Webtechbd-IT
You can get 100% satisfaction our services. Reagerds:
Webtechbd
বোকারা বড় লেখা পড়তে চায় নাহ, কিন্তু বুদ্ধিমানরা বড় লেখার মাঝেই রহস্য খূঁজে বেড়ায়?
আপনার এটিটিউড যেমনই হোক না কেনো- যদি এই লেখা গুলো পড়ার পরে আপনার এটিটিউড পরিবর্তন না হয়, তাহলে- আপনি কমেন্টে আমাকে কিছু বলে দিয়েন!!
এটিটিউড ২রকমের হয়।
একটি হলো- winer attitude আরেকটি হলো- Loosers attitude
স্টিভ জবস ও তার টিম যখন i-phone তৈরি করছিলেন তখন তারা একটি মোবাইল তৈরি করেন যা সাইজে একটু বড় ছিলো। এটা দেখার পর স্টিভ জবস বলেন- এটাকে আরো ছোটো ও পাতলা করতে। আর তখন টিমের বাকি সবাই বলে- তারা এই মোবাইলকে এর থেকে বেশি পাতলা করতে পারবে নাহ। এরপর স্টিভ জবস পাশে থাকা একটা একুরিয়ামের মধ্যে মোবাইলটা ফেলে দেয় আর সেখান থেকে কিছু বুদ বুদ বের হয়ে আসে!!
আর তখন স্টিভ জবস তার টিমের সবাইকে বলে-
যদি এই ফোনে বাতাসের জন্য জায়গা থাকতে পারে তাহলে এর অর্থ হলো- আমরা একে আরো পাতলা করতে পারি!!
আর এটাই হলো উইনার এটিটিউড। এটা জন্ম থেকে আসে নাহ।এটাকে নিজের মধ্যে ডেভলব করতে হয়। উইনার এটিটিউডের মানুষগুলো সবকিছুকে আলাদা চোখে দেখে।তাই যেখানে সবাই সমস্যা দেখতে পায়, সেখানে এরা সুযোগ খুজে পায়!!
একটি লোক ছিলো- যে কথা বলতে গিয়ে আটকে যেতো।তার স্বপ্ন ছিল অভিনেতা হওয়ার কিন্তু তার কথা আটকে যাওয়ার জন্য সে কোথাও কাজ পায়নি।কিন্তু নিজের জেদ ছিলো তাই হার মানেন নি। এরপর তিনি নিজে একটা শো এর আয়োজন করেন- যেখানে কথা না বলেও নিজের বডি লেঙ্গুয়েজ ও তার কাজ দিয়েই সবাইকে হাসাতেন। আর ওই শো টি সুপার হিট হয়। আর লোকে ওনাকে অনেক পছন্দ করা শুরু করে। আপনি হয়তো এখন বুঝতেই পারছেন আমি কার কথা বলছি-
হ্যা- আমি কথা বলছি- মিঃ বিনের।
যদি নিজের দূর্বলতার কারণে উনি হার মেনে নিতো, তাহলে কি এই পৃথিবী উনাকে কখনোই চিনতো??
কখনোই চিনতো নাহ!!
সবাইকে বলছি- সমস্যা সবার জীবনেই আছে। হ্যা আপনি যতোদিন বেঁচে থাকবেন সমস্যা আপনার ততোদিনই থাকবে। কিন্তু এই সমস্যাকে আপনি কিভাবে দেখবেন সেটা আপনার উপরে নির্ভর করে।
তাই পরিস্থিতি যতোই খারাপ হোক না কেনো- সেখানে ভালো কিছু খোজার চেষ্টা করুন!!
কারণ সমস্যা কখনো একা আসে নাহ। এ সাথে করে অনেক সুযোগও নিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের ফোকাস সমস্যার দিকে এতোটাই হয়ে যায় যে- আমরা ওই সুযোগ গুলোকে দেখতেই পাই নাহ!!
মনে রাখবেন-
এই পৃথিবী কেবল সেই লোক গুলোকেই মনে রাখবে- যারা তাদের সমস্যার সাথে মোকাবেলা করে আলাদা করি করে দেখায়!!
