RJ Mahbuba
নিজেকে ভালোবাসা টাই সবথেকে বড় চচ্যালেঞ্জ যা তোমাকে নিতেই হবে
29/05/2026
ঈদ কেমন কাটলো সবার আলহামদুলিল্লাহ
26/05/2026
সবাইকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা সবার জীবনে এই দিনটা রহমতে ভরে উঠুক
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবার কোরবানি কবুল করুন
ঈদ মোবারক
#ঈদ
26/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ
21/05/2026
আমি একজন বিবাহিত নারী। আমার স্বামী একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। প্রায় ৫ বছর আগে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। শুরুতে আমি এতে একদমই রাজি ছিলাম না। কিন্তু তিনি এবং তার আশপাশের মানুষ আমাকে নানাভাবে চাপ দেন, মানসিকভাবে বাধ্য করেন, এমনকি আমার ঈমান ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। আমাকে বলা হতো, আমি নাকি অধার্মিক এবং স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে গুনাহ করছি।
তিন সন্তানের কথা ভেবে, অসহায় হয়ে শেষ পর্যন্ত আমি বিষয়টি মেনে নিতে বাধ্য হই। এতটাই নির্মম ছিল পরিস্থিতি যে, দ্বিতীয় বিয়ের সময় আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সবার কাছে বলা হয়েছে, আমিই নাকি আমার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করিয়েছি।
নিজের চোখের সামনে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে দেখা—এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমি সবসময় স্বামীর কথা মেনে চলেছি, তাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবেসেছি, সংসার সামলেছি, তার সকল চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তার মনজুড়ে ছিল শুধু অন্য একজন নারী।
তিনি চাইলে দ্বিতীয় স্ত্রীকে আলাদা বাসায় রাখতে পারতেন। কিন্তু তা না করে ২১ বছরের আমার সাজানো-গোছানো সংসারেই তাকে নিয়ে আসেন।
আমার ১৬ বছরের মেয়ের সামনে তার ২২ বছরের তরুণী স্ত্রীকে নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন—একজন মা এবং স্ত্রী হিসেবে এই অপমান, এই মানসিক যন্ত্রণা আমি প্রতিদিন বয়ে বেড়াচ্ছি।
দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই তিনি আমাদের সন্তানদের প্রতিও উদাসীন হয়ে পড়েন। সন্তানদের খোঁজখবর, প্রয়োজন, অনুভূতি—কিছুই যেন আর তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি সম্পূর্ণভাবে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়েই ব্যস্ত।
এই বিয়েটি হয়েছে পরকীয়া সম্পর্কের মাধ্যমে, নিজের ব্যক্তিগত চাহিদা পূরণের জন্য। অথচ এর নাম দেওয়া হয়েছে “মাসনা”। সমাজের মানুষ তাকে একজন মহৎ, ধার্মিক ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি হিসেবেই দেখে। বাইরে থেকে সবাই মনে করে তিনি দুই স্ত্রী নিয়ে খুব সুখে আছেন।
হ্যাঁ, তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে সুখেই আছেন। তাদের একটি ছেলেসন্তানও হয়েছে।
আমার চোখের সামনেই দেখি, তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে কতটা যত্ন করেন। তার সামান্য অসুস্থতা বা কষ্টেও তিনি অস্থির হয়ে যান। অথচ আমি যখন অসুস্থ হয়ে বিছানায় কাতরাই, তখনও তিনি নির্বিকার; নিজের জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
ভালো খাবার, উপহার, যত্ন—সবকিছুই যেন শুধু দ্বিতীয় স্ত্রীর জন্য। আমার সন্তানদের ভালো-মন্দের খবর রাখার প্রয়োজনও তিনি অনুভব করেন না।
বাইরের মানুষ দেখে বলেন, তিনি ইনসাফ করছেন। কারণ তিনি একজন হুজুর, তাই নাকি দুই-তিনটি বিয়ে করতেই পারেন।
কিন্তু আমার প্রশ্ন—ইনসাফ কি শুধু বাহ্যিক খরচ বা থাকার জায়গা দিয়ে হয়? মানসিক অবহেলা, অপমান, অসম আচরণ, ভীতি প্রদর্শন—এসবের বিচার কে করবে?
