mobileaccessoriesbd.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from mobileaccessoriesbd.com, Mirpur Zoo Road, Dhaka.
07/05/2024
অর্থ: সেই মুমিনদের মধ্যকার কতক লোক এমনও আছে যে,
তাহারা আল্লাহর সহিত যে কথার অঙ্গীকার করিয়াছে, তাহা সত্যে পরিণত করিয়াছে, অতঃপর তাহাদের মধ্যে কতিপয় নিজেদের (শাহাদাতের) মান্নত পূর্ণ করিয়াছে, আর তাহাদের কতক লোক আগ্রহান্বিত রহিয়াছে এবং তাহারা (নিজেদের সঙ্কল্পকে) একটুও পরিবর্তন করে নাই। এই ঘটনাটি এইজন্য ঘটিয়াছিল, যেন আল্লাহ সত্যপরায়ণদিগকে তাহাদের সত্যপরায়ণতার বিনিময় প্রদান করেন এবং মুনাফিকদিগকে ইচ্ছা করিলে শাস্তি প্রদান করিবেন, কিংবা তাহাদিগকে তওবার তওফীক দিবেন, নিঃসন্দেহে আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়। (সূরা আহযাব, আয়াত ২৩-২৪)
07/05/2024
ইহুদী আলেম যায়েদ বিন সা’না এর ইসলাম গ্রহণ।।।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তায়ালা যখন যায়েদ ইবনে সা'নাকে হেদায়াত দান করিতে চাহিলেন তখন যায়েদ ইবনে সু'না আপন মনে ভাবিতে লাগিলেন যে, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা মুবারকের প্রতি প্রথম দৃষ্টিতেই আমি নবুওয়াতের সকল নিদর্শন উহাতে বিদ্যমান পাইয়াছি। কিন্তু দুইটি বিষয় এখনও অবগত হইতে পারি নাই। এক-নবীর ধৈর্য তাঁহার মূর্খতার উপর প্রবল হইবে। দুই-তাঁহার সহিত যতই মূর্খতাপূর্ণ আচরণ করা হইবে ততই তাঁহার ধৈর্য বৃদ্ধি পাইবে।
হযরত যায়েদ ইবনে সা'না (রাঃ) বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুজরা হইতে বাহিরে আসিলেন। তাঁহার সঙ্গে হযরত আলী ইবনে আবি তালেব (রাঃ) ছিলেন। এমন সময় তাঁহার নিকট একজন উষ্ট্রারোহী আসিল। লোকটি দেখিতে বেদুইন মনে হইতেছিল। সে বলিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ। গ্রামে অমুক গোত্রে আমার কিছু সঙ্গী ইসলাম গ্রহণ করিয়াছে। আমি তাহাদিগকে বলিয়াছিলাম যে, ইসলাম গ্রহণ করিলে তাহাদের রিযিক বৃদ্ধি পাইবে। কিন্তু এখন সেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়াছে। মোটেই বৃষ্টি হইতেছে না। ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার আশঙ্কা হইতেছে যে, তাহারা যেমন (রিযিকের) লোভে ইসলাম গ্রহণ করিয়াছে, তেমনি আবার লোভের কারণে ইসলাম হইতে বাহির হইয়া না যায়। আপনি যদি সমীচীন মনে করেন তবে তাহাদের জন্য সাহায্য প্রেরণ করুন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁহার পার্শ্বে দাঁড়ানো ব্যক্তির প্রতি তাকাইলেন। আমার মনে হয় তিনি হযরত আলী (রাঃ) ছিলেন। উক্ত ব্যক্তি (এই দৃষ্টির অর্থ বুঝিতে পারিয়া) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, সেই মালামালের কিছুই তো এখন আর অবশিষ্ট নাই।
হযরত যায়েদ ইবনে সা'না (রাঃ) বলেন, আমি তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটবর্তী হইয়া বলিলাম, হে মুহাম্মাদ, আপনি এখনই নগদ মূল্য গ্রহণ করিয়া অমুকের বাগানের এত পরিমাণ খেজুর এই মেয়াদে পরিশোধের শর্তে আমার নিকট বিক্রয় করিবেন কি? তিনি বলিলেন, অমুকের বাগান বলিয়া কোন বাগান নির্দিষ্ট করিও না। আমি বলিলাম, ঠিক আছে, তাহাই হইবে। অতএব তিনি বিক্রয়ে সম্মত হইলে আমি আমার থলি খুলিয়া আশি মিসকাল স্বর্ণ তাঁহাকে প্রদান করিলাম। তিনি সমস্ত স্বর্ণমুদ্রা আগত সাহায্যপ্রার্থী ব্যক্তিকে দিয়া বলিলেন, ইহা দ্বারা তাহাদের সাহায্য কর এবং তাহাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করিও।