যেখানে আমরা একবার ফেল করলে হার মেনে নেই সেখানে (জ্যাক মাকে) ত্রিশ বার ইন্টারভিউতে রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। আর সেটাও কেবল- একটা ওয়েটারের চাকরির জন্য। কিন্তু ওনার এটিটিউড ওনাকে হার মানতে দেন নি।আর ইনি প্রতিটি ফেল ইয়োরকে আলাদা চোখে দেখেছেন আর সেখান থেকে শিখেছেন।
আর যাকে একবার ওয়েটারের চাকরির জন্য ত্রিশবার রিজেক্ট করে দেওয়া হয়- সেই লোকটিই আজ চায়নার সব থেকে ধনী লোক। আর এটিই হচ্ছে এটিটিউডের পাওয়ার!!
একটি কথা সব সময় মনে রাখবেন-
ভূল তার সাথেই হয়/ফেল সেই করে- যে চেষ্টা করে। আর এদের ভূল গুলো কেবল তারাই খোজে- যারা নিজে কিছু করে নাহ!!
তাই আপনার চিন্তা আপনার এটিটিউড এতোটা পজেটিভ রাখুন যা আপনার জীবনে যতো বড় সমস্যাই আসুক না কেনো- আপনি তার মোকাবেলা করবেন।
ফেল ইয়োর কে মেনে নেওয়া শিখুন। কারণ- আজকাল ফেল সবাইই হয়।আজ সে সফল সে কখনো না কখনো ফেল হয়েছিলো!!
থমাস এডিসিন বাল্ব আবিষ্কার করার আগে দশ হাজার বার ফেল হয়েছিলেন।
আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট হবার আগে ১২ বার ইলেকশনে হেরে গিয়েছিলেন।
যদি এরা ২/১ বার ফেল হবার পর হার মেনে নিতো- তাহলে আজকে এদের নাম আমি আপনাদের বলতাম নাহ। তাই আবারও বলছি ফেল ইয়োরকে ভয় পাবেন নাহ। বরং এখান থেকেই শিখুন!!
আপনি হয়তো শুনে অবাক হবেন- ৯৯% লোক ফেল হবার ভয়ে নতুন কিছু করার চেষ্টাই করে নাহ। আর কেবল- ১% লোকই এমন আছে যারা ফেল হয়ে যাবার পরেও চেষ্টা করতে থাকে। ফেল করাটা খারাপ কিছু না। ফেল ইয়োরের সাথে লড়াই করেই সফল হওয়ার চেষ্টা করতে হয়!!
তাই আপনাকে নিজেকেই ঠিক করতে হবে- আপনি ওই ৯৯% লোকের মাঝে থাকতে চান?? নাকি ওই ১% লোকের মাঝে থাকতে চান??
সব শেষে আপনাদের ছোট একটা গল্প দিয়ে লেখার শেষ করতে চাই-
একটি গ্রামে একটি লোক থাকতো। সে অনেক বেশি ড্রিংকস করতো। ওনার দুটি ছেলে ছিলো যারা ওদের বাবাকে রোজ এই অবস্থাতেই দেখতো। আর ১০ বছর পরে প্রথম ছেলেটি তার বাবার মতোই ড্রিং করা শুরু করে আর অপর ছেলেটি (আই এস) অফিসার হয়ে যায়।
যখন দুজনকেই তাদের এই অবস্থার কারণ জিজ্ঞেস করা হয় তখন দুজনের উত্তর একই ছিলো। দুজনেই বলে- আজ আমি যাই কিছু তা কেবল মাত্র আমার বাবার জন্য!!
এখানে সমস্যা দুজনের একই ছিলো কিন্তু এদের এটিটিউড দুজনকে আলাদা করেছে!!
Problem are same but attitude make different.
