Easy Life Solutions

Easy Life Solutions

Share

We always try to discuss about law & law related matter.

31/03/2023

অনলাইন বা ই-কমার্স ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি হবে “আইটি ব্যবসা”

ফ্রিল্যান্সিং / অনলাইন বা ই কমার্স (E-commerce) ব্যবসার জন্য ট্রেড-লাইসেন্স অবশ্যই করতে হবে। তবে, আপনি যদি অস্থায়ীভাবে কিছুদিনের জন্য ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুক-এ অনলাইন ব্যবসা করতে চান সেক্ষেত্রে, লাইসেন্স না করেও ব্যবসা করে যেতে পারবেন।
কিন্তু, লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ভেন্ডর থেকে পণ্য নিতে, কোন ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য হতে এবং ব্যাংক লোণ পেতে সমস্যা হতে পারে। অনলাইন বা ই-কমার্স ব্যবসার লাইসেন্স “আইটি ব্যবসা” ক্যাটাগরিতে করতে হবে। অন্য কোন ক্যাটাগরিতে License করতে চাইলে তা গেজেটে বর্ণীত ক্যাটাগরি তালিকায় আছে কিনা এবং আপনার ব্যবসার সাথে কতোটুকু সম্পৃক্ত, তা ভালভাবে যাচাই করে নিবেন। অনলাইন বা ই-কমার্স ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি হবে “আইটি ব্যবসা”– ক্যাটাগরি তালিকায় ক্রমিক নং ২৫৩ দেখুন।
ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়মাবলী না জানার কারণে প্রায়শঃ সকলকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই আজকের এই লেখাতে দেখাবো ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কিভাবে এটি করতে হয়?
**প্রয়োজনীয় কাগজপত্র** "𝐓𝐡𝐞 𝐫𝐞𝐪𝐮𝐢𝐫𝐞𝐝 𝐝𝐨𝐜𝐮𝐦𝐞𝐧𝐭𝐬"
ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী কাগজপত্র জমা দিতে হয় তার একটি তালিকা নিম্নে তুলে ধরা হলো-
ক) সাধারণ ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (𝐈𝐧 𝐜𝐚𝐬𝐞 𝐨𝐟 𝐠𝐞𝐧𝐞𝐫𝐚𝐥 𝐛𝐮𝐬𝐢𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐭𝐫𝐚𝐝𝐞 𝐥𝐢𝐜𝐞𝐧𝐬𝐞)
১. নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
২. ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর স্থান ব্যক্তিগত হলে সিটি কর্পোরেশনের হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়ায় হলে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ভাড়ার চুক্তিপত্রে সত্যায়িত ফটোকপি।
৩. আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪. ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে।
খ) ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (𝐈𝐧 𝐜𝐚𝐬𝐞 𝐨𝐟 𝐅𝐚𝐜𝐭𝐨𝐫𝐲 𝐓𝐫𝐚𝐝𝐞 𝐋𝐢𝐜𝐞𝐧𝐬𝐞)
১) পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের কপি।
২) প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পার্শ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/লোকেশন ম্যাপ।
৩) প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা।
৪) ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র।
গ) সিএনজি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থ ব্যবসার ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র
ঘ) ক্লিনিক/প্রাইভেট হাসপাতালের ক্ষেত্রে ডিরেক্টর জেনারেল– স্বাস্থ্য, কর্তৃক অনুমতিপত্র
ঙ) লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল অথবা সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন
চ) প্রিন্টিং প্রেস এবং আবাসিক হোটেল এর ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনার, কর্তৃক অনুমতিপত্র
ছ) রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে মানব সম্পদ রপ্তানী ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স
জ) অস্ত্র ও গোলা-বারুদ এর ক্ষেত্রে অস্ত্রের লাইসেন্স
ঝ) ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি
ট) ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি।
**ঢাকায় কিভাবে আবেদন করবেন**
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দুটি ভাগে বিভক্ত। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন। প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন আবার ৫টি করে আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলে পড়েছে, আপনাকে ওই অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস থেকে ট্রেড-লাইসেন্সটি (Trade License) সংগ্রহ করতে হবে।

আইটি ক্যাটাগরি ছাড়াও আপনি কোন কোন ক্যাটাগরিতে ব্যাবসা করতে চান,তার খরচ কতো(গভ ফি+বুক,সাইবোর্ড),ইত্যাদি বিস্তারিত জানতে কমেন্ট করুন অথবা যোগাযোগ করুন নিচের দেওয়া নম্বরে
𝐂𝐨𝐧𝐭𝐚𝐜𝐭 𝐔𝐒,
Call for Free Consultation: 01747-482517
Call +8801747-482517 (WhatsApp, or Viber)

Whatsapp:https://wa.me/c/8801747482517

📌 G-5, bti Centara Grand, 144. 144/1 Green Road, Dhaka-1215, Bangladesh.