হযরত যায়েদ ইবনে সা'না (রাঃ) বলেন, নির্দিষ্ট মেয়াদের দুই তিন দিন পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন হযরত আবু বকর (রাঃ), হযরত ওমর (রাঃ) ও হযরত ওসমান (রাঃ) সহ অন্যান্য সাহাবাদের সঙ্গে বাহির হইয়া একটি জানাযার নামায পড়াইলেন। নামাযের পর তিনি যখন একটি দেয়ালের পাশে বসিবার জন্য অগ্রসর হইলেন তখন আমি তাঁহার বুকের জামা ও চাদর ধরিয়া অত্যন্ত ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাঁহার প্রতি চাহিলাম এবং বলিলাম, হে মুহাম্মাদ, আপনি কি আমার পাওনা পরিশোধ করিবেন না? খোদার কসম, তোমরা আবদুল মুত্তালিবের বংশ শুধু টালবাহানাই করিতে শিখিয়াছ। তোমাদের সঙ্গে চলিয়া এই ব্যাপারে আমার খুব শিক্ষা হইয়াছে। এমন সময় হযরত ওমর (রাঃ) এর প্রতি আমার দৃষ্টি পড়িতেই লক্ষ্য করিলাম যে, (ক্রোধে) তাহার চক্ষুদ্বয় গোল আকাশের ন্যায় ঘুরপাক খাইতেছে। তিনি আমার প্রতি চোখ পাকাইয়া তাকাইলেন এবং বলিলেন, 'ওরে খোদার দুশমন, তুই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন কথা বলিতেছিস যাহা আমি শুনিতেছি? আর তাঁহার সহিত এমন ব্যবহার করিতেছিস যাহা আমি দেখিতেছি? সেই পাক যাতের কসম, যাহার কুদরতী হাতে আমার প্রাণ, যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিসের আদবের কথা চিন্তা না করিতাম তবে এখনি আমার তলোয়ার দ্বারা তোর গর্দান উড়াইয়া দিতাম।'
অপরদিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত শান্তসৌম্য দৃষ্টিতে আমার প্রতি চাহিয়া রহিলেন এবং (হযরত ওমর (রাঃ) এর কথা শুনিয়া) বলিলেন, হে ওমর। আমার ও তাহার ইহা অপেক্ষা অন্যকিছুর অধিক প্রয়োজন ছিল। আমাকে তুমি উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধের কথা বলিতে এবং তাহাকে সুন্দরভাবে দাবী জানাইতে বলিতে। হে ওমর, তাহাকে লইয়া যাও এবং তাহার পাওনা দিয়া দাও। আর যেহেতু তুমি তাহাকে ভয় দেখাইয়াছ সেইজন্য বিশ সা' খেজুর অতিরিক্ত দিবে।
হযরত যায়েদ (রাঃ) বলেন, হযরত ওমর (রাঃ) আমাকে লইয়া গেলেন এবং আমার পাওনা হক দিবার পর অতিরিক্ত আরো বিশ সা' খেজুর আমাকে দিলেন। আমি বলিলাম, হে ওমর। এই অতিরিক্তগুলি কেন দিলেন? তিনি বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করিয়াছেন যে, আমি যেহেতু তোমাকে ভয় দেখাইয়াছি সেহেতু এই অতিরিক্ত খেজুর যেন প্রদান করি। আমি বলিলাম, হে ওমর। আপনি কি আমাকে চিনিতে পারিতেছেন? হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, না। বলিলাম, আমি যায়েদ ইবনে সা'না। তিনি বলিলেন, ইহুদীদের সেই বড় আলেম? আমি বলিলাম, হাঁ, সেই বড় আলেম। তিনি বলিতেন, (এত বড় আলেম হইয়া) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিত এইরূপ আচরণ কেন করিলে? তাঁহাকে এইরূপ কথা কেন বলিলে? আমি বলিলাম, হে ওমর। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারা মুবারকের প্রতি দৃষ্টি করিয়াই উহার মধ্যে নবুওয়াতের সকল নিদর্শন চিনিতে পারিয়াছি। কিন্তু দুইটি বিষয় সম্পর্কে অবগত হইতে পারি নাই। এক-নবীর ধৈর্য তাঁহার মূর্খতার উপর প্রবল হইবে। দুই-তাঁহার সহিত যতই মূর্খতাপূর্ণ আচরণ করা হইবে ততই তাঁহার ধৈর্য বৃদ্ধি পাইবে। আর এই দুইটাই আমি এখন পরীক্ষা করিয়া লইয়াছি। হে ওমর, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখিয়া বলিতেছি যে, আমি রব্ব হিসাবে আল্লাহর উপর, দ্বীন হিসাবে ইসলামের উপর এবং নবী হিসাবে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর সন্তুষ্ট হইয়া গেলাম। আর আমি আপনাকে সাক্ষী রাখিয়া বলিতেছি যে, আমি মদীনায় সর্বাপেক্ষা ধনী ব্যক্তি। সুতরাং আমার অর্ধেক মাল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমগ্র উম্মতের জন্য দান করিয়া দিলাম। হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, সমগ্র উম্মতের পরিবর্তে উম্মতের কিছু অংশের জন্য বল, কারণ তোমার জন্য সমগ্র উম্মতকে দেওয়া সম্ভব নয়। আমি বলিলাম, ঠিক আছে, উম্মতের কিছু অংশের জন্য দান করিলাম।
অতঃপর হযরত ওমর ও হযরত যায়েদ (রাঃ) সেখান হইতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে আসিলেন, হযরত যায়েদ (রাঃ) খেদমতে উপস্থিত হইয়াই বলিয়া উঠিলেন, 'আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।'
তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ঈমান আনিলেন, তাঁহাকে সত্য নবী বলিয়া স্বীকার করিলেন এবং তাঁহার হাতে বাইআত হইলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিত বহু জেহাদে অংশগ্রহণ করিয়াছেন। অবশেষে তবুকের যুদ্ধে ফিরিবার পথে নহে বরং অগ্রসর হইবার কালে তিনি ইন্তেকাল করেন। 'আল্লাহ তায়ালা হযরত যায়েদের প্রতি রহমত নাযিল করুন।'
(তাবারানী)
(হায়াতুস সাহাবা ১ম খন্ড)
29/08/2021
বিচ্ছেদের পর যারা ছেড়ে চলে যায় তারা আর ফিরে আসে না,, এই নিয়ম ভেঙে নতুন নিয়ম গড়ে তোলা যায় না,,,।
কোন সম্পর্কের বিচ্ছেদ হবে না,, কেউ কাউকে ছেড়ে যেতে পারবে না,, কোন মানুষ আর কষ্ট পেত না,,,।
কেউ কাউকে কাঁদাতে পারবে না বিধান হবে যদি ভালোবাসো তবে ছেড়ে যেতে পারবে না,,,।
আর যদি ছেড়ে যাবে ভাবো তবে ভালোবাসি বলবে না,, কারণ ভালোবাসা ছেড়ে যাওয়ার জন্য নয়,,,।
আগলে রাখার জন্য ভালোবাসতে হয়,,যারা ছেড়ে যায় তারা ভালোবাসতে আসে না,, শুধু সময় কাটাতে আসে,,,।
মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাশে আসা মানুষ গুলো সবার আগে হারিয়ে যায়,,।
বিচ্ছেদের পর যখন তোমাকে ফিরে পাওয়া অপেক্ষা করছি তখন তুমি বুঝিয়ে দিলে না তুমি আমার ছিলে আর না কখনো আমার হবে,,,,।
তোমার সেই চলে যাওয়ার ক্ষণে হৃদয়ে যে দীর্ঘশ্বাসের ঝড় উঠেছিলো তা আমি কাউকে দেখাতে বা বোঝাতে পারিনি,, নিঃস্বাস নিতে দিচ্ছিলো না আমাকে মনে হয়েছিল দমটা আটকে যাবে,,।
কিন্তু না দম আটকে যায়নি বেঁচে আছি আমি,, তবে দীর্ঘশ্বাস গুলো খুব ভারী হয়েছে যা শান্তি দেয় না আমায়।।
#অনি
29/05/2017
Product Name: Ring
Code: bz
Price: 75 Taka . Discount price 😃
Shipping: 50 Taka anywhere in Dhaka, and 100 Taka out of Dhaka.
Contact: 01674617246, 01927536153
For More Info inbox us
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Mirpur Zoo Road
Dhaka
1216