Think about it
ধন্যবাদ
সংগ্রহীত
24/08/2021
ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার গাইডলাইন - কখন, কিভাবে এবং কোথায় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আছে
গত পরশু একটা ওয়েব ডিজাইন লার্নিং নিয়ে লাইভ ওয়ার্কশপ হয়েছে সেই ভিডিও চাইলে পুরো আর্টিকেল আগে পড়তে হবে তখন কিভাবে সেই ভিডিও পাবেন তা দেওয়া আছে।
ওয়েব ডিজাইন মানেই কোডিং টডিং এর ঝামেলা আর অনেক বড় একটি ব্যাপার বলে মনে করে অনেকেই। কেউ কেউ যদি কোনও ওয়েব ডিজাইনারকে জিজ্ঞাসা করে তাহলে দিল্লি ঘুড়িয়ে বুঝিয়ে দেয় ব্যাপারটা আসলে শুধু জিনিয়াসদের জন্যই। কিন্তু তাহলে কীভাবে এর চাহিদা এত্ত বেশী এবং কীভাবে শিখা যায় অন্যান্য জিনিয়াসদের মত? এই সকল প্রশ্ন আপনাদের মাথায় ঘুরপাক খায়!!
ওয়েব ডিজাইন এর চাহিদা এবং ক্যারিয়ার
কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও এত্ত ঝামেলার না, আপনি যদি ধৈর্য এবং ৩ মাসের সময় ধরে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে পারেন তাহলে সত্যি আপনি ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন। ১০ বছর পড়াশুনা করে এসএসসি পাস করে আবার সেই পড়াশুনার জন্যই আমরা এইচএসসি তে ভর্তি হই তাহলে ওয়েব ডিজাইন এ ক্যারিয়ার গড়ায় ১ বছর মনে হয় না বেশী সময়। এই আর্টিকেলটিতে আমি এর বিষয়ে ধারনা দিব যে কীভাবে প্রথম থেকে শুরু করে একজন ওয়েব ডিজাইনার হওয়া যায়।
ওয়েব ডিজাইন VS ওয়েব ডেভেলপমেন্ট?
ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে আপনি খালি চোখে আপনার ব্রাউজার এর মধ্যে যে ওয়েবসাইট এর একটি পুরনাঙ্গ ডিজাইন দেখতে পান তাকে ওয়েব ডিজাইন বলে। বিভিন্ন রঙের, বিভিন্ন টেক্সট ফন্টের এবং বিভিন্ন স্ট্রাকচার এর যেসকল ডিজাইন আমরা একটি ওয়েবসাইট এর মধ্যে দেখি তার সবকিছুই ওয়েব ডিজাইন এর কাজ।
আপনি খালি চোখে যা দেখতে পান না তাকেই বলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট । একটু জটিল কথা তাইনা ?সোজা কথা হচ্ছে আপনি ফেসবুক প্রফাইলে লগিন করার জন্য ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেসবুকে আপনার প্রফাইলে লগিন করেন। এই লগিন করার জন্য যে কাজ টা করেন তাকেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বোঝায়।
কারা এই কাজগুলো শিখতে পারবেন ?
আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার এর বেসিক সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। ইংরেজি বোঝার মতন ক্ষমতা থাকতে হবে। আপনি ইংরেজি তে কাঁচা থাকলে ধীরে ধীরে চর্চা করতে থাকুন। অনলাইনে অনেক ফ্রী কোর্স আছে যেখানে ইংরেজি শিখার ভালো গাইডলাইন পেতে পারেন । বন্ধুদের সাথে ইংরেজিতে চ্যাট করুন দেখবেন আস্তে আস্তে আপনার ইংরেজি স্কিলস ভাল হয়ে যাবে। আমার অনেক কাছের এক বন্ধু উল্টোপাল্টা ইংরেজি বলে চ্যাট করতে করতে এখন ভালই ইংরেজি লিখতে পারে এবং যেকোনো ইংরেজি পরে বুঝে ফেলে। যদি আপনি ইংরেজি জানেন তাহলে মনে হয় না আপনার আর কোনও সমস্যা হবে কাজগুলো রপ্ত করতে।
কোনটা আগে শিখবেন ?
যেহেতু আপনার ব্রাউজারে আপনি একটি ডিজাইন প্রথমে দেখতে পান তাই সোজা কথা আপনাকে ওয়েবসাইট টা ডিজাইন করতে হবে তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনাকে ওয়েব ডিজাইনটি আগে শিখতে হবে এবং তারপর শিখতে হবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট।
কী কী বিষয় শিখতে হবে ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার জন্য ?