23/01/2023

কোন জায়গা থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়?

ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করে স্থানীয় সরকার, যথা: সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা পরিষদ , ইউনিয়ন পরিষদ এ আবেদন করতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স এর প্রকারভেদঃ
ট্রেড লাইসেন্স সাধারণত দুই প্রকার ।
১. সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স।
২. ফ্যাক্টরী বা শিল্প প্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স।

কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়?

১. নির্ধারিত আবেদন ফরমে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়ে। নিজ এলাকার অবস্থান বুঝে উদ্যোক্তাকে (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে।)

২. আবেদনপত্র পূরণ করে আবেদনপত্রের সাথে উদ্যোক্তাকে কিছু কাগজপত্র জমা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভিন্নতা হতে পারে।

৩. আবেদনপত্রে সরবরাহকৃত তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর লাইসেন্সিং সুপারভাইজার ব্যবসার ঠিকানায় সরেজমিনে পরিদর্শনে যান।


৪. লাইসেন্সিং সুপারভাইজার পরিদর্শনে সন্তুষ্ঠ হলো, উদ্যোক্তাকে নির্ধারিত লাইসেন্স ফি জমা প্রদানপূর্বক ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারেন। ব্যবসার ধরণভেদে ট্রেড লাইসেন্স ফি বিভিন্ন রকম হতে পারে।

আরো বিস্তারিত জানতে Legal Problem Solution আছে আপনার পাশে।


যোগাযোগঃ 01747-482517

20/01/2023

ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কেন প্রয়োজন ?

ট্রেড লাইসেন্স বলতে মুলত ব্যবসার অনুমতিপত্র বুঝায়। ট্রেড লাইসেন্স হচ্ছে সরকার থেকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানের ক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট ভৌগলিক এলাকায় ব্যবসা করার অনুমতিপত্র।

বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্স সাধারণত স্হানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ প্রদান করে থাকে। এ হিসেবে বাংলাদেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টেড লাইসেন্স তৈরি করা যায়।

ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স। আমাদের দেশে এমন অনেক উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন।কিন্তুু এটা সম্পুর্ণ আইন বিরোধী।
অনেকেই ছোট বড় যে কোন ব্যবসা বা অনলাইন পেইজের মাধ্যমে সেল করছেন? ট্রেড লাইসেন্স কি করেছেন? যদি না করে থাকেন, তাহলে করে ফেলাই ভালো।

কারণ ট্রেড লাইসেন্স ভবিষ্যতে আপনার ব্যবসায় অনেক কাজে লাগবে। আসুন তাহলে জেনে নেই যে কোন কোন কাজে আপনার ট্রেড লাইসেন্স জরুরী-

ব্যাংকে বিজনেস একাউন্ট করতে ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন।
আপনি যখন কুরিয়ার সার্ভিস এর সাথে চুক্তি করতে যাবেন ট্রেড লাইসেন্স অবশ্যই দরকার হবে।

সরকারি/ অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন চুক্তি সই করতে ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন হবে।

ট্রেড লাইসেন্স করার সময়ঃ
সাধারণত জুলাই ১ তারিখ থেকে জুনের ৩০ তারিখ পর্যন্ত অর্থ বছর, এই সময়ের মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স কর‍তে হয়।কেননা যদি আপনি জানুয়ারিতেও করেন, তাহলেও জুলাই পরবর্তি সময়ে তা রিনিউ করতে হবে।

আপনার ব্যবসা যদি দুটি থাকে এবং তার ধরন যদি আলাদা থাকে সেক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স আলাদা করতে পারেন অথবা একই ট্রেড লাইসেন্সে দুটোই উল্লেখ করতে হবে। আবার অনলাইন পেজের ক্ষেত্রে আপনার দুটো পেজ থাকলে ট্রেড লাইসেন্স একটা করলে হবে। অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে ট্রেড লাইসেন্স করলে কি ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে?

এর উত্তর হলো হ্যাঁ, ট্রেড লাইসেন্স থাকলে আপনাকে ইনকাম ট্যাক্স ফাইল ওপেন করতে হবে। অর্থাৎ ই টিআইএন নিতে হবে। বিজনেস এ যে লাভ থাকে তা থেকে ট্যাক্স দিতে হয়। সেক্ষেত্রে ৩.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নারী উদ্যোক্তাদের ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয় না।
আর ছেলেদের বা পুরুষদের জন্য ৩ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার অধিক হলে ট্যাক্স দিতে হয়।

এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স ব্যক্তির নামে নয়, বরং উদ্যোগ/প্রতিষ্ঠানের নামে হয়ে থাকে। মনে রাখা ভালো, ট্রেড লাইসেন্স এ স্বত্ত্বাধিকারী হিসেবে যার নাম থাকে সেই ব্যবসার মালিক।

ট্রেড লাইসেন্স বৈধ ব্যবসায়ী হিসেবে একজন ব্যবসায়ীকে স্বীকৃতি প্রদান করে থাকে।

যোগাযোগঃ 01747-482517

14/01/2023

কোন জায়গা থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়?

