Dj.RuBeL

Dj.RuBeL

Share

choice your fashion style our best service

13/08/2025

বিশ্বের সর্বোচ্চ পতিতাবৃত্তির দেশ:
১। থাইল্যান্ড (বৌদ্ধ ধর্ম)
২। ডেনমার্ক (খ্রিস্ট ধর্ম)
৩। ইতালি (খ্রিস্ট ধর্ম)
৪। জার্মান (খ্রিস্ট ধর্ম)
৫। ফ্রেঞ্চ (খ্রিস্ট ধর্ম)
৬। নরওয়ে (খ্রিস্ট ধর্ম)
৭। বেলজিয়াম (খ্রিস্ট ধর্ম)
৮। স্প্যান (খ্রিস্ট ধর্ম)
৯। ইউকে (খ্রিস্ট ধর্ম)
১০। ফিনল্যান্ড (খ্রিস্ট ধর্ম)

বিশ্বের সর্বোচ্চ চুরির হার:
১। ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ড (ক্রিশ্চিয়ান)
২। জিম্বাবুয়ে (খ্রিস্ট ধর্ম)
৩। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্ট ধর্ম)
৪। কানাডা (খ্রিস্ট ধর্ম)
৫। নিউজিল্যান্ড (খ্রিস্ট ধর্ম)
৬। ভারত (হিন্দু ধর্ম)
৭। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। ইউএস (খ্রিস্ট ধর্ম)
৯। সুইডেন (খ্রিস্ট ধর্ম)
১০। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্ট ধর্ম)

পৃথিবীর সর্বোচ্চ অ্যালকোহল আসক্তি:
১। মোল্ডোভিয়া (খ্রিস্টান)
২। বেলারুশিয়া (খ্রিস্টান)
৩। লিথুয়ানিয়া (খ্রিস্টান)
৪। রাশিয়া (খ্রিস্টান)
৫। চেক প্রজাতন্ত্র (খ্রিস্টান)
৬। ইউক্রেনীয় (খ্রিস্টান)
৭। অ্যান্ডোরা (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। রোমানিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৯। সার্বিয়া (খ্রিস্টান)
১০। অস্ট্রেলিয়া (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খুনের হার:
১। হন্ডুরাস (খ্রিস্টান)
২। ভেনেজুয়েলা (খ্রিস্টান)
৩। বেলিজ (খ্রিস্টান)
৪। এল সাভাদর (খ্রিস্টান)
৫। গুয়াতেমালা (খ্রিস্টান)
৬। দক্ষিণ আফ্রিকা (খ্রিস্টধর্ম)
৭। সেন্ট কিটস এবং নেভিস (ক্রিশ্চিয়ান)
৮। বাহামা (খ্রিস্টান)
৯। লেসোথো (ক্রিশ্চিয়ান)
১০। জামাইকা (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক দল:
১। ইয়াকুজা (কোন ধর্ম নেই)
২। আগ্বেরাস (খ্রিস্টান)
৩। ওয়াহ সিং (খ্রিস্টান)
৪। জামাইকা বসএঁ (খ্রিস্টান)
৫। প্রাইমেরো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। দ্য আরিয়ান ব্রাদারহুড (খ্রিস্টান)

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক দল:
১। পাবলো এসকোবার - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
২। আমাদো ক্যারিলো - কলম্বিয়া (ক্রিশ্চিয়ান)
৩। কার্লোস লিডার জার্মেন (খ্রিস্টান)
৪। গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাঙ্কো - কলম্বিয়া (খ্রিস্টান)
৫। জোয়াকুইন গুজম্যান - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)
৬। রাফায়েল ক্যারো - মেক্সিকো (ক্রিশ্চিয়ান)

অথচ বলা হয় ইসলাম এবং মুসলমানরা পৃথিবীতে সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণ এবং তারা চায় সবাই যেন তাই বিশ্বাস করে ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু কে করেছে?
মুসলিমরা নয়..

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে শুরু করেছে?
মুসলিমরা নয়..

প্রায় ২০ মিলিয়ন স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ানকে কে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

জাপানের নাগাসাকি এবং হিরোশিমায় কে বোমা ছুড়েছে?
মুসলিমরা নয়..

দক্ষিণ আমেরিকায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে ?
মুসলিমরা নয়..

উত্তর আমেরিকায় প্রায় ৫০ মিলিয়ন রেড ইন্ডিয়ানদের কে হত্যা করেছে?
মুসলিমরা নয়..