১) এইচটিএমএল ( HTML )
২) সিএসএস ( CSS )
৩) বেসিক জেকোয়েরি এবং জেকোয়েরি এর বিভিন্ন প্লাগিন এর কাজ
৪) ওয়ার্ডপ্রেস ডিজাইন এবং কাস্টমাইজেশন
৫) বেসিক ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট
শিখার প্রসেসটা কী? কোনটার পর কোনটা শিখতে হবে ?
বিভিন্ন আপডেট কীভাবে জানতে পারব ?সিরিয়াল অনুযায়ী প্রথমেই আপনাকে এইচটিএমএল সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। তারপর হচ্ছে আপনাকে সিএসএস দিয়ে এইচটিএমএল কে ডিজাইন করা শিখতে হবে তাই প্রথমে এইচটিএমএল শেখার সাথে সাথেই সিএসএস এর প্রতিটি প্রপার্টি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে, যে কোন প্রপার্টি গুলো কিভাবে কাজ করে। তাহলে, আপনি এবং বুঝে যাবেন যে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট এর ডিজাইন তৈরি করা হয়।
জেকোয়েরি সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে এবং বিভিন্ন জেকুএরি প্লাগিন এর ব্যবহার জানতে হবে। তাহলে, আপনার এইচটিএমএল সিএসএস এর ডিজাইন এর মধ্যে বিভিন্ন এ্যানিমেশন অথবা এফেক্ট তৈরি করতে পারবে। যা আপনার ওয়েবসাইটটিকে আরো আকর্ষণীও করে তুলবে।
প্রথমে ১ মাসের ওয়েব ডিজাইন এর বেসিক সম্পর্কে পুরনাঙ্গ ধারনা নেওয়ার পর আপনি ধরুন এসএসসি পাস করেছেন এখন হচ্ছে Intermediate বা এইচএসসি।
থিমফরেস্ট নামে একটি মার্কেটপ্লেস আছে। যেখানে প্রতিদিনই নতুন নতুন আইডিয়া তৈরি করে ওয়েব ডিজাইনাররা তাদের টেমপ্লেটগুলো বিক্রি করে। থিমফরেস্টের নতুন নতুন স্যাম্পল দেখে দেখে ডিজাইন করার চেষ্টা করুন তাতে করে আপনার দক্ষতা বাড়বে এবং বিভিন্ন ডিজাইনের আইডিয়া তৈরি হবে।
এইচটিএমএল, সিএসএস দিয়ে ওয়েব ডিজাইন করা হচ্ছে পিওর ওয়েব ডিজাইন কিন্তু ওয়েব ডিজাইন এর সাথে আপনাকে অবশ্যই আরেকটি বিষয় জানা থাকতে হবে আর তা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট কাস্টমাইজেশন। যদি সংক্ষেপে বলি ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনি কোন প্রকার কোডিং ছাড়াই একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে কোন প্রকার কোড লিখতে হবে না এবং এর কনটেন্ট চেঞ্জ করার জন্য আপনাকে কোডিং এর প্রয়োজন বোধ হবে না তাই ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ডিজাইন করাটা অনেক সহজ এবং চাহিদা প্রচুর। এইচটিএমএল, সিএসএস দিয়ে ডিজাইন গুলো তৈরি করুন তারপর তা ওয়ার্ডপ্রেসের থিম অথবা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইটের মধ্যে ইমপ্লিমেন্ট করুন।
যখন Intermediate লেভেল শেষ হয়ে যাবে তখন অবশ্যই আপনাকে এডভান্স লেভেল সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে যাকে বলা যায় Expert এবং তার উপায় আমি মনে করি শুধু একটি, যত বেশী সম্ভব পিএসডি টু এইচটিএমএল কনভার্শন তার মানে পিএসডি ইমেজ ওয়েব টেমপ্লেট দেখে দেখে আপনাকে এইচটিএমএল এ ডিজাইন করতে হবে। আপনি যত পিএসডি টু এইচটিএমএল করবেন আপনার দক্ষতা তত বৃদ্ধি পাবে।
ইউটিউব এ পিএসডি টু এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল লিখে সার্চ দিলেই শত শত টিউটরিয়াল পাবেন। যেকোনো দুটি সিরিজ দেখে দেখে প্র্যাকটিস করুন এরপর কিছু পিএসডি গুগল থেকে ডাউনলোড করে একা একা নিজে নিজে ডিজাইন করার চেষ্টা করুন। যখন আপনি পাঁচ থেকে সাতটি সেকশনের ডিজাইন দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যে শেষ করতে পারবে তখনই বুঝতে পারবেন যে কিভাবে ডিজাইন দ্রুত করতে হয়।
তারপর পিএসডি ডিজাইন গুলোতে সিএসএস অথবা জেকোয়েরি দিয়ে বিভিন্ন এফেক্ট দেওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখতে হবে যে ডিজাইন স্কিল বৃদ্ধি করার জন্য এবং নিজেকে যাচাই করার পদ্ধতি হচ্ছে পিএসডি থেকে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা।
শিখার পর ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কী শিখলে প্রফেশনালী কাজ করা যায় ?
