়ে আছেন তারা তাকে নেতা হিসেবে মেনে নেয় কিনা... মানে কর্মীদের সিদ্ধান্তকে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন। অর্থাৎ সজীব ওয়াজেদ জয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দলের দায়িত্বভার নিতে চান, কর্মীদের ম্যান্ডেট কে গুরুত্ব দিচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
এখন কর্মীরা চায় কি ?
আমাদের উত্তরঃ জয় আসবেই
07/02/2026
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিমন্ডলীর অন্যতম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, গণমানুষের নেতা
রমেশ চন্দ্র সেনের কারাগারে নির্মম মৃত্যু হলো।
হুইলচেয়ারে বসা, অসুস্থ শরীর নিয়ে যাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো কারাগারে — তিনি তো কোনো অপরাধী নন, তিনি ছিলেন ঠাকুরগাঁয়ের মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধি, একজন প্রবীণ মানুষ।
চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল যার, সহানুভূতির প্রয়োজন ছিল যার — তাকেই বন্দি করে রাখা হলো, আর সেই জেলখানাতেই নিভে গেল তার জীবনপ্রদীপ।
কী ভয়ংকর বেদনার, কী নির্মম!
একজন অসুস্থ মানুষকে এভাবে গ্রেপ্তার করে কারাগারে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া শুধু একটি মৃত্যু নয় — এটি মানবতার পরাজয়।
রমেশ চন্দ্র সেন আর নেই, কিন্তু থেকে গেল অসংখ্য প্রশ্ন, কান্না আর ক্ষতবিক্ষত হৃদয়।
ঠাকুরগাঁ কাঁদছে আজ।
ইতিহাস এই অন্যায় কখনো ক্ষমা করবে না।
শান্তিতে ঘুমান প্রিয় নেতা।
বাংলাদেশ আপনাকে কখনো ভুলবেন না।
25/01/2026
কে কবে দেখেছে এই বাংলাদেশকে...?
19/12/2025
আহা বাংলাদেশ
বৃহস্পতিবার রাতে হামলাকারীদের অগ্নিসংযোগের ঘটনা প্রথম আলোর চারতলা ভাবনটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। শুক্রবার সকালেও সেখানে কিছু জায়গা থেকে ধোয়া উঠতে দেখা যায়।
অন্যদিকে হামলাকারীদের দেওয়া আগুনে ডেইলি স্টার অফিসের নিচ তলা ও দোতলা পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অফিসের ভেতরে ভাঙচুর করে ফেলে রাখা জিনিসপত্র পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
এক সময় বাংলাদেশের রাজনীতিতেও ছিলো সামাজিক সম্প্রীতি। শেখ হাসিনা গিয়েছিলেন তারেক রহমানের বিয়েতে, খালেদা জিয়া উপস্থিত ছিলেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিয়েতে।
ক্যাম্পাসেও ছাত্রলীগ–ছাত্রদল যার যার মিছিল শেষে একসঙ্গে গ্রুপ করে ‘মধু’তে আড্ডা দিতো, রিকশায় চড়ে চাংখারপুল, পল্টন, নীলক্ষেত বা শাহবাগে খেতে যেতো।
আজকের প্রজন্মের কাছে এসব রূপকথার মতোই শোনাবে।
কারণ ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যর জন্য ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার পর, সেই সম্প্রীতি আর ফিরে আসেনি। নষ্ট হয়ে গেছে রাজনীতির ন্যূনতম সামাজিক সম্পর্ক।
এবার, ধানমন্ডি ৩২-এ বারবার আঘাত বাংলাদেশের রাজনীতিকে আরও স্পষ্টভাবে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে— মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ ও বিপক্ষ শক্তি। এই হিংসাত্মক হামলা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে কতটা ভয়াবহ দিকে নিবে, তা সময়েই বলে দিবে।
