Daily Islam
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daily Islam, Writer, Dhaka.
06/02/2026
Al-Isra' ১৭:২
وَاٰتَيْنَا مُوْسَي الْكِتٰبَ وَجَعَلْنٰهُ هُدًي لِّبَـنِيْۤ اِسْرَآءِيْلَ اَلَّا تَتَّخِذُوْا مِنْ دُوْنِيْ وَكِيْلًا ؕ
জাতিসঙ্গ কে,... যার কাছে তোমরা বিচার চাই
আর আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং তা বনী ইসরাঈলের জন্য পথনির্দেশ বানিয়েছি। যেন তোমরা আমাকে ছাড়া কোন কর্মবিধায়ক না বানাও।
Bangla - Tafsir Ibn Kathir
Please check ayah 17:3
10/09/2025
আর ইয়াহুদীরা বলে, ‘উযাইর আল্লাহর পুত্র’ এবং খ্রিষ্টানরা বলে, ‘মসীহ আল্লাহর পুত্র।’ এটা তাদের মুখের কথা মাত্র (বাস্তবে তা কিছুই নয়)। তারা তো তাদের মতই কথা বলছে, যারা তাদের পূর্বে অবিশ্বাস করেছে। আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন, তারা উল্টা কোন্ দিকে যাচ্ছে!
আর আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই অবিশ্বাসী (কাফের)।[৬]
নিশ্চয় আমি তাওরাত অবতীর্ণ করেছিলাম, ওতে ছিল পথনির্দেশ ও আলো। আল্লাহর অনুগত নবীগণ,[১] রাব্বানী (আল্লাহ-ভক্ত)গণ এবং পন্ডিতগণও ইয়াহুদীদেরকে[২] তদনুসারে বিধান দিত, কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল[৩] এবং তারা ছিল ওর (সত্যতার) সাক্ষী।[৪] সুতরাং তোমরা মানুষকে ভয় করো না, আমাকেই ভয় কর এবং আমার আয়াত নগণ্য মূল্যে বিক্রয় করো না।[৫] আর আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই অবিশ্বাসী (কাফের)।[৬]
আমরা কি বনি ইসরাইলের মত নিজেদের উপরে নিজেরাই জুলুম করতে যাচ্ছি...
যেভাবে তারা গাভী কোরবানি নিয়ে করেছিল...
আমরাও কী...?
আল্লাহু-আকবার
আলহামদুলিল্লাহ
আস্তাগফিরুল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
কোনো মানুষকে “রব” বানানো মানে তাকে সিজদা করা নয়, বরং আল্লাহর বিধানকে বাদ দিয়ে তার কথাকে মানা।
হালাল-হারামের ব্যাপারে মানুষের কথা মানা
* আল্লাহ যা হারাম করেছেন (যেমন সুদ, জিনা, মদ), মানুষ যদি বলে “এগুলো আজকের যুগে দরকার”, আর কেউ যদি তাদের সেই কথাকে আল্লাহর হুকুম বাদ দিয়ে মানে — তবে এটি সেই পুরনো ভুলের পুনরাবৃত্তি।
মানুষের বানানো আইনকে আল্লাহর আইনের উপরে রাখা
আল্লাহ কুরআনে সম্পূর্ণ শরীয়াহ দিয়েছেন। কিন্তু অনেকে মানুষের তৈরি আইনকে আল্লাহর বিধানের চেয়ে বড় মনে করে, এবং আল্লাহর বিধানকে অবহেলা করে। এটি “রাহিব/আলেমকে রব বানানো”-র মতো।
আন্ধ blindly following religious leaders
* আল্লাহর বাণীর বিপরীতে যদি কোনো নেতা, পীর, গুরু, বা আলেম কিছু বলে এবং মানুষ সেটাই মানে, অথচ জানে এটি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী— তবে সেটি “রব বানানো”।
সংস্কৃতি বা সমাজকে আল্লাহর বিধানের উপরে রাখা
অনেকে বলে: “সমাজ কী বলবে?” বা “এটা আমাদের কালচার”, এমনকি সেটা যদি আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধে হয়। তখন বাস্তবে তারা সমাজকে “রব” বানায়।
আল্লাহ বলেছেন: সুদ খাওয়া হারাম
কিন্তু ব্যাংক বা মানুষ বলছে: “সুদ ছাড়া ব্যবসা চলবে না।” কেউ যদি আল্লাহর কথার চেয়ে তাদের কথাকে মানে → বাস্তবে সে তাদেরকে রব বানালো।
আল্লাহ বলেছেন: নারীর জন্য হিজাব ফরজ
সমাজ বলছে: “এটা সেকেলে।” কেউ যদি সমাজের কথাকে আল্লাহর আদেশের উপরে রাখে → এটাও একই ভুল।
আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন: মৃত্যুর পর কবরের কাছে গিয়ে কিছু চাওয়া শিরক**।
কিন্তু কেউ যদি বলে: “আমার পীর সাহেব এটা বৈধ করেছেন”, এবং সেটাই মেনে চলে → তখন সেই পীরকে আল্লাহর সমকক্ষ বানানো হলো।
নাউজুবিল্লাহ মিন...