এখন কথা হলো ওয়েব ডিজাইন শেখার পর কিভাবে প্রফেশনাল জব সেক্টরে অথবা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করবেন, অবশ্যই উপরে যে ব্যাপার গুলো আমি বর্ণনা দিয়েছি সেই ব্যাপার গুলো পূরণ করতে হবে তারপর আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে কিভাবে ওয়েব ডিজাইনের কাজ করতে হবে।
জব সেক্টরে অথবা মার্কেটপ্লেসগুলোতে পিওর ওয়েব ডিজাইনের কাজ অনেক কম তাই আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস এর মত সফটওয়্যার এর সাহায্যে ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে হবে। তার মানে আপনি যে ওয়েব ডিজাইনের দক্ষতা এবং আইডিয়া অর্জন করেছেন তা আপনার ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ইমপ্লিমেন্ট করে একটি ক্লায়েন্টের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। মার্কেটপ্লেস অথবা জব সেক্টর এ ওয়ার্ডপ্রেস এর চাহিদা অনেক বেশি কারণ ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে সহজে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় এবং ক্লায়েন্টরা ওয়েবসাইটটি কোন কোড লিখার ঝামেলা ছাড়াই কাস্টমাইজ বা এডিট করতে পারে। তাই ওয়েব ডিজাইন এ আপনার ওয়ার্ডপ্রেস এর দক্ষতা সমান ভাবে চালিয়ে যেতে হবে।
ওয়েব ডিজাইন শিখতে কী রকম সময় লাগবে ?
ওয়েব ডিজাইনটা শেখা অনেক সহজ। শুধু মাত্র আপনাকে একটু ধৈর্য এবং প্রতিদিন প্র্যাকটিস করার মত প্রতিজ্ঞা করতে হবে।আমি বলব যে বেসিক ওয়েব ডিজাইন শিখতে আপনাকে সময় দিতে হবে মোট ৪ সপ্তাহ, প্রতি সপ্তাহে ৪ দিন, নুন্নতম ২ ঘন্টা এবং সবকিছু রিভিশন দেওয়ার জন্য ৩০ মিনিট। এরই মধ্যে আপনি জানতে পারবেন ওয়েব ডিজাইন এর খুটিনাটি বেপারগুলো এবং একটি শক্তপুক্ত ধারনা।
বেসিক শেষ হওয়ার পর Intermediate লেভেলে আপনি প্রতিদিন যেভাবেই হউক অন্তত একটি ওয়েবপেজ তৈরি করতে চেষ্টা করুন। এই কাজটি ১৫ দিন পর্যন্ত করার চেষ্টা করুন, নিজের বুঝতে পারবেন যে আপনার স্কিল দিন দিন ডেভেলপ হচ্ছে।
তাহলেই কী ওয়েব ডিজাইনার?