ধানমন্ডি ৩২ কোনো সাধারণ বাসভবন নয়— এটি ইতিহাস, বাংলাদেশের জন্মের সূতিকাগার। ৫ আগস্ট এই বাড়ি ভাঙার পর পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা প্রথম বিবৃতি দিয়ে বলেছিল— যে বাড়ি থেকে পাকিস্তান ভাংগা হয়েছিলো, এটি ছিল এর প্রতিশোধ।
এই প্রতিশোধের প্রতিবাদ অনেক দূর বিস্তৃত হবে।
ধানমন্ডি ৩২-এর প্রতিটি ইট হবে প্রতিবাদের বুলেট, প্রতিটি ধূলিকণা হবে জ্বলন্ত বারুদ— যা ছারখার করে দেবে দেশ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সব হায়েনাকে।
অনেক ধন্যবাদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে । যদি সিদ্ধান্ত সঠিক এবং বাস্তবায়িত হয়। কারন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাকারী একমাত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সাম্প্রতিক দরবারে সেনাবাহিনী প্রধান বলেন,
"দেশের এক ইঞ্চি মাটিও করিডোরের জন্য কাউকে দেওয়া হবে না। আমি যেমনটা বলেছিলাম, উনারা (সরকার) আমার কথা শোনেননি। দেশের প্রতি তাঁদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার থাকলে, সেটা নির্বাচিত সরকার নেবে—উনারা (অসামরিক সরকার) না। নির্বাচন ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়েই দিতে হবে।"
তিনি আরও বলেন,
"আমি রাত-বিরাতে কোথাও গোপনে গিয়ে কারও সঙ্গে দেখা করার মানুষ না। আমি যা বলার, সরাসরি বলি। তোমাদের কিছু বলার থাকলে, এই দরবারেই সরাসরি বলতে পারো।"
এ সময় এক সেনা কর্মকর্তা বলেন,
"স্যার, উনারা যদি আমাদের কথা না শোনেন, তাহলে আমরা এক মাসের জন্য ব্যারাকে ফিরে যাই। তাহলে সরকার বুঝতে পারবে।"
জবাবে সেনাপ্রধান বলেন,
"দেশের মানুষকে এই অবস্থায় রেখে আমরা ব্যারাকে ফিরতে পারি না। তবে জিওসিদের বলে দিচ্ছি—অনেক সহ্য করেছি, এখন থেকে আর কোনো মব ভায়োলেন্স, জুলুম, চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না। দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে যা করার, তা করতে হবে।
(সংগৃহীত)
লেখাটি টাইম লাইনে রেখে দিন…
দেশটাকে বেঁচে দিলেন? এটাই ছিলো আপনাদের জুলাই চেতনা? জনগণের অজান্তে—চট্টগ্রাম, পায়রা, পানগাঁও, মংলা—দেশের প্রধান বন্দরগুলো নিয়ে বিদেশিদের সাথে ত্রিশ বছরের দীর্ঘমেয়াদি গোপন চুক্তিতে দিয়ে দিলেন?
কোন শর্তে চুক্তি করলেন, কেন গোপন রাখছেন? যে চুক্তি দেশের অর্থনীতিকে তিরিশ বছর ধরে নিয়ন্ত্রন করবে, সেটি কেন সংসদে তোলা হবে না? কেন জনমত নেওয়া হয়নি? কেন এই চুক্তির কপি গোপন রাখা হলো?
দেশের রাজস্বের ৬২% আসে বন্দর থেকে। সেই বন্দর বিদেশিদের হাতে কেন? এই চুক্তির পর বাংলাদেশ কি একই পরিমাণ রাজস্ব পাবে? হিস্যা কমে গেলে দেশের বাজেট ভারসাম্য কিভাবে বজায় থাকবে? দেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কি বিদেশিদের শর্তে নির্ভরশীল হয়ে পড়বে?
উদাহরণ: আফ্রিকার বেশ কিছু দেশে বিদেশি কোম্পানির বন্দর নিয়ন্ত্রণের ফলে স্থানীয় রাজস্ব আয় ৩০-৪০% পর্যন্ত কমে গেছে, দীর্ঘ চুক্তি থাকায় সরকার কিছুই করতে পারেনি।
কোনো বিদেশি কোম্পানি বা রাষ্ট্র যদি বন্দর এলাকায় সামরিক সরঞ্জাম মজুদ করে, নৌঘাঁটির মতো স্থাপনা তৈরি করে—তাহলে বাংলাদেশ কি একতরফাভাবে এই চুক্তি বাতিল করার ক্ষমতা রাখে? গোপন চুক্তিতে কি আছে?
