BDTECH Engineering and Development Ltd.

BDTECH Engineering and Development Ltd.

Share

Express yourself with the picture you capture anywhere, anytime

27/01/2026

ভাঙে ভুল ল্যাপিং থেকে ⚠️
❌ Same level lapping
✅ Staggered lapping
একটা ছোট ভুল = পুরো ভবনের বড় ঝুঁকি।

15/09/2025

Eccentric Footing:

Eccentric Footing বলতে বোঝায় এমন একটি ফাউন্ডেশন (footing) যেখানে কলাম (column) ফাউন্ডেশনের একেবারে মাঝখানে না বসে বরং কোনো একপাশে বা একদিকে সরিয়ে (eccentrically) বসানো হয়।

কেন ব্যবহার হয়?
Boundary condition এর জন্য:

অনেক সময় কলামকে প্লটের একেবারে ধারে বা প্রান্তে দিতে হয়। তখন সেন্টার করে footing দিলে তা প্লটের বাইরে চলে যাবে। এ অবস্থায় footing-কে ভেতরের দিকে রেখে কলামকে একপাশে eccentric করে দেওয়া হয়।

Architecture / Space utilization এর জন্য:

বিল্ডিংয়ের ভেতরে জায়গা বাঁচানোর জন্য বা দেয়ালের সাথে কলাম align করার জন্য eccentric footing ব্যবহার করা হয়।

>>Column alignment এর জন্য:

স্ট্রাকচারাল গ্রিড অনুযায়ী সব কলাম সমান লাইনে রাখার জন্য অনেক সময় eccentric footing প্রয়োজন হয়।

Eccentric Footing এর সমস্যা

ফাউন্ডেশনের উপর মাটিতে unequal pressure তৈরি হয়।

Center of gravity footing এর সাথে মেলে না বলে footing এ bending moment (overturning moment) তৈরি হয়।

ফলে footing কে extra reinforcement দিয়ে design করতে হয়।

👉 সহজ করে বললে:
Eccentric footing তখন ব্যবহার হয় যখন কলামকে প্লটের ধারে বা নির্দিষ্ট লাইনে বসাতে হয়, যেখানে footing কে কেন্দ্র করে দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে এতে লোডের distribution অসম হয়ে যায় বলে বিশেষ structural design প্রয়োজন হয়।

01/08/2025

ছাদ ঢালাইয়ের সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত?