না আপনি ১ মাসের মধ্যেই ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার জন্য এসএসসি পাস করেছেন তারপর হচ্ছে Intermediate বা ধরতে পারেন এসএসসি এর পড়াশুনা। যেখানে আপনি ওয়েব ডিজাইন Deep Learning হিসেবে সময় দিবেন। আসলে শিখার কোনও শেষ থাকেনা আর আপনাকে সবসময় নতুন নতুন আপডেট এর উপর খেয়াল রাখতে হবে।
তাই ওয়েব ডিজাইন এর Intermediate লেভেলে আপনার ১ মাসের বেসিক জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে পুরো একটি মডার্ন ওয়েবসাইট তিরি করতে হবে এবং বিভিন্ন ছোট ছোট পার্ট সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। আপনি যখন ১০ থেকে ১৫ টি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলবেন তখনই বুঝবেন যে আপনি এখন কতটুকু জিনিয়াস। আপনি চাইলে মার্কেটপ্লেস অথবা বাংলাদেশী লোকাল জবও করার চেষ্টা করতে পারবেন।
Expertহওয়ার সময় হচ্ছে এখন, গুগল অথবা বিভিন্ন নাল ওয়েবসাইট থেকে ২০ টি প্রিমিয়াম পিএসডি টেমপ্লেট ডাউনলোড করুন। ২০ টি পিএসডি টেম্পলেট ডিজাইন করে শেষ করার প্রতিজ্ঞা করতে হবে কারন প্রফেশনাল লাইফে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে এই পিএসডি ডিজাইন প্র্যাকটিস এর ঘাটটি থাকার কারনে। তাই অবশ্যই অন্তত ২০ টি পিএসডি ডিজাইন করুন। প্রতিদিন একটি করে পিএসডি ডিজাইন করতে চেষ্টা করবেন এবং অবশ্যই খুব দ্রুত করার চেষ্টা করবেন।
তাহলে ২০ টী পিএসডি এর জন্য আপনার সময় লাগবে ২০ দিন এবং বাকি ১০ দিন জেকুএরি এফেক্ট দিয়ে ডিজাইনগুলো আরও আকর্ষণীয় করে তুলুন। আমি বলব ২০ টি পিএসডি ডিজাইন তৈরি করার পরেই আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার।
কিন্তু একটি ব্যাপার বাকি আছে যা ছাড়া আপনি প্রফেশনাল লাইফে অত্যাবশ্যকীয়, আমি আগেই বলেছি ওয়ার্ডপ্রেস এর কথা। যখন আপনি পিএসডি ডিজাইন করবেন তখন ওয়ার্ডপ্রেস এর বেসিক এবং বিভিন্ন প্লাগিন এর ধারনা নিয়ে নিবেন। ওয়ার্ডপ্রেস এর মেকানিজমগুলো বুঝার চেষ্টা করবেন। ওয়েবসাইট ডিজাইন শিখার প্রথমে যেমন নিজেকে অনেক নির্বোধ মনে হতে পারে যা আমারও নিজেকে মনে হত এক সময়, তেমনি ওয়ার্ডপ্রেস এর শিখার সময় আপনার একটু বিরক্ত লাগতে পারে কিন্তু আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস এর খুঁটিনাটি বুঝতেই হবে যেমনটা অন্যরা বুঝে। ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কোনও টাইম আমি বলবনা কারন এর বিশাল রিসোর্স সমুদ্রে আপনি একবার পরে গেলে সাঁতার অথবা হেলিকপ্টার দিয়েও শেষ করতে পারবেন না। তাই তখন নিজেই সবকিছু বুঝে যাবেন।
কোথায় শিখব এবং কার কাছে শিখব?