চুক্তিতে কি “security cooperation” বা “strategic access” নামে ধারাগুলো আছে। এই ধারাগুলোকে ভিত্তি করেই বিদেশি পক্ষ সামরিক উপস্থিতির সুযোগ তৈরি করে।
যদি এসব ধারা থাকে, বাংলাদেশ চরম বিপদে পরবে। শ্রীলঙ্কা হম্বানটোটায় চীনের সাথে চুক্তি বাতিল করতে পারেনি—কারণ বাতিলের জরিমানা এত বেশি যে রাষ্ট্রটি দেউলিয়া হয়ে যাবে। বাংলাদেশও কি সেই অবস্থার দিকে ধাবিত হবে?
ছুটির দিনে কাগজপত্র প্রস্তুত এবং যেদিন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় — সেই দিনই এই চুক্তি স্বাক্ষর! এটি কি ইচ্ছাকৃতভাবে নজর অন্যদিকে ঘোরানোর কৌশল ছিল?
কি কি ক্ষতি হতে পারে…
অর্থনৈতিক ক্ষতিঃ বিদেশিরা বন্দরে ফি বাড়ালে বাজারে দ্রব্যমূল্য আরও বাড়বে। সরকারের আয় কমলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো খাতে কাটছাঁট আসবে। উদাহরণ: মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দরে বিদেশি ট্যারিফ বাড়ার পর স্থানীয় বাজারে ২২% মূল্যস্ফীতি দেখা দেয়।
সার্বভৌমত্বের ঝুঁকিঃ বন্দর মানেই শুধু অর্থনীতি না—এটি ভূ-রাজনৈতিক শক্তির কেন্দ্র। যে দেশ বন্দর নিয়ন্ত্রণ করে, সেই দেশ অর্থনীতি, কূটনীতি, এমনকি সামরিক সিদ্ধান্তেও প্রভাব খাটাতে শুরু করে। উদাহরণ: পাকিস্তানের গওয়াদর বন্দর—বিদেশি নিয়ন্ত্রণের কারণে পাকিস্তান নিজের নৌ-নীতিও স্বাধীনভাবে নিতে পারে না।
শ্রমবাজার ক্ষতিঃ বিদেশি কোম্পানিগুলো সাধারণত নিজস্ব কর্মী নিয়ে আসে, ফলে স্থানীয় শ্রমিক চাকরি হারায়, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার কমে যায়, মজুরি কমানো হয়।
এত বড় জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার আগে জনগণের মতামত নেওয়া হলো না কেন? কাদের স্বার্থ রক্ষা করা হলো?
18/11/2025
হ্যালো রাজাকার! এটাও কিন্তু রায় ছিলো। যে রায়ে ছিলো স্বচ্ছতা। যে রায়ে ছিলো তথ্য-প্রমাণ। যে রায় দিতে দীর্ঘ আইনী লড়াই করতে হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, স্বাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে॥
সত্যিকারের রায় যদি দখলদারিত্বের মাধ্যমে বাতিল করা যায়। কুখ্যাত রাজাকার-মানবতাবিরোধী আজহারকে বেকসুর খালাস দেওয়া যায়! মেটিকুলাস ডিজাইনের মিথ্যা ও আইএসআই-এর ষড়যন্ত্রের মিথ্যা মামলাও তুরিতে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কিনা চিন্তা করো॥
জানো, বুঝো এবং সংস্কৃতি, অপসংস্কৃতি থেকে শিক্ষা নাও॥
বেশি লাফালাফি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর॥
১৩ নভেম্বর ইউসুদ গংদের শাউয়া -মাউয়া ভাইঙ্গা দিতে হবে...!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur/11
Dhaka