ইবাদত শুধু নামাজ, রোজা নয়— বরং আল্লাহর আদেশকে মানাই আসল ইবাদত।
আল্লাহ ছাড়া আর কেউ হালাল-হারাম ঠিক করার অধিকার রাখে না।
আজকের যুগে “রব বানানো” মানে হলো
মানুষের আইন, সমাজ, নেতা বা সংস্কৃতিকে আল্লাহর চেয়ে বড় মনে করা
Helen Reza Sbtking
আর আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই অবিশ্বাসী (কাফের)।[৬]
নিশ্চয় আমি তাওরাত অবতীর্ণ করেছিলাম, ওতে ছিল পথনির্দেশ ও আলো। আল্লাহর অনুগত নবীগণ,[১] রাব্বানী (আল্লাহ-ভক্ত)গণ এবং পন্ডিতগণও ইয়াহুদীদেরকে[২] তদনুসারে বিধান দিত, কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল[৩] এবং তারা ছিল ওর (সত্যতার) সাক্ষী।[৪] সুতরাং তোমরা মানুষকে ভয় করো না, আমাকেই ভয় কর এবং আমার আয়াত নগণ্য মূল্যে বিক্রয় করো না।[৫] আর আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই অবিশ্বাসী (কাফের)।[৬]
আমরা কি বনি ইসরাইলের মত নিজেদের উপরে নিজেরাই জুলুম করতে যাচ্ছি...
যেভাবে তারা গাভী কোরবানি নিয়ে করেছিল...
আমরাও কী...?
আল্লাহু-আকবার
আলহামদুলিল্লাহ
আস্তাগফিরুল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ
কোনো মানুষকে “রব” বানানো মানে তাকে সিজদা করা নয়, বরং আল্লাহর বিধানকে বাদ দিয়ে তার কথাকে মানা।
হালাল-হারামের ব্যাপারে মানুষের কথা মানা
* আল্লাহ যা হারাম করেছেন (যেমন সুদ, জিনা, মদ), মানুষ যদি বলে “এগুলো আজকের যুগে দরকার”, আর কেউ যদি তাদের সেই কথাকে আল্লাহর হুকুম বাদ দিয়ে মানে — তবে এটি সেই পুরনো ভুলের পুনরাবৃত্তি।
মানুষের বানানো আইনকে আল্লাহর আইনের উপরে রাখা
আল্লাহ কুরআনে সম্পূর্ণ শরীয়াহ দিয়েছেন। কিন্তু অনেকে মানুষের তৈরি আইনকে আল্লাহর বিধানের চেয়ে বড় মনে করে, এবং আল্লাহর বিধানকে অবহেলা করে। এটি “রাহিব/আলেমকে রব বানানো”-র মতো।
আন্ধ blindly following religious leaders
* আল্লাহর বাণীর বিপরীতে যদি কোনো নেতা, পীর, গুরু, বা আলেম কিছু বলে এবং মানুষ সেটাই মানে, অথচ জানে এটি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী— তবে সেটি “রব বানানো”।
সংস্কৃতি বা সমাজকে আল্লাহর বিধানের উপরে রাখা
অনেকে বলে: “সমাজ কী বলবে?” বা “এটা আমাদের কালচার”, এমনকি সেটা যদি আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধে হয়। তখন বাস্তবে তারা সমাজকে “রব” বানায়।
আল্লাহ বলেছেন: সুদ খাওয়া হারাম
কিন্তু ব্যাংক বা মানুষ বলছে: “সুদ ছাড়া ব্যবসা চলবে না।” কেউ যদি আল্লাহর কথার চেয়ে তাদের কথাকে মানে → বাস্তবে সে তাদেরকে রব বানালো।
আল্লাহ বলেছেন: নারীর জন্য হিজাব ফরজ
সমাজ বলছে: “এটা সেকেলে।” কেউ যদি সমাজের কথাকে আল্লাহর আদেশের উপরে রাখে → এটাও একই ভুল।
আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন: মৃত্যুর পর কবরের কাছে গিয়ে কিছু চাওয়া শিরক**।
কিন্তু কেউ যদি বলে: “আমার পীর সাহেব এটা বৈধ করেছেন”, এবং সেটাই মেনে চলে → তখন সেই পীরকে আল্লাহর সমকক্ষ বানানো হলো।
নাউজুবিল্লাহ মিন...
