IMSL
Interspeed Marketing Solutions Ltd.
30/03/2023
আহলান সাহলান মাহে রমযান.......
সেহেরী ও ইফতারের সময়সূচী।
09/07/2022
"Eid Mubarak" everyone. May this Eid brings you all the happiness that you ever wished.
29/04/2022
ﺍَﻟﺴَّﻼَﻡْ ﻋَﻠَﻴْــــــــــــــــــــﻜُﻢْ ﻭَ ﺭَﺣْﻤَﺔُ ﺍﻟﻠﮧ.....................
শুভ সকাল। আজ জুম্মাতুল বিদা। এ বছর রমযানের শেষ জুম্মা আজ। এদিকে মাহে রমযানের আর অল্প কয়েকটি দিন আছে আমাদের মাঝে। আজ সাতাশতম রমযান।
আজকের তারিখঃ
২৭ রমাদান ১৪৪৩ হিজরী
২৯ এপ্রিল ২০২২ ইংরেজি
১৬ বৈশাখ ১৪২৯ বাংলা।
আজ সেহেরির শেষ সময় ছিলো ৪:০৫ মিনিটে। (নাটোর)
আর ইফতারের সময় হবে ৬:৩৬ মিনিটে। (নাটোর)
বিদায় নিচ্ছে মহিমান্বিত মেহমান। চলে যাচ্ছে পবিত্র দিনগুলো। আজ রমজান মাসের শেষ জুম্মাবার। মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন আজ।
জুমার দিন মুমিন মুসলমানদের ইমানি সম্মেলন হয়। এ দিনের তাৎপর্য বর্ণনা করে নবিজি (সা.) বলেছেন, সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে জুমাবার সর্বাধিক মর্যাদাবান ও নেতৃস্থানীয় দিন। এ পুণ্য দিনে আদি পিতা হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়। একই দিনে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেন। আবার পুনরায় পৃথিবীতে আগমন করেন। এ দিনে তার ইন্তেকাল হয়। এ শুক্রবারেই কেয়ামত সংঘটিত হবে।
এ পুণ্য দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন আল্লাহর দরবারে দোয়া কবুল হয়। (মিশকাত) রমজান মাসের শেষ শুক্রবার হজরত সুলায়মান (আ.) জেরুজালেম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন এবং মুসলমানদের প্রথম কিবলা ‘মসজিদ আল-আকসা’ প্রতিষ্ঠা করেন বলে ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়। এ জন্য প্রতি বছর সারা বিশ্বের মুসলমানরা রমজান মাসের শেষ শুক্রবার ‘আল কুদস’ দিবস হিসাবে উদযাপন করেন।
জুমাতুল বিদার বিশাল জামাতে আমাদের দেশের বিভিন্ন মসজিদে হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে থাকেন। তাই ওই দিনের দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আর সাধারণ জুমার দিনেই সেখানে নির্দিষ্ট মুহূর্ত যে কোনো দোয়া করা হয়ে থাকে, সেখানে জুমাতুল বিদায় তো এ ফজিলত আরও উন্মুক্ত হওয়াই যুক্তিযুক্ত। রমজান মাসে প্রতিদিন ইফতারপূর্ব সময়ে আল্লাহতায়ালা ৭০ হাজার গুণাহগারকে ক্ষমা করে দেন।
এ হিসাবে সমগ্র রমজানে যেই পরিমাণ গুনাহগারকে ক্ষমা করা হয় শুধু জুমাতুল বিদা তথা আখেরি জুমায় সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে ক্ষমা করা হয়।
তাই এ দিনে উচিত প্রত্যেক রোজাদার আল্লাহর কাছে প্রাণ খুলে প্রার্থনা করা, ক্ষমা আদায় করা। মহান আল্লাহ আমাদের সব গুনাহ ক্ষমা করে দিন।
28/04/2022
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ.......................
আজ বৃহস্পতিবার। এখন বরকতপূর্ণ ও পবিত্র আল কোরআন নাযিলের মাস মাহে রমযানের শেষের দিকে চলে এসেছি আমরা। আজ ছাব্বিশতম রমযান।
আজকের তারিখঃ
২৬ রমাদান ১৪৪৩ হিজরী
২৮ এপ্রিল ২০২২ ইংরেজি
১৫ বৈশাখ ১৪২৯ বাংলা।
আজ সেহেরির শেষ সময় ছিলো ৪:০৬ মিনিটে। (নাটোর)
আর ইফতারের সময় হবে ৬:৩৬ মিনিটে। (নাটোর)
আজ ইফতারির পর থেকেই সাতাশে রমযান শুরু হবে, সেই সাথে আজ এই মাহে রমযানের শেষ খতম তারাবিহ পড়া হবে। আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া যে তিনি এত তাপদাহের মাঝেও সুন্দরভাবে তারাবিহ, সেহেরি ও ইফতার করার তৌফিক দান করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।
দেখতে দেখতে কি তাড়াতাড়ি এই তাৎপর্যপূর্ণ মাসটা আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিতে চলেছে। সামনের বছর আবার রমযান আমাদের নসিবে হবে কিনা জানিনা। এই গত বছরই কতগুলো প্রিয়জন ছিলো, কিন্তু এ বছর নেই। আমার প্রাণপ্রিয় আম্মু, সানি আন্টি, ছোট চাচা, বড় চাচা সবাই কবরবাসী হয়ে গিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা সবাইকে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন।
রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতসমূহের মধ্যে সাতাশে রমযান লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা একটু বেশি। তাই আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই রাতে তাঁর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাওয়ার ও নেক আমল করার তৌফিক দান করুন।
19/04/2022
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ.......................
