Mosaddik Studio

Mosaddik Studio

Share

Educational consultant

29/03/2026

মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল ও সেক্টর গঠন
সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও শেখ মুজিবকে সরকার গঠনে আহ্বান করার পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। প্রতিবাদে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। এরপর ২৫ শে মার্চ রাতে গণহত্যা চালায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং শুরু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ।

গণহত্যা শুরুর পর সামরিক বাহিনী, ইপিআর, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং তরুণ দেশপ্রেমিকেরা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

এর মধ্যে ১৯৭১ সালের ৪ঠা এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানেই প্রণীত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল, যা তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত।
ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট ২৭ জন সেনা কর্মকর্তা ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন।
সেখানে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
এপ্রিলের ১০ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার তথা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
তারপর আরও চারটি সামরিক অঞ্চল ঘোষণা করে সেগুলোর সেক্টর কমান্ডারদের নাম ঘোষণা করেন তাজউদ্দিন আহমদ।
উনিশশ একাত্তর সালের ১১ই জুলাই থেকে ১৭ই জুলাই পর্যন্ত কলকাতাস্থ ৮ নং থিয়েটার রোডের প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তরে সেক্টর কমান্ডার এবং উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ বাহিনীর নেতৃত্ব, সংগঠন, প্রশিক্ষণ, অভিযান, প্রশাসন ইত্যাদি বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা শেষে মোট চারটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল সেখানে।

সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে প্রধানতম ছিল সুষ্ঠুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা, এবং প্রতি সেক্টরের জন্য একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।

পাশাপাশি প্রতিটি সেক্টরকে অঞ্চল ভেদে ভাগ করা হয় কয়েকটি সাব-সেক্টরে।

আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধ সরঞ্জাম এদেশের মানুষের কাছে ছিল না।

এমন অবস্থায় স্বাধীনতা যুদ্ধ চালিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন রণকৌশল গ্রহণ করতে হয়েছিল।

আর পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে ফেলা ছিল এসব রণকৌশলেরই একটি অংশ।
মূল লেখা বিবিসি বাংলা

17/03/2026

আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন
আজ ১৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা সায়েরা খাতুন।
ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধু কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে প্রথমবার কারাবরণ করেন। পরবর্তীতে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিম-এর সান্নিধ্যে আসেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

15/03/2026

আজ ১৫ মার্চ। ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা এই দিনে ঢাকাসহ পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে সভা, সমাবেশ, মিছিল, মিটিং চলতে থাকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সব অফিস আদালতে চলে কর্মবিরতি। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, ঘরবাড়ি এমনকি যানবাহনে উড়ানো হয় কালো পতাকা। সামরিক বাহিনীর নয়াবিধি জারির প্রতিবাদে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সমাবেশে ছাত্ররা বাংলাদেশকে স্বাধীন বলে ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনের ১৫তম দিনে এসে আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান। আন্দোলন অস্তিত্বের লড়াইয়ে পরিণত হয় মুক্তিকামী বাঙালীর কাছে।
প্রতিপক্ষের আঘাতের জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত হতে থাকে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। সামরিক বাহিনীর নয়াবিধি জারির প্রতিবাদে ছাত্রদের ডাকা সমাবেশে বাংলাদেশকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করা হয়।
বাঙালীর অধিকার হরণের প্রতিবাদে শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীরা তাদের খেতাব বর্জন করতে থাকেন।
এদিন, ঢাকার বিভিন্ন জায়গার চেকপোষ্ট বসিয়ে পাকিস্তানী সৈন্যদের নজরদারি বন্ধের দাবি জানান বঙ্গবন্ধু। এরফলে বাঙালীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার সব চেষ্টাও ব্যর্থ হয় ইয়াহিয়া খানের সরকারের।
এমন এক উত্তাল দিনে কঠোর সামরিক নিরাপত্তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনা করতে ঢাকায় আসেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান। বঙ্গবন্ধুও স্বাধীনতার দাবিতে অটল থেকেই দেখা করতে যান ইয়াহিয়া খানের সাথে। সৌজন্যে একুশে টিভি

22/08/2024

হে পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহ আপনার রহমত দিয়ে বন্যাকবলিত মানুষদের হেফাজত করুন।

Want your school to be the top-listed School/college in Fulbaria?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Fulbaria
2216