ইবাদত শুধু নামাজ, রোজা নয়— বরং আল্লাহর আদেশকে মানাই আসল ইবাদত।
আল্লাহ ছাড়া আর কেউ হালাল-হারাম ঠিক করার অধিকার রাখে না।
আজকের যুগে “রব বানানো” মানে হলো
মানুষের আইন, সমাজ, নেতা বা সংস্কৃতিকে আল্লাহর চেয়ে বড় মনে করা
সূরা আল-ফাতিহা : আয়াত ৭
صِرَاطَ الَّذِيْنَ اَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّآلِّيْنَ
সিরাতাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম, গায়রিল-মাগদূবি ‘আলাইহিম, ওয়ালা দ্বাল্লীন
“তাদের পথ, যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ করেছো; তাদের পথ নয়, যাদের ওপর তোমার গজব নেমেছে, কিংবা যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।”
এখানে বান্দা বলছে,
“হে আল্লাহ! তুমি যাদের সঠিক পথ দেখিয়েছো এবং সন্তুষ্ট থেকেছো — আমি সেই পথ চাই। আমি চাই না এমন কারো পথে চলতে যারা তোমার গজবে পড়েছে, কিংবা যারা বিভ্রান্ত হয়ে গেছে।”
১. “যাদের প্রতি তুমি অনুগ্রহ করেছো”:
“যারা নবী, সিদ্দিক, শহীদ ও সৎকর্মশীল — তারাই আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্ত।”
সূত্র: সূরা আন-নিসা 4:69
২. “যাদের ওপর গজব হয়েছে”:
• অধিকাংশ তাফসীরকার বলেন, এটি মূলত ইহুদিদের নির্দেশ করে,
যারা জেনে বুঝে সত্য লুকিয়েছে, বিকৃত করেছে।
৩. “পথভ্রষ্টরা”:
• অধিকাংশ তাফসীরকার বলেন, এটি মূলত খ্রিস্টানদের বোঝায়,
যারা আন্তরিক হলেও সঠিক জ্ঞান ও পথনির্দেশনা ছাড়া ভুল পথে চলেছে।
তবে এটি কেবল ঐ জাতিগুলোকেই নয়, বরং যে কেউ এই গুনাগুলো ধারণ করে —
অর্থাৎ গজবের কারণ সৃষ্টি করে বা বিভ্রান্তির পথে চলে — তারা এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত।
১. রাসুল (সা.) স্পষ্ট করে বলেছেন:
“আল্লাহর অনুগ্রহপ্রাপ্তরা হলেন — নবী, সিদ্দিক, শহীদ এবং সৎকর্মশীলরা।”
সূত্র: তিরমিযি: 3025, হাদীসটি হাসান।
২. তাফসীর ইবন কাসীর (সূরা ফাতিহা) এ বলা হয়েছে:
• “মাগদুব” অর্থ—যারা জেনে-শুনে সত্য প্রত্যাখ্যান করে।
• “দ্বাল্লীন” অর্থ—যারা অজ্ঞতার কারণে ভুল পথে চলে।
১. সত্যের পথই একমাত্র রক্ষা ও জান্নাতের পথ।
২. সত্য জানার পর তা অনুসরণ না করলে গজব নেমে আসে।
৩. অজ্ঞতা বা না জেনে ভুল পথে চলাও ধ্বংসের কারণ।
৪. জীবনের প্রতিটি নামাজে আমরা এই দুআ করি — যাতে আল্লাহ আমাদের শুধু সঠিক পথে রাখেন।
এই আয়াতের মাধ্যমে একজন মুসলিম আল্লাহর কাছে প্রতিদিন বার বার এই দুআ করে:
“হে আল্লাহ! আমাকে তাদের সাথী করো যাদের তুমি ভালোবাসো,
যাদের তুমি পথ দেখিয়েছো —
এবং আমাকে রক্ষা করো তাদের পথ থেকে যারা তোমার গজবে পড়েছে বা বিভ্রান্ত হয়েছে।”
সূরা আল-ফাতিহা ১:৫
اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَاِيَّاكَ نَسْتَعِيْنُ
ইইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইইয়্যাকা নাস্তা'ইন
“আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।”
اِيَّاكَ (ইইয়্যাকা)
• শুধু তোমাকেই — এই শব্দটি বাক্যের শুরুতে এনে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
• ইবাদত এবং সাহায্য — শুধু আল্লাহরই জন্য, তা স্পষ্ট করা হয়েছে।
نَعْبُدُ (না'বুদু)
• আমরা ইবাদত করি — ইবাদতের মানে শুধু সালাত নয়, বরং:
• নামাজ, রোজা, হজ, দুআ
• জীবন চলার সব ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মানা।
نَسْتَعِيْنُ (নাস্তা'ইন)
• আমরা সাহায্য চাই — সব কাজে, দুনিয়া ও আখিরাতে, আমরা শুধু আল্লাহর ওপর নির্ভর করি।
এই আয়াতের মূল বার্তা:
১. তাওহীদ — একমাত্র আল্লাহর ইবাদতই মুসলিম জীবনের মূল।
২. তাওক্কুল — একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা।
৩. দুআ ও ইবাদতের বিশুদ্ধতা — অন্য কারো কাছে সাহায্য চাওয়া (যদি তা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া হয়) তা শিরক।
১. একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো
وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ
“তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা যেন কেবল তাঁরই ইবাদত কর।”
সূত্র: সূরা বনি ইসরাইল 17:23
২. সাহায্য চাওয়ার অধিকার শুধু আল্লাহর
إِن تَسْتَفْتِحُوا فَقَدْ جَاءَكُمُ الْفَتْحُ ۖ وَإِن تَنتَهُوا فَهُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ
এবং
إِيَّاهُ نَسْتَعِينُ — (তাঁকেই আমরা সাহায্য চাই) — সূরা আল-ফাতিহার কেন্দ্রীয় অংশ।
১. ইবাদত মানে কি? নবী (সা.) ব্যাখ্যা করেন
“ইবাদত শব্দটি অনেক অর্থবোধক: নামাজ, রোজা, দুআ, ভালো কাজ, গুনাহ থেকে বিরত থাকা — সবই ইবাদত।”
সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস: 223; সহিহ বুখারী, হাদিস: 8
২. দুআ নিজেই ইবাদত
الدُّعَاءُ هُوَ الْعِبَادَةُ
“দুআ-ই হলো ইবাদত।”
সূত্র:
• সুনান আবু দাউদ, হাদীস: 1479
• সুনান তিরমিযি, হাদীস: 2969 – হাদিসটি হাসান সহীহ
৩. সহীহ দুআ: শুধু আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও
“যখন তুমি চাইবে, আল্লাহর কাছেই চাও। যখন সাহায্য চাও, আল্লাহর কাছেই চাও।”
সূত্র:
• তিরমিযি, হাদীস: 2516 — হাসান সহীহ
• ইমাম নববীর ৪০ হাদীসের সংকলনেও আছে
• ইবাদতের একমাত্র হকদার আল্লাহ।
• সব রকম সাহায্য, রক্ষা, দিকনির্দেশনা — শুধুই আল্লাহর নিকট চাওয়া উচিত।
• এই আয়াত মুসলিম জীবনের মূলনীতি — তাওহীদ, ইবাদত, তাওক্কুল।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the public figure
Telephone
Address
Dhaka
7221