To know Islam
Islam for all mankind
লিখেছেন মুহতারাম Abu Yahya Muhammad Jakaria হাফিঃ.
সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠতে হবে?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমীরুল হিন্দ,উস্তাদে মুহতারাম আল্লামা সায়্যিদ আরশাদ মাদানী দা.বা. বাংলাদেশে ৫ দিনের সফরে এসেছেন।
এ সফরে তাকে নিয়ে শহর ও গ্রামের কয়েকটি মাদরাসায় বুখারী শরীফের খতম অনুষ্ঠান এবং ঘরোয়া কয়েকটি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাপী ইমামতুল্য মহান এই ইসলামিক স্কলারকে নিয়ে সর্বস্তরের জনগনের অংশগ্রহণমূলক ব্যাপক কোনো প্রোগ্রাম করা গেলনা বাংলাদেশে! যদি তাকে নিয়ে জাতীয় একটি সমাবেশ করা হতো,তাহলে এর দ্বারা শুধু শুধু মাদ্রাসা এবং মাদ্রাসার মুহতামিমগন উপকৃত হতেননা ; নি:সন্দেহে এক উম্মাহও উপকৃত হতো! মুসলিম উম্মাহর জন্যে কল্যাণ বয়ে আসতো!
তাকে নিয়ে ব্যাপক কোন মহা সমাবেশ করতে না পারাটা উলামায়ে কেরামের অনেক বড় ব্যর্থতা বলে মনে করি৷
যে ব্যক্তি সমগ্র ভারতবর্ষের হিন্দু,পৌত্তলিকদের চক্ষুশূল,যিনি হিন্দুত্ববাদী জনগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সম্প্রতি দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে শতাব্দীর স্মরণীয় ঈমান জাগানীয়া বক্তব্য দিয়ে ভারতবর্ষ জুড়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন। যার ঐতিহাসিক বক্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যে ভারতের হিন্দু পন্ডিত-পুরোহিতরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গেছেন।
উস্তাদে মুহতারামের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় তুমুল বিতর্ক চলছে,প্রতিদিন বিশ্বের প্রসিদ্ধ দৈনিক পত্রিকাগুলোতে তাকে এবং তাঁর বক্তব্য নিয়ে হেডলাইনে খবর প্রকাশিত হচ্ছে।
এমন মহান ব্যক্তিকে নিয়ে সিলেটের সরকারী আলীয়া মাদ্রাসা ময়দান কিংবা ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং চট্টগ্রামের জমিআতুল ফালাাহ/পলোগ্রাউন্ড ময়দানে উপমহাদেশ কিংবা বিশ্বের মুসলমানদের করণীয় শীর্ষক একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হলনা কেন?
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বড়দের থেকে এমন ব্যর্থতা ছাড়া আর কি শিখবে!
ভবিষ্যতে এধরণের বিদেশী উলামায়ে কেরামকে শুধু মাদ্রাসা কিংবা ঘরোয়া প্রোগ্রামের অতিথি না বানিয়ে আন্তর্জাতিক অতিথির মর্যাদা প্রদান করে জাতীয় মহাসমাবেশের আয়োজন করে সম্মান জানাতে বড়দের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইলো।
প্রিয় ভাই/বোন!
আপনার গোনাহের বোঝা যত ভারী হোক না কেন আপনার রব আপনাকে ভালোবাসেন,আপনাকে ক্ষমা করার জন্য অপেক্ষা করেন।এখনো সময় আছে উঠুন! জায়নামাজে বসে রবের কাছে চোখের পানি ছেড়ে দোয়া করুন।ইনশাআল্লাহ তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন।
অথচ এ সামন্য জীবনের জন্যই আমরা কত রঙিন পরিকল্পনা করি,সবকিছু আপন অবস্থায় থাকবে,থাকব না শুধু আমি আর আপনি।
হাদীসের আলো-৩
=======================
আবুদ দারদা রাযিঃ থেকে বর্ণিত,রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ মিযানের পাল্লায় উত্তম চরিত্রের চেয়ে ভারী কোন জিনিস হবে না।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নংঃ ৪৭৯৯)
মাসায়েলে নামাজ-৩
=====================
নামাজের সুন্নাতসমূহঃ
১. তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় দুই হাত কান পর্যন্ত উঠানো।
২. দুই হাতের আঙ্গুলগুলো স্বাভাবিক খোলা রেখে কিবলামুখী রাখা।
৩. তাকবীর বলার সময় মাথা না ঝুঁকানো।
৪. ইমাম তাকবীরে তাহরীমা ও অন্যান্য তাকবীর প্রয়োজন পরিমাণ উচ্চস্বরে বলা।
৫. বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে নাভির নিচে বাধা।
৬. সানা পড়া।
৭. আউযুবিল্লাহ পড়া।
৮. বিসমিল্লাহ পড়া।
৯. ফরজ নামাজের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে সূরা ফাতেহা পড়া।
১০. সূরা ফাতেহা পড়ার পর আমীন বলা।
১১. সানা, আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং আমীন আস্তে বলা।
১২. সুন্নাত পরিমাণ কিরাত পড়া।
১৩. রুকু-সেজদায় তিন তিনবার তাসবীহ পড়া।
১৪. রুকুর অবস্থায় মাথা ও পিঠ নিতম্বের সমান রাখা এবং হাতের আঙ্গুলগুলো খোলা রেখে হাটুতে শক্ত করে ধরা।
১৫. রুকু, থেকে উঠতে ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ, মুক্তাদি রাব্বানা লাকাল হামদ, আর মুনফারিদ উভয়টি বলা।
১৬. সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে দুই হাটু, এরপর দুই হাত অত:পর কপাল রাখা।
১৭. দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠক, প্রথম ও শেষ বৈঠক বাম পা বিছিয়ে এর উপর বসা।
ডান পা এমনভাবে খাড়া রাখা যে, আঙ্গুলের মাথা কিবলামুখী থাকে। আর দুই হাত রানের উপর রাখা।
১৮. তাশাহহুদে “আশহাদু আল্লা ইলাহা” বলার সময় শাহাদত আঙ্গুল উঠিয়ে ইশারা করা।
১৯. শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পর দুরূদ শরীফ পড়া।
২০. দুরূদ শরীফের পর দোয়ায়ে মাছুরা পড়া।
২১. প্রথমে ডান দিকে এবং পরে বাম দিকে সালাম ফিরানো।
বিঃ দ্রঃ নামাজের কোন সুন্নত ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয়া উচিৎ নয়।তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে ছুটে গেলে নমাজ ভঙ্গ হবে না,এবং সাহু সিজদাও ওয়াজিব হবে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the place of worship
Telephone
Website
Address
Tongi
Gazipur
1710