ট্রেড লাইসেন্স প্রদান করে স্থানীয় সরকার, যথা: সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা পরিষদ , ইউনিয়ন পরিষদ এ আবেদন করতে হবে।

ট্রেড লাইসেন্স এর প্রকারভেদঃ
ট্রেড লাইসেন্স সাধারণত দুই প্রকার ।
১. সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স।
২. ফ্যাক্টরী বা শিল্প প্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স।

কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয়?

১. নির্ধারিত আবেদন ফরমে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়ে। নিজ এলাকার অবস্থান বুঝে উদ্যোক্তাকে (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে।)

২. আবেদনপত্র পূরণ করে আবেদনপত্রের সাথে উদ্যোক্তাকে কিছু কাগজপত্র জমা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভিন্নতা হতে পারে।

৩. আবেদনপত্রে সরবরাহকৃত তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর লাইসেন্সিং সুপারভাইজার ব্যবসার ঠিকানায় সরেজমিনে পরিদর্শনে যান।


৪. লাইসেন্সিং সুপারভাইজার পরিদর্শনে সন্তুষ্ঠ হলো, উদ্যোক্তাকে নির্ধারিত লাইসেন্স ফি জমা প্রদানপূর্বক ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারেন। ব্যবসার ধরণভেদে ট্রেড লাইসেন্স ফি বিভিন্ন রকম হতে পারে।

অনেক উদ্যোক্তাই প্রশ্ন করে আমি একটা ই-ট্রেড লাইসেন্স করতে চাইঃ
অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমেও ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা যায়। যাহাকে ই-ট্রেড লাইসেন্স বলে। তবে এই সেবাটি শুধুমাত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অধীনে প্রাপ্য ট্রেড লাইসেন্সধারীদের জন্য প্রযোজ্য। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ধীরে ধীরে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী ই-ট্রেড লাইসেন্স সেবা চালু হবে।

প্রথমেই দেখে নেই, সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স এবং ফ্যাক্টরী বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য যেসকল কাগজপত্র একজন উদ্যোক্তার প্রয়োজন হবেঃ

🔹জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
🔹 সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
🔹 ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থান নিজের হলে ইউনিয়ন পরিষদ /পৌরসভা /সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স এর রশিদ।
🔹 ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থান ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিপত্র এবং জমা রশিদ।
🔹 ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে পার্টনারশিপ ডিড/অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হবে।
🔹 কোম্পানি ব্যবসার ক্ষেত্রে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন জমা দিতে হবে।
🔹 পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের কপি।
🔹 প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র।
🔹 ফ্যাক্টরি/কারখানার পার্শ্ববর্তি অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা।
🔹 অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।
🔹 সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার এর নিয়ম-কানুন মেনে চলার অঙ্গিকারনামা- ১৫০/৩০০ টাকারজুডিশিয়ার স্ট্যাম্প এ স্বাক্ষরিত।
🔹ক্লিনিক অথবা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে – স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন।
🔹 ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে – ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি।
🔹রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে – মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স।
🔹 অস্ত্র ও গোলাবারুদের ক্ষেত্রে – অস্ত্রের লাইসেন্স।
🔹ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে – ড্রাগ লাইসেন্সের কপি।
🔹ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে – সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি।


যোগাযোগঃ 01747-482517

01/01/2023

ট্রেড লাইসেন্স করতে কেমন খরচ হয়?

একেক ধরনের ট্রেড লাইসেন্স করতে একেক রকমে খরচ হয়। লাইসেন্সর ধরন ও কোন স্থানে লাইসেন্স করছেন তার উপর ভিত্তি ট্রেড লাইসেন্সের খরচ নির্ভর করে।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন থেকে কোন এক ধরনের ব্যবসা করলে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে সাধারণত ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। তবে কেউ যদি এক নামে একাধিক ধরনের ব্যবসা করতে চায় তবে ধারণ অনুসারে খরচ সংযুক্ত হবে। তবে কেউ যদি কোম্পানি খোলে তবে সে সকল ধরনের ব্যবসা এক লাইসেন্সের অধীনেই স্বল্প খরচে করতে পারবে।

যে কোন ধরনের কোম্পানি করতে আমাদের সাথে যোগযোগ করতে পারেন, দেখুন,

Contract: 01747-482517

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Dhaka
1209