আফ্রিকা থেকে ১৮০ মিলিয়নেরও বেশি আফ্রিকানকে যারা অপহরণ করেছিল, তাদের মধ্যে ৮৮% মারা গেছে এবং সাগরে নিক্ষিপ্ত হয়েছে! কে করেছে এ কাজ?
মুসলিমরা নয়..

সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গীবাদের সূচনা মুসলিমদের দ্বারা হয়নি অথচ সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে তাদেরকে।
অমুসলিম সন্ত্রাসী কাজ করলে অপরাধ! কিন্তু মুসলিমরা অধিকার আদায়ের চেষ্টা করলে বলে সন্ত্রাস..!

এটা সুস্পষ্ট সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।।

এটাই জাতিসংঘের খেলা।

©

Photos from Dj.RuBeL's post 28/07/2025
21/07/2025

Milestone School and College এর ওপরে আছড়ে পড়া Bangladesh Air Force এর আজকের বিমানটি হলো F-7 BG।

যে বিমানটি আমরা চীন থেকে কিনেছিলাম ও চীন যে বিমান এখন আর উৎপাদন পর্যন্ত করে না। একটি বিমান আছড়ে পড়ার নানান কারণ থাকতে পারে। তবে, দূর্ঘটনার ফলে বিমানের ভূপাতিত হওয়ার ঝুঁকির মাত্রা বিমানটিকে উপযুক্ত সময়ে অবসর দেওয়া ও সার্ভিসে থাকাকালীন তার রক্ষণাবেক্ষণ যত্নের সাথে করার দ্বারা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। যেখানে আমাদের আলোচ্য F-7 যুদ্ধবিমানের বিশেষত্ব হলো দূর্ঘটনা।

Population Center এর মাঝে F-7 আছড়ে পড়ার ঘটনা আজকে প্রথম নয়। তবে, আজকেরটি সর্ববৃহৎ। এর আগে চীনের শিয়ানয়াংয়ে ওদের একটা F-7 একটা ভবনে আছড়ে পড়ে ০১ জন বাসিন্দাকে হত্যা করেছিল। গত দশকে Pakistan Air Force এর সার্ভিসে থাকার সময়ে কমপক্ষে ১০টি F-7 বিভিন্ন দূর্ঘটনার কারণে ভূপাতিত হয়। '২২ সালে ইরানের আনারাক্ব অঞ্চলে F-7 দূর্ঘটনায় পতিত হওয়ার পর দু'জন পাইলট মারা যান।

সবশেষে আমি একজনের কথা স্মরণ করতে চাই। বিমান বাহিনীর F-7 MB নিয়ে যিনি তাঁর জীবনের শেষ ফ্লাইটটি করেছিলেন বঙ্গোপসাগরের আকাশে। উপসাগরের অসীম নীলিমায় হারিয়ে যাওয়ার পর যাকে আর কখনো খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রূম্মান তাহমিদ চৌধুরী! আপনাকে আমরা ভুলে যাইনি!

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আজকের দূর্ঘটনা আমাদের জন্য একটা বীভৎস ও নিষ্ঠুর সতর্কবার্তা যে, কোনো ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষায় কারচুপি করা হলে তার ফলাফল কতখানি নৃশংস, নির্মম ও ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমাদের পূর্বেকার Chief of Air Staff এর নামে Anti-Corruption Commission - Bangladesh এর মামলা চলছে। ধারণা করা হয় যে, আলোচ্য সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা ও তার সঙ্গী আরো অনেক সামরিক ও বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তা বাংলাদেশের যে পরিমাণ অর্থ লুট করেছেন, তা আমাদের দেশের কাজে লাগানো সম্ভব হলে আমাদের বিমান বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীকে এতদিনে সম্পূর্ণ Network Centric ও Fifth Generation Warfare এর বিষয়ে সক্ষম বাহিনী হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব হতো। তখন মুড়ির টিন বলে পরিচিতি পাওয়া ও পৃথিবীর সক্ষম সকল বিমান বাহিনী হতে বহিষ্কার হওয়া F-7 কে বাংলার আকাশে আধুনিক যুদ্ধবিমান হিসাবে উড়তে দেখতে হতো না আমাদের।

