EasyTech It Training Institutes.
Easytech IT Training Institutes is a Best Of Advanced Information Technology IT Company In Savar. Computer Training Center
11/02/2023
নিজের মোবাইল ফোন অন্যের হাতে তুলে দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
শ্রীঘই চেক করুন আপনার Google photos কাউকে share with partner দেয়া রয়েছে নাকি। থাকলে দ্রুত Removed করুন।
27/01/2023
ভালোভাবে যেকোনো কাজ করার জন্য আপনাকে মনোযোগী হতে হবে। মনোযোগ ছাড়া কোনো কাজ ভালোভাবে শেষ করা যায়না। কিন্তু, এটাও ঠিক যে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে গেলে, আপনার মনোযোগ নষ্ট হতেই পারে। তবে, কিছু উপায় জানা থাকলে ছোট কিংবা বড় সব কাজেই আপনি আপনার মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন। তাই, আজ আপনাকে কাজে মনোযোগ বাড়ানোর ৫টি উপায় জানাবো - 🔥
🟢 মনোযোগ নষ্ট করে এমন জিনিস দূরে রাখুন: কাজের সময় আপনার মনোযোগ অন্যদিকে নিয়ে যাবে বা নষ্ট করবে এমন কিছু দূরে রাখুন। তা না হলে, কাজ সম্পন্ন করার আগেই আপনি অন্য কিছুতে ব্যস্ত হয়ে যাবেন। এতে আপনার কাজের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
🟢 পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোর চেষ্টা করুন: কাজে মনোযোগ নষ্টের অন্যতম কারণ হলো, কম ঘুম হওয়া। আবার অতিরিক্ত ঘুমও আপনাকে অলস বানিয়ে ফেলবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম কাজের প্রতি আপনার মনোযোগ বাড়াবে এবং কাজের গতিবৃদ্ধি করবে।
🟢 নিয়মিত জ্ঞানচর্চা করুন: নিয়মিত জ্ঞান চর্চা করতে বই পড়ুন এবং নতুন কিছু শিখুন। আপনার জ্ঞান বা শিক্ষা, কাজে লাগাতে পারলে আপনার শেখার ইচ্ছা ও আগ্রহ বাড়বে।
🟢 কথা শোনার অভ্যাস গড়ুন: মনোযোগী হওয়ার এক ধরনের প্র্যাকটিস হচ্ছে, কথা শোনার অভ্যাস তৈরি করা। আপনি যখন অন্যের কথা শোনার মত ধৈর্য্য নিজের মাঝে তৈরি করবেন, তখন ধীরে ধীরে আপনার মনোযোগও বৃদ্ধি পাবে।
🟢 সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করুন: কাজের ফাঁকে বিরতি নিন। আপনার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার বিরতির সময়গুলো আনন্দময় করে তুলুন, যেন উৎফুল্ল মনোভাবে আপনি কাজে ফিরতে পারেন।
13/12/2022
ব্যস্ততার মধ্যে বই পড়া :
বিল গেইটস প্রতিবছর প্রায় ৫০টি বই পড়েন! তার মতো একজন ব্যস্ত মানুষ, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি সবকিছুর পরও পড়াশোনার সময় সময় বের করতে পারেন।
অ্যামেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার আত্মজীবনী ‘Dreams From My Father’ –এ উল্লেখ করেন- ছুটির দিনে তাকে যদি কোথাও না পাওয়া যেত, তাহলে ধরে নিতে হবে তিনি বই পড়ায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
২০১৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর মার্ক জুকারবার্গ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে সেবছর তিনি যেসব বই পড়েন, সেগুলো শেয়ার করেন। তিনি জানান, ওই বছর তিনি নিজের সাথে চ্যালেঞ্জ করেন, প্রতি সপ্তাহে একটি নতুন বই পড়বেন। ইতিহাস, ধর্ম, সাইন্স-ফিকশন, সামাজিক অধিকার নানান টপিকে তিনি যেসব বই পড়েন, সেগুলোর ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন।
এই উদাহরণগুলো হলো আমাদের সুপরিচিত বর্তমান সময়ের বিখ্যাত ব্যক্তিদের। তারা এত ব্যস্ততার মধ্যেও বই পড়ার সুযোগ বের করে নেন।
মুসলিম ইতিহাসে আলেমগণ সময়ের মূল্য এরচেয়েও বেশি দিতেন। অনেক আলেম ছিলেন, যারা এক মিনিট সময়ও অপচয় করতে চাইতেন না। এইসব ঘটনাগুলো নিয়ে শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহিমাহুল্লাহ একটি বই লিখেন। বাংলায় যা অনূদিত ‘সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা’ নামে।