১। ছাদ বা ফ্লোরের শাটারিং কোনোভাবেই ধাপে ধাপে করা যাবে না। একটি ফ্লোর বা ছাদ ঢালাই করার সময় পুরো ছাদের শাটারিং একবারে করা অত্যাবশ্যক। এর সাথে সম্পূর্ণ ফর্মা সমতল হয়েছে কিনা তা-ও একবারেই যাচাই করে নিতে হবে।
২। ছাদ ও বীম ঢালাইয়ের কাজও করতে হবে একসাথেই। যদিও ছাদের লোড বীমের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবুও তৈরির ক্ষেত্রে এদের একসাথে তৈরি করা অত্যাবশ্যক। ছাদ ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি পুরু হতে পারে।
৩। সাধারণত ২১ দিন পর থেকেই ফর্মা খোলা হয়। তবে ২৮ দিন ফর্মা খোলাই ভালো। অবশ্যই ঢালাইয়ের একদিন পরই ছাদের উপরিভাগে পানি ধরে রেখে কিউরিং করতে হবে।
৪। ঢালাইয়ের জন্য যে কাঠের কাজ করা হয়, তাকে বলা হয় সেন্টারিং। এর জন্য যে তক্তা বা প্লেট ব্যবহার করা হয়, তাতে ছিদ্র থাকা চলবে না এবং তক্তার উপরে কোনো তৈলাক্ত পদার্থ (যেমন- ডিজেল বা গ্রিজ) লাগানো থাকলে তা সুন্দর হয়। তবে বর্তমানে পাতলা পলিথিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসব প্রক্রিয়া মেনে চললে সর্বনিম্ন সময়ে শাটার খোলা সম্ভব।
৫। মর্টার মেশাতে যদি মেশিন ব্যবহার করা হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে দুটি ব্যাপারে-
১। কমপক্ষে ২ মিনিট ধরে মেশাতে হবে।
২। মেশানোর সময় সম্পূর্ণ পানির সাথে মিক্সচার গুলে যাওয়া যাবে না।
৬৷ হাতে মিক্সচার তৈরি না করাই উচিত। এতে করে গুণগত মানের ধারাবাহিকতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। মানসম্পন্ন কংক্রিট অনেকদিন স্থায়ী ছাদ তৈরিতে খুবই দরকারি।
৭। ছাদ ঢালাইয়ের সময় সেটিং শুরু হবার আগেই প্রক্রিয়া শেষ করা উচিত। আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা সময় নেওয়াটা ভালো মানের পরিচায়ক। দেরি হয়ে গেলে ঢালাই আবার নতুন করে তৈরি করা উচিত। অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করলে তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
৮। পিলারের শাটার তৈরির পরে তার মধ্যে ঢালাই ঢালার নিয়ম হচ্ছে, ঢালাই ১.৫ মিটারের বেশি উপর থেকে না ঢালা। এতে মিক্সচারের উপাদান আলাদা হয়ে যাবার ঝুঁকি থাকে।
৯। ঢালাই করার পর যাচাই করে দেখতে হবে ঢালাই যেন নিরেট হয় ও তাতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে। এক্ষেত্রে নিডল ভাইব্রেটর বা লোহার রড দিয়ে ঠাসাই করা উচিত।
১০। ছাদ ঢালাই করার নিয়মঃ-
উপাদানঃ- সিমেন্ট, বালি এবং খোয়া।
উপাদানের অনুপাতঃ- সিমেন্টঃ বালিঃ খোয়া ১ঃ২ঃ৪।
এই মিশ্রণ প্রতি ৫০ কেজির সিমেন্টের বস্তার ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে এবং পানির পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ২৫ লিটার।
২ মিনিট ধরে এই মিশ্রণ মেশিনে প্রস্তুত করতে হবে। যদি হাতে তৈরি করতে হয় তাহলে পাকা মেঝেতে সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণ তৈরি করে দক্ষ হাতে মর্টার তৈরি করতে হবে। ১ ফুট পরপর মোটা বাঁশ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে বা ধাতব ফ্রেম ব্যবহার করতে হবে, যাতে ছাদ ও বীমের ফর্মা যথেষ্ট মজবুত হয়। আগের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে সেন্টারিং, শাটারিং, ঢালাই, জমাট বাঁধা ও কিউরিং ইত্যাদি ধাপ মেনে ঢালাই সম্পন্ন করতে হবে।
১১। মেঝে ঢালাই করার নিয়মঃ-
মেঝে ঢালাই দেবার নিয়ম অনেকটা ছাদ ঢালাইয়ের মতোই। তবে মেঝে ঢালাই তুলনামূলক সহজ, কারণ, এটি ভেঙে গিয়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশঙ্কা তুলনামূলক কম। তবে এখানেও মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সবক্ষেত্রেই। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত যা করতে হবে তা হলো-
১। মেঝে ভিটে বালি দিয়ে ভরাট করতে হবে।
২। ভালোভাবে মুগুর দিয়ে দুরমুজ করে সমান করে নিতে হবে।
৩। পানি ঢালতে হবে।
৪। ঢালাইয়ের আগে ইট বিছাতে হবে।
৫। ঢালাইয়ের পুরুত্ব হতে হবে তিন ইঞ্চি।

Want your business to be the top-listed Equipment Service in Gazipur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Bagher Bazar, Gazipur Sadar, Gazipur
Gazipur
1740