Alert

Alert

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alert, Digital creator, Gazipur.

17/05/2024

মুসলিমদের খ্রিষ্টান বানানোর অপকৌশল প্রাক পর্যায় ও আধুনিক পর্যায়।

পৃথিবীর ইতিহাসে খ্রিষ্টান এমন একটি ধর্ম যার পুরোটাই দাঁড়িয়ে রয়েছে রক্তপাত হানাহানি ও ছলনার মাধ্যমে। একমাত্র খ্রিষ্টান ধর্ম তাদের ধর্মে ধর্মান্তরিত দের পূর্ববর্তী ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ (আল কুরআন,বেদ) ইত্যাদির উপর দিয়ে হাঁটতে ও প্রস্রাব করতে বাধ্য করে যা নজিরবিহীন।

প্রাক পর্যায়: খ্রিষ্টান ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ মতে ঈশ্বর (যীশু খ্রিস্ট) এর মহত্ত্ব ও ধর্ম প্রাচারের জন্য মৃথ্যা ও চালনার আশ্রয় নেওয়া পাপের কিছু নয় বরং পূন্য ও নাজাতের মাধ্যম। সেই লক্ষ্যে মিশনারিরা (চিকিৎসা, শিক্ষা)সেবার নামে ও অর্থের বিনিময়ে অখ্রিষ্টানদের খ্রিষ্টান বানিয়ে। শুধু এক খ্রিষ্টান মিশনারী যাকে মানবতার জননী আখ্যা দেওয়া হয়েছে তার চিকিৎসা ও সেবার নামে ধর্মান্তর এর পরিমাণ ছিল কল্পনাতীত।ভারতীয় একজন অমুসলিম অরুপ চ্যার্টাজি এর “ মাদার তেরেসা: মুখসের অন্তরালে” বই থেকে আমরা বিস্তারিত জানতে পারবো। এছাড়া তাদের কর্ম তৎপরতার এটা প্রধান অংশ ছিল একদম মাঠ পর্যায়ে গিয়ে লোকজনদের ধর্ম ও ধর্ম গ্ৰন্থ থেকে অতি সুক্ষ বিষয় যা সাধারণ মানুষদের তেমন জানার কথা নয় এমন বিষয় উপস্থাপন করা এবং তাদের কাছে চ্যালেন্জ ছুরে দেওয়া এই বলে যে,হয় তোমাদের ধর্ম সম্পর্কে আমাদের উপস্থিত যুক্তি সমূহকে ভুল প্রমাণিত করো আর না হয় আমাদের ধর্ম গ্রহণ করো।

আধুনিক পর্যায়: খ্রিষ্টান মিশনারিরা দেখল তারা সেবার নামে অর্থের লোভ দেখিয়ে অন্যান্য ধর্মের লোকদের খ্রিষ্টান বানাতে পারলেও মুসলিমদের ক্ষেত্রে তেমন কিছু করতে পারে নি। তাঁরা এক মহাসমাবেশ এর আয়োজন করে এবং পূর্বের কর্ম পদ্ধতি থেকে পুরোপুরি বিপরীত মেরুতে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেয়। তাঁরা নিজেদের খ্রিষ্টান পরিচয় না দিয়ে সাধারণ মুসলমানদের বলে আমরা আপনাদের মতোই মুসলিম তবে আমাদের তরীকা ভিন্ন আপনাদের যেমন চিছতিয়া কাদেয়ীরা নকশবন্দী তরীকা রয়েছে ঠিক একই রকম আমারা ঈসায়ী তরীকার মুসলিম। তাঁরা আর আগের মতো ধর্মান্তর হতে বলে তাঁরা বলে তোমারা নাযাতের জন্য ঈসায়ী তরীকার বা’আত গ্ৰহন কর ঈসায়ী তরীকার মুরিদ হও। তাঁরা কুরআন ও সুন্নাহর পরিভাষা ও মুসলিম সমাজে প্রচলিত শব্দ সমূহের আদলে নিজেদের খ্রিষ্টিও পরিভাষা সমূহ পরিবর্তন করতে শুরু করে। যেমন : ধর্মান্তর- তরীকাবন্দী হওয়া,ফাদার - আব্বাজান/হুজুর। তাঁরা ব্যাপক হারে বই ,লিফলেট বিনামূল্যে বিতরণ করেন বইগুলোতে আরবী লেখা আরবী কুরআন ও হাদীসের কথার মতো শব্দ চয়ন, ইসলামীক ক্যালিগ্ৰাফি ,ইসলামী পরিভাষার ব্যাবহার করে থাকেন যেন কোন মুসলিম সহজেই বুঝতে না পারে তার হাতে থাকা বইটি খ্রিষ্টান প্রচারকদের বা বাইবেলের সংস্করণ । মুসলিমরা যেন মনে করে তার হাতের বইটি কুরআন ও হাদীসের বই বা কোন আলেমদের লেখা বই। তাঁরা মূলত তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে প্রথমত মুসলিমদের খ্রিষ্টান বানানোর মাধ্যমে নয়তো মুসলিমদের ইসলাম থেকে বের করে দিয়ে অমুসলিম বানানোর মাধ্যমে।মাদ্রসা গুলোতে ছদ্দবেশী অনেক খ্রিষ্টান পড়াশোনা করে ও মসজিদের ইমাম হিসেবেও অনেক খ্রিষ্টান মিশনারি নিযুক্ত করেছেন তাঁরা।