আজ আমি শুধু আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাই। নামমাত্র সম্পর্ক টিকিয়ে রেখে তিনি আমাকে আটকে রেখেছেন—টাকা, ক্ষমতা এবং ভয় দেখিয়ে আমার মুখ বন্ধ করে রেখেছেন।
আমি এই দমবন্ধ জীবন থেকে মুক্তি চাই
----------+-------------
21/05/2026
আমার স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে সাত বছর হলো। আমাদের একমাত্র কন্যাসন্তান বর্তমানে ১২ বছরে পা রেখেছে—ধীরে ধীরে সে বড় হয়ে উঠছে। স্ত্রী যখন আমাদের সংসার ছেড়ে চলে যায়, তখন আমার মেয়ের বয়স ছিল খুবই অল্প। সেই ক্ষণে ভেঙে পড়লেও মনের ভেতরে একটুকু আশার আলো জ্বলে ছিল—ভেবেছিলাম হয়তো একদিন সে ফিরে আসবে, বুঝতে পারবে নিজের ভুলগুলো, আর অনুশোচনায় আবার আমাদের সংসারে ফিরবে। কিন্তু না, সে আর ফিরে আসেনি। বরং নতুন সংসার গড়ে তুলেছে, যেখানে এখন দুটি সন্তানও আছে।
আমি নতুন করে বিয়ে করিনি—এর পেছনে বড় কারণ ছিল আমার মেয়ে। ছোট্ট এই শিশুটিকে ফেলে রেখে তার মা চলে যাওয়ার পর থেকে আমার মা আর আমি মিলে তাকে পরম যত্নে বড় করেছি। মনের গভীরে সবসময় একটা ভয় কাজ করত—নতুন কেউ যদি আসে, সে কি আমার সন্তানকে মেনে নেবে? তাকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসবে? যদি আদর-যত্নে কোনো ঘাটতি হয়, তাহলে সেটা আমি সহ্য করতে পারব না—এটাই ছিল আমার দ্বিধা, আমার থেমে থাকার কারণ।
সময় গড়িয়ে চলেছে। আজ আমার মেয়ে মাশাল্লাহ অনেকটাই বড় হয়েছে। আমার মায়ের শারীরিক অবস্থাও আগের মতো নেই। মা এখন প্রায়ই বলেন, আমাকে আবার বিয়ে করতে। অবাক করার মতো বিষয় হলো, আমার মেয়েও এখন চায় আমি একজন জীবনসঙ্গী খুঁজি—যার সঙ্গে আমি ভালো থাকতে পারব, আবার নতুনভাবে জীবন শুরু করতে পারব।
এখন এই চাওয়াগুলো আমার নিজের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে—আমি কি আবার বিয়ে করব? আমি কি এমন একজন মানুষ খুঁজে পাব, যে শুধু আমাকে নয়, আমার সন্তানকেও নিজের মনে করে ভালোবাসবে? যে আমার মায়ের দায়িত্ব নিজের মায়ের মতো নেবে? নতুন করে জীবন শুরু করতে গিয়ে যদি আবার হোঁচট খাই, তাহলে কী হবে?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি...
আপনাদের পরামর্শ চাই—আমি কি সত্যি আবার বিয়ে করার কথা ভাবতে পারি?
21/05/2026
মাঝে মাঝে তোমাকে
এতো বাজে ভাবে মনে পড়ে 😭
মনে হয় দৌড়ে গিয়ে
তোমায় শক্ত করে
ধরে বলি
তোমাকে ছাড়া থাকতে পারছি না......
