Study Club
Source of learning platform where anybody can get useful information about education, admission, imp
02/06/2026
"একটা কুকুরের জন্য এমন মরাকান্না করার কি আছে। মানুষ তো আর নিয়া যায় নাই।" জ্বী এবার মানুষই নিয়া গেছে, সাত বছরের এক বাচ্চাকে টেনে নিয়ে গেছে।
কিছুদিন আগে মাজারে একটা কুমির কুকুর টেনে নিয়ে গেছিল মনে আছে? তারপর এটা নিয়ে যারা লেখালেখি করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য করে তখন কিছু সুশীল ভাইয়েরা বলেছিল,"কুকুরের জন্য মায়া কান্না করার কি আছে"।
সকালে বাচ্চা মেয়েটার মর/দেহ পাওয়া গেছে,মেয়েটার মা মানসিক ভারসাম্যহীন। এই যে কুমির, মাছ এসব মাজারের পুকুরে ফেলে রমরমা ব্যবসা হয় এসবের বিরুদ্ধে বললেই ক্যাচাল লেগে যায়। অথচ মাজারে মাছ কিংবা কুমিরকে তাদের কাছ থেকে কিনে খাওয়ানোর ফজিলতটা কি? আপনি যে খাবার মাছ বা কুমিরকে কিনে দিবেন সেটা কিছুক্ষণ পর তারা আবার ধরে এনে রেখে দিবে । সৈয়দ ওয়াহীউল্লাহ বেঁচে নেই কিন্তু লাল সালু আছে যেটার সত্যতা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।
আমি বুঝিনা ,এখানে এই মাদ্রাজি কুমিরটাকে এখানে রেখে সবাইকে বিপদে রাখার ফাজিলত কি? এটাকে অতিদ্রুত সরিয়ে নেওয়া উচিৎ সরকারের।
তবে একটু মাথা খাটাইলেই বুঝতে পারবেন "বাংলাদেশে মাজার ব্যবসার মত লাভজনক ব্যবসা পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।"
02/06/2026
কিছুদিন আগে কুকুর নিয়ে বেশ আলোচনা হলো। আবার এখন কিছুদিন এই বাচ্চাটাকে নিয়েও আলোচনা হবে। ৭২ ঘন্টা পর বাংগালীর আবেগ আবার ঘুরে যাবে। হয়তো নতুন কোন বিষয়ে নতুন কোন ঘটনায়। কাল সকালে হয়তো শুনবো মেয়েটির ক্ষত বিক্ষত লা*শ দিঘীর কোথাও ভেসে উঠেছে। সন্তান হারা মায়ের গগন বিদারী চিৎকারে ভারী হবে আকাশ। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার কুকুর নিয়ে তো বেশ মাতামাতি হলো। ঢাকা থেকে মানুষ আসলো কুকুরের পোষ্ট মর্টেম হলো। কতো কি কাহিনী। কিন্তু এই বেলায় সেই কুত্তা প্রেমিকরা গেলো কই? নাকি মানুষের চেয়ে কুত্তা বড়। সৃষ্টির সেরা মানব জাতী৷ আর মানব জাতী না থাকলে কুকুর বিড়াল, হাতি ঘোড়া দিয়ে কি করবেন ওরা বাচবেই বা কিভাবে? ইদানিং এক এক জন পশু প্রেমীদের দেখলে খুব রাগ হয়, তার মানে এই নয় যে আমি এটাকে খারাপ বলছি। আমার কথা হচ্ছে শুধু কুকুরের বেলায় কেনো ছোট শিশুটা কি দোষ করছে? তার বেলায় সবাই চুপ কেনো? রামিসার ঘটনা তো অলরেডি ফিনিশড। আরো কত কি এভাবে আসবে যাবে কিন্তু সিস্টেম কখনোই চেইঞ্জ হবেনা। আমরাও এভাবেই পড়ে থাকবো। কেমন যেনো নিজেরাই এক একটা অপদার্থ😡
02/06/2026
শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য মমতা প্রকাশ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন। মমতা প্রশ্ন করেছেন, 'কাকে দিয়ে খুন করিয়েছেন?' এবং উনি সেটা জানেন, তা প্রকাশ করলে 'বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠবে'। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার দেশের স্বার্থে হাদির খুনিদের গ্রেফতারের বিষয়টি গোপন রাখতে মমতাকে ফোন করে চাপ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
এর মাধ্যমে ওসমান হাদি হত্যায় ভারতের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ্যে আসলো। অর্থাৎ এই কাজে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' যুক্ত থাকার সুস্পষ্ট আভাস এসেছে।
তবে প্রশ্ন থেকে যায়, বাংলাদেশে র এর এসেট হিসেবে ঠিক কারা কাজ করেছে? এখানকার কোনও ব্যক্তি এসেট, নাকি সংস্থা?