আজ মঙ্গলবার। এখন পবিত্র মাহে রমযান চলছে। আজ সতেরোতম রমযান।
আজকের তারিখঃ
১৭ রমাদান ১৪৪৩ হিজরী
১৯ এপ্রিল ২০২২ ইংরেজি
০৬ বৈশাখ ১৪২৯ বাংলা।
আজ সেহেরির শেষ সময় ছিলো ৪:১৫ মিনিটে। (নাটোর)
আর ইফতারের সময় হবে ৬:৩১ মিনিটে। (নাটোর)
আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস। হিজরীর দ্বিতীয় সালের এই দিনে সেই ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। এ যুদ্ধে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের দিয়ে মুসলিম বাহিনীকে সাহায্য করে মুসলমানদেরকে বিজয় দান করেছিলেন।
বদরের প্রান্তরের যে স্থানটিতে মুসলমানেরা অবস্থান নিয়েছিলেন, সেখানে সূর্যের তেজ সরাসারি তাদের মুখের ওপর পতিত হয়। কিন্তু কাফেরদের মুখে দিনের বেলায় সূর্যের আলো পড়ে না। মুসলমানেরা যেখানে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করবেন, সেখানে বালুময় মাটি যা যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য উপযুক্ত নয়। অপর দিকে কাফেররা যেখানে অবস্থান নিয়েছিল, সেখানে মাটি শক্ত এবং যুদ্ধের জন্য স্থানটি উপযুক্ত ছিলো। কিন্তু অবস্থান নেয়ার ফলে অবশেষে কী হলো?
রমজান মাসের ১৬ তারিখ দিনটি শেষ, মাগরিবের পর তারিখ বদলে গেল, অতঃপর ১৭ রমজান শুরু হলো। সেই রাতে মহানবী (সা.) এবং তাঁর সাহাবিরা তাবুতে অবস্থান করছিলেন। অপর দিকে কাফেররাও তাদের ক্যাম্পে অবস্থান করছিল। ১৭ রমজানের এই বিশেষ রাতে আল্লাহ তায়ালার নিকট সিজদায় পড়ে সাহায্য প্রার্থনা করছেন মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী ও শ্রেষ্ঠনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
তিনি বলছিলেন, ‘হে দয়াময় আল্লাহ! আগামীকালের নীতিনির্ধারণী যুদ্ধে তোমার সাহায্য আমাদের অতি প্রয়োজন। এই যুদ্ধে আমরা তোমার সাহায্য ছাড়া বিজয় লাভ করতে পারব না। আর আমরা যদি পরাজিত হই তাহলে তোমাকে সিজদা করার কিংবা তোমার নাম ধরে ডাকার লোক এই পৃথিবীতে আর নাও থাকতে পারে। অতঃপর তুমি আমাদের সাহায্য করো। আমরা জীবন দিয়ে প্রাণপণ যুদ্ধ চালিয়ে যাবো। আমরা আমাদের জীবন তোমার পথে উৎসর্গ করলাম। বিনিময়ে তোমার দ্বীনকে আমরা তোমার জমিনে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তুমি আমাদেরকে বিজয় দান করো। আমরা তোমার কাছে সাহায্য চাই’ (যুরকানি, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪১৯ ও ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ১৭)
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই দোয়া আল্লাহ তায়ালা কবুল করলেন, ওই রাতে মরুভূমিতে প্রবল বৃষ্টি হলো। এই বৃষ্টি মুসলমানদের জন্য কল্যাণে পরিণত হল। কারণ, বৃষ্টির জন্য কাফেরদের যুদ্ধের মাঠের শক্ত মাটি কাদায় ভরে পিচ্ছিল হয়ে গেল। অপর দিকে মুসলমানদের বালুময় যুদ্ধের মাঠ শক্ত হয়ে গেল।
ঐ রাত্রেই আল্লাহ তায়ালা মহানবীকে (সা.) শুভ সংবাদ দিয়ে বললেন, তোমার অমুক অমুক শত্রু মারা যাবে এবং তারা অমুক অমুক জায়গায় মারা পড়বে। ঠিক তা-ই ঘটল। যখন যুদ্ধের সময় ঘনিয়ে এলো, তখন মহানবী (সা.) যে স্থানে বসে বসে প্রার্থনা করতেন সেই স্থান থেকে বের হয়ে এলেন এবং বললেন, শত্রু সেনাদল পর্যুদস্ত হয়ে যাবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পলায়ন করবে। আল্লাহ পাক এমনটিই করেছেন। সুবহানআল্লাহ।