RJ Mahbuba
21/05/2026
আমার বয়স ৫১ বছর। ২৭ বছরের সাজানো সংসার আমার ভেঙে গেছে। কারণ, আমি একজন অবিবাহিত নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছি। তার বয়স ৩৫ বছর। ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে ছুটতে তিনি আর বিয়ে করেননি। গত ২ বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক।
তিনি দেখতে অত্যন্ত সুন্দরী। আমিও আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত, ধনী ও প্রভাবশালী একজন মানুষ। আমার বড় ছেলের বয়স ২৫ বছর এবং মেয়ের বয়স ২০ বছর।
মূল সমস্যা হলো, আমার প্রথম স্ত্রীর এই অবস্থায় যাওয়ার মতো তেমন কোনো জায়গা নেই। কিন্তু আমার প্রেমিকার চাপে এবং তার কথামতো আমি আমার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছি।
আগামী শুক্রবার আমার দ্বিতীয় বিয়ে। আমার ছেলে-মেয়েরা তাদের মায়ের সঙ্গে চলে গেছে, আর আমি তাদের বাধাও দিইনি।
এখন আমার মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—আমার কাছে কি সত্যিই সন্তান ও প্রথম স্ত্রীর চেয়ে আমার প্রেমিকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
আরেকটি বিষয় আমাকে ভাবাচ্ছে, আমার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের কি আমার সাহায্য করা উচিত? এমনভাবে, যাতে আমার প্রেমিকা বিষয়টি না জানে।
-----------+-----------
19/05/2026
আমি একটা বিষয়ে পরামর্শ চাই।
আশা করি কেউ নেগেটিভ কমেন্ট করবেন না।আমার সেপারেশন হয়েছে ১ বছর আগে।
এরপর আমার জব হয় + একটা ইউনিভার্সিটি
তে এডমিশন নেই মাস্টার্স এর জন্য।
সেখানে একটা ছেলের সাথে পরিচয় হয়,সে আমার ক্লাসমেট। তার সাথে পরিচয় এর পরে তার
জীবনের বিভিন্ন কষ্ট আমার সাথে শেয়ার করতো
,তার জব নেই এসব আমাকে বলতো।
শুনে আমি তাকে বিভিন্নভাবে হেল্প করার চেষ্টা করলাম যেমন জব খুজতে + স্টাডি হেল্প। এরপর ছেলেটা আমাকে প্রপোজ করলো বিয়ের জন্য আমি তখন আমাকে আমার পাস্ট জানাই যে আমার আগে বিয়ে হয়েছিল।
এটা শুনেও সে মেনে নিয়েছিল। আমি সকাল থেকে অফিস করি,অফিস শেষে একটা কোর্স করি।
বাকি দুইদিন মাস্টার্স ক্লাস থাকে।
বাসায় যেতে লেইট হয়।এটা নিয়ে তার অনেক সমস্যা কেনো তাকে সময় দেইনা,আমি নাকি অন্য ছেলেদের নিয়ে ব্যস্ত তাই নাকি তাকে সময় দেইনা।সে চায় সারাক্ষণ তার সাথে চ্যাট করি,প্রতিদিন দেখা করি। এক মিনিট লেইট রিপ্লাই হলেও অনেক আপত্তিকর কথা বলে ক্যারেক্টার নিয়ে। সে মুখে বলেছে আমার পাস্ট মেনে নিয়েছে কিন্তু সে মোটেও মেনে নেয়নি। সারা ক্ষন পাস্ট নিয়ে প্রশ্ন করতে থাকে আর অনেক অপমান করে। কথায় কথায় অভিশাপ দেয়। তার প্রাক্তন প্রেমিকা নাকি তাকে চিট করেছিল এজন্য নাকি সে আমি সাথে এমন করে। এই বিষয় গুলো আমাকে মানসিকভাবে অনেক কষ্ট দিচ্ছে,বের হতে গেলেই বলে যে আমি নাকি আরও বেটার অপশন পেয়ে পালাচ্ছি। আপনারাই বলেন এমন হলে কি করা উচিৎ?
10/05/2026
পৃথিবীর সকল মাকে মা দিবসের শুভেচ্ছা
06/05/2026
পাশে দাঁড়িয়ে ভরসা দেওয়ার লোক নেই। সামনে দাঁড়িয়ে পথ দেখানোর লোক নেই। কিন্তু পেছনে দাঁড়িয়ে সমালোচনা করার লোকের অভাব নেই।
06/05/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Bangladesh
Dhaka