দূর্নীতি বিশ্বাসঘাতকতার পথ উন্মোচন করে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী দূর্নীতি সাধন করলে তার ওপরে নজর রাখা ভিনদেশী গুপ্তচররা তার আলোচ্য দূর্নীতির প্রমাণ সংগ্রহ করে তাকে নিজেদের হস্তগত করতে সমর্থ হয়। আমাদের বাহিনীগুলোতে আজ দূর্নীতি ও বিশ্বাসঘাতক না থাকলে আমরা F-7 এর পরিবর্তে J-10C ওড়াতে পারতাম। যা কিনা '১৮ সালে সার্ভিসে আসার পর মাত্র ০২ বার দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে। সংখ্যার হিসাবে যা এখন পর্যন্ত অত্যন্ত নিরাপদ। অথবা আমরা Eurofighter Typhoon পরিচালনা করতে পারতাম। যা সামান্য কিছু দূর্ঘটনার অনুপাতে অত্যন্ত নিরাপদ ও আধুনিক একটি বিমান বলে বিবেচিত হয়।

আমাদের আজ Integrated Warfare (IW) এর সক্ষমতা শূণ্য। কারণ আমাদের সক্ষম সামরিক কর্মকর্তা নাই, সরঞ্জাম নাই, গুপ্তচর বাহিনী নাই। কারণ, আমাদের সকল সামরিক শাখা ও বাহিনী বিশ্বাসঘাতক আর দূর্নীতিবাজদের দ্বারা পরিপূর্ণ। আমাদের চতুর্দিকে আগ্রাসী একাধিক শক্তির উপস্থিতির পরেও আমাদের কোনো Defence Doctrine নাই। আমাদের নাই সক্ষম Special Forces Command। আমরা ভাঙাড়ি চালিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলি। "It's the man, not the machine" এর বয়ান ঝাড়ি।

আমি ইতিপূর্বে বলেছি যে, আমাদের সমস্যা কাটাতে বিদেশি শক্তির সাহায্য নেওয়া জরুরি। SADAT International Defence Consultancy যেখানে সর্বোত্তম অপশন। কারণ, তুরস্ক বর্তমানে Fifth Generation Fighter Aircraft, Drone, Air Defence, Tank থেকে শুরু করে Warship পর্যন্ত সমস্ত কিছু নির্মাণ করছে। আমরা সেখানে তাঁদের National Intelligence Organisation (MIT) এর সাথে সংশ্লিষ্ট Private Military Company এর সহায়তা নিলে তা আমাদের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তাদের বিশ্বাস অর্জনেও সহায়তা করবে। যা তাদের উৎসাহিত করবে তাদের সকল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আমাদের হাতে তাৎক্ষণিক উপযুক্ত বিনিময়ে হস্তান্তরের বিষয়ে। কিন্তু, আমি এমন পদক্ষেপ নেওয়ার উপযুক্ত কাউকে বাংলাদেশে দেখি না। এটি একটি অবাস্তব কল্পনা আমার জন্য।

বিমান বাহিনীর আলাপে ছিলাম। তুরস্ক Milli Muharip Uçak (KAAN) নিয়ে কাজ করছে। 5th Generation এর যুদ্ধবিমান। আমরা ইতিমধ্যে সেখানে পেছনে পড়ে গিয়েছি। কারণ, বাস্তবতা হলো, পৃথিবীর আর কোনো দেশ আমাদের কাছে এতটা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দিতে রাজি হবে না। কিন্তু, আমার প্রস্তাবিত পথে তুরস্ক হতে পারতো। আমরা পেছনে পড়ে গিয়েছি তার কারণ হলো, ইতিমধ্যে Ministry of Defence of The Indonesian Republic ৪৮টি আলোচ্য বিমান অর্ডার করে দিয়েছে। আরো অনেক দেশ করবে বলে শোনা যাচ্ছে। যার ফলে আমরা আদৌ কোনোদিন করলেও বিমানটি একদম সবার শেষে পাব। যদি তা কখনো ঘটে আর কি।

আর আলাপ না বাড়ানো ভালো। আলাপ আসলে অর্থহীন। অযোগ্য ও অসৎ লোকেরা সিদ্ধান্ত নিলে আমাদের আলাপে কাজ হওয়ার কথা নয়। আজকের দিনটা কষ্টদায়ক একটা দিন হতে চলেছে আমাদের জন্য। তবে, এরকম কষ্টদায়ক দিন যে আরো আসবে না তার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, F-7 ভূপাতিত হতে পছন্দ করে। আর, সবচেয়ে কষ্টদায়ক দিন হতে পারে সেদিন, যেদিন Rafale ও SU-30 MKI এর মতো অত্যাধুনিক বিমানে সজ্জিত Indian Air Force বাংলাদেশে হানা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিবে। সেদিন আমরা বোধহয় আকাশে ডানা মেলতেও পারব না।

ধন্যবাদ।

Want your business to be the top-listed Media Company in Feni?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


S. S. K. Road Feni
Feni