মুসলমানদের খ্রিষ্টান বানানোর জন্য খ্রিষ্টান মিশনারিদের উল্লেখযোগ্য কৌশল সমূহ:

█▒▒ ❝ঈমান দূর্বল করা...❞ ▒▒█
মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন এনজিও ও প্রোকল্পের মাধ্যমে এবং অনলাইন ব্লক এ লেখালেখির মাধ্যমে মুসলিমদের ঈমান দূর্বল করা তাদের প্রথম কৌশল।

█▒▒ ❝সমাজ থেকে বিছিন্ন করা...❞ ▒▒█
মুসলমানদের ঈমান দূর্বল করার পর শুরু হয় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপকৌশল। পৃথিবীতে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই, সঠিক ইসলাম আর কোথাও নেই, মুসলিমরা সবাই মুনাফিক হয়ে গেছে এভাবে বলে বলে মুসলিমদের প্রতি মন বিষিয়ে তোলে। তাঁরা সবচেয়ে বেশি বাঁধার সৃষ্টি করে মুসলিমদের মসজিদে সালাত আদায়ের ব্যাপারে । মসজিদে সুদ খোর ঘুষ খোর সালাত আদায় করে, মসজিদ কমিটি ভালো না, বেতন ভুক্ত ইমাম এর পিছনে সালাত হবে না ইত্যাদি বলে মুসলিমদের মসজিদ বিমুখ করে। এছাড়াও বিশেষ করে জুমা’আর দিন তাদের বেতন ভুক্ত চোরদের দ্বারা মুসল্লিদের জুতা ও সেন্ঠেল চুড়ি করিয়ে থাকে যেন মুসল্লিরা বিশেষ করে অনিয়মিত মুসল্লিরা তাদের শখের দামি জুতাটি হাড়ানোর ভয়ে মসজিদ এ আসা ছেড়ে দেয়।

শিকারী প্রানী সাধারণত দল ছুট হওয়া প্রাণীটিকে শিকার করে থাকে, পালের মধ্যে থাকা পশুটিকে সহজে আক্রমণ করতে পারে না। তেমনি মুসলিম সমাজের কাউকে সহজে বিভ্রান্ত করা যায় না মুসলিম জামা’আতের কেউ না কেউ তাকে সতর্ক করবে। কিন্তু সমাজ বিছিন্ন কাউকে দলে ভেড়াতে খুব বেশি বেগ পেতে হয় না।

█▒▒ ❝আলেমদের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করা...❞ ▒▒█
আমাদের রোগ হলে চিকিৎসকের কাছে যাই তবে একজন চিকিৎসকের কাছে আমরা সব ধরনের রোগের জন্য যাই দাঁতের একজনের কাছে যাই আবার পেটের সমস্যা হলে অন্য জনের কাছে ‌। প্রত্যেক চিকিৎসা যেমন তাদের নিজস্ব বিষয়ে অভিজ্ঞ তেমনি ইসলামিক কোন বিষয় কুরআন হাদীস, ইসলাম বুঝার ক্ষেত্রে আলিমরা অভিজ্ঞ । এজন্য ইসলাম সম্পর্কে সাধারণ মুসলমানদের মনে সংশয় সৃষ্টি করে ভুল পথে চালিত করতে হলে প্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হলো আলেমদের থেকে মুসলমানদের দূরে সরাতে হবে‌।এই জন্য তাঁরা মূলত আলেমদের চরিত্র হনন করে থাকে। আলেমরা কুরআন শিখিয়ে ইমামতি করে অর্থ গ্ৰহন করে টাকার বিনিময়ে দ্বীনকে বিক্রি করে। আলেমরা সবাই ধর্ম ব্যবসায়ী তাঁরা ধর্মকে ব্যবহার করে প্রভাব প্রতিপত্তি অর্জন করছে। আলেমরা মত নষ্টের মূল একেক আলেম একেক কথা বলে তোমরা সাধারণ মানুষ কোনটা মেনে চলবে এভাবে বলে বলে মুসলিমদের মনে আলেমদের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে। মুসলিমরা আলেম বিমুখ হয়ে গেলে তাঁরা নিজেদের মনমতো ইসলামকে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে থাকে।