মহানবী (সা.) এর একনিষ্ঠ এবং প্রাণপ্রিয় সাহাবিরা এ যুদ্ধের পূর্বে এই কসমই খেয়েছিলেন যে, আমরা আপনার ডানে যুদ্ধ করব, আপনার বামে যুদ্ধ করব, আপনার সামনে যুদ্ধ করব, আপনার পিছনে যুদ্ধ করব এবং হে আল্লাহর রসুল! যে দুশমন আপনার ক্ষতি সাধন করতে এসেছে তারা আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা আমাদের লাশের ওপর দিয়ে যাবে। হে আল্লাহর রাসুল! যুদ্ধ তো একটা মামলি ব্যাপার। এখান থেকে কিছু দূরেই সমুদ্র, আপনি যদি হুকুম দেন যে, তোমরা তোমাদের ঘোড়া নিয়ে সেই সমুদ্রে ঝাঁপ দাও, তাহলে আমরা তৎক্ষণাৎ ঘোড়াসহ সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ব’ (ইবনে হিশাম, ২য় খণ্ড, পৃ. ১২)।
এ যুদ্ধে আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদেরকে সাহায্য করেছিলেন সরাসরি ফেরেশতা দ্বারা। বোখারি শরীফের হাদিস মোতাবেক, যুদ্ধের শেষে সাহাবিদের মধ্য থেকে কেউ কেউ সাক্ষী দিয়েছেন আর তারা বলেছেন, আমরা সাদা পোশাক পরিহিত কিছু ব্যক্তিকে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করতে দেখেছি। তাদেরকে আমরা যুদ্ধের আগে কখনো দেখিনি, এমনকি যুদ্ধের পরও দেখিনি।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দোয়ার বরকতেই এ যুদ্ধে মুসলমানরা বিজয় লাভ করেছিলেন এবং একে একে বিভিন্ন যুদ্ধের মাধ্যমে সারাবিশ্বে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম হয়েছিল।
তাই আজ এই ঐতিহাসিক দিনে আমরা সবাই দোয়া করি আল্লাহ তাআলা যেন আবার আমাদেরকে সমস্ত কাফের, মুশরিকদের অত্যাচার, নিপীড়ন থেকে মুক্তি দেন এবং আবার মুসলমানদেরকে সবার উপর বিজয় দান করেন।
23/01/2022
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ............
শুভ সকাল। আজ রবিবার। আর এখন জমাদিউস সানি ও মাঘ মাস চলছে।
আজকের তারিখঃ
১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী
২৩ জানুয়ারি ২০২২ ইংরেজি
০৯ মাঘ ১৪২৮ বাংলা।
আজ সূর্য উদয় হয়েছে ৬:৪৯ মিনিটে।
আর সূর্যাস্ত হবে ৫:৪২ মিনিটে।
গতকাল থেকেই আবহাওয়া বেশ প্রতিকুল অবস্থায় রয়েছে। মাঝে মাঝে অল্প অল্প বৃষ্টিও হচ্ছে, সেই সাথে বাড়ছে ঠান্ডা আর কুয়াশা। এদিকে করোনার প্রকোপও বেড়েই চলেছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের ১৪ টি লক্ষনঃ
১) নাক দিয়ে পানি পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে ৭৩ শতাংশের
২) মাথাব্যথা থাকছে ৬৮ শতাংশ ক্ষেত্রে
৩) ক্লান্তি ছাড়ছে না প্রায় ৬৪ শতাংশ রোগীকে
৪) ৬০ শতাংশ রোগীর হাঁচি হচ্ছে
৫) গলা ব্যথাও হচ্ছে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে
৬) ৪৪ শতাংশের খুব কাশি হচ্ছে
৭) তাঁদের ৩৬ শতাংশের গলা ভেঙে যাচ্ছে
৮) কাঁপুনি হচ্ছে ৩০ শতাংশ রোগীর
৯) জ্বর আসছে ২৯ শতাংশের
১০) মাথা ঝিমঝিম করার প্রবণতা ২৮ শতাংশের
১১) মস্তিষ্কে ধোঁয়াশার প্রবণতা আছে ২৪ শতাংশের
১২) ২৩ শতাংশের পেশীতে ব্যথা, টান ধরছে
১৩) গন্ধের অনুভূতি এ বার হারাচ্ছেন মাত্র ১৯ শতাংশ রোগী
১৪) বুকে ব্যথাও ১৯ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে।
খুব কাছ থেকে যারা করোনায় আক্রান্ত রুগীর মৃত্যু দেখেনি তারা ছাড়া কেউ বুঝতে পারবে না এটা কতটা ভয়াবহ! ওফ!!
আল্লাহ তায়লা আমাদেরকে এই মসিবতে আক্রান্ত হওয়া থেকে হেফাজত করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
House No: 116, Road No: 06, Mohakhali DOHS
Dhaka