এই বইয়ে তিনি অনেক ঘটনা তুলে ধরেন। সালাফগণ বই পড়ার সময় কিভাবে বের করতেন, কিভাবে ব্যস্ততার সময়েও জ্ঞানার্জনে ব্যস্ত থাকতেন।
আবু বকর ইবনুল খাইয়্যাত রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন আরবি গ্রামারের বিশেষজ্ঞ। তিনি এক মিনিট সময় অপচয় করতে চাইতেন না। রাস্তাহ হাঁটার সময় বই পড়তে পড়তে হাঁটতেন। ফলে দেখা যেতো, মাঝেমধ্যে তিনি গর্তে পড়ে যেতেন, বাহন বা জন্তুর সাথে ধাক্কা খেতেন।
আমরা অনেক ব্যস্ত। কেউ স্কুল, কলেজ, ভার্সিটির পড়াশোনায়, কেউ সংসারের কাজে, কেউ ব্যবসায়, কেউ চাকরিতে। এতো ব্যস্ততার মধ্যে বই পড়ার সময় হয় না। অফিস থেকে এসে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ি। মেয়েরা বাসায় সারাদিন কাজ করে অবসর পেলে বিছানায় শুয়ে পড়তে ইচ্ছে করে। তখন আর বই হাতে নেওয়া যায় না। আবার শিক্ষার্থীরা এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন, টিউশনি করা, মিডটার্ম, সেমিস্টার ফাইনালের ফাঁকে বই পড়ার সময় পান না।
আমাদের অনেকের আগ্রহ আছে বই পড়ব। কিন্তু, সময় তো নেই। আমরা কীভাবে সময় বের করতে পারি? এই নিয়ে লেখাটি। বই পড়ার সময় বের করার নানান টিপস।
১. রাতে ঘুমানোর আগে ১০ পৃষ্ঠা
প্রতিদিন রাতের খাবার খাওয়ার পর আমরা কী করি? মোবাইল হাতে নিয়ে বসি। তারপর মোবাইল নিয়ে বিছানায় যাই। মোবাইল টিপতে টিপতে কেউ ঘুমিয়ে পড়ি। কেউবা ঘুমানোর আগে মোবাইল বালিশের কাছে রেখে ঘুমাই।
একদিন হিসেব করে দেখুন তো, প্রতিদিন রাতের খাবার খাওয়ার পর কতোক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করেন? দেখবেন, সেটা অন্তত ১ ঘন্টা। কারো ক্ষেত্রে ২-৩ ঘন্টা বা তারবেশি হতে পারে।
এই সময় সাধারণত কোনো ধরনের প্ল্যানিং ছাড়াই মোবাইল ব্যবহার করেন। মোবাইলে তেমন কাজ থাকে না, নিউজফিড স্ক্রল, ইউটিউবে একটার পর একটা ভিডিও দেখা বা ফেসবুক ওয়াচ থেকে ভিডিও দেখেন।
প্রতিদিন যদি রুটিন করেন, ঘুমানোর আগে অন্তত ১০ পৃষ্ঠার বই পড়বেন, তাহলে দেখবেন মাসে অন্তত ২৫০ পৃষ্ঠা পড়তে পারেন। এমনিতেই ৪-৫ দিন মিস যাবে, এটা স্বাভাবিক। তারমানে আপনি মাসে অন্তত একটি বই পড়ে ফেললেন।
রাতের বেলা পড়ার জন্য ফিকশন বা কবিতার বই রাখতে পারেন। তখন নন-ফিকশন বই পড়ার আগ্রহ না-ও পেতে পারেন।
যেমন : এই সময় আপনি এই ধরনের বই পড়তে পারেন- দিওয়ানে আলী (আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কবিতা), ধরণীর পথে পথে (ভ্রমণকাহিনী), ঝিলাম নদীর দেশ, সাইমুম সিরিজ।
২. বাসে বসে বই পড়ুন
বহির্বিশ্বে বাস-ট্রেনে বই পড়া বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশে এটা তেমন দেখা যায় না। ঢাকা শহরে আপনাকে জ্যামে পড়তেই হবে। যারা অফিসে যায়, কলেজ-ভার্সিটিতে যায়, তাদের বেশিরভাগই ঢাকা শহরের রাস্তায় দৈনিক ২ ঘন্টা সময় কাটায়।
রাস্তার জ্যামে বই পড়া সহজ না। কিন্তু, আপনি সাহস করে, কয়েকদিন ধৈর্য ধরে বই পড়া শুরু করলে দেখবেন জ্যাম হচ্ছে কিনা সেটার দিকে খেয়াল থাকবে না। এই সময় উপন্যাস, থ্রিলার বা ইতিহাসের বই রাখতে পারেন। প্রতিদিন এই ২ ঘন্টার মধ্যে মাত্র ১ ঘন্টাও যদি বই পড়তে পারেন, তাহলে মাসে বাসে বসেই আপনি অন্তত ২ টি বই পড়তে পারবেন।
তবে, যাদের সিরিয়াস সমস্যা আছে, রাস্তায় বই পড়লে মাথা ব্যাথা হয়, বমি আসে, তারা বিকল্প চিন্তা করতে পারেন। অডিওবুক কানে হেডফোন লাগিয়ে শুনতে পারেন।
অনেক সময় লম্বা জার্নিতে গেলে ট্রেনে বসে বা বাসে বসে বই পড়তে পারেন। একটানা না পড়ে ১৫-২০ মিনিট পড়ে ব্রেক নিয়ে আবার পড়ুন। ৭-৮ ঘন্টার জার্নিতে দেখবেন অন্তত ১ ঘন্টা বই পড়তে পারবেন।
এগুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাথে একটি বই রাখা। ব্যাগের মধ্যে সবসময় এক বা একাধিক বই রাখুন।
৩. ক্লাসের ফাঁকে বই পড়া
প্রতিটি ক্লাসে টিচার আসতে প্রায় ১০ মিনিট দেরি হয়। আবার কোনো কোনোদিন ক্লাস ক্যান্সেল হয়, টিচার তাড়াতাড়ি চলে যান। স্কুল, কলেজ, ভার্সিটিতে দেখবেন দিনে এরকম ঘন্টা দেড়েক সময় বের করতে পারবেন। স্যার, ম্যাডাম চলে যাবার পর ব্যাগ থেকে বই বের করে পড়া শুরু করুন। আমি আমার জীবনে ভার্সিটি লাইফে সবচেয়ে বেশি বই পড়েছি ক্লাস রুমে। মাসে ১৫টি বই পড়লে দেখা যেতো ক্লাসরুমেই পড়তাম ৭-৮টি বই।
৪. সাথে সবসময় বই রাখুন
আপনি সেলুনে যাচ্ছেন চুল কাটতে, কারো সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন রিক্সায় বসে। সবসময় সাথে একটা বই রাখুন। সেলুনে গিয়ে আপনার সিরিয়াল আসতে ৩০ মিনিট লাগতে পারে। এই সময়টা কাজে লাগান। বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করা লাগতে পারে ১ ঘন্টা। এই সময়টা শুধু মোবাইল স্ক্রল না করে বই পড়তে পারেন।
৫. একসাথে একাধিক বই পড়ুন
অনেকেই মনে করেন, একটা বই শেষ হলে আরেকটি পড়ব। না, এটা জরুরি না। আপনি দিনে একাধিক বই পড়তে পারেন। রাতের জন্য একটা, বাসের জন্য একটা, ক্লাসরুমের জন্য একটা। ল্যাপটপের বিভিন্ন ট্যাব ওপেন করার মতো। যারা অনেক বই পড়ে, তারা সাধারণত এট এ টাইম একাধিক বই পড়ে। হয়তো-বা দেখা যাচ্ছে একটি বই পড়তে ভালোই লাগছে না। খুব জরুরি না হলে জোর করে পড়ার দরকার নেই। অন্য বইয়ে মুভ করুন।
৬. বই পড়ার সময় মোবাইল দূরে রাখুন
অনেকেই বলেন বই পড়ার সময় নেই। আসলে আপনার সময় আছে, সেটা বের করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এতো ব্যস্ততার মধ্যেও বই পড়তে পারেন। আপনি বই পড়তে না পারার অন্যতম কারণ হতে পারে ডিভাইস আসক্তি। ফেসবুক, ইউটিউবে এতো বেশি সময় অপচয় করেন, বই পড়ায় সময় বিনিয়োগ করবেন সেই সময়টুকুও পান না। এজন্য, যদি আপনি বই পড়া শুরু করেন, মোবাইল অন্য রুমে রেখে দিন বা Do Not Disturb মুড অন করে হাতের দূরে রেখে দিন।
Eva Lantsoght তার পিএচডির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। যে বছর তিনি পিএচডি করেন, সেই ফাইনাল ইয়ারে তিনি ৬৯ টি বই পড়েন! মাসে প্রায় ৬টি বই।
পিএচডির ব্যস্ততার পাশাপাশি যদি তিনি বই পড়ার সময় বের করতে পারেন, আপনিও পারবেন।
৭. কী পড়বেন, সেই বইয়ের তালিকা করুন
আপনার কোন টপিক ভালো লাগে, কোন জনরার বই পড়তে সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, এটার একটা তালিকা তৈরি করে নিন। আপনি যদি টপিক ধরে ধরে বই পড়েন, তাহলে কোন টপিকে কী কী বই আছে সেগুলোর কয়েকটি সংগ্রহ করে দিন। মাসিক, বার্ষিক বই পড়ার অভ্যাস করুন। নিজের সাথে বা অন্যের সাথে চ্যালেঞ্জ নিন, যারা বই পড়ে, তাদের সাথে অনলাইনে বা অফলাইনে যুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
যারা বই পড়েনই না, তারা অন্তত ছোটো ছোটো বই দিয়ে শুরু করতে পারেন। মাসে একটা, সপ্তাহে একটা অতঃপর তিনদিনে একটা। এভাবে আস্তে আস্তে প্ল্যান করুন। দেখবেন, একসময় এতো ব্যস্ততার মধ্যে বিল গেইটসের মতো আপনিও বছরে অন্তত ৫০টি বই পড়তে পারবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
House No:20/8(Rahman Manson), Parbortinagor, Thana Road, Savar, Dhaka Dhaka
Dhaka
1340
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 21:00 |
| Tuesday | 10:00 - 21:00 |
| Wednesday | 09:00 - 21:00 |
| Thursday | 09:00 - 21:00 |
| Friday | 16:00 - 17:00 |
| Saturday | 10:00 - 17:00 |
| Sunday | 10:00 - 21:00 |