অবশ্যই আমার প্রথম সাজেশন হচ্ছে গুগল বা ইউটিউবে সার্চ করে শিখা, কারণ ওয়েব ডিজাইন এ দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রফেশনাল কাজের সময় প্রতিদিনই আপনাকে অবশ্যই গুগল এবং ইউটিউবে সার্চ করতে হবে। এইচটিএমএল, সিএসএস এর বেসিক সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেওয়ার জন্য ইউটিউব থেকে যেকোনো একটি করে সিরিজ শেষ করুন এবং ভিডিও দেখে দেখে অবশ্যই প্র্যাকটিস করতে থাকেন। 95% মানুষ ভিডিও দেখে কিন্তু হাতে প্র্যাকটিস করে না, যখন সে ভিডিও দেখে তখন তার কাছে অনেক সহজ মনে হয় এবং মনে করে যে সে বুঝে গেছে তাই প্র্যাকটিস করে না। ধরুন আমরা যেমন স্কুল বা কলেজে গণিত বুঝে তারপর প্র্যাকটিস করতাম ঠিক সেইভাবে আমাদেরকে প্র্যাকটিস করতে হবে। যদি ভিডিও দেখার পর প্র্যাকটিস না করেন তাহলে এটা হচ্ছে আপনার সময় নষ্ট করার প্রধান মূল কারণ। আমি আবারো বলছি অবশ্যই ভিডিও দেখে দেখে প্র্যাকটিস করার চেষ্টা করবেন।
সবাই হয়তবা জানেন যে গুগল এবং ইউটিউব থেকে শিখা যায় কিন্তু আপনাদের অনেকের বড় একটি সমস্যা হচ্ছে একজন ইন্সট্রাক্টর এর দরকার পরে ভিডিও দেখার পর বা কোনও আর্টিকেল পড়ার পর। যেমন এসএসসি পরিক্ষার সময় আমরা স্কুল থেকে এসে কোচিং অথবা প্রাইভেট টিউটর এর কাছে পরতে যাই যাতে করে আমাদের সমস্যাগুল দ্রুত সল্ভ করতে পারি।
সমস্যার সমাধান এর জন্য মেন্টর বা এক্সপার্ট এর হেল্প পাওয়ার টিপস
এখন যদি কোন সমস্যায় পড়েন তাহলে কিভাবে একজন মেন্টর পাওয়া যায় চিন্তা করছেন? আসলে ফ্রী তে কোন নির্দিষ্ট মেন্টর পাবেন না তবে তার একটি অল্টারনেটিভ রাস্তা আছে। আপনার ওয়েব ডিজাইন রিলেটেড ২০ টি ফেসবুক গ্রূপ-এ এড হয়ে জান। ওই গ্রূপ গুলোতে আপনার সকল সমস্যা ডিটেইলসে লিখে পোস্ট করুন তাহলে দেখবেন কেউ না কেউ আপনার সমস্যাগুলো সমাধান দিয়ে দিয়েছে।
আরেকটি হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন ফোরাম বা কমিউনিটি, অনলাইনে অনেক ফোরাম ওয়েব সাইট আছে যেখানে বিশ্বের অনেকেই একটিভ থাকে যার সাহায্যে আপনি আপনার সমস্যাগুলোর সমাধান পেতে পারে। গুগোল একটু ঘাটাঘাটি করুন ফোরাম অথবা কমিউনিটি নিয়ে তাহলেই বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা কি। যারা এসইও নিয়ে কাজ করেন তারা খুব ভাল করেই জানেন ব্যাপারটি।
stackover flow হচ্ছে এমন একটি ফোরাম যেখানে ওয়েব ডিজাইন সহ যে কোন প্রোগ্রামিং রিলেটেড সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এক্সপার্ট প্রোগ্রামাররা প্রোগ্রামিং রিলেটেড বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে।
wordpress org ওয়াডপ্রেস সমস্যার জন্য রয়েছে যেখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের যেকোনো সমস্যার সমাধান পেতে পারেন। এটি ওয়ার্ডপ্রেস এর নিজস্ব ফোরাম এবং এই ফোরাম এর মদ্ধে ওয়ার্ডপ্রেস এর রিলেটেড সকল সমস্যার প্রায় ৯৮% শতাংশ সমাধান আমি পেয়ে যাই।
Quora হচ্ছে অন্যতম “প্রশ্ন এবং উত্তর” ওয়েবসাইট, যেখানে শুধু ওয়েব ডিজাইন নয় আপনার জীবনের যেকোনো সমস্যারই সমাধান পেতে পারেন। Quora com ওয়েবসাইটে একাউন্ট করে সাইটটি ঘুরে দেখুন দেখবেন সব কিছুরি কিছুনা কিছু সল্ভ দিয়ে দিবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Ranisankail, Thakurgaon, Bangladesh
Dinajpur