Health Tips

Health Tips

Share

welcome to our page!

27/07/2023

গ্রীষ্মকাল বা গরমকাল প্রায় April থেকে June মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফলের সময় বৃহত্তর অংশে পড়ে। এই সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রকৃতি স্থম্য হয়, এবং প্রাকৃতিক ফলের সংক্রান্ত প্রকারে অনেক ফল বা ফলাদি পাওয়া যায়। এই সময়ে গরম আবহাওয়া এবং বৃষ্টি স্বাভাবিক, যা সমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর ফলের প্রকৃয়াগুলির প্রভাব সৃষ্টি করে।

গ্রীষ্মকালের কিছু প্রমুখ ফলের নাম নিম্নলিখিত:

1. আম (Mango)
2. লিচু (Lychee)
3. জাম (Blackberry)
4. জম্বুক (Black Plum)
5. জাম্বু (Rose Apple)
6. আমড়া (Guava)
7. কমলা (Orange)
8. তাঁবুল (Watermelon)
9. পেঁপে (Papaya)
10. তাল (Palm Fruit)
11. তরমুজ (Cantaloupe)
12. কাঁঠাল (Jackfruit)
13. কুল (Indian Jujube)
14. তল (Palm Date)

গৃষ্মকালের এই ফলগুলি তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং তরলতা সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে, যা শরীরে শীতলতা ও প্রকৃতিক শীতলতা সাধন করে। তাই এই ফলগুলি প্রাকৃতিক জলাপনের একটি উত্কৃষ্ট উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতিদিনে এই ফলগুলির ব্যবহার স্বাস্থ্যকর এবং প্রাকৃতিক খাবারের একটি মহান উপায়। তবে, প্রতিবন্ধী মেডিক্যাল অবস্থা বা বিশেষ ডায়েট প্ল্যানের ক্ষেত্রে এই ফলগুলি সেবন করার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

06/01/2023

কিডনির সুরক্ষায় নিয়মিত যা খাবেনঃ

১। পেঁয়াজঃ পেঁয়াজে আছে প্রচুর পরিমাণে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা পঁচনরোধী উপাদান। যা কিডনিকে বিষমুক্তকরন এবং পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। এতে পটাশিয়াম, ক্রোমিয়াম ইত্যাদি কম থাকে। ফলে পেঁয়াজ চর্বি, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটস হজমে সহায়তা করে।

২। বেরিঃ বেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন সি, খাদ্য আঁশ এবং ফোলেট। স্ট্রবেরি, ক্র্যানবেরি, র‌্যাস্পবেরি এবং ব্লুবেরি কিডনির জন্য বেশ উপকারী বলে বিবেচিত হয়। বেরিতে আছে প্রদাহরোধী এবং পঁচনরোধী উপাদান এবং মূত্রাশয়ের কার্যক্রমেরও উন্নতি ঘটায়।

৩। অলিভ অয়েলঃ সকলেই জানেন অলিভ অয়েল হার্টের জন্য ভালো। কিন্তু সেটি যে কিডনির জন্যও উপকারী তা জানেন কি? এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রদাহরোধী ফ্যাটি এসিড যা জারণ কমিয়ে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে। সালাদে বা রান্নায় এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

৪। বাধাকপিঃ এতে আছে ফাইটোকেমিক্যালস, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, এবং ভিটামিন কে এবং আঁশ ও ফলিস এসিড। এই সবগুলো উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির মেরামত এবং কিডনিকে সচল রাখতে সহায়তা করে।২. মাছঃ এতে থাকা ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড দেহের প্রদাহ কমায় এবং কিডনিকে সুরক্ষা দেয়। যাদের কিডনিতে সমস্যা হচ্ছে তাদের বেশি বেশি মাছ খাওয়া উচিত।

৫। রসুনঃ রসুনে আছে পঁচনরোধী এবং জমাটরোধী উপাদান যা কার্যকরভাবে কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে। রসুন কিডনিকে ক্ষতিকর ধাতব পদার্থের সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

৬। ডিমের সাদা অংশঃ কিডনি রোগে আক্রান্তদেরকে ডিমের অংশ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ ডিমের সাদা অংশে ফসফরাসের পরিমাণ কম থাকে এবং ভালো মানের প্রোটিন বেশি থাকে। এছাড়া এতে আছে অ্যামাইনো এসিড যা কিডনির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য জরুরি। তবে কিডনির রোগ হলে ডিমের কুসুম না খাওয়াই ভালো।

৭। আপেলঃ কোষ্ঠ্য কাঠিন্য দূর করে, হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা পঁচনরোধী উপাদান এবং ভিটামিন থাকায় আপেল কিডনির স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। এছাড়া রক্তে কোলোস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে এবং পেশাব পরিষ্কার রাখতেও বেশ কার্যকর আপেল।

৮। লাল ক্যাপসিকামঃ এতে পটাশিয়াম কম, কিন্তু উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এ, বি, সি এবং বি৬ আছে। এটি ফলিক এসিড এবং খাদ্য আঁশেরও ভালো উৎস। যেগুলো কিডনিকে সচল রাখার জন্য জরুরি।

৯। ফুলকপিঃ এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং খাদ্য আঁশ। এটি লিভারকে দেহে জমা হওয়া খাদ্যবিষ অপসারণেও সহায়তা করে। এছাড়া কোষের ঝিল্লি সংরক্ষণেও সহায়তা করে।

১০। লাল আঙ্গুরঃ লাল আঙ্গুরে আছে এমন এসিড যা কিডনির এবং পেশাবের নালির জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুদের মেরে ফেলে। এছাড়াও মাংসপেশিদেরকে শিথিল করা এবং রক্তের প্রবাহ উন্নত করতেও বেশ কার্যকর লাল আঙ্গুর।

১১। লেবুর রসঃ লেবুতে যে এসিড উপাদান আছে তা কিডনিতে জমা হওয়া পাথর ভাঙ্গতে বেশ কার্যকর। লেবুতে যে সাইট্রাস উপাদান আছে তা কিডনিতে থাকা ক্রিস্টালদের পরস্পরের জোড়া লাগতে বাধা দেয়।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dinajpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Mordan More Sadar Dinajpur`
Dinajpur
5200