█▒▒ ❝হাদীস এর গ্ৰহনযোগ্য তা সম্পর্কে সংশয় সৃষ্টি করা...❞ ▒▒█
তাঁরা সরাসরি মুসলিমদের কুরআন থেকে দূরে যেতে কুরআন অস্বীকার করতে বলে না তবে হাদীস অস্বীকার করার কথা বলে। তাঁরা জানে মুসলিমদের কুরআন অস্বীকারের জন্য বললে এতে হিতে বিপরীত হবে এজন্য তাঁরা কুরআন এর অনেক প্রসংসা করবে আর বলবে কুরআনই তো যথেষ্ট এসব অনেক পড়ে লেখা হয়েছে এর কোন গ্ৰহন যোগ্যতা নেই । অথবা বলে তাকে হাদীস বিচার করতে হবে কুরআন দিয়ে ও আকাল দিয়ে এর বিপরীতে সব বাতিল। এতে করে কুরআন ব্যাখার যে মৌলিকত্ব যে নিতিমালা আল্লাহ নির্ধারিত তা থেকে বিচ্যুতি ঘটে । এতে করে তাঁরা নিজেদের মনমতো কুরআন এর অপব্যাখা হাজির করে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে।

█▒▒ ❝রাসূল সা: এর প্রতি মহব্বত উঠিয়ে দেওয়া ও সংশয় সৃষ্টি করা ...❞ ▒▒█
হয়ত মুহাম্মদ সাঃ মানবতা ন্যায় উওম চরিত্রে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। করুনাময় আল্লাহ্ আমাদের জন্য কিতাব নাজিল করছে ও তার বিধান সমূহ কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হয় তা তিনি হয়রত মুহাম্মদ সাঃ এর মাধ্যমে আমাদের শিখিয়েছেন। কোন মুসলিম যদি রাসুল সাঃ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তাঁর পক্ষে ইসলামের কোন বিধান যথাযথ ভাবে পালন করা সম্ভব নয়। সে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে মে হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর অনুসরণ করবে না।
মিশনারিরা মুসলমানদের মনে রাসুল সাঃ এর মহব্বত উঠিয়ে নিতে সদা তৎপর। তথাকথিত নাস্তিক মুক্তমনা অধিকাংশ যেনে তাদের অর্থে পরিচালিত হয়ে আর কিছু সংখ্যক না যেনে তাদের এই ঘৃণ্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তথাকথিত নাস্তিক মুক্তমনারা নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে তবে হাস্যকর ব্যাপার হলো এরা অন্য ধর্ম সম্পর্কে তেমন কিছুই বলে না যত অভিযোগ ঘৃণা সব ইসলাম মুসলিম ও মুহাম্মদ সাঃ কে নিয়ে। তাঁরা শ্রী কৃষ্ণ কে গালি দেয় না, গৌতম বুদ্ধকে গালি দেয় না,যিশু খ্রিস্ট কে গালি দেয় না। তাদের যতো অভিযোগ সব মুহাম্মদ সাঃ কে নিয়ে ব্লক গুলোতে নাইযুবিল্লাহ মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গ চিত্র প্রদর্শনী, রাসুল সাঃ কে খুনি, ধর্ষক ,শিশুকামী ইত্যাদি বলে গালি দেওয়া হয়।এসব করা হয় মূলত খ্রিষ্টান মিশনারিদের মিশন পরিপূর্ণ করার জন্য।

█▒▒ ❝কুরআন এর অপব্যাখা করা ও কুরআন দিয়ে বিভ্রান্ত করা...❞ ▒▒█
উপরোক্ত পর্যায়গুলো সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাঁরা কুরআন দিয়েই মুসলিমদের বিভ্রান্ত করা শুরু করে। তাঁরা বলে দেখ কুরআন এ বলা হয়েছে মুহাম্মদ (সাঃ) তুমি তোমার পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো কাজেই তিনি পাপি আর পাপি কখনো সাফায়াত করতে পারে না আমাদের ঈসা মসীহ (ঈসা আঃ) নিষ্পাপ তিনি সফায়াত করবেন মুহাম্মদ সাঃ সাফায়াত করতে পারবেন না। দেখ কুরআন এ ঈসা মসীহ এর নাম হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর থেকে বেশী এসেছে ঈসা মসীহ হযরত মুহাম্মদ সাঃ থেকে বেশি সম্মানিত । অতএব যদি বাঁচতে চাও ঈসা মসীহ এর ধর্ম গ্রহণ করো।