হাদির হত্যাকারীরা দুপুর আড়াইটা থেকে রাত পৌনে এগারোটায় দেশের অভ্যন্তরে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দিয়ে নেত্রকোনা সীমান্তে পৌঁছে এবং সেখানে চোরাচালানের একটা পপুলার রুট ব্যবহার করে, যেটা সম্পর্কে বিজিবি আগে থেকেই জানে। এবং সেখানে দুটি পাইপ সুড়ঙ্গ আছে যা দিয়ে মানবপাচারও হয়ে থাকে।
যেখানে বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যেই সীমান্ত সিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, সেখানে বর্ডার গার্ড চৌকির কয়েক কিলো দূরের এই রুট ও পয়েন্ট সিল করতে ব্যর্থ হবে এটা অবিশ্বাস্য। সাড়ে চার ঘণ্টা পরেও এই পয়েন্টটি বিজিবির নিয়ন্ত্রণে আসলো না, এটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ব্যর্থতা নয়। বিজিবি প্রধানকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
তদুপরি, একটি ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা সন্ধ্যার আগেই খুনিদের শনাক্ত করে একাধিক পাবলিক পোস্ট দিয়েছিল। অথচ রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একই কাজ করতে (অফিশিয়ালি খুনিদের শনাক্ত করতে) সময় নিয়েছে রাত সাড়ে দশটা থেকে পৌনে এগারোটা পর্যন্ত। সূত্রমতে, রাত ১০ঃ৪৮ এর দিকে খুনিরা সীমান্ত পার হয়েছে এমন বার্তা এসেছে। অর্থাৎ খুনিদের সীমান্ত অতিক্রমের কাছকাছি সময়ে NTMC এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অফিশিয়ালি খুনিদের শনাক্ত করতে পেরেছে। প্রশ্ন একটাই, এটা কি নিছক কাকতালীয়, নাকি এখানে কারও কারও সুপরিকল্পিত নিষ্ক্রিয়তা ছিল?
উল্লেখ্য যে, খুনিরা মোটরসাইকেলে আগারগাঁও, সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আমিনবাজার, তারপর মানিকগঞ্জের কালামপুর হয়ে একটি প্রাইভেটকারে সরাসরি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট। হালুয়াঘাটের মুন ফিলিং স্টেশনের আগে ফিলিপ ও সঞ্জয় নামের দুই ব্যক্তি তাদের গ্রহণ করে। ফিলিপ তাদের সীমান্ত পার করে ভারতে পুত্তি নামের এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে। এই দীর্ঘ পথে তাদের ধরতে না পারা নিঃসন্দেহে একটি বড় ব্যর্থতা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চিহ্নিত করার আগেই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খুনিরা সীমান্ত অতিক্রম করতে সক্ষম হওয়াটা আমাদের ভয়ানক দুর্বলতা এবং ইন্সটিটিউশনাল ক্যাপাসিটি না থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ। দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার খাতিরে এমন ব্যর্থতা উত্তরণের স্থায়ী সমাধান লাগবে।
ফাইজ তাইয়েব আহমেদ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Fatulla