█▒▒ ❝খ্রিষ্টিও করন...❞ ▒▒█
তাঁরা প্যাপ্টাইজম খ্রিষ্টিও করনের নাম দিয়েছে তরিকা বন্দী হওয়া। পানির মধ্যে নামিয়ে পরিশুদ্ধ করা হয়ে থাকে খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিতদের। নতুন খ্রিষ্টান হওয়া কেউ যেন পূর্বের ধর্মে ফিরে না যায় এজন্য তাঁরা কুরআন এর উপর প্রস্রাব করানো দাড় করিয়ে কুরআনের উপর দিয়ে হাঁটনোর মতো নিকৃষ্ট কাজ করে থাকে তাঁরা।

█▒▒ ❝সন্ত্রাসী ও নৈরাজ্য বাদী তৈরি করা ...❞ ▒▒█

উপরোক্ত সকল কৌশল অবলম্বন করে ও যদি খ্রিষ্টান বানানো না যায় তার জন্য রয়েছে বিকল্প পন্থা সন্ত্রাসী তৈরি করা। YouTube, Facebook সহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে মুসলিম সেজে ব্যক্তিগত পরিচয় গোপন রেখে যুবকদের জি|হা দের নাম করে জ| বাদের দিকে ঠেলে দেওয়া। অনুসারীদের তাঁরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে যে সন্ত্রাস বাদ শিক্ষা দেয় তার ভুক্তভুগি হয় মুসলিমরা তাঁরা অস্ত্র ধরে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কেননা তাদের মতে মুসলিমরা সব মুনাফিক এরাই যত নষ্টের গোড়া তাঁরা কেবল খাঁটি মুসলমান এজন্য তাঁরা মুসলিম মারে ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে মসজিদে হামলা চালায়। এভাবে একদিকে যেমন উগ্রবাদীরা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যায় অপর দিকে তাদের হাতে হত্যা হয় হয় নিরিহ মুসলিমদের দুই দিক থেকেই মুসলিম কমে। আর তাঁরা উগ্রপন্থীদের নির্মূলের নামে ইসলাম ও মুসলিম নিধনে মেতে উঠে, তাদের কর্মকান্ডের জন্য ইসলাম কে দায়ী করা হয় বলা হয় ইসলাম ছড়িয়ে তরবারির মাধ্যমে মুসলিম মানেই সন্ত্রাসী আর নৈরাজ্য বাদী। শান্তি পেতে হলে খ্রিষ্ট ধর্মে আসো খ্রিষ্ট ধর্ম শান্তির ধর্ম।

খ্রিষ্টান মিশনারিদের কর্তৃক সৃষ্ট বিভ্রান্তির গঠন মূলক জবাব এর ইসলামী আলোচক ওয়েব সাইট ও বই সমূহ:

তাদের আলোচনা শুনবেন

১.শেখ আহমেদ দীদাত রহঃ

২.ড.খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহঃ

৩.মুশফিকুর রহমান মিনার

৪.সায়েম সাহারিয়ার

৫.ব্রাদার রাহুল

ওয়েব সাইট:
ইসলাম qa

বই সমূহ:
১. ইযহারুল হক(১-৩) ~মূলঃ আল্লামা রহমাতুল্লাহ কিরানবী( রহ.)। অনুবাদঃড.খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গির (রহ:)

২. সংক্ষিপ্ত ইযহারুল হক ~ড. মুহাম্মদ আহমাদ আবদুল কাতের মালকাবী
অনুবাদঃড.খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গির (রহ:)

৩. কিতাবুল মোকাদ্দস, ইঞ্জিল শরীফ ও ঈসায়ী ধর্মতত্ত্ব ~ড.খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গির (রহ:)

৪. পবিত্র বাইবেল পরিচিতি ও পর্যালোচনা~ড.খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গির (রহ:)

৫. খৃষ্টান ধর্মতত্ত্ব ও ইসলাম~ আহমাদ দীদাত (রহ.)

৬. খ্রিস্টান বানানোর অপকৌশল থেকে সাবধান
~ ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি
অনুবাদ: মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফফান

©️ আবুল কালাম আজাদ

Want your business to be the top-listed